দু’আ

মোট দু’আ - ৬১৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দু‘আ-১৩২

اَللّٰهُمَّ خِرْ لِيْ وَاخْتَرْ لِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার জন্য নির্বাচন করুন ও পছন্দ করুন। (আর এ তো বলাই বাহুল্য যে, আপনিই যখন নির্বাচন করবেন, তখন তো ভুলের সম্ভাবনাও থাকবে না)।

.

দু‘আ-১৩৩

اَللّٰهُمَّ أَرْضِنِيْ بِقَضَآئِكَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْ مَا قُدِّرَ لِيْ، حَتّٰى لَاۤ أُحِبَّ تَعْجِيْلَ مَاۤ أَخَّرْتَ وَلَا تَأْخِيْرَ مَا عَجَّلْتَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার ফয়সালায় রাজি-খুশি রাখুন আর যা কিছু আমার জন্য ধার্য হয়েছে, তাতে আমার জন্য বরকত দিন, যেন আপনি যা বিলম্বে রেখেছেন, তাতে আমি ত্বরা না করি আর যা আপনি অবিলম্বে রেখেছেন, তাতে বিলম্ব অন্বেষণ না করি।১২৯

.

দু‘আ-১৩৪

اَللّٰهُمَّ لَاعَيْشَ إِلَّاعَيْشُ الْاٰخِرَةِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই তো (প্রকৃত) জীবন।১৩০

.

দু‘আ-১৩৫

اَللّٰهُمَّ أَحْيِنِيْ مِسْكِيْنًا وَّأَمِتْنِيْ مِسْكِيْنًا، وَاحْشُرْنِيْ فِيْ زُمْرَةِ الْمَسَاكِيْنِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! জীবনে আমাকে ‘মিসকীন’ বানিয়ে রাখুন, মৃত্যুও আমাকে ‘মিসকীন’ অবস্থায় দিন আর ‘মিসকীনদের’ মাঝেই আমাকে পুনরায় জীবিত কোরেন।

.

দু‘আ-১৩৬

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ الَّذِيْنَ إِذَاۤ أَحْسَنُوْا اسْتَبْشَرُوْا، وَإِذَا ۤ أَسَآءُوْا اسْتَغْفَرُوْا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে ঐ বান্দাদের মাঝে শামিল করুন, যারা ভালো কাজ করলে আনন্দিত হয় আর মন্দ কাজ করলে ইসতিগফার করে।১৩১

.

দু‘আ-১৩৭

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ رَحْمَةً مِّنْ عِنْدِكَ تَهْدِيْ بِهَا قَلْبِيْ، وَتَجْمَعُ بِهَاۤ أَمْرِيْ، وَتَلُمُّ بِهَا شَعَثِيْ، وَتُصْلِحُ بِهَا دِيْنِيْ، وَتَقْضِيْ بِهَا دَيْنِيْ، وَتَحْفَظُ بِهَا غَائِـبِيْ، وَتَرْفَعُ بِهَا شَاهِدِيْ، وَتُبَيِّضُ بِهَا وَجْهِيْ، وَتُزَكِّيْ بِهَا عَمَلِيْ، وَتُلْهِمُنِيْ بِهَا رَشَدِىْ، وَتَرُدُّ بِهَا أُلْفَتِيْ، وَتَعْصِمُنِيْ بِهَا مِنْ كُلِّ سُوْٓءٍ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার খাস রহমত, যা দ্বারা আপনি আমার অন্তরকে পথ দেখাবেন, আমার কর্মে শৃঙ্খলা দান করবেন, আমার বিক্ষিপ্ততা দূর করবেন, আমার দ্বীনদারীকে শুদ্ধতা ও সৌন্দর্য দান করবেন, আমার ঋণ পরিশোধ করবেন, আমার অপ্রকাশ্য অবস্থার সংরক্ষণ করবেন, আমার প্রকাশ্য অবস্থাকে উচ্চতা দান করবেন, আমার মুখমণ্ডল উজ্জ্বল করবেন, আমার কর্মকে পবিত্র করবেন, আমার অন্তরে হেদায়েত নাযিল করবেন, আমার পরিণত অবস্থা ফিরিয়ে দিবেন এবং ঐ রহমত দ্বারা আমাকে সকল অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন।১৩২

.

দু‘আ-১৩৮

اَللّٰهُمَّ أَعْطِنِيْۤ إِيْمَانًا لَّا يَرْتَدُّ، وَيَقِيْنًا لَّيْسَ بَعْدَهٗ كُفْرٌ، وَرَحْمَةً أَنَالُ بِهَا شَرَفَ كَرَامَتِكَ فِيْ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে এমন ঈমান দিন, যা টলবে না, এমন ইয়াকীন দিন, যার পর আর কুফর হবে না, এমন রহমত দিন, যার দ্বারা আমি দুনিয়া-আখিরাতে আপনার পক্ষ হতে মর্যাদাপ্রাপ্তির সৌভাগ্য লাভ করি।১৩৩

.

দু‘আ-১৪০

اَللّٰهُمَّ مَا قَصُرَ عَنْهُ رَأْيِيْ وَضَعُفَ عَنْهُ عَمَلِيْ وَلَمْ تَبْلُغْهُ مُنْيَتِيْ وَ مَسْأَلَتِيْ مِنْ خَيْرٍ وَّعَدْتَهٗۤ أَحَدًا مِّنْ خَلْقِكَ، أَوْ خَيْرٍ أَنْتَ مُعْطِيْهِ أَحَدًا مِّنْ عِبَادِكَ فَإِنِّيْۤ أَرْغَبُ إِلَيْكَ فِيْهِ، وَأَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ رَبَّ الْعَالَمِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! এমনসব কল্যাণ, যা উপলব্ধি করতে আমার চিন্তা ব্যর্থ, যা অর্জনে আমার কর্ম অপারগ আর যা আমার আকাঙ্ক্ষা ও প্রার্থনার ঊর্ধ্বে। অথচ আপনি কোনো মাখলুককে তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অথবা আপনার কোনো বান্দাকে তা দান করবেন, আমি ঐ বিষয়ে আপনার কাছে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছি এবং আপনার রহমতের উসীলায় তা আপনার কাছে প্রার্থনা করছি ইয়া রাব্বাল আলামীন!১৩৫

.

দু‘আ-১৪১

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أُنْزِلُ بِكَ حَاجَتِيْ وَإِنْ قَصُرَ رَأْيِيْ وَضَعُفَ عَمَلِىْ، اِفْتَقَرْتُ إِلٰى رَحْمَتِكَ، فَأَسْأَلُكَ يَا قَاضِيَ الْأُمُوْرِ! وَيَا شَافِيَ الصُّدُوْرِ! كَمَا تُجِيْرُ بَيْنَ الْبُحُوْرِ أَنْ تُجِيْرَنِيْ مِنْ عَذَابِ السَّعِيْرِ وَمِنْ دَعْوَةِ الثُّبُوْرِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْقُبُوْرِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আমার প্রয়োজন আপনার কাছেই নিবেদন করছি, যদিও আমার বুদ্ধি অক্ষম, আমার কর্ম অপারগ, আমি ভিখারী আপনার রহমতের। সুতরাং হে সর্বকর্মবিধায়ক! হে সকল অন্তরের উপশমদাতা! যেভাবে আপনি সমুদ্রের মাঝে দাঁড় করিয়েছেন (অদৃশ্য) প্রাচীর, আমাকেও (ঐ রকম) জাহান্নামের আযাব থেকে, আক্ষেপ-আর্তনাদ থেকে ও কবরের ফিতনা থেকে প্রাচীর দ্বারা দূরে রাখুন। (এটাও তো আপনার পক্ষে কিছুমাত্র কঠিন নয়)।১৩৬

১০.

দু‘আ-১৪২

اَللّٰهُمَّ ذَا الْحَبْلِ الشَّدِيْدِ وَالْأَمْرِالرَّشِيْدِ! أَسْأَلُكَ الْأَمْنَ يَوْمَ الْوَعِيْدِ، وَالْجَنَّةَ يَوْمَ الْخُلُوْدِ مَعَ الْمُقَرَّبِيْنَ الشُّهُوْدِ الرُّكَّعِ السُّجُوْدِ الْمُوْفِيْنَ بِالْعُهُوْدِ، إِنَّكَ رَحِيْمٌ وَّدُوْدٌ، اِنَّكَ أَنْتَ تَفْعَلُ مَا تُرِيْدُ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! ‘দৃঢ় রজ্জু’ যাঁর, সত্য দ্বীন যাঁর, আমি আপনার কাছে হাশর দিবসে নিরাপত্তা চাই এবং আখিরাতে ঐসব মানুষের সাথে জান্নাত চাই, যারা নৈটক্যপ্রাপ্ত, নিয়মিত উপস্থিত, বেশি বেশি রুকু-সিজদাকারী এবং প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী। নিশ্চয়ই আপনি বড় দয়ালু, মেহেরবান এবং নিশ্চয়ই আপনি যা চান করতে পারেন।১৩৭ -কানযুল উম্মাল

১১.

দু‘আ-১৪৩

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنَا هَادِيْنَ مُهْتَدِيْنَ، غَيْرَ ضَآلِّيْنَ وَلَا مُضِلِّيْنَ، سِلْمًا لِّأَوْلِيَآئِكَ، وَحَرْبًا لِّأَعْدَآئِكَ، نُحِبُّ بِحُبِّكَ مَنْ أَحَبَّكَ، وَنُعَادِيْ بِعَدَاوَتِكَ مَنْ خَالَفَكَ مِنْ خَلْقِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের আপনি পথপ্রাপ্ত ও পথপ্রদর্শক করুন। বিপথগামী ও বিভ্রান্তকারী নয়। আপনার বন্ধুদের মিত্র ও আপনার দুশমনদের শত্রু বানিয়ে দিন। আমরা আপনার মাখলুকের মাঝে তাকেই ভালোবাসি, যে আপনাকে ভালোবাসে। আর তার সাথেই শত্রুতা পোষণ করি, যে আপনার বিরোধিতা করে।১৩৮

১২.

দু‘আ-১৪৪

اَللّٰهُمَّ هٰذَا الدُّعَآءُ وَعَلَيْكَ الْإِجَابَةُ، وَهٰذَا الْجَهْدُ وَعَلَيْكَ التُّكْـلَانُ، اَللّٰهُمَّ لَا تَكِلْنِيْۤ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ، وَلَا تَنْزِعْ مِنِّيْ صَالِحَ مَاۤ أَعْطَيْتَنِىْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! এ-ই প্রার্থনা আর আপনারই কাজ কবুল করা। এ-ই চেষ্টা আর আপনারই উপর ভরসা। ইয়া আল্লাহ! আমাকে এক মুহূর্তের জন্যও আমার নিজের কাছে সোপর্দ কোরেন না। আর যে সকল উত্তম বস্তু আপনি আমাকে দিয়েছেন, তা আমার কাছ থেকে ফিরিয়ে নিয়েন না।১৩৯

১৩.

দু‘আ-১৪৫

اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ لَسْتَ بِإِلٰهِ ۟اِسْتَحْدَثْنَاهُ، وَلَا بِرَبٍّ يَبِيْدُ ذِكْرُهُ ابْتَدَعْنَاهُ، وَلَاعَلَيْكَ شُرَكَآءُ يَقْضُوْنَ مَعَكَ، وَلَا كَانَ لَنَا قَبْلَكَ مِنْ إِلٰهٍ نَلْجَأُ إِلَيْهِ وَنَذَرُكَ، وَلَاۤ أَعَانَكَ عَلٰى خَلْقِنَا أَحَدٌ فَنُشْرِكَهٗ فِيْكَ، تَـبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ، فَنَسْئَلُكَ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّۤا أَنْتَ اغْفِرْلِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি তো এমন ইলাহ নন, যাকে আমরা উদ্ভাবন করেছি, এমন পালনকর্তা নন, যার নাম ক্ষণস্থায়ী, যাকে আমাদের কল্পনাশক্তি সৃষ্টি করেছে, না হুকুম ও ফায়সালায় আপনার কোনো সঙ্গী-শরীক আছে, না আপনার আগে আমাদের কোনো ইলাহ ছিল, যার কাছে আমরা আশ্রয় নিতে পারি আপনাকে ছেড়ে। না আমাদের সৃষ্টি করার বিষয়ে কেউ আপনাকে সাহায্য করেছে যে, তাকে আপনার শরীক মনে করতে পারি। আপনি তো বরকতময়, সুউচ্চ। সুতরাং ইয়া আল্লাহ—যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই! আপনার কাছে মিনতি, আমাকে আপনি মাফ করে দিন।১৪০

১৪.

দু‘আ-১৪৭

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ بِالْعِلْمِ وَزَيِّنِّيْ بِالْحِلْمِ، وَأَكْرِمْنِيْ بِالتَّقْوٰى وَجَمِّلْنِيْ بِالْعَافِيَةِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে ইলম দ্বারা সাহায্য করুন এবং স্থিরতা ও সহনশীলতা দ্বারা সজ্জিত করুন। আর তাকওয়ার দ্বারা মর্যাদা দান করুন এবং সুস্থতা ও নিরাপত্তার দ্বারা শোভন করুন।১৪২

১৫.

দু‘আ-১৪৮

اَللّٰهُمَّ لَا يُدْرِكُنِيْ زَمَانٌ وَّلَا يُدْرِكُوْا زَمَانًا لَّا يُتَّبَعُ فِيْهِ الْعَلِيْمُ، وَلَا يُسْتَحْيٰى فِيْهِ مِنَ الْحَلِيْمِ، قُلُوْبُهُمْ قُلُوْبُ الْأَعَاجِمِ، وَأَلْسِنَتُهُمْ أَلْسِنَةُ الْعَرَبِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! ঐ যুগ যেন আমাকে না পায় এবং এরাও যেন ঐ যুগ পর্যন্ত না পৌঁছায়, যে যুগে না ইলমওয়ালার অনুসরণ করা হবে, না ভদ্র ও সহনশীলের লেহায করা হবে। তাদের অন্তর হবে আজমীদের আর ভাষা আরবীদের।১৪৩

১৬.

দু‘আ-১৪৯

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَتَّخِذُ عِنْدَكَ عَهْدًا لَّنْ تُخْلِفَنِيْهِ، فَإِنَّمَاۤ أَنَا بَشَرٌ، فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ اٰذَيْتُهٗ أَوْ شَتَمْتُهٗ أَوْ جَلَدْتُّهٗ أَوْ لَعَنْتُهٗ فَاجْعَلْهَا لَهٗ صَلٰوةً وَّزَكوٰةً وَّقُرْبَةً تُقَرِّبُهٗ بِهَاۤ إِلَيْكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার নিকট থেকে একটি প্রতিশ্রুতি নিচ্ছি, আপনি কখনো এর অন্যথা কোরেন না। আমি তো একজন মানবমাত্র। সুতরাং যে মুসলিমকেই আমি কষ্ট দেই বা কটু কথা বলি কিংবা প্রহার করি বা অভিশাপ দেই আপনি একে তার জন্য কোরেন আশীর্বাদ ও পবিত্রতা এবং আপনার নৈকট্যের উপায়।১৪৪

১৭.

দু‘আ-১২৮

اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ قُدْرَتِكَ، وَأَدْخِلْنِيْ فِيْ رَحْمَتِكَ، وَاقْضِ أَجَلِىْ فِيْ طَاعَتِكَ، وَاخْتِمْ لِيْ بِخَيْرِ عَمَلِيْ، وَاجْعَلْ ثَـوَابَهُ الْجَنَّةَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার কুদরত দ্বারা শান্তি ও নিরাপত্তা দিন, আমাকে আপনার রহমতের মাঝে দাখিল করুন, আমার জীবন আপনার আনুগত্যের মাঝে অতিবাহিত করুন, আমার সর্বোত্তম আমলের মাঝে আমার (জীবনের) সমাপ্তি দান করুন এবং এর বিনিময়ে আমাকে জান্নাত নসীব করুন।১২৬

১৮.

দু‘আ-১২৯

اَللّٰهُمَّ فَارِجَ الْهَمِّ! كَاشِفَ الْغَمِّ، مُجِيْبَ دَعْوَةِ الْمُضْطَرِّيْنَ! رَحْمٰنَ الدُّنْيَا وَرَحِيْمَهَا! أَنْتَ تَرْحَمُنِىْ، فَارْحَمْنِيْ بِرَحْمَةٍ تُغْنِيْنِيْ بِهَا عَنْ رَّحْمَةِ مَنْ سِوَاكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! দুশ্চিন্তা দূরকারী! অনুতাপ বিদূরণকারী! অসহায়ের ফরিয়াদ শ্রবণকারী! দুনিয়া-আখিরাতের রহমান ও রহীম! আপনিই আমার উপর রহম করবেন। সুতরাং আমার উপর এমন রহম করুন, যার দ্বারা আমাকে অন্য সবার রহম থেকে বেনিয়ায করবেন।

১৯.

দু‘আ-১৩১

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ، وَمِنْكَ السَّلَامُ وَإِلَيْكَ يَعُوْدُ السَّلَامُ، أَسْأَلُكَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ! أَنْ تَسْتَجِيْبَ لَنَا دَعْوَتَنَا، وَأَنْ تُعْطِيَنَا رَغْبَتَنَا، وَأَنْ تُغْنِيَنَا عَمَّنْ أَغْنَيْتَهٗ عَنَّا مِنْ خَلْقِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার নাম ‘সালাম’, আপনার নিকট থেকেই শান্তির সূচনা আর আপনার কাছেই প্রত্যাবর্তিত শান্তি ও নিরাপত্তা। হে প্রতাপ ও মর্যাদার মালিক! আপনার কাছে আবেদন, আমাদের প্রার্থনা মঞ্জুর করুন, আমাদের ইচ্ছা পূরণ করুন, আপন মাখলুকের মধ্যে যাদের আপনি আমাদের থেকে অমুখাপেক্ষী করেছেন, আমাদেরও তাদের থেকে অমুখাপেক্ষী করে দিন। (কারণ, মাখলুকের মুখাপেক্ষী হওয়ার মাঝে তো লাঞ্ছনা থাকেই।)১২৮

২০.

দু‘আ-১৬১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ، وَأَصْلِحْهُمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِهِمْ، وَاجْعَلْ فِيْ قُلُوْبِهِمِ الْإِيْمَانَ وَالْحِكْمَةَ، وَثَبِّتْهُمْ عَلٰى مِلَّةِ رَسُوْلِكَ، وَأَوْزِعْهُمْ أَنْ يَّشْكُرُوْا نِعْمَتَكَ الَّتِۤيْ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ وَأَنْ يُّوْفُوْا بِعَهْدِكَ الَّذِيْ عَاهَدْتَهُمْ عَلَيْهِ، وَانْصُرْهُمْ عَلٰى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ، إِلٰهَ الْحَقِّ، سُبْحَانَكَ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُكَ، اِغْفِرْ لِيْ ذَنْۢبِيْ وَأَصْلِحْ لِيْ عَمَلِيْ، إِنَّكَ تَغْفِرُ الذُّنُوْبَ لِمَنْ تَشَآءُ، وَأَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ، يَا غَفَّارُ اغْفِرْ لِيْ، يَا تَوَّابُ تُبْ عَلَيَّ، يَا رَحْمٰنُ ارْحَمْنِيْ، يَا عَفُوُّ اعْفُ عَنِّيْ، يَا رَءُوْفُ ارْءُفْ بِيْ، يَا رَبِّ أَوْزِعْنِيْ أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِيْۤ أَنْعَمْتَ عَلَيَّ، وَطَوِّقْنِيْ حُسْنَ عِبَادَتِكَ، يَا رَبِّ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُـلِّه، يَا رَبِّ افْتَحْ لِيْ بِخَيْرٍ وَّاخْتِمْ لِيْ بِخَيْرٍ، وَقِنِي السَّيِّئَاتِ، وَمَنْ تَقِ السَّيِّئَاتِ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمْتَهٗ، وَ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيْمُ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে মাফ করুন এবং মাফ করুন সকল মুমিন নর-নারী ও সকল মুসলিম নারী-পুরুষকে এবং তাদেরকে সংশোধন করুন, তাদের মাঝে সৌহার্দ সৃষ্টি করুন, তাদের হৃদয়সমূহে সম্প্রীতি দান করুন, তাদের অন্তরে ঈমান ও হিকমত দান করুন, তাদেরকে আপনার রাসূলের দীনের উপর অটল রাখুন। আপনি তাদের যে নেয়ামত দিয়েছেন, তার শোকর করার তাওফীক তাদের দান করুন,১৫৫ যে অঙ্গীকার তাদের কাছ থেকে নিয়েছেন, তা পূরণ করার তাওফীক দিন আর তাদেরকে আপনার ও তাদের শত্রুর উপর বিজয়ী করুন।১৫৬ হে সত্য মাবুদ! আপনি পবিত্র, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আমার গুনাহ মাফ করুন, আমার আমল শুদ্ধ করুন। নিশ্চয়ই আপনি যার গুনাহসমূহ ইচ্ছা মাফ করে থাকেন। আপনিই তো পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। হে ক্ষমাকারী! আমায় ক্ষমা করুন। হে তাওবা কবুলকারী! আমার তাওবা কবুল করুন। হে পরম দয়ালু! আমার উপর দয়া করুন। হে ক্ষমাশীল! আমাকে ক্ষমা করুন। হে মেহেরবান! আমার প্রতি মেহেরবানী করুন। পরওয়ারদেগার! আমাকে তাওফীক দিন, যে নেয়ামত আমাকে দান করেছেন আমি যেন তার শোকর করতে পারি। আমাকে শক্তি দিন, আপনার ইবাদত যেন আমি উত্তমরূপে করতে পারি। পরওয়ারদেগার! আপনার কাছে প্রার্থনা করছি সকল কল্যাণ। পরওয়ারদেগার! আমার সূচনা কল্যাণের সাথে করুন, সমাপ্তিও কল্যাণের সাথে করুন। আর আমাকে অকল্যাণ থেকে রক্ষা করুন। ঐদিন (হিসাব-দিবসে) যাদের আপনি অকল্যাণ থেকে রক্ষা করবেন, নিশ্চয়ই তার প্রতি করুণাই করবেন। আর এ-ই তো পরম সাফল্য।১৫৭