দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - সোমবার)

মোট বিষয় - ৩১ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

বরকত লাভ ও বঞ্চনার পরীক্ষায় অবিচল থাকার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ ضَعْ فِيْۤ أَرْضِنَا بَرَكَتَهَا وَزِيْنَتَهَا وَسَكَنَهَا، وَلَا تَحْرِمْنِيْ بَرَكَة َ مَاۤ أَعْطَيْتَنِيْ، وَلَا تَفْتِنِّيْ فِيْمَاۤ أَحْرَمْتَنِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা দা‘ ফী আরদিনা বারাকাতাহা ওয়া যীনাতাহা ওয়া সাকানাহা, ওয়া লা তাহরিমনী বারাকাতা মা আ‘তাইতানী, ওয়া লা তাফতিন্নী ফীমা আহরামতানী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের জমিনে তার বরকত, সৌন্দর্য ও প্রশান্তি দান করুন। আপনি আমাকে যা দান করেছেন, তার বরকত থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না। আর যা থেকে আমাকে বঞ্চিত রেখেছেন, তা দিয়ে আমাকে পরীক্ষায় ফেলবেন না।

২.

উত্তম চরিত্র ও ফিতনা থেকে আশ্রয় লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِيْ فَأَحْسِنْ خُلُقِيْ، وَأَذْهِبْ غَيْظَ قَلْبِيْ، وَأَجِرْنِيْ مِنْ مُضِلَّاتِ الْفِتَنِ مَاۤ أَحْيَيْتَنَا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহসানতা খালকী, ফা-আহসিন খুলুকী, ওয়া আযহিব গাইযা কালবী, ওয়া আজিরনী মিন মুদিল্লাতিল ফিতানি মা আহইয়াইতানা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি যেমন আমার আকৃতি সুন্দর করেছেন, তেমনি আমার চরিত্রও সুন্দর করে দিন। আমার অন্তরের ক্ষোভ দূর করে দিন এবং যত দিন আমাকে জীবিত রাখবেন, তত দিন বিভ্রান্তিকর ফিতনা থেকে আমাকে আশ্রয় দিন।

৩.

মৃত্যুর সময় ঈমানের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ لَقِّنِّيْ حُجَّةَ الْإِيْمَانِ عِنْدَ الْمَمَاتِ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাক্কিনী হুজ্জাতাল ঈমানি ‘ইন্দাল মামাতি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! মৃত্যুর সময় আমাকে ঈমানের কালিমা স্মরণ করিয়ে দিন।

৪.

দিনের ও পরবর্তী সময়ের কল্যাণ প্রার্থনার দু‘আ

رَبِّ اَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِيْ هٰذَا الْيَوْمِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهٗ.
উচ্চারণঃ

রব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযাল ইয়াওমি ওয়া খাইরা মা বা‘দাহূ।

অর্থঃ

হে আমার রব! আমি আপনার কাছে এই দিনের কল্যাণ এবং এর পরবর্তী সময়ের কল্যাণ প্রার্থনা করছি।

৫.

দুনিয়াবী সুস্থতা ও উভয় জগতের কল্যাণ চেয়ে দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ. اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ وَاۤمِنْ رَوْعَاتِيْ. اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ مِنْۢ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِيْ، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِيْ وَمِنْ فَوْقِيْ، وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আফিয়াতা ফী দীনী ওয়া দুনইয়ায়া ওয়া আহলী ওয়া মালী। আল্লাহুম্মাসতুর ‘আওরাতী ওয়া আমিন রাও‘আতী। আল্লাহুম্মাহফাযনী মিন বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া ‘আন শিমালী ওয়া মিন ফাওকী, ওয়া আ‘ঊযু বি‘আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহতী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের ক্ষেত্রে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখুন এবং আমার ভয়-ভীতি থেকে আমাকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ! আমার সামনে, পেছনে, ডানে, বামে ও ওপর থেকে আমাকে হেফাজত করুন। আর আপনার মহত্ত্বের উসিলায় নিচ দিক থেকে আকস্মিক বিপদে আক্রান্ত হওয়া থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

৬.

সকল বিষয়ে সংশোধন ও আল্লাহর রহমতের সাহায্য প্রার্থনার দু‘আ

يَا حَيُّ! يَا قَيُّوْمُ! بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ، أَصْلِحْ لِيْ شَأْنِيْ كُـلَّهٗ، ولَا تَكِلْـنِيْ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ.
উচ্চারণঃ

ইয়া হাইয়্যু, ইয়া কাইয়্যূমু, বিরাহমাতিকা আসতাগীসু, আসলিহ লী শা’নী কুল্লাহূ, ওয়া লা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা ‘আইনিন।

অর্থঃ

হে চিরঞ্জীব! হে সবকিছুর ধারক ও রক্ষক! আমি আপনার রহমতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করছি। আমার সকল বিষয় সংশোধন করে দিন এবং চোখের পলক পরিমাণ সময়ের জন্যও আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।

৭.

জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভের দু‘আ

أَسْأَلُكَ بِنُوْرِ وَجْهِكَ الَّذِيْۤ أَشْرَقَتْ لَهُ السَّمٰوٰتُ وَالأَرْضُ، وَبِكُلِّ حَقٍّ هُوَ لَكَ، وَبِحَقِّ السَّآئِلِيْنَ عَلَيْكَ أَنْ تُقِيْلَنِيْ وَأَنْ تُجِيْرَنِيْ مِنَ النَّارِ بِقُدْرَتِكَ.
উচ্চারণঃ

আসআলুকা বিনূরি ওয়াজহিকাল্লাযী আশরাকাত লাহুস সামাওয়াতু ওয়াল আরদু, ওয়া বিকুল্লি হাক্কিন হুয়া লাকা, ওয়া বিহাক্কিস সা-ইলীনা ‘আলাইকা আন তুকীলানী ওয়া আন তুজীরানী মিনান নারি বিকুদরাতিক।

অর্থঃ

আমি আপনার সেই সত্তার নূরের উসিলায় প্রার্থনা করছি, যার দ্বারা আসমানসমূহ ও জমিন আলোকিত হয়েছে। আপনার জন্য নির্ধারিত প্রতিটি হকের উসিলায় এবং আপনার কাছে প্রার্থনাকারীদের হকের উসিলায় প্রার্থনা করছি, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আপনার কুদরতে জাহান্নামের আগুন থেকে আমাকে মুক্তি দিন।

৮.

কিয়ামতের দিনের আযাব থেকে মুক্তির দু‘আ

اَللّٰهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা কিনী আযাবাকা ইয়াওমা তাব‘আছু ‘ইবাদাক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! যেদিন আপনি আপনার বান্দাদের পুনরুত্থিত করবেন, সেদিন আমাকে আপনার আযাব থেকে রক্ষা করুন।

৯.

সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمٰوٰتِ السَّبْعِ وَمَاۤ أَظَلَّتْ! وَرَبَّ الْأَرَضِيْنَ وَمَاۤ أَقَلَّتْ! وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَاۤ أَضَلَّتْ! كُنْ لِيْ جَارًا مِّنْ شَرِّ خَلْقِكَ أَجْمَعِيْنَ أَنْ يَّفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِّنْهُمْ أَوْ أَنْ يَّطْغٰى عَزَّ جَارُكَ وَتَـبَارَكَ اسْمُكَ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রব্বাস-সামাওয়াতিস-সাব‘ই ওয়া মা আযাল্লাত, ওয়া রব্বাল-আরাযীনা ওয়া মা আকাল্লাত, ওয়া রব্বাশ-শায়াতীনি ওয়া মা আযাল্লাত, কুন লী জারাম মিন শাররি খালকিকা আজমাঈন, আন ইয়াফরুতা ‘আলাইয়া আহাদুম মিনহুম আও আন ইয়াতগা। ‘আযযা জারুকা, ওয়া তাবারাকা ইসমুক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! সাত আসমান ও যা কিছু তা ছায়া দেয়, সেসবের রব! জমিনসমূহ ও যা কিছু তা ধারণ করে, সেসবের রব! শয়তানদের ও যাদের তারা পথভ্রষ্ট করে, তাদের রব! আপনার সমগ্র সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আপনি আমার আশ্রয়দাতা হোন—যেন তাদের কেউ আমার ওপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে কিংবা সীমালঙ্ঘন না করে। আপনার আশ্রয়প্রাপ্ত সম্মানিত, আর আপনার নাম বরকতময়।

১০.

ক্ষমা ও আল্লাহর রহমত প্রার্থনার দু‘আ

لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ لَا شَرِيْكَ لَكَ سُبْحَانَكَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْتَغْفِرُكَ لِذَنْۢبِيْ وَأَسْأَلُكَ رَحْمَتَكَ .
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লা আনতা, লা শারীকা লাক, সুবহানাকা। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসতাগফিরুকা লিযাম্বী, ওয়া আসআলুকা রাহমাতাক।

অর্থঃ

আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, আপনার কোনো শরিক নেই। আপনি পবিত্র। হে আল্লাহ! আমি আমার গুনাহের জন্য আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার রহমত কামনা করছি।

১১.

গুনাহের ক্ষমা, বাসস্থানে প্রশস্ততা ও রিজিকে বরকতের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ، وَوَسِّـعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী যানবী, ওয়া ওয়াসসি‘ লী ফী দারী, ওয়া বারিক লী ফী রিযকী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমার বাসস্থানে প্রশস্ততা দান করুন এবং আমার রিজিকে বরকত দিন।

১২.

অন্তর, দৃষ্টি, শ্রবণ ও সর্বাঙ্গে নূর লাভের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِيْ قَلْبِيْ نُوْرًا، وَفِيْ بَصَرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ سَمْعِيْ نُوْرًا، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ نُوْرًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُوْرًا، وَمِنْ خَلْفِيْ نُوْرًا، وَمِنْ أَمَامِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ لِيْ نُوْرًا، وَفِيْ عَصَبِيْ نُوْرًا، وَفِيْ لَحْمِيْ نُوْرًا، وَفِيْ دَمِيْ نُوْرًا، وَفِيْ شَعْرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ بَشَرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ لِسَانِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ فِيْ نَفْسِيْ نُوْرًا، وَأَعْظِمْ لِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْنِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِيْ نُوْرًا، وَ مِنْ تَحْتِيْ نُوْرًا، اَللّٰهُمَّ اَعْطِنِيْ نُوْرًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আল ফী কালবী নূরান, ওয়া ফী বাসারী নূরান, ওয়া ফী সাম‘ঈ নূরান, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী নূরান, ওয়া ‘আন শিমালী নূরান, ওয়া মিন খালফী নূরান, ওয়া মিন আমামী নূরান, ওয়াজ‘আল লী নূরান, ওয়া ফী ‘আসাবী নূরান, ওয়া ফী লাহমী নূরান, ওয়া ফী দাম্বী নূরান, ওয়া ফী শা‘রী নূরান, ওয়া ফী বাশারী নূরান, ওয়া ফী লিসানী নূরান, ওয়াজ‘আল ফী নাফসী নূরান, ওয়া আ‘যিম লী নূরান, ওয়াজ‘আলনী নূরান, ওয়াজ‘আল মিন ফাওকী নূরান, ওয়া মিন তাহতী নূরান। আল্লাহুম্মা আ‘তিনী নূরান।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার অন্তরে নূর দান করুন, আমার দৃষ্টিতে নূর দান করুন, আমার শ্রবণে নূর দান করুন, আমার ডান দিকে নূর দান করুন, আমার বাম দিকে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন। আমার জন্য নূর নির্ধারণ করুন। আমার স্নায়ুতে নূর দান করুন, আমার গোশতে নূর দান করুন, আমার রক্তে নূর দান করুন, আমার চুলে নূর দান করুন, আমার ত্বকে নূর দান করুন, আমার জিহ্বায় নূর দান করুন। আমার অন্তরাত্মায় নূর দান করুন, আমার জন্য নূর বৃদ্ধি করুন, আমাকে নূর বানিয়ে দিন, আমার ওপর নূর দান করুন এবং আমার নিচে নূর দান করুন। হে আল্লাহ! আমাকে নূর দান করুন।

১৩.

রহমত ও রিজিকের দরজা খুলে দেওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لَنَاۤ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ، وَسَهِّلْ لَنَاۤ أَبْوَابَ رِزْقِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাফতাহ লানা আবওয়াবা রাহমাতিক, ওয়া সাহহিল লানা আবওয়াবা রিযকিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন এবং আমাদের জন্য আপনার রিজিকের দরজাগুলো সহজ করে দিন।

১৪.

শয়তান থেকে সুরক্ষার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اعْصِمْنِيْ مِنَ الشَّيْطَانِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা‘সিমনী মিনাশ শাইত্বান।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে শয়তান থেকে সুরক্ষিত রাখুন

১৫.

পবিত্র রিজিক, উপকারী জ্ঞান ও কবুল আমলের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ رِزْقًا طَيِّبًا وَّعِلْمًا نَّافِعًا وَّعَمَلًا مُّتَقَبَّلًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা রিযকান ত্বাইয়্যিবান, ওয়া ‘ইলমান নাফি‘আন, ওয়া ‘আমালাম মুতাকাব্বালান।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পবিত্র রিজিক, উপকারী জ্ঞান এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।

১৬.

দুশ্চিন্তা ও দুঃখ দূর করা এবং কুরআনকে অন্তরের প্রশান্তি বানানোর দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَآؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِه نَفْسَكَ أَوْ أَنْزَلْتَهٗ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْعَلَّمْتَهٗۤ أَحَدًا مِّنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِه فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْاٰنَ الْعَظِيْمَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ وَنُوْرَ بَصَرِيْ، وَجِلَآءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّىْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা, ওয়াবনু ‘আবদিকা, ওয়াবনু আমাতিকা। নাসিয়াতী বিয়াদিকা, মাদিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাযাউকা। আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন হুয়া লাকা, সাম্মাইতা বিহী নাফসাকা, আও আনযালতাহূ ফী কিতাবিকা, আও ‘আল্লামতাহূ আহাদাম মিন খালকিকা, আওইস্তা’ছারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইন্দাকা, আন তাজ‘আলাল কুরআনাল ‘আযীমা রবী‘আ কালবী, ওয়া নূরা বাসারী, ওয়া জিলাআ হুযনী, ওয়া যাহাবা হাম্মী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার সন্তান এবং আপনার বান্দীর সন্তান। আমার কপালের চুল আপনার হাতে। আমার ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্ত কার্যকর। আমার ব্যাপারে আপনার ফয়সালা ন্যায়পূর্ণ। আপনার প্রতিটি সেই নামের উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, যে নাম আপনি নিজের জন্য নির্ধারণ করেছেন, অথবা আপনার কিতাবে নাজিল করেছেন, অথবা আপনার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছেন, অথবা নিজের কাছে ইলমে গায়েবে সংরক্ষিত রেখেছেন—আপনি যেন মহান কুরআনকে আমার অন্তরের বসন্ত, আমার দৃষ্টির আলো, আমার দুঃখ দূর করার উপায় এবং আমার দুশ্চিন্তা দূর করার মাধ্যম বানিয়ে দেন।

১৭.

অসহনীয় বিপদ থেকে নিরাপত্তা লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ إِلٰهَ جِبْرَئِيْلَ وَمِيْكَآئِيْلَ وَإِسْرَافِيْلَ! وَإِلٰهَ إِبْرَاهِيْمَ وَإِسْمَاعِيْلَ وَإِسْحٰقَ! عَافِنِيْ وَلَا تُسَلِّطَنَّ أَحَدًا مِّنْ خَلْقِكَ عَلَيَّ بِشَيْءٍ لَّا طَاقَةَ لِيْ بِه.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইলাহা জিবরীলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরাফীলা, ওয়া ইলাহা ইবরাহীমা ওয়া ইসমাঈলা ওয়া ইসহাকা, ‘আফিনী, ওয়া লা তুসাল্লিতান্না আহাদাম মিন খালকিকা ‘আলাইয়্যা বিশাইয়িল্লা ত্বাকাতা লী বিহী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! জিবরীল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব! ইবরাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের রব! আমাকে নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করুন। আপনার সৃষ্টির কাউকে আমার ওপর এমন কোনো বিষয়ে কর্তৃত্বশীল করবেন না, যা সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই।

১৮.

হারাম থেকে বেঁচে হালাল রিজিক ও অন্যের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা ‘আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়াক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে যথেষ্ট করে দিন এবং আপনার অনুগ্রহে আপনি ছাড়া অন্য সবার মুখাপেক্ষিতা থেকে আমাকে মুক্ত রাখুন।

১৯.

আল্লাহর পথে বিনয়ী, অনুগত ও তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনশীল অন্তর লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ قُلُوْبًا أَوَّاهَةً مُّخْبِتَةً مُّنِيْبَةً فِيْ سَبِيْلِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা কুলূবান আওওয়াহাতাম মুখবিতাতাম মুনীবাতান ফী সাবীলিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে এমন অন্তর প্রার্থনা করি, যা আপনার ভয়ে কাতর, আপনার সামনে বিনীত ও অনুগত এবং আপনার পথে আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তনশীল।

২০.

আল্লাহর প্রশংসায় উত্তম বাক্য প্রার্থনার দু`আ

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كَالَّذِيْ تَقُوْلُ وَخَيْرًا مِّمَّا نَقُوْلُ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু কাল্লাযী তাকূলু, ওয়া খাইরাম মিম্মা নাকূলু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে প্রশংসা করেন, সেভাবে আপনারই প্রশংসা; আর আমরা যা বলি, তার চেয়েও উত্তম প্রশংসা আপনারই প্রাপ্য।

দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - সোমবার) | মুসলিম বাংলা