সূচিপত্র

নফল নামায

সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহনের নামায

সাহাবী কাবীসা রা. বলেন, একদিন মদীনায় সূর্যগ্রহণ হয়। আমরা তখন মদীনায় ছিলাম। নবীজী ﷺ অনেক পেরেশান হয়ে মসজিদে এসে দু’রাকআত নামায আদায় করেন। নামাযকে খুব দীর্ঘায়িত করলেন

সুনানে নাসাঈ (১৪৮৬), সুনানে আবু দাউদ (১১৮৭)।

যতক্ষণ না ‘গ্রহণের’ ইতি ঘটে। নামাযের পর দুআ করলেন। নবীজী ﷺ উম্মতকেও এ নামায পড়তে বলেছেন।

فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ حَتَّى انْجَلَتِ الشَّمْسُ فَقَالَ ‘: إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَصَلُّوا وَادْعُوا حَتَّى يُكْشَفَ مَا بِكُمْ.

“তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকআত নামায পড়লেন, একসময় সূর্যগ্রহণ সমাপ্ত হলো। তখন তিনি বললেন, কারো মৃত্যুর কারণে চাঁদ ও সূর্য গ্রহণের শিকার হয় না। সুতরাং যখন তোমরা এদুটিকে (গ্রহণ অবস্থায়) দেখবে তখন নামায পড় এবং আল্লাহর কাছে দোয়া কর, যতক্ষণ না তোমাদের পেরেশানী দূর হয়।” -সহীহ বুখারী (১০৪০), সহীহ মুসলিম (৯১০, ৯১১, ৯১২), সুনানে আবু দাউদ (১১৮৭)।

فَلَمَّا انْصَرَفَ قَعَدَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَقَالَ فِيمَا يَقُولُ: إِنَّ النَّاسَ يُفْتَنُونَ فِي قُبُورِهِمْ كَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ.

“সালাম ফেরানোর পর তিনি মিম্বরে বসলেন। এরপর বললেন, নিশ্চয় লোকেরা কবরে ফেতনার শিকার হবে দাজ্জালের ফেতনার মত।” -(সহীহ) সুনানে নাসাঈ (১৪৭৫), দ্র. সহীহ বুখারী (১০৫০), সহীহ ইবনে হিব্বান (২৮৪০)।

সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহনের নামায | নামাজ শিক্ষা - ২ | মুসলিম বাংলা