ওয়াজিব ও সুন্নাত নামায
তাহাজ্জুদের নামায
নবীজী ﷺ তাহাজ্জুদের অধিক গুরুত্ব দিতেন।
أَفْضَلُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الصَّلاَةِ الْمَكْتُوبَةِ الصَّلاَةُ فِى جَوْفِ اللَّيْلِ.
“ফরজ নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হলো রাতের গভীরে নামায।” -সহীহ মুসলিম (১১৬৩), সুনানে নাসাঈ (১৬১৪), মুসনাদে ইসহাক ইবনে রাহূয়া (২৭৬)।
কোনো কারণে রাতে পড়ার সুযোগ না হলে দিনে পড়তেন।
كَانَ إِذَا غَلَبَهُ نَوْمٌ أَوْ وَجَعٌ عَنْ قِيَامِ اللَّيْلِ صَلَّى مِنَ النَّهَارِ ثِنْتَىْ عَشْرَةَ رَكْعَةً.
“ঘুম বা যন্ত্রণা যদি তাকে কাবু করে রাতের নামায থেকে সরিয়ে রাখত তিনি দিনে বারো রাকআত নামায পড়তেন।” -সহীহ মুসলিম (৭৪৬), সুনানে আবু দাউদ (১৩৪২), সুনানে তিরমিযী (৪৪৫)
সাধারণত এশার পরে ঘুমাতেন। ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ পড়তেন।
{كَانُوا قَلِيلاً مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُون}
“রাতের সামান্য অংশই তারা ঘুমিয়ে অতিবাহিত করত।” -সূরা যারিয়াত, আয়াত: ১৭।
{وَبِالأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُون}
“রাতের শেষ প্রহরে তারা ইসতিগফারে মগ্ন থাকত।” -সূরা যারিয়াত, আয়াত: ১৮।
فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ ‘ حَتَّى انْتَصَفَ اللَّيْلُ أَوْ قَبْلَهُ بِقَلِيلٍ أَوْ بَعْدَهُ بِقَلِيلٍ اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ ‘...فَتَوَضَّأَ مِنْهَا فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى.
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়ে গেলেন। একসময় দ্বিপ্রহর বা তার একটু আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত হলেন। ... এরপর তিনি তা থেকে অযু করলেন। তিনি উত্তমরূপে অযু করলেন। এরপর নামাযে দাঁড়ালেন।” -সহীহ বুখারী (৯৯২), সহীহ মুসলিম (৭৬৩), মুয়াত্তা মালেক (৩৯৬)।
সফরেও তাহাজ্জুদ পড়তেন।
যাদুল মাআদ ১/৩১৩। সহীহ মুসলিম (১৮০৮)।
তাহাজ্জুদ নামাযের রাকআত সংখ্যা সর্বদা নির্দিষ্ট থাকতো না। কখনো আট রাকআত, কখনো ছয়, কখনো চার রাকআত পড়তেন।
সহীহ বুখারী (১১৪০, ১১৫৯, ১১৩৯), সহীহ মুসলিম (৭২৪)।