দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - শনিবার)

মোট বিষয় - ৫৪ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দু‘আ-২

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ ثَبِّتْ اَقْدَامَنَا وَ انْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَؕ۝۲۵۰
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-আফরিগ আলাইনা-সাবরাওঁ ওয়া ছাব্বিত আকদা-মানা-ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফরীন

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন। আমাদের কদম অবিচলিত রাখুন আর কাফির কওমের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন।৩

.

দু‘আ-৩

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعْفُ عَنَّا ۥ وَ اغْفِرْ لَنَا ۥ وَ ارْحَمْنَا ۥ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۠۝۲۸۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-লা-তুআ-খিযনা ইন নাছীনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহী ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তবে আপনি আমাদের পাকড়াও কোরেন না।৪ হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর এমন কঠিন কঠিন বিধান আরোপ কোরেন না, যেমন আরোপ করেছিলেন আমাদের আগের লোকদের উপর। (তারা ছিল আমাদের চেয়ে শক্তিশালী, তাই সে কঠিন বিধান পালনে সক্ষম হয়েছিল। আমরা সবদিক থেকে দুর্বল, কঠিন বিধান পালনের সামর্থ্য আমাদের নেই। পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর এমন (দুঃখ-কষ্টের) ভার চাপিয়ে দিয়েন না, যা আমরা সহজে বহন করতে পারব না। আমাদের ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করুন। আমাদের অপরাধ মার্জনা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির কওমের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন।৫ (আমরা তো আপনারই দীনের সিপাহী। অতএব, আপনার বিদ্রোহী ও আপনার দ্বীনের বিরোধীদের মোকাবেলায় কেন আমাদের বিজয়ী করবেন না? সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়ে কীভাবে আপনি নিজ বান্দাদের সাহায্য করা থেকে বিরত থাকবেন?)

.

দু‘আ-৫

رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَ قِنَا عَذَابَ النَّارِۚ۝۱۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ইন্নানা আ-মান্না-ফাগফিরলানা-যুনূবানা-ওয়াকিনা‘আযা-বান্না-র

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদের গুনাহসমূহ মাফ করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করুন।৭

.

দু‘আ-৭

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ اَخْزَیْتَهٗ ؕ وَ مَا لِلظّٰلِمِیْنَ مِنْ اَنْصَارٍ۝۱۹۲
উচ্চারণঃ

রাব্বানাইন্নাকা মান তুদখিলিন্না-রা ফাকাদ আখঝাইতাহূ ওয়ামা-লিজ্জা-লিমীনা মিন আনসা-র।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আপনি যাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন, তাকে তো লাঞ্ছিতই করলেন। আর কেউ নেই এ জালিমদের মদদগার।৯

.

দু‘আ-১০

رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ۝۲۳
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-জালামনা আনফুছানা-ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা-ওয়া তারহামনা-লানাকূনান্না মিনাল খা-ছিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের রব! আমরা তো নিজেদের উপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের মাফ না করেন এবং আমাদের উপর রহম না করেন, তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। (কারণ, আপনি ছাড়া আর কে আমাদের লাভের মুখ দেখাতে পারে?)১২

.

দু‘আ-১১

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِیْنَ۠۝۱۲۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-আফরিগ ‘আলাইনা-সাবরাওঁ ওয়াতাওয়াফফানা-মুছলিমীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর সবর বর্ষণ করুন এবং ইসলামের উপর আমাদের মৃত্যু নসীব করুন। ১৩

.

দু‘আ-১৩

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظّٰلِمِیْنَۙ۝۸۵ وَ نَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۝۸۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-লা-তাজ‘আলনা-ফিতনাতাল লিলকাওমিজ্জা-লিমীন। ওয়া নাজজিনা-বিরাহমাতিকা মিনাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদেরকে জালিম কওমের জুলুমের শিকার কোরেন না এবং নিজ দয়ায় আমাদের জালিম কওমের পাঞ্জা থেকে মুক্ত করুন। (অর্থাৎ আমাদের উপর যতদিন তাদের শাসন নির্ধারিত, ততদিন যেন আমাদের উপর জুলুম করতে না পারে। এরপর তাদের শাসন থেকেই আমাদের নিষ্কৃতি দিন।)১৫

.

দু‘আ-১৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِلْمُؤْمِنِیْنَ یَوْمَ یَقُوْمُ الْحِسَابُ۠۝۴۱
উচ্চারণঃ

রাব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন (অর্থাৎ কিয়ামতের দিন) আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও সকল মুমিনকে মাফ করে দিয়েন।১৮

.

দু‘আ-১৭

رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّیٰنِیْ صَغِیْرًاؕ۝۲۴
উচ্চারণঃ

রাব্বির হামহুমা-কামারাব্বাইয়া-নী সাগীরা

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমার বাবা-মাকে ঐ রকম রহম করুন যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে (দয়ার সাথে) লালন-পালন করেছেন।১৯

১০.

দু‘আ-১৮

رَبِّ اَدْخِلْنِیْ مُدْخَلَ صِدْقٍ وَّ اَخْرِجْنِیْ مُخْرَجَ صِدْقٍ وَّ اجْعَلْ لِّیْ مِنْ لَّدُنْكَ سُلْطٰنًا نَّصِیْرًا۝۸۰
উচ্চারণঃ

রাব্বি আদখিলনী মুদ খালা সিদকিওঁ ওয়া আখরিজনী মুখরাজা সিদকিওঁ ওয়াজ‘আলনী মিল্লাদুনকা ছুলতা-নান নাসীরা

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে দাখিল করুন যথার্থভাবে এবং বের করুন যথার্থভাবে। আর আমার জন্য নির্ধারণ করুন আপনার পক্ষ হতে এক মদদকারী শক্তি।২০

১১.

দু‘আ-১৯

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً وَّ هَیِّئْ لَنَا مِنْ اَمْرِنَا رَشَدًا۝۱۰
উচ্চারণঃ

রাব্বানাআ-তিনা-মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা-রাশাদা-।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের দান করুন আপনার নিজের পক্ষ হতে (বিশেষ) রহমত এবং ব্যবস্থা করুন আমাদের জন্য আমাদের কর্মের সফলতার।২১

১২.

দু‘আ-২১

رَبِّ زِدْنِیْ عِلْمًا۝۱۱۴
উচ্চারণঃ

রাব্বি ঝিদনী ‘ইলমা-।

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমার ইলম বাড়িয়ে দিন।২৩

১৩.

দু‘আ-২২

اَنِّیْ مَسَّنِیَ الضُّرُّ وَ اَنْتَ اَرْحَمُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۸۳
উচ্চারণঃ

আন্নী মাছছানিয়াদদু ররু ওয়া আনতা আরহামুররা-হিমীন ।

অর্থঃ

(পরওয়ারদেগার!) আমাকে স্পর্শ করেছে কষ্ট। আর আপনি তো সব দয়ালুর বড় দয়ালু। (সুতরাং আমার প্রতি দয়া করুন)।২৪

১৪.

দু‘আ-২৩

رَبِّ لَا تَذَرْ نِیْ فَرْدًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْوٰرِثِیْنَۚۖ۝۸۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি লা-তাযারনী ফারদাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিছীন।

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে একা (নিঃসন্তান) অবস্থায় রাখবেন না। আর আপনিই তো সকল ওয়ারিছের শ্রেষ্ঠ ওয়ারিছ।২৫

১৫.

দু‘আ-২৪

رَبِّ اَنْزِلْنِیْ مُنْزَلًا مُّبٰرَكًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْمُنْزِلِیْنَ۝۲۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি আনঝিলনী মুনঝালাম মুবা-রাকাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল মুনঝিলীন

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে বরকতময় জায়গায় অবতীর্ণ করুন। আপনি সর্বোত্তম অবতারণকারী।২৬

১৬.

দু‘আ-২৬

رَبَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَ ارْحَمْنَا وَ اَنْتَ خَیْرُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۱۰۹
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আ-মান্না-ফাগফিরলানাওয়ারহামনা-ওয়াআনতা খাইরুর রা-হিমীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমরা ঈমান এনেছি। সুতরাং আমাদের মাফ করুন এবং আমাদের উপর রহম করুন। নিশ্চয়ই আপনি সকল দয়ালুর বড় দয়ালু। (সুতরাং নিজ দয়ায় আপনি তো আমাদের ক্ষমা করেই দিবেন; তবে আমাদের দাসত্বের দাবি অনুযায়ী আমরা আপনার কাছে মিনতি জানাতে থাকব যে, আমাদের ঈমানের বিনিময়ে মাগফিরাতের পুরস্কার আমাদের দান করুন)।

১৭.

দু‘আ-২৭

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ۖۗ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًاۗۖ۝۶۵
উচ্চারণঃ

রাব্বানাসরিফ ‘আন্না-‘আযা-বা জাহান্নামা ইন্না ‘আযা-বাহাকা-না গারা-মা-।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! জাহান্নামের আযাবকে আমাদের থেকে দূরে সরিয়ে দিন। জাহান্নামের আযাব তো পূর্ণ বরবাদী। (যা আমাদের সহনক্ষমতার অতীত)।২৮

১৮.

দু‘আ-২৮

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّةَ اَعْیُنٍ وَّ اجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِیْنَ اِمَامًا۝۷۴
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-হাবলানা-মিন আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের দান করুন আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের তরফ থেকে চোখের শীতলতা। আর আমাদের বানান মুত্তাকীদের ইমাম।২৯

১৯.

দু‘আ-৪২

اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا، أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا.
উচ্চারণঃ

আল্লা–হুম্মা আতি নাফসি তাকওয়া-হা, ওয়া-জাক্কিহা, আনতা খাইরু মান জাক্কাহা, আনতা ওলিইউহা ওয়া মাওলা-হা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার সত্তাকে পরহেযগারী দান করুন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করুন। আপনি-ই তো এর উত্তম পরিশুদ্ধকারী। আপনিই এর মালিক ও প্রভু।৪৩

২০.

দু‘আ-৪৬

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ ذُنُوْبِيْ : خَطَئِـيْ وَعَمَدِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত সকল গুনাহ মাফ করুন।৪৭

দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - শনিবার) | মুসলিম বাংলা