দু’আ

মোট দু’আ - ৬১০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

সায়্যিদুল ইস্তিগফার

۞ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ  لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوْءُ لَكَ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِي ْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা- আ’হ্‌দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত্ব’তু আ’উযুবিকা মিন শার্‌রি মা ছা’নাতু আবূ-উলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূ-উলাকা বিযামবী ফাগ্‌ফির্‌লী ফাইন্নাহু- লা-ইয়াগফিরুয্‌যুনূবা ইল্লা- আনতা

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি আমার রব। তুমি ছাড়া আর কোনো সত্য মা‘বূদ নাই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ, আমি তোমার বান্দা। আমি তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর সাধ্যানুযায়ী প্রতিষ্ঠিত। আমি অনিষ্টকর যা কিছু করেছি তা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমার উপর তোমার যে নিয়ামত আছে তার স্বীকৃতি দিচ্ছি। তোমার নিকট আমার গুনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও; কেননা তুমি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।

.

অত্যাচারী (কাফের বা মুসলমান) মানুষের জন্য ক্ষমা ও হিদায়াতের দু'আ

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِقَوْمِي فَإِنَّهُمْ لاَ يَعْلَمُونَ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাগফীর লি ক্বওমী ফাইন্নাহুম লা-য়ালামুন

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার জাতিকে ক্ষমা করে দাও, যেহেতু তাঁরা অজ্ঞ।

.

ঋণ ও মানুষের হক থেকে মুক্তির দু‘আ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল মা'ছামি ওয়াল মাগরাম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে গুনাহ এবং ঋণের বোঝা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

.

জীবিত, মৃত, নারী, পুরুষ সকলের জন্য ক্ষমা চেয়ে দু‘আ

رَّبِّ اغۡفِرۡ وَارۡحَمۡ وَاَنۡتَ خَیۡرُ الرّٰحِمِیۡنَ۞
উচ্চারণঃ

রাব্বিগ্‌ফির্ ওয়ারহাম্ ওয়া আন্তা খাইরুর্ রাহিমীন।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! ক্ষমা কর ও দয়া কর, তুমিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।

.

সন্তানদের জন্য নবী কারীম ﷺ-এর দু‘আ

اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ، وَوَلَدَهُ، وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আকছির মালাহু, ওয়া ওয়ালাদাহু, ওয়া বারিক লাহু ফীমা আ‘ত্বাইতাহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন এবং আপনি তাকে যা দান করেছেন, তাতে বরকত দান করুন।

.

আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ (রাযিঃ)-এর শেখানো দুরুদ শরীফ

۞ اللَّهُمَّ اجْعَلْ صَلاَتَكَ وَرَحْمَتَكَ وَبَرَكَاتِكَ عَلَى سَيِّدِ الْمُرْسَلِينَ وَإِمَامِ الْمُتَّقِينَ وَخَاتَمِ النَّبِيِّينَ مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُولِكَ إِمَامِ الْخَيْرِ وَقَائِدِ الْخَيْرِ وَرَسُولِ الرَّحْمَةِ اللَّهُمَّ ابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا يَغْبِطُهُ بِهِ الأَوَّلُونَ وَالآخِرُونَ اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আল সালা-তাকা ওয়া রাহমাতাকা ওয়া বারাকা-তিকা ‘আলা সাইয়্যিদিল মুরসালীন, ওয়া ইমামিল মুত্তাকীন, ওয়া খা-তামিন নাবিয়্যীন, মুহাম্মাদিন ‘আবদিকা ওয়া রাসূলিকা, ইমামিল খাইরি, ওয়া কা-ইদিল খাইরি, ওয়া রাসূলির রাহমাহ। আল্লাহুম্মাব‘আসহু মাকামাম মাহমূদান ইয়াগবিতুহু বিহিল আওয়ালূনা ওয়াল-আখিরূন। আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরাহীমা, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বা-রিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরাহীমা, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।

অর্থঃ

“হে আল্লাহ! আপনি আপনার প্রশান্তি আপনার রহমত ও বরকত আপনার বান্দা ও রাসূল, রাসূলকুলের শিরোমণি, মুত্তাকীগণের ইমাম, সর্বশেষ নবী, কল্যাণ ও মঙ্গলের ইমাম, রহমতের রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রতি নাযিল করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাঁকে মাকামে মাহমুদে (জান্নাতের চরম প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছে দিন, যার জন্য পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ আকাঙ্ক্ষা করে থাকেন। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত নাযিল করুন, যেরূপ আপনি রহমত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (আ:) ও তাঁর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর বংশধরদের উপর বরকত দান করুন, যেরূপ আপনিই তো বরকত দান করেছেন ইবরাহীম (আ:) ও তাঁর বংশধরদের প্রতি। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, গৌরবান্বিত।

.

অত্যাচারী (কাফের বা মুসলমান) মানুষের জন্য ক্ষমা ও হিদায়াতের দু'আ

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِقَوْمِي فَإِنَّهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লিকাওমী, ফা-ইন্নাহুম লা ইয়া‘লামূন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার জাতিকে ক্ষমা করুন; কারণ তারা জানে না।

.

হিদায়াত ও সঠিক পথে অবিচল থাকার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ وَسَدِّدْنِىْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাহদিনী ওয়া সাদ্দিদনী।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে হেদায়েত দান করুন এবং সঠিক পথে রাখুন।

.

কবরের আযাব, বার্ধক্য, দাজ্জাল, মৃত ও জীবিত ব্যক্তির ফিতনা থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল-‘আজযি, ওয়াল-কাসালি, ওয়াল-হারামি, ওয়াল-বুখলি, ওয়াল-জুবনি; ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযাবিল-কবরি, ওয়া মিন ফিতনাতিল-মাহইয়া ওয়াল-মামাত।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট অপারগতা, অলসতা, চরম বার্ধক্য, কৃপণতা এবং কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আপনার কাছে কবরের আযাব এবং জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকেও আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

১০.

উত্তম শাসক কামনা করে দু‘আ

۞ اللَّهُمَّ لَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লা তুসাল্লিত ‘আলাইনা মান লা ইয়ারহামুনা

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের উপর এমন কাউকে ক্ষমতাশালী করো না, যে আমাদের প্রতি দয়া করে না।