দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

সফরকারীদের জন্য বাসিন্দাদের দু‘আ-২

۞ زَوَّدَكَ اللهُ التَّقْوَى ، وَغَفَرَ ذَنْبَكَ ، وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ
উচ্চারণঃ

যাউওয়াদাকাল্লা-হুত্ তাক্বওয়া, ওয়াগাফারা যামবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসুমা কুন্ত্।

অর্থঃ

আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া (সংযমশীলতার-পাথেয়) প্রদান করুন, তোমার গোনাহ মাফ করে দিন, তুমি যেখানেই থাক, আল্লাহ যেন তোমার জন্য কল্যাণ সহজ করে দেন।

.

ঋণ পরিশোধের দু’আ-২

«بارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالأَدَاءُ»
উচ্চারণঃ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিকা, ইন্নামা জাযা-উস সালাফে আল-হামদু ওয়াল আদা-উ

অর্থঃ

আল্লাহ আপনার পরিবারে ও সম্পদে বরকত দান করুন। ঋণের প্রতিদান তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও সঠিকভাবে তা আদায় করণ।

.

সিজদার দু‘আ

۞ سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلٰى
উচ্চারণঃ

সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা।

অর্থঃ

মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি সর্বোচ্চ।

.

তালবিয়া

ইহরাম অবস্থায় ‘তালবিয়া’ পাঠ করতে হয়। তালবিয়ার বাক্যগুলো এরূপ:- ۞ لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لاَ شَرِيْكَ لَكَ
উচ্চারণঃ

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা-শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি'মাতা লাকা ওয়াল মুলক লা-শারীকা লাক।

অর্থঃ

আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ্! আমি উপস্থিত; আমি উপস্থিত, তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত; নিশ্চয় সব প্রশংসা এবং অশেষ অনুগ্রহ এবং আধিপত্যের তুমিই মালিক তোমার কোন অংশীদার নেই।

.

যমযমের পানি পান করার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَّرِزْقًا وَّاسِعًا وَّشِفَاءً مِّنْ كُلِّ دَاءٍ ۞
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান নাফি‘আও, ওয়া রিযক্বন ওয়াসি‘আও, ওয়া শিফাআম মিন কুল্লি দাইন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট উপকারী ইলম এবং প্রশস্ত রিযিক এবং সর্বপ্রকার রোগের শিফা চাচ্ছি।

.

জবাই করার দু‘আ

۞ بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُمَّ هَذَا مِنْكَ وَلَكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা হা-জা মিনকা ওয়া-লাক।

অর্থঃ

শুরু করছি আল্লাহর নামে, এবং আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। হে আল্লাহ, এটি আপনার থেকে এবং আপনার জন্যে।

.

৯ই যিলহজ্ব এর দু‘আ (তাকবীরে তাশরীক)

۞ اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

অর্থঃ

আল্লাহ মহান! আল্লাহ মহান! আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এবং আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

.

হজরে আসওয়াদ এবং মাকামে ইবরাহীমের মাঝের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ قَنِّعْنِيْ بِمَا رَزَقْتَنِيْ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْهِ، وَاخْلُفْ عَلَيَّ كُلَّ غَائِبَةٍ لِّيْ بِخَيْرٍ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা কান্নি‘নী বিমা রাযাকতানী, ওয়াবারিকলী ফীহি, ওয়াখলুফ আলাইয়া কুল্লা গা-ইবাতিন লী বিখাইরিন।

অর্থঃ

হে প্রভু! তুমি যে রিযিক (জীবিকা) আমাকে দান করেছ, তাতেই আমাকে তুষ্ট রাখ। এবং উহাতে বরকত দান কর। এবং আমার প্রতিটি অনুপস্থিত বিষয়ক তুমি মঙ্গলের সহিত রক্ষণাবেক্ষণ কর।

.

বাইতুল্লাহ থেকে বিদায় নেয়ার সময় দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ لَا تَجْعَلْ هٰذَا اَۤخِرَ الْعَهْدِ بِبَيْتِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লা তাজ‘আল হাযা আ-খিরাল আহদি বিবাইতিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, তোমার ঘরের এই (সফর) শেষ বিদায় যেন না হয়।

১০.

তাকবীরে তাহরীমা

۞ اَللّٰهُ أَكْبَرْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার।

অর্থঃ

আল্লাহ্‌ মহান।

১১.

যানবাহনে আরোহণের দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهٗ مُقْرِنِيْنَ ، وَإِنَّا إِلٰى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، اَللهُ أَكْبَرُ ، اَللهُ أَكْبَرُ ، اَللهُ أَكْبَرُ ، سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِيْ ، فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহি, সুবহানাল্লাযি সাখখারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রব্বিনা লামুনক্বলিবুন। আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। সুবহানাকাল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী ফাগফিরলী, ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, পবিত্রতা ঘোষণা করছি সেই সত্তার, যিনি এসব কিছুকে আমাদের নিয়ন্ত্রণে এনে দিয়েছেন। নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তন করব। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ সর্বশক্তিমান।

১২.

শহরে প্রবেশের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ ، وَرَبَّ الأَرَاضِيْنَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ ، وَرَبّْ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ ، وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيْهَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রব্বাস সামাওয়াতিস সাবয়ি ওমা আদলালনা, ওরব্বাল আরাদিনা-স-সাবয়ী ওয়ামা আকলালনা, ওরব্বাশ-শায়াতিনি ওয়ামা আদলালনা ও রব্বার-রিয়াহি ওয়ামা যারাইনা। আসআলুকা খাইরা হা-যিহিল-করয়াতি ও-খাইরা আহলিহা ও-খাইরা মা ফিহা ও আউজুবিকা মিন শাররিহা ওয়া-শাররি আহলিহা ওয়া-শাররি মা ফিহা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি সাত আসমানের এবং তার নীচে যা কিছু আছে তার রব। সাত জমিন এবং সেগুলো যা ধারন করে তার রব। সমস্ত শয়তানগুলো এবং তারা যাদের পথভ্রষ্ট করেছে তাদের রব। বাতাসের এবং বাতাস যা উড়িয়ে নিয়ে যায় তার রব। আমি আপনার নিকট এই গ্রাম এবং এর অধিবাসীদের অকল্যান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

১৩.

ইফতারের পর এ দু‘আ পড়বে

۞ ذَهَبَ الظَّمَأُ. وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ. وَثَبَتَ الْاَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ
উচ্চারণঃ

জাহাবায যমাউ ওয়াব তাল্লাতিল ‘উরূক্বু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।

অর্থঃ

পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, ধমনী সমূহ সতেজ হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ (রোযার সওয়াব) নিশ্চিত হয়েছে।

১৪.

ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

۞ تَقَبَّلَ اللّٰهُ مِنَّا وَمِنْكَ
উচ্চারণঃ

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ও মিনকা।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলা আমার ও আপনার নেক আমল কবূল করুন।

১৫.

দৃষ্টি, শ্রবণের সুস্থতা,দারিদ্র্যমুক্তি ও নিরাপত্তার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَدَنِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ سَمْعِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَصَرِيْ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالْفَقْرِ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ী, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারী, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কুফরি, ওয়াল ফাকরি, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবিল কাবরি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে শারীরিক সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন। হে আল্লাহ! আমার শ্রবণে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন। আমার দৃষ্টিতে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন। আপনি ব্যতিত কোনো ইলাহ নেই। হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি কুফুরী ও দারিদ্র্য থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পানাহ চাই কবরের আজাব থেকে। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

১৬.

দু‘আ-১০৪

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لَنَاۤ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ، وَسَهِّلْ لَنَاۤ أَبْوَابَ رِزْقِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দিন আর আমাদের রিযিকের উপায়সমূহ আমাদের জন্য সহজ করে দিন।

১৭.

দু‘আ-১১২

اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَـلَامِيْ، وَتَرٰى مَكَانِيْ، وَتَعْلَمُ سِرِّيْ وَعَلَانِيَتِىْ، لَا يَخْفٰى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِّنْ أَمْرِيْ، وَأَنَا الْبَآئِسُ الْفَقِيْرُ الْمُسْتَغِيْثُ الْمُسْتَجِيْرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنْبِىْ، أَسْأَلُكَ مَسْأَلَةَ الْمِسْكِيْنِ، وَأَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابْتِهَالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيْلِ، وَأَدْعُوْكَ دُعَآءَ الْخَآئِفِ الضَّرِيْرِ، وَدُعَآءَ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهٗ، وَفَاضَتْ لَكَ عَبْرَتُهٗ، وَذَلَّ لَكَ جِسْمُهٗ، وَرَغِمَ لَكَ أَنْفُهٗ. اَللّٰهُمَ لَا تَجْعَلْنِيْ بِدُعَآئِكَ شَقِيًّا، وَكُنْۢ بِيْ رَؤُوْفًا رَّحِيْمًا، يَا خَيْرَ الْمَسْؤُوْلِيْنَ! وَيَا خَيْرَ الْمُعْطِيْنَ! اَللّٰهُمَّ إِلَيْكَ أَشْكُوْ ضُعْفَ قُوَّتِيْ وَقِلَّةَ حِيْلَتِيْ وَهَوَانِيْ عَلَى النَّاسِ، يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ، إِلٰى مَنْ تَكِلُنِيْ؟ إِلٰى عَدُوٍّ يَـتَجَهَّمُنِيْ؟ أَمْ إِلٰى قَرِيْبٍ مَّلَّكْتَهٗ أَمْرِيْ؟ إِنْ لَّمْ تَكُنْ سَاخِطًا عَلَيَّ فَلَاۤ أُبَالِيْ غَيْرَ أَنَّ عَافِيَتَكَ أَوْسَعُ لِىْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি আমার কথা শুনছেন, আমার জায়গা (অবস্থান) দেখছেন, আমার গোপন ও প্রকাশ্য আপনার জানা, কোনো কিছুই আপনার অগোচর নয়। আমি তো দুর্দশাগ্রস্ত, মুখাপেক্ষী, ফরিয়াদী, আশ্রয়প্রার্থী, ভীত ও সন্ত্রস্ত, কৃতপাপ স্বীকারকারী। আপনার কাছে প্রার্থনা করছি নিঃস্ব ভিখারীর প্রার্থনা; আপনার সমীপে ক্রন্দন করছি তুচ্ছ পাপীর ক্রন্দন, আর আপনাকে ডাকছি ভীত ও বিপদগ্রস্তের ডাক এবং যেভাবে ঐ লোক ডাকে, যার গর্দান আপনার সমীপে অবনত, যার অশ্রু আপনার সম্মুখে প্রবাহিত, যার দেহ আপনার সম্মুখে লাঞ্ছিত আর যার নাক আপনার সামনে ধূলি-ধূসরিত। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে প্রার্থনা আমাকে দুর্ভাগা সাব্যস্ত কোরেন না, আমার প্রতি হোন পরম দয়ালু ও মেহেরবান। হে শ্রেষ্ঠ প্রার্থনাস্থল! সকল দাতার শ্রেষ্ঠ দাতা! ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অভিযোগ করছি নিজের দুর্বলতার, উপায়হীনতার ও লোকের চোখে মর্যাদাহীনতার। হে সকল দয়াময়ের বড় দয়াময়! কার হাতে আমাকে সমর্পণ করছেন? কোনো দুশমনের হাতে, যে আমার উপর নির্যাতন করবে? কিংবা কোনো দোস্তের ইখতিয়ারে আমার সব কিছু অর্পণ করছেন? আপনি যদি আমার প্রতি নারাজ না হয়ে থাকেন, তবে এসবের কোনো কিছুরই পরোয়া আমার নেই। তবে আপনার নিরাপত্তাই আমার জন্য অধিক প্রশস্ততাপূর্ণ।১০৯

১৮.

দু‘আ-১৫৭

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ أَقْفَالَ قُلُوْبِنَا بِذِكْرِكَ، وَأَتْمِمْ عَلَيْنَا نِعْمَتَكَ، وَأَسْبِـغْ عَلَيْنَا مِنْ فَضْلِكَ، وَاجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার স্মরণ দ্বারা আমাদের হৃদয়ের তালাসমূহ খুলে দিন এবং আমাদের উপর আপনার দান পূর্ণ করুন। আমাদের প্রতি আপনার করুণা বর্ষণ করুন এবং আমাদেরকে আপনার নেক বান্দাদের মাঝে শামিল করুন।১৫১

১৯.

দু‘আ-১৬৭

اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ مِنْ عِنْدِكَ، وَأَفِضْ عَلَيَّ مِنْ فَضْلِكَ، وَ اَسْبِـغْ عَلَيَّ مِنْ رَّحْمَتِكَ وَأَ نْزِلْ عَلَيَّ مِنْۢ بَرَكَاتِكَ
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার পক্ষ থেকে হেদায়েত নসীব করুন।১৬৬ আমার অন্তরে আপনার দান ও করুণা বর্ষণ করুন। আমার প্রতি আপনার করুণা পূর্ণ করুন এবং আমার উপর আপনার বরকত নাযিল করুন।

২০.

দুশমনের ক্ষতি থেকে রক্ষার রুক্বাইয়া (দুআয়ে আনাস রাযি.)

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম بِسْمِ اللَّهِ وَ بِاللَّهِ ، بِسْمِ اللَّهِ خَيْرِ الْأَسْمَاءِ، بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ بِسْمِ اللَّهِ افْتَتَحْتُ وَ بِاللَّهِ خَتَمْتُ وَ بِهِ أَمَنْتُ، بِسْمِ اللَّهِ أَصْبَحْتُ وَ عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْتُ، بِسْمِ اللَّهِ عَلَى قَلْبِي وَ نَفْسِي، بِسْمِ اللَّهِ عَلَى عَقْلِي وَ ذِهْنِي، بِسْمِ اللَّهِ عَلَى أَهْلِي وَمَالِي، بِسْمِ اللَّهِ عَلَى مَا أَعْطَانِي رَبِّي، بِسْمِ اللَّهِ الشَّافِي بِسْمِ اللَّهِ الْمُعَافِي، بِسْمِ اللهِ الْوَافِي، بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ، هُوَ اللَّهُ اللَّهُ رَبِّي لَا أُشْرِكْ بِهِ شَيْئًا، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَأَعَزُّ وَأَجَلُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ . أَسْأَلُكَ اللَّهُمَّ بِخَيْرِكَ مِنْ خَيْرِكَ الَّذِي لَا يُعْطِيهِ غَيْرُكَ ، عَزَّ جَارُكَ وَ جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ سُلْطَانٍ وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْطَانٍ مَرِيدٍ، وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ جَبَّارٍ عَنِيْدٍ، وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ قَضَاءِ سُوءٍ ، وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ أَخِذُ بِنَاصِيَتِهَا ، إِنَّ رَبِّي عَلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ، وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ حَفِيظٌ বিসমিল্লাহি ওয়া বিল্লাহ, বিসমিল্লাহি খাইরিল আসমা, বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা। বিসমিল্লাহি ইফতাতাহ্তু ওয়া বিল্লাহি খাতাম্তু ওয়া বিহি আমান্তু। বিসমিল্লাহি আসবাহ্তু ওয়া আলাল্লাহি তাওয়াক্কালতু। বিসমিল্লাহি ‘আলা কলবি ওয়া নাফসি। বিসমিল্লাহি ‘আলা ‘আকলি ওয়া যিহনি। বিসমিল্লাহি ‘আলা আহলি ওয়া মালি। বিসমিল্লাহি ‘আলা মা আ‘তানি রব্বি। বিসমিল্লাহিশ শাফি, বিসমিল্লাহিল মু‘আফি, বিসমিল্লাহিল ওয়াফি। বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা, ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম। হুয়াল্লাহু আল্লাহু রব্বি লা উশরিকু বিহি শাইআ। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। ওয়া আ‘আজ্জু ওয়া আজাল্লু মিম্মা আখাফু ওয়া আহযার। আসআলুকাল্লাহুম্মা বিখাইরিকা মিন খাইরিকাল্লাযী লা ইউ‘তিহি গাইরুক। আয্যা জারুকা ওয়া জাল্লা সানাউকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুক। আল্লাহুম্মা ইন্নি আ‘উযু বিকা মিন শাররি নাফসি, ওয়া মিন শাররি কুল্লি সুলতান, ওয়া মিন শাররি কুল্লি শাইতানিম মারিদ, ওয়া মিন শাররি কুল্লি জাব্বারিন ‘আনিদ, ওয়া মিন শাররি কুল্লি কদা-ই সুউ, ওয়া মিন শাররি কুল্লি দাব্বাতিন আনতা আখিযুন বিনাসিয়াতিহা। ইন্না রব্বি ‘আলা সিরাতিম মুস্তাকীম, ওয়া আনতা ‘আলা কুল্লি শাইইন হাফিয। إِنَّ وَلِيَ اللَّهُ الَّذِي نَزَّلَ الْكِتَابَ وَهُوَ يَتَوَلَّى الصَّالِحِيْنَ ইন্না ওয়ালিয়্যিয়াল্লাহুল্লাযী নায্জালাল কিতাবা ওয়া হুয়া ইয়াতাওয়াল্লাস সালিহীন اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَجِيرُ بِكَ، وَ أَحْتَجِبُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْتَهُ، وَ أَحْتَرِسُ بِكَ مِنْ جَمِيعِ خَلْقِكَ، وَ كُلِّ مَا ذَرَاتَ وَبَرَأتَ وَاحْتَرِسُ بِكَ مِنْهُمْ، وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَيْكَ، وَأُقَدِّمُ بَيْنَ يَدَيَّ فِي يَوْمِي هُذَا، وَلَيْلَتِي هَذِهِ، وَ سَاعَتِي هُذِهِ ، وَ شَهْرِي هَذَا . আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্তাজীরু বিকা, ওয়া আহতাজিবু বিকা মিন কুল্লি শাইইন খালাকতাহু, ওয়া আহতারিসু বিকা মিন জামি‘ই খালকিক, ওয়া কুল্লি মা যারাতা ওয়া বারাতা, ওয়া আহতারিসু বিকা মিনহুম, ওয়া উফাওয়্বিদু আমরি ইলাইকা, ওয়া উকাদ্দিমু বাইনা ইয়াদাইয়া ফি ইয়াওমি হাজা, ওয়া লাইলা তি হাজিহি, ওয়া সা‘আতি হাজিহি, ওয়া শাহরি হাজা।- بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدُ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، عَنْ أَمَامِي.* বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ, লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — ‘আন আমামি। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ، اللهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدُ، وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، مِنْ خَلْفِي বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ, লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — মিন খালফি। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، عَنْ يَمِينِي বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ, লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — ‘আন ইয়ামিনি। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، عَنْ شِمَالِي বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ, লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — ‘আন শিমালি। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لهُ كُفُوًا أَحَدٌ، مِنْ فَوْقِي বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ, লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — মিন ফাওকি। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، مِنْ تَحْتِى. বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ, লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — মিন তাহতি। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ، لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ، لَهُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ، مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ، يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ، وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ، وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا، وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ. বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম, লা তা’খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়া লা নাওম, লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ, মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহি, ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম, ওয়া লা ইউহীতূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা, ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা, ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যুল ‘আযীম। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ ، لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ.(সাতবার) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। শাহিদাল্লাহু আন্নাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, ওয়াল মালায়িকাতু ওয়া উলুল ‘ইলমি কায়িমান বিল কিস্ত, লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল ‘আজীযুল হাকীম। (৭ বার) وَنَحْنُ عَلَى مَا قَالَ رَبُّنَا مِنَ الشَّاهِدِينَ. ওয়া নাহনু ‘আলা মা ক্বালা রব্বুনা মিনাশ শাহিদিন। فَإِنْ تَوَلَّوْا فَقُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ (সাতবার) ফা ইন তাওয়াল্লাও ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম। (৭ বার)