আনতা ওয়ালিইউনা-ফাগফিরালানাওয়ারহামনা-ওয়া আনতা খাইরুল গা-ফিরীন।
আপনিই তো আমাদের মদদকারী। আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের উপর রহম করুন। আপনি শ্রেষ্ঠ ক্ষমাকারী। (কারণ, আপনার ক্ষমাই প্রকৃত ও নিশ্চিত ক্ষমা। মাখলুকের ক্ষমা তো প্রকৃত ক্ষমা নয়, যে কিনা নিজেই আপনার ক্ষমার মুখাপেক্ষী)।১৪
ফা-তিরাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি আনতা ওয়ালিইইয়ী ফিদদুনইয়া-ওয়াল আখিরাতি তাওয়াফফানী মুছলিমাওঁ ওয়া আলহিকনী বিসসা-লিহীন।
হে আকাশ ও ভূমির স্রষ্টা! দুনিয়া-আখিরাতে আপনিই থাকুন আমার সহায়। আমাকে মৃত্যু দিয়েন ইসলামের উপর আর আমাকে যুক্ত কোরেন নেককারদের সাথে। (নেককারদের মতো শুভ পরিণাম তো এক মহা সৌভাগ্য)।১৬
কা-লা রাব্বিশরাহলী সাদরী। ওয়া ইয়াছছিরলীআমরী। ওয়াহলুল ‘উকদাতাম মিলিলছা-নী। ইয়াফকাহূকাওলী
পরওয়ারদেগার! আমার সীনা খুলে দিন, আমার জন্য আমার কাজ সহজ করে দিন এবং আমার যবান থেকে জড়তা দূর করুন, যেন ওরা আমার কথা বোঝে।২২
রাব্বি আওঝি‘নীআন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতীআন‘আমতা ‘আলাইইয়া ওয়া ‘আলা-ওয়া-লিদাইইয়া ওয়াআন আ‘মালা সালিহান তারদা-হু ওয়া আদখিলনী বিরাহমাতিকা ফী ‘ইবাদিকাসসা-লিহীন।
পরওয়ারদেগার! আমাকে আপনার ঐ নেয়ামতের শোকরগোযারির উপর থাকার তাওফীক দিন, যা আপনি দান করেছেন আমাকে ও আমার পিতামাতাকে এবং তাওফীক দিন ঐ নেক আমলের উপর থাকার, যা হবে আপনার পছন্দের। আর নিজ করুণায় আমাকে শামিল করুন আপনার নেককার বান্দাদের মধ্যে।৩০
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! ক্ষমা করুন আমাদেরকে এবং আমাদের ঐ ভাইদেরকে, যারা ঈমানের সাথে আমাদের আগে চলে গেছে আর আমাদের অন্তরে ঈমানদারদের প্রতি বিদ্বেষ দিয়েন না। হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আপনি তো দয়াশীল, মেহেরবান। (আমাদের উপর আপনার দয়া ও করুণার ছায়াপাত ঘটিয়ে দিন। তাহলে আমাদের অন্তরগুলোও পরস্পর মিলিত হবে এবং পরস্পরের প্রতি কল্যাণকামিতায় পরিপূর্ণ থাকবে)।৩৭
ইয়া আল্লাহ! বরফ ও শিলার পানি দ্বারা আমার গুনাহসমূহ ধুয়ে দিন এবং আমার অন্তরকে গুনাহ থেকে এমন পরিষ্কার করুন, যেমন সাদা কাপড়ের ময়লা পরিষ্কার করা হয় আর আমার ও আমার গুনাহসমূহের মাঝে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করুন যেমন দূরত্ব আপনি সৃষ্টি করেছেন পূর্ব-পশ্চিমের মাঝে।৪২
ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে চাই আপনার মাগফিরাতের উপায়সমূহ ও নাজাতদানকারী আমলসমূহ এবং (আপনার কাছে চাই) সকল গুনাহ থেকে মুক্তি ও সকল ভালো কাজের তাওফীক; আর (প্রার্থনা করি) বেহেশতে যাওয়া ও দোযখ থেকে নাজাত পাওয়া।৪৫
ইয়া আল্লাহ! আমার দ্বীনদারী দুরস্ত করে দিন, যা আমার সকল বিষয়ের রক্ষাকবচ। আমার দুনিয়া দুরস্ত করে দিন, যাতে আমার অবস্থান এবং আমার আখিরাত দুরস্ত করে দিন, যাতে আমার প্রত্যাবর্তন। আর আমার জীবন যেন হয় সকল কল্যাণে অগ্রসরতা আর আমার মৃত্যু যেন হয় সকল অকল্যাণ থেকে মুক্তি।৫৩
ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি অক্ষমতা ও আলস্য থেকে, ভীরুতা ও অতিবার্ধক্য থেকে এবং ঋণ ও পাপ থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) দোযখের আযাব ও দোযখের ফিতনা থেকে (আশ্রয় নিচ্ছি) কবরের ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) সম্পদের কুফল ও সম্পদহীনতার অনিষ্ট থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে ও জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) অন্তরের কাঠিন্য ও উদাসীনতা থেকে; নিঃস্বতা, অপদস্থতা ও মুখাপেক্ষিতা থেকে; কুফরী, ফাসেকী ও জেদাজেদি থেকে আর লোকদেখানো ও লোকশোনানোর প্রবণতা থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) বধিরতা ও মূকতা থেকে, মস্তিষ্ক বিকলন, কুষ্ঠ, খারাপ রোগ-ব্যাধি ও ঋণের বোঝা থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) দুঃখ-দুশ্চিন্তা থেকে, কৃপণতা ও লোকের কর্তৃত্বপরায়ণতা থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) অতি বার্ধক্যে উপনীত হওয়া ও দুনিয়ার ফিতনা থেকে। (আশ্রয় নিচ্ছি) ঐ জ্ঞান থেকে, যার উপকার নেই, ঐ মন থেকে, যাতে তুষ্টি নেই, ঐ অন্তর থেকে, যাতে বিনয়-নম্রতা নেই; আর ঐ দু‘আ থেকে, যা কবুল হয় না।৫৫
দু'আর বিষয়সমূহ
38টি বিষয় পাওয়া গেছে