নবীজী সা. এর ফরয নামায
আযান-একামত
নবীজী ﷺ নামাযের সময় হলে আযান দিতে বলেছেন, মুকীম হোক বা মুসাফির।
إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَلْيُؤَذِّنْ لَكُمْ أَحَدُكُمْ وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ
“যখন নামাযের সময় হয় তখন তোমাদের কেউ যেন আযান দেয় আর তোমাদের যে বড় সে তোমাদেরকে নামায পড়ায়।” -সহীহ বুখারী (৬৮৫), সহীহ মুসলিম (৬৭৪), সুনানে কুবরা-নাসাঈ (১৬০০)।
إِذَا سَافَرْتُمَا فَأَذِّنَا وَأَقِيمَا وَلْيَؤُمَّكُمَا أَكْبَرُكُمَا
“যখন তোমরা সফর করবে তখন আযান দিবে ও ইকামত দিবে। আর তোমাদের যে বড় সে যেন তোমাদের নামায পড়ায়।” -(সহীহ) সুনানে নাসাঈ (৬৩৪), সুনানে তিরমিযী (২০৫) দ্র. সহীহ বুখারী (৬০৪)
নামাযের শুরুতে ইকামাত দিতে বলেছেন।
إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ، فَأَذِّنَا وَأَقِيمَا ثُمَّ لِيَؤُمَّكُمَا أَكْبَرُكُمَا.
“যখন (তোমরা সফর করবে আর) নামাযের সময় হবে তখন আযান দিবে ও ইকামত দিবে। এরপর তোমাদের যে বড় সে যেন তোমাদের নামায পড়ায়।” -সহীহ বুখারী (৬৫৮), সহীহ মুসলিম (৬৭৪), সুনানে কুবরা-নাসাঈ (১৬৩৩)।
ইকামাতের বাক্যগুলো জোড়া জোড়া করে উচ্চারণ করতে বলেছেন।
عَن أبي مَحذورةَ: أنَّ النَّبِيَّ ‘ عَلَّمَه الإِقَامَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً.
“আবু মাহযূরা রা. থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইকামত শিখিয়েছেন সতেরো কালিমার। (আর জোড়া করে বললেই সতেরো কালিমা হবে।)” -(সহীহ) সুনানে তিরমিযী (১৯২), সুনানে নাসাঈ (৬৩০)। মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা (২১৩২), মুসনাদে আহমাদ (১৫৩৮১), সুনানে আবু দাউদ (৫০২) দ্র. কিতাবুল হুজ্জাহ আলা আহলিল মাদীনাহ, ১/৬৮, ৬৯র্
إنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ زَيْدٍ الأَنْصَارِيَّ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ ‘َ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، رَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ كَأَنَّ رَجُلاً قَامَ عَلَى جِذْمَةِ حَائِطٍ، فَأَذَّنَ مَثْنَى، وَأَقَامَ مَثْنَى، وَقَعَدَ قَعْدَةً، قَالَ: فَسَمِعَ ذَلِكَ بِلاَلٌ، فَقَامَ فَأَذَّنَ مَثْنَى، وَأَقَامَ مَثْنَى، وَقَعَدَ قَعْدَةً.
“একবার আবদুল্লাহ বিন যায়েদ রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! স্বপ্নে দেখলাম যেন এক ব্যক্তি বাগানের পার্শ্বে দাঁড়িয়ে জোড় শব্দে আযান ও ইকামাত দিচ্ছেন, এবং মাঝখানে কিছু সময়ে বসে থাকলেন।’ বর্ণনাকারী বলেন, বিলাল রা. তা শুনে নিজে জোড় শব্দে আযান ও ইকামাত দিলেন এবং মাঝখানে কিছুক্ষণ বসে থাকলেন।” -(সহীহ) মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা (২১৩১), সহীহ ইবনে খুযায়মা (৩৭৯), সুনানে বায়হাকী ১/৪২০।
আযান ও ইকামাতের মৌখিক জবাব দেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ، فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ
“যখন তোমরা আযান শুনতে পাবে তখন তোমরাও মুয়াযযিনের অনুরূপ আযানের বাক্যগুলো বলবে” -সহীহ বুখারী (৬১১), সহীহ মুসলিম (৮৭৪), সুনানে তিরমিযী (২০৮), সুনানে আবু দাউদ (৫২২)। দ্র. সুনানে আবু দাউদ (৫২৮), সুনানে বায়হাকী ১/৪১১।