নবীজী সা. এর ফরয নামায
সালাম
নবীজী ﷺ শেষ বৈঠকে দুআর পর সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করতেন।
مِفْتَاحُ الصَّلاَةِ الطُّهُورُ، وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ، وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ.
“নামাযের চাবি হলো পবিত্রতা। নামাযের তাহরীমা (নামায পরিপন্থী সকল কাজকে হারাম করে) হলো তাকবীর, নামাযের তাহলীল (সকল কাজকে হালাল করে) হলো সালাম।” -(হাদীস সহীহ) সুনানে তিরমিযী (৩, ২৩৮), সুনানে আবু দাউদ (৬১), দ্র. সুনানে তিরমিযী (২৩৮), সুনানে ইবনে মাজা (২৭৬)।
كَانَ يُسَلِّمُ عَنْ يَمِيْنِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ: أَلسَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ، السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ.
“তিনি ডানদিকে ও বামদিকে সালাম ফেরাতেন- আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।” -(সহীহ) সুনানে তিরমিযী (২৯৫), সুনানে নাসাঈ (১৩২৪), সুনানে আবু দাউদ (৯৯৭)।
সালাম দীর্ঘায়িত করতেন না।
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ: حَذْفُ السَّلَامِ سُنَّةٌ.
“আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালামে অতিরিক্ত টান না দেয়া সুন্নাত।” -(হাদীস হাসান) সুনানে তিরমিযী (২৯৭) সহীহ ইবনে খুযায়মা (৭৩৪) মুসতাদরাকে হাকেম (৮৪২), ১/২৩১।
সালাম ফিরানোর সময় স্বাভাবিকভাবে এতোটুকু পরিমাণ ‘মাথা মুবারক’ ঘুরাতেন যে, নবীজী ﷺ এর ‘গাল মুবারক’ পিছনে উপস্থিত মুসল্লিদের দৃষ্টিগোচর হতো।
عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: كُنْتُ أَرَى رَسُولَ اللَّهِ ‘ يُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ حَتَّى أَرَى بَيَاضَ خَدِّهِ.
“আমির ইবনে সাদ রা. তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ডানে ও বামে সালাম ফেরাতে মাথা এটুকু ঘুরাতে দেখেছি যে, তাঁর গালের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।” -সহীহ মুসলিম (৫৮২), সুনানে নাসাঈ (১৩১৬), সুনানে কুবরা-নাসাঈ (৭৩২)।
সালামের পর দুআ করতেন। সুন্নাতে রাতিবা থাকলে তা আদায় করতেন।