ওয়াজিব ও সুন্নাত নামায
তারাবীহ এর নামায
নবীজী ﷺ রামাদান মাসে কিয়াম তথা এশার পর তারাবীর প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ‘ يُرَغِّبُ فِى قِيَامِ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ أَنْ يَأْمُرَهُمْ فِيهِ بِعَزِيمَةٍ.
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের রাতের নামাযের প্রতি সবাইকে আগ্রহী করতেন, কিন্তু দৃঢ়ভাবে কাউকে নির্দেশ করতেন না।” -সহীহ মুসলিম (৭৫৯), সুনানে তিরমিযী (৮০৭), সহীহ ইবনে খুযায়মা (২২০৭)।
তিনি এশার পর কয়েকদিন জামাআতের সাথে তারাবীহ পড়েছেন। সাহাবা কেরামের আমল ও বক্তব্য থেকে প্রমাণিত, তারাবীহ বিশ রাকআত ছিলো।
إِنَّ رَسُولَ ‘ كَانَ يُصَلِّي فِي رَمَضَانَ عِشْرِينَ رَكْعَةً وَالْوِتْرَ
“রামাদান মাসে নবীজী ﷺ বিশ রাকাত তারাবী এবং বিতির পড়তেন।” -(হাদীস সহীহ) মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা (৭৭৬২), আলমুজামুল আউসাত (৭৯৮)।
হাদীসটি সনদের দিক থেকে দূর্বল হলেও ‘তালাক্কীর’ দিক থেকে নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী।
عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ ، أَنَّ عُمَرَ أَمَرَ أُبَيًّا أَنْ يُصَلِّيَ بِالنَّاسِ فِي رَمَضَانَ فَصَلَّى بِهِمْ عِشْرِينَ رَكْعَة.
“উবাই ইবনে কাব রা. থেকে বর্ণিত। উমার রা. উবাই রা.কে রমযানে লোকদের নিয়ে নামায পড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি তাদেরকে নিয়ে বিশ রাকআত নামায পড়েন।” -(হাদীস সহীহ) আলআহাদিসুল মুখতারা (১১৬১)।
عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ: كَانُوا يَقُومُونَ عَلَى عَهْدِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ¢ فِى شَهْرِ رَمَضَانَ بِعِشْرِينَ رَكْعَةً.
“সায়েব ইবনে ইয়াযীদ বলেন, তাঁরা উমার রা. এর খেলাফতকালে রমযানের রাতে বিশ রাকআত নামায পড়তেন।” -(সহীহ) সুনানে বায়হাকী ২/৪৯৬। দ্র. মুয়াত্তা মালেক (৩৮০), মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা (৭৭৭৪)।
নবীজী ﷺ রাতের নফল নামায এক সালামে দু’রাকআত-দু’রাকআত পড়ার উৎসাহ দিয়েছেন।
صَلاَةُ اللَّيْلُ مَثْنَى مَثْنَى.
“রাতের নামায দুই দুই (রাকআত করে)।” -সহীহ বুখারী (৯৯০), সহীহ মুসলিম (৭৪৯)।