নফল নামায
সালাতুত তাসবীহ
নবীজী ﷺ স্বীয় চাচা আব্বাস রা.-কে সালাতুত তাসবীহ শিক্ষা দিয়েছেন এবং প্রতিদিন একবার পড়তে বলেছেন। সম্ভব না হলে সপ্তাহে একবার, তাও সম্ভব না হলে মাসে একবার, এরপরও সম্ভব না হলে বছরে একবার। ন্যূনতম জীবনে একবার পড়তে বলেছেন।
-(সহীহ) সুনানে আবু দাউদ (১২৯৭), সুনানে ইবনে মাজা (১৩৮৭), সহীহ ইবনে খুযায়মা (১২১৬)।
হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন: ইমাম ইবনে খুযায়মা, ইমাম আবু দাউদ, ইমাম আবু বকর আলআজুররী, ইবনে মানদাহ, খতীব বাগদাদী, আবু সাআদ আসসামআনী, আবু মুসা আলমাদীনী প্রমুখ। এবং হাসান বলেছেন আরও অনেকেই। (দ্র. আননাকদুস সহীহ-আলাঈ পৃ. ৩০, সুনানে আবু দাউদ, টীকা ও তাহকীক: শায়খ শুআইব আরনাউত)।
এ হাদীসের ব্যাপারে ইমামদের দ্বিমত রয়েছে। তবে সার্বিক বিবেচনায় প্রমাণযোগ্য হওয়াটাই অগ্রগণ্য।
নবীজী ﷺ স্বীয় চাচাকে নামাযের পদ্ধতি এভাবে শিক্ষা দিয়েছেন, চার রাকআতের নিয়ত করবেন, কিয়াম, কিরাআত, রুকূ, সেজদা স্বাভাবিক নামাযের ন্যায় করবেন। প্রত্যেক রাকআতে এভাবে তাসবীহ পড়বেন, প্রথম রাকআতে কিরাআত শেষ করে দাঁড়িয়ে-
سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
পনেরো বার পড়বেন। এরপর রুকূতে গিয়ে উক্ত তাসবীহ দশবার বলবেন। রুকূ থেকে দাঁড়িয়ে দশবার পড়বেন। এরপর সেজদায় দশবার পড়বেন। সেজদা থেকে উঠে দশবার পড়বেন। দ্বিতীয় সেজদায় দশবার পড়বেন। সেজদা থেকে উঠে বসা অবস্থায় দশবার পড়বেন। এরূপ প্রতি রাকআতে উক্ত তাসবীহটি পঁচাত্তরবার পড়বেন। এভাবে চার রাকআত পূর্ণ করে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবেন।