দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-৫

رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَ قِنَا عَذَابَ النَّارِۚ۝۱۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ইন্নানা আ-মান্না ফাগফিরলানা যুনূবানা ওয়াকিনা‘আযা-বান্না-র

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা (তোমার প্রতি) ঈমান এনেছি। সুতরাং আমাদের পাপরাশি ক্ষমা কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা কর।

২.

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا اُرْسِلَ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না না‘ঊযুবিকা মিন শাররি মা উরসিলা বিহি।

অর্থঃ

অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট ঐ সকল অনিষ্ট থেকে পানাহ চাচ্ছি, যাকে এ মেঘ বহন করে এনেছে।

৩.

মসজিদ থেকে বের হওয়ার দু‘আ

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালা-তু ওয়াস্‌সালা-মু ‘আলা- রাসূ-লিল্লাহি আল্লহুমা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদ্বলিক।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি। আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর প্রতি দরূদ, রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট হালাল রুজির প্রার্থনা করছি।

৪.

ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু‘আ

ইস্তিখারার উল্লেখিত পদ্ধতি কিছুটা দীর্ঘ। অনেক সময় মানুষ সিদ্ধান্ত পৌঁছার জন্য এত দীর্ঘ সময় নাও পেতে পারে। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি সংক্ষিপ্ত দু‘আ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। দু‘আটি এই- ۞ اَللّٰهُمَّ خِرْ لِيْ وَاخْتَرْلِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! আপনিই ঠিক করে দিন যে, আমাকে কোনটি অবলম্বন করতে হবে।’(সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৫১৬; মুসনাদুল বাযযার, হাদীস নং: ৫৯; মুসনাদে আবু ইয়া'লা, হাদীস নং: ৪৪) এছাড়া আরেকটি দু‘আ হাদীস শরীফে রয়েছে- ۞ اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ، وَسَدِّدْنِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সহজ-সরল ও সোজা পথ দেখাও (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ২৭২৫) অনুরূপভাবে এ দু‘আটিও হাদীস শরীফে এসেছে- ۞ اَللّٰهُمَّ أَلْهِمْنِيْ رُشْدِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! যে পথটি সঠিক তা আমার অন্তরে ঢেলে দিন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৪৮৩) যদি আরবীতে সম্ভব না হয় তাহলে কমপক্ষে নিজের ভাষায় এ দু‘আগুলো করা যেতে পারে। অনুরূপভাবে যদি মুখে উচ্চারণ সম্ভব না হয় তাহলে কমপক্ষে মনে মনে হলেও এ দু‘আগুলো করা।

৫.

খাওয়ার শুরুতে পড়বে

۞  بِسْمِ اللهِ وَبَرَكَةِ اللهِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াবারাকাতিল্লাহ্‌।

অর্থঃ

আল্লাহ তা’আলার নামে (খাবার) শুরু করছি, এবং আল্লাহ তা‘আলার বরকতের সাথে এ খাবার গ্রহণ করছি।

৬.

ক্বওমার দু‘আ-৩

۞ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণঃ

হামদান্ কাছী-রান্ তাইয়্যিবান মুবা-রাকান ফি-হি।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্য অগণিত প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতময়।

৭.

খাওয়ার শেষে পড়ার দু‘আ-২

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَطْعَمَنِيْ هٰذَا الطَّعَامَ وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা হিল্লাযী আত্ব ‘আমানী হাযাত ত্ব‘আামা ওয়া রযাক্বনীহি মিন গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুউওয়াহ।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ পাকের জন্য, যিনি আমাকে এই খানা খাওয়ালেন এবং আমার শক্তি ও সামর্থ ব্যতীতই এটা আমাকে দান করলেন।

৮.

দু‘আ-১৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِلْمُؤْمِنِیْنَ یَوْمَ یَقُوْمُ الْحِسَابُ۠۝۴۱
উচ্চারণঃ

রাব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! যে দিন হিসাব প্রতিষ্ঠিত হবে, সে দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সকল ঈমানদারকে ক্ষমা করুন।

৯.

হিদায়াত ও সঠিক পথে অবিচল থাকার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ وَسَدِّدْنِىْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাহদিনী ওয়া সাদ্দিদনী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে হিদায়াত দান করুন এবং আমাকে সঠিক পথে অবিচল রাখুন।

১০.

ক্ষমা, রহমত, হিদায়াত ও রিজিক প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَارْزُقْنِىْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারযুকনী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহম করুন, আমাকে হিদায়াত দিন এবং আমাকে রিজিক দান করুন।

১১.

গুনাহ মাফ, দুশ্চিন্তা দূর ও প্রয়োজন পূরণের দুআ

اَللّٰهُمَّ لَا تَدَعْ لَـنَا ذَنْۢبًا إِلَّا غَفَرْتَهٗ، وَلَا هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهٗ وَلَا دَيْنًا إِلَّا قَضَيْتَهٗ، وَلَا حَاجَةً مِّنْ حَوَآ ئِجِ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ إِلَّا قَضَيْتَهَا يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লা তাদা‘ লানা যাম্বান ইল্লা গাফারতাহু, ওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু, ওয়ালা দাইনান ইল্লা কাদাইতাহু, ওয়ালা হাজাতাম মিন হাওয়ায়িজিদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ইল্লা কাদাইতাহা, ইয়া আরহামার রাহিমীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের কোনো গুনাহ অবশিষ্ট রাখবেন না, বরং তা ক্ষমা করে দিন। আমাদের কোনো দুশ্চিন্তা অবশিষ্ট রাখবেন না, বরং তা দূর করে দিন। আমাদের কোনো ঋণ অবশিষ্ট রাখবেন না, বরং তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিন। আর দুনিয়া ও আখিরাতের প্রয়োজনসমূহের মধ্যে কোনো প্রয়োজন অপূর্ণ রাখবেন না, বরং তা পূরণ করে দিন। হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু

১২.

অন্তর, দৃষ্টি, শ্রবণ ও সর্বাঙ্গে নূর লাভের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِيْ قَلْبِيْ نُوْرًا، وَفِيْ بَصَرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ سَمْعِيْ نُوْرًا، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ نُوْرًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُوْرًا، وَمِنْ خَلْفِيْ نُوْرًا، وَمِنْ أَمَامِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ لِيْ نُوْرًا، وَفِيْ عَصَبِيْ نُوْرًا، وَفِيْ لَحْمِيْ نُوْرًا، وَفِيْ دَمِيْ نُوْرًا، وَفِيْ شَعْرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ بَشَرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ لِسَانِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ فِيْ نَفْسِيْ نُوْرًا، وَأَعْظِمْ لِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْنِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِيْ نُوْرًا، وَ مِنْ تَحْتِيْ نُوْرًا، اَللّٰهُمَّ اَعْطِنِيْ نُوْرًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আল ফী কালবী নূরান, ওয়া ফী বাসারী নূরান, ওয়া ফী সাম‘ঈ নূরান, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী নূরান, ওয়া ‘আন শিমালী নূরান, ওয়া মিন খালফী নূরান, ওয়া মিন আমামী নূরান, ওয়াজ‘আল লী নূরান, ওয়া ফী ‘আসাবী নূরান, ওয়া ফী লাহমী নূরান, ওয়া ফী দাম্বী নূরান, ওয়া ফী শা‘রী নূরান, ওয়া ফী বাশারী নূরান, ওয়া ফী লিসানী নূরান, ওয়াজ‘আল ফী নাফসী নূরান, ওয়া আ‘যিম লী নূরান, ওয়াজ‘আলনী নূরান, ওয়াজ‘আল মিন ফাওকী নূরান, ওয়া মিন তাহতী নূরান। আল্লাহুম্মা আ‘তিনী নূরান।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার অন্তরে নূর দান করুন, আমার দৃষ্টিতে নূর দান করুন, আমার শ্রবণে নূর দান করুন, আমার ডান দিকে নূর দান করুন, আমার বাম দিকে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন। আমার জন্য নূর নির্ধারণ করুন। আমার স্নায়ুতে নূর দান করুন, আমার গোশতে নূর দান করুন, আমার রক্তে নূর দান করুন, আমার চুলে নূর দান করুন, আমার ত্বকে নূর দান করুন, আমার জিহ্বায় নূর দান করুন। আমার অন্তরাত্মায় নূর দান করুন, আমার জন্য নূর বৃদ্ধি করুন, আমাকে নূর বানিয়ে দিন, আমার ওপর নূর দান করুন এবং আমার নিচে নূর দান করুন। হে আল্লাহ! আমাকে নূর দান করুন।

১৩.

হারাম থেকে বেঁচে হালাল রিজিক ও অন্যের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা ‘আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়াক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে যথেষ্ট করে দিন এবং আপনার অনুগ্রহে আপনি ছাড়া অন্য সবার মুখাপেক্ষিতা থেকে আমাকে মুক্ত রাখুন।

১৪.

শত্রু বা যালিমের সম্মুখীন হলে পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ عَضُدِيْ ، وَأَنْتَ نَصِيْرِيْ ، بِكَ أَحُوْلُ وَبِكَ أَصُوْلُ، وَبِكَ أُقاتِلُ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।

১৫.

দারিদ্র্যতা ও অপরের কাছে হাতপাতা থেকে আশ্রয়

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُؤْسِ وَالتَّبَاؤُسِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বু’সি ওয়াত তাবা- উস

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি দারিদ্র্য ও অপরের কাছে হাত-পাতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

১৬.

পবিত্র রিজিক, উপকারী জ্ঞান ও কবুল আমলের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ رِزْقًا طَيِّبًا وَّعِلْمًا نَّافِعًا وَّعَمَلًا مُّتَقَبَّلًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা রিযকান ত্বাইয়্যিবান, ওয়া ‘ইলমান নাফি‘আন, ওয়া ‘আমালাম মুতাকাব্বালান।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পবিত্র রিজিক, উপকারী জ্ঞান এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।

১৭.

হিদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা ও অমুখাপেক্ষিতা লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّىْۤ أَسْأَلُكَ الْهُدٰى وَالتُّقٰى وَالْعَفَافَ وَالْغِنٰى.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা, ওয়াত তুকা, ওয়াল ‘আফাফা, ওয়াল গিনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা এবং অমুখাপেক্ষিতা প্রার্থনা করছি।

১৮.

দু‘আ-১৯০

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ خَلِيْلٍ مَّاكِرٍ عَيْنَاهُ تَرَيَانِيْ وَقَلْبُهٗ يَرْعَانِيْ، إِنْ رَاٰى حَسَنَةً دَفَنَهَا وَاِنْ رَاٰى سَيِّئَةً أَذَاعَهَا. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُؤْسِ وَالتَّبَآؤُسِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ إِبْلِيْسَ وَجُنُوْدِه. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النِّسَآءِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ تَصُدَّ عَنِّيْ وَجْهَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ عَمَلٍ يُّخْزِيْنِيْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ صَاحِبٍ يُّؤْذِيْنِىْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ أَمَلٍ يُّلْهِيْنِىْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ فَقْرٍ يُّنْسِيْنِىْ، وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ غِنًى يُّطْغِيْنِىْ. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ مَوْتِ الْهَمِّ، وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ مَوْتِ الْغَمِّ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন খলীলিম মা-কিরিন 'আইনাহু তারা-য়ানী ওয়া ক্বলবুহু ইয়ার'আনী, ইন রআ- হাসানাতান দাফানাহা- ওয়া ইন রআ- সাইয়্যিআতান আযা-'আহা-। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিনাল বু’সি ওয়াত তাবা-উসি। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন ইবলীসা ওয়া জুনূদিহ। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন ফিতনাতিন নিসা-ই। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন আন তাছুদ্দা 'আন্নী ওয়াজ্হাকা ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাহ্। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন কুলি 'আমালিই ইয়ুখযীনী, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন কুল্লি ছ-হিবিই ইয়ু’যীনী, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন কুল্লি আমালিই ইয়ুলহীনী, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন কুল্লি ফাক্বরিই ইয়ুন্সীনী, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন কুল্লি গিনাইঁ ইয়ুত্বগীনী। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন মাওতিল হাম্মি, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন মাওতিল গম্মি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এমন প্রতারক বন্ধু থেকে, যার চোখ দুটো আমাকে দেখে (ত্রুটি খোঁজে) আর তার অন্তর আমার ওপর নজরদারি করে (ক্ষতি করার জন্য); সে যদি আমার কোনো ভালো কাজ দেখে তবে তা চেপে রাখে (লুকিয়ে ফেলে), আর যদি কোনো ভুল দেখে তবে তা মানুষের মাঝে প্রচার করে বেড়ায়। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি চরম দৈন্যদশা এবং কৃত্রিমভাবে অভাবী সাজার অভিনয় করা থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ইবলীস এবং তার বাহিনীর (কুমন্ত্রণা) থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আমি নারীদের ফেতনা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! কিয়ামতের দিন আপনি আমার দিক থেকে আপনার মুখমণ্ডল ঘুরিয়ে নেবেন (বিমুখ হবেন) এমন পরিস্থিতি থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এমন প্রতিটি কাজ থেকে যা আমাকে লাঞ্ছিত করবে; আশ্রয় চাচ্ছি এমন সঙ্গী থেকে যে আমাকে কষ্ট দিবে; আশ্রয় চাচ্ছি এমন অলীক আশা-আকাঙ্ক্ষা থেকে যা আমাকে (আখেরাত থেকে) গাফেল বা উদাসীন করে রাখে; আশ্রয় চাচ্ছি এমন দারিদ্র্য থেকে যা আমাকে (আল্লাহর স্মরণ) ভুলিয়ে দেয় এবং আশ্রয় চাচ্ছি এমন ধন-সম্পদ থেকে যা আমাকে অহংকারী করে তোলে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে তীব্র দুশ্চিন্তাজনিত মৃত্যু এবং গভীর মানসিক কষ্টজনিত মৃত্যু থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।

১৯.

মৃত্যু কামনার বদলে এই দু‘আ পড়বে

اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الوَفَاةُ خَيْرًا لِي
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহইয়িনী মা কানাতিল হায়াতু খাইরান লী, ওয়া তাওয়াফ্ফানী ইযা কানাতিল ওয়াফাতু খাইরান লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন পর্যন্ত আমার জন্য জীবিত থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়।

২০.

অপমৃত্যু থেকে বাঁচা ও বিভিন্ন মুসীবত থেকে নিরাপত্তার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ. اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ وَاۤمِنْ رَوْعَاتِيْ. اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ مِنْۢ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِيْ، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِيْ وَمِنْ فَوْقِيْ، وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ’ফওয়া ওয়াল আ’ফিয়াতা ফি দিনি ওয়া দুনইয়ায়া, ওয়া আহলি ওয়া মালি, আল্লাহুম্মাসতুর আ’ওরাতি, ওয়া আমিন রাওআ’তি, আল্লাহুম্মাহ’ফাযনি মিন বাইনি ইয়াদাইয়া ওয়া মিন খালফি, ওয়া আ’ই ইয়ামিনি ওয়া আ’ন শিমালি, ওয়া মিন ফাওক্বি, ওয়া আউ’যু বিআ’যমাতিকা আন উগতালা মিন তাহ’তি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং নিরাপত্তা চাচ্ছি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও অর্থ-সম্পদের। হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটিসমূহ ঢেকে রাখুন, আমার উদ্বিগ্নতাকে রূপান্তরিত করুন নিরাপত্তায়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হেফাযত করুন আমার সামনের দিক থেকে, আমার পিছনের দিক থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার উপরের দিক থেকে। আর আপনার মহত্ত্বের অসিলায় আশ্রয় চাই আমার নিজ থেকে হঠাৎ আক্রান্ত হওয়া থেকে।