দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - বুধবার)

মোট বিষয় - ২৪ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-১৫১

اَللّٰهُمَّ حَصِّنْ فَرْجِيْ وَيَسِّرْ لِيْۤ اَمْرِيْ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাসসিন ফারজী, ওয়া ইয়াসসির লী আমরী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার লজ্জাস্থানকে হেফাজত করুন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

২.

দু‘আ-১৫২

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ تَمَامَ الْوُضُوْٓءِ وَتَـمَامَ الصَّلٰوةِ، وَتَـمَامَ رِضْوَانِكَ وَتَمَامَ مَغْفِرَتِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা তামামাল উযূই, ওয়া তামামাস সালাতি, ওয়া তামামা রিদওয়ানিকা, ওয়া তামামা মাগফিরাতিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অযু পূর্ণাঙ্গভাবে সম্পন্ন করার তাওফীক, নামায পূর্ণাঙ্গভাবে আদায় করার তাওফীক, আপনার পূর্ণ সন্তুষ্টি এবং আপনার পরিপূর্ণ ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

৩.

দু‘আ-১৫৪

اَللّٰهُمَّ غَشِّنِيْ بِرَحْمَتِكَ وَجَنِّبْنِيْ عَذَابَكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা গাশশিনী বিরাহমাতিকা, ওয়া জান্নিবনী ‘আযাবাকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার রহমত দিয়ে আমাকে আচ্ছাদিত করুন এবং আপনার শাস্তি থেকে আমাকে দূরে রাখুন।

৪.

দু‘আ-১৫৬

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنَا مُفْلِحِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আলনা মুফলিহীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের (দুনিয়া-আখিরাত সব জায়গায়) সফলকামীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

৫.

দু‘আ-১৫৭

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ أَقْفَالَ قُلُوْبِنَا بِذِكْرِكَ، وَأَتْمِمْ عَلَيْنَا نِعْمَتَكَ، وَأَسْبِـغْ عَلَيْنَا مِنْ فَضْلِكَ، وَاجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাফতাহ আক্বফালা কুলূবিনা বিযিকরিকা, ওয়া আতমিম ‘আলাইনা নি‘মাতাকা, ওয়া আসবিগ ‘আলাইনা মিন ফাদলিকা, ওয়াজ‘আলনা মিন ‘ইবাদিকাস সালিহীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার যিকিরের মাধ্যমে আমাদের অন্তরের তালাগুলো খুলে দিন। আমাদের ওপর আপনার নিয়ামত পূর্ণ করে দিন, আপনার অনুগ্রহ থেকে আমাদের প্রচুর পরিমাণে দান করুন এবং আমাদেরকে আপনার নেককার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

৬.

দু‘আ-১৫৮

اَللّٰهُمَّ اٰتِنِيْۤ أَفْضَلَ مَا تُؤْتِيْ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আ-তিনী আফদালা মা তু’তী ‘ইবাদিকাস সালিহীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার নেককার বান্দাদের আপনি যা দান করেন, তার মধ্যে সর্বোত্তম বস্তু আমাকে দান করুন।

৭.

দু‘আ-১৫৯

اَللّٰهُمَّ أَحْيِنِيْ مُسْلِمًا وَّأَمِتْنِيْ مُسْلِمًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহয়িনী মুসলিমাওঁ, ওয়া আমিতনী মুসলিমা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে মুসলিম হিসেবে জীবিত রাখুন এবং মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করান।

৮.

দু‘আ-১৬০

اَللّٰهُمَّ عَذِّبِ الْكَفَرَةَ، وَأَلْقِ فِيْ قُلُوْبِهِمُ الرُّعْبَ، وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ، وَأَنْزِلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ. اَللّٰهُمَّ عَذِّبِ الْكَفَرَةَ أَهْلَ الْكِتٰبِ وَالْمُشْرِكِيْنَ الَّذِيْنَ يَجْحَدُوْنَ اٰيٰتِكَ وَيُكَذِّبُوْنَ رُسُلَكَ، وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ، وَيَتَعَدَّوْنَ حُدُوْدَكَ، وَيَدْعُوْنَ مَعَكَ إِلٰهًا اٰخَرَ، لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ عَمَّا يَقُوْلُ الظَّالِمُوْنَ عُلُوًّا كَبِيْرًا .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ‘আযযিবিল কাফারাতা, ওয়া আলক্বি ফী কুলূবিহিমুর রু‘বা, ওয়া খালিফ বায়না কালিমাতিহিম, ওয়া আনযিল ‘আলাইহিম রিজযাকা ওয়া ‘আযাবাকা। আল্লাহুম্মা ‘আযযিবিল কাফারাতা আহলাল-কিতাবি ওয়াল-মুশরিকীনাল্লাযীনা ইয়াজহাদূনা আয়াতিকা, ওয়া ইউকাযযিবূনা রুসুলাকা, ওয়া ইয়াসুদ্দূনা ‘আন সাবীলিকা, ওয়া ইয়াতা‘আদ্দাওনা হুদূদাকা, ওয়া ইয়াদ‘ঊনা মা‘আকা ইলাহান আখারা। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, তাবারাকতা ওয়া তা‘আলাইতা ‘আম্মা ইয়াকূলুয-যালিমূনা ‘উলুওয়ান কাবীরা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! কাফিরদের শাস্তি দিন, তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করুন, তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করুন এবং তাদের ওপর আপনার আযাব ও শাস্তি অবতীর্ণ করুন। হে আল্লাহ! আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যকার সেই অবিশ্বাসীদের শাস্তি দিন, যারা আপনার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করে, আপনার রাসূলগণকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, আপনার পথে বাধা সৃষ্টি করে, আপনার নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে এবং আপনার সঙ্গে অন্য উপাস্যকে ডাকে। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। যালিমরা আপনার সম্পর্কে যা বলে, আপনি তার অনেক ঊর্ধ্বে।

৯.

দু‘আ-১৬১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ، وَأَصْلِحْهُمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِهِمْ، وَاجْعَلْ فِيْ قُلُوْبِهِمِ الْإِيْمَانَ وَالْحِكْمَةَ، وَثَبِّتْهُمْ عَلٰى مِلَّةِ رَسُوْلِكَ، وَأَوْزِعْهُمْ أَنْ يَّشْكُرُوْا نِعْمَتَكَ الَّتِۤيْ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ وَأَنْ يُّوْفُوْا بِعَهْدِكَ الَّذِيْ عَاهَدْتَهُمْ عَلَيْهِ، وَانْصُرْهُمْ عَلٰى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ، إِلٰهَ الْحَقِّ، سُبْحَانَكَ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُكَ، اِغْفِرْ لِيْ ذَنْۢبِيْ وَأَصْلِحْ لِيْ عَمَلِيْ، إِنَّكَ تَغْفِرُ الذُّنُوْبَ لِمَنْ تَشَآءُ، وَأَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ، يَا غَفَّارُ اغْفِرْ لِيْ، يَا تَوَّابُ تُبْ عَلَيَّ، يَا رَحْمٰنُ ارْحَمْنِيْ، يَا عَفُوُّ اعْفُ عَنِّيْ، يَا رَءُوْفُ ارْءُفْ بِيْ، يَا رَبِّ أَوْزِعْنِيْ أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِيْۤ أَنْعَمْتَ عَلَيَّ، وَطَوِّقْنِيْ حُسْنَ عِبَادَتِكَ، يَا رَبِّ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُـلِّه، يَا رَبِّ افْتَحْ لِيْ بِخَيْرٍ وَّاخْتِمْ لِيْ بِخَيْرٍ، وَقِنِي السَّيِّئَاتِ، وَمَنْ تَقِ السَّيِّئَاتِ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمْتَهٗ، وَ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيْمُ.
উচ্চারণঃ

বাংলা উচ্চারণ আল্লাহুম্মা আহয়িনী মুসলিমাওঁ, ওয়া আমিতনী মুসলিমা। বাংলা অর্থ হে আল্লাহ! আমাকে মুসলিম হিসেবে জীবিত রাখুন এবং মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করান। দ্রষ্টব্য: এ মর্মে দু‘আ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। তবে আপনার দেওয়া নির্দিষ্ট শব্দের হুবহু পাঠ ও সূত্র যাচাই করে নেওয়া উত্তম। اَللّٰهُمَّ عَذِّبِ الْكَفَرَةَ، وَأَلْقِ فِيْ قُلُوْبِهِمُ الرُّعْبَ، وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ، وَأَنْزِلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ. اَللّٰهُمَّ عَذِّبِ الْكَفَرَةَ أَهْلَ الْكِتٰبِ وَالْمُشْرِكِيْنَ الَّذِيْنَ يَجْحَدُوْنَ اٰيٰتِكَ وَيُكَذِّبُوْنَ رُسُلَكَ، وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ، وَيَتَعَدَّوْنَ حُدُوْدَكَ، وَيَدْعُوْنَ مَعَكَ إِلٰهًا اٰخَرَ، لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ عَمَّا يَقُوْلُ الظَّالِمُوْنَ عُلُوًّا كَبِيْرًا . বাংলা উচ্চারণ আল্লাহুম্মা ‘আযযিবিল কাফারাতা, ওয়া আলক্বি ফী কুলূবিহিমুর রু‘বা, ওয়া খালিফ বায়না কালিমাতিহিম, ওয়া আনযিল ‘আলাইহিম রিজযাকা ওয়া ‘আযাবাকা। আল্লাহুম্মা ‘আযযিবিল কাফারাতা আহলাল-কিতাবি ওয়াল-মুশরিকীনাল্লাযীনা ইয়াজহাদূনা আয়াতিকা, ওয়া ইউকাযযিবূনা রুসুলাকা, ওয়া ইয়াসুদ্দূনা ‘আন সাবীলিকা, ওয়া ইয়াতা‘আদ্দাওনা হুদূদাকা, ওয়া ইয়াদ‘ঊনা মা‘আকা ইলাহান আখারা। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, তাবারাকতা ওয়া তা‘আলাইতা ‘আম্মা ইয়াকূলুয-যালিমূনা ‘উলুওয়ান কাবীরা। বাংলা অর্থ হে আল্লাহ! কাফিরদের শাস্তি দিন, তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করুন, তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করুন এবং তাদের ওপর আপনার আযাব ও শাস্তি অবতীর্ণ করুন। হে আল্লাহ! আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যকার সেই অবিশ্বাসীদের শাস্তি দিন, যারা আপনার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করে, আপনার রাসূলগণকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, আপনার পথে বাধা সৃষ্টি করে, আপনার নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে এবং আপনার সঙ্গে অন্য উপাস্যকে ডাকে। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। যালিমরা আপনার সম্পর্কে যা বলে, আপনি তার অনেক ঊর্ধ্বে। গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: এই দু‘আটির নির্দিষ্ট শব্দ ও প্রামাণিকতা যাচাই করা প্রয়োজন। বিশেষত, কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর ভাষা ব্যবহার করার আগে এর প্রেক্ষাপট ও নির্ভরযোগ্য সূত্র জানা জরুরি। যাচাই ছাড়া এটিকে নবী কারীম ﷺ-এর দু‘আ বা হাদীস হিসেবে প্রচার করবেন না। اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ، وَأَصْلِحْهُمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِهِمْ، وَاجْعَلْ فِيْ قُلُوْبِهِمِ الْإِيْمَانَ وَالْحِكْمَةَ، وَثَبِّتْهُمْ عَلٰى مِلَّةِ رَسُوْلِكَ، وَأَوْزِعْهُمْ أَنْ يَّشْكُرُوْا نِعْمَتَكَ الَّتِۤيْ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ وَأَنْ يُّوْفُوْا بِعَهْدِكَ الَّذِيْ عَاهَدْتَهُمْ عَلَيْهِ، وَانْصُرْهُمْ عَلٰى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ، إِلٰهَ الْحَقِّ، سُبْحَانَكَ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُكَ، اِغْفِرْ لِيْ ذَنْۢبِيْ وَأَصْلِحْ لِيْ عَمَلِيْ، إِنَّكَ تَغْفِرُ الذُّنُوْبَ لِمَنْ تَشَآءُ، وَأَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ، يَا غَفَّارُ اغْفِرْ لِيْ، يَا تَوَّابُ تُبْ عَلَيَّ، يَا رَحْمٰنُ ارْحَمْنِيْ، يَا عَفُوُّ اعْفُ عَنِّيْ، يَا رَءُوْفُ ارْءُفْ بِيْ، يَا رَبِّ أَوْزِعْنِيْ أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِيْۤ أَنْعَمْتَ عَلَيَّ، وَطَوِّقْنِيْ حُسْنَ عِبَادَتِكَ، يَا رَبِّ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُـلِّه، يَا رَبِّ افْتَحْ لِيْ بِخَيْرٍ وَّاخْتِمْ لِيْ بِخَيْرٍ، وَقِنِي السَّيِّئَاتِ، وَمَنْ تَقِ السَّيِّئَاتِ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمْتَهٗ، وَ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيْمُ. বাংলা উচ্চারণ আল্লাহুম্মাগফির লী ওয়া লিল-মু’মিনীনা ওয়াল-মু’মিনাতি, ওয়াল-মুসলিমীনা ওয়াল-মুসলিমাতি। ওয়া আসলিহহুম, ওয়া আসলিহ যাতা বাইনিহিম, ওয়া আল্লিফ বাইনা কুলূবিহিম। ওয়াজ‘আল ফী কুলূবিহিমুল ঈমানা ওয়াল-হিকমাতা, ওয়া ছাব্বিতহুম ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিকা। ওয়া আওযি‘হুম আন ইয়াশকুরূ নি‘মাতাকাল্লাতী আন‘আমতা ‘আলাইহিম, ওয়া আন ইউফূ বি‘আহদিকাল্লাযী ‘আহাদতাহুম ‘আলাইহি। ওয়ানসুরহুম ‘আলা ‘আদুউইকা ওয়া ‘আদুউইহিম। ইলাহাল হাক্কি, সুবহানাকা, লা ইলাহা গাইরুকা। ইগফির লী যানবী, ওয়া আসলিহ লী ‘আমালী। ইন্নাকা তাগফিরুয-যুনূবা লিমান তাশাউ, ওয়া আনতাল গাফূরুর রহীম। ইয়া গাফফারু, ইগফির লী। ইয়া তাওয়াবু, তুব ‘আলাইয়্যা। ইয়া রাহমানু, ইরহামনী। ইয়া ‘আফুউ, ই‘ফু ‘আন্নী। ইয়া রাঊফু, ইর’উফ বী। ইয়া রব্বি, আওযি‘নী আন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতী আন‘আমতা ‘আলাইয়্যা, ওয়া তাওয়িক্বনী হুসনা ‘ইবাদাতিকা। ইয়া রব্বি, আসআলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহি। ইয়া রব্বি, ইফতাহ লী বিখাইরিওঁ, ওয়াখতিম লী বিখাইরিওঁ, ওয়া কিনীস-সাইয়িআতি। ওয়া মান তাকিস-সাইয়িআতি ইয়াওমাইযিন ফাক্বাদ রাহিমতাহু, ওয়া যালিকা হুয়াল ফাওযুল ‘আযীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে, মুমিন নর-নারীকে এবং মুসলিম নর-নারীকে ক্ষমা করুন। তাদের সংশোধন করুন, তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর করে দিন এবং তাদের অন্তরসমূহের মধ্যে সম্প্রীতি সৃষ্টি করুন। তাদের অন্তরে ঈমান ও প্রজ্ঞা দান করুন এবং আপনার রাসূলের আদর্শের ওপর তাদের অবিচল রাখুন। তাদেরকে আপনার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায় করার তাওফীক দিন, যা আপনি তাদের দান করেছেন। আর আপনার সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করার তাওফীক দিন। আপনার ও তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে তাদের সাহায্য করুন। হে সত্য উপাস্য! আপনি পবিত্র। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আমার গুনাহ ক্ষমা করুন এবং আমার আমল সংশোধন করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি যাকে ইচ্ছা তার গুনাহ ক্ষমা করেন। আর আপনিই পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু। হে মহাক্ষমাশীল! আমাকে ক্ষমা করুন। হে তাওবা কবুলকারী! আমার তাওবা কবুল করুন। হে পরম দয়ালু! আমার প্রতি দয়া করুন। হে অপরাধ মার্জনাকারী! আমাকে ক্ষমা করে দিন। হে পরম স্নেহশীল! আমার প্রতি স্নেহশীল হোন। হে আমার রব! আপনি আমাকে যে নিয়ামত দান করেছেন, তার কৃতজ্ঞতা আদায় করার তাওফীক দিন এবং আপনার সুন্দরভাবে ইবাদত করার সামর্থ্য দান করুন। হে আমার রব! আমি আপনার কাছে সব ধরনের কল্যাণ প্রার্থনা করছি। হে আমার রব! আমার কাজের সূচনা কল্যাণের সঙ্গে করুন এবং পরিসমাপ্তিও কল্যাণের সঙ্গে করুন। আমাকে মন্দ কাজ থেকে রক্ষা করুন। আর যাকে আপনি সেদিন মন্দ কাজের পরিণতি থেকে রক্ষা করবেন, নিশ্চয়ই তার প্রতি আপনি রহম করেছেন। আর সেটিই মহাসাফল্য।

১০.

দু‘আ-১৬২

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كُـلُّهٗ، وَلَكَ الشُّكْرُ كُـلُّهٗ، وَلَكَ الْمُلْكُ كُـلُّهٗ، وَلَكَ الْخَلْقُ كُـلُّهٗ، بِيَدِكَ الْخَيْرُ كُـلُّهٗ، وَإِلَيْكَ يَرْجِـعُ الْأَمْرُ كُـلُّهٗ، أَسْأَلُكَ الْخَيْرَ كُـلَّهٗ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُـلِّه.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু কুল্লুহু, ওয়া লাকাশ শুকরু কুল্লুহু, ওয়া লাকাল মুলকু কুল্লুহু, ওয়া লাকাল খালকু কুল্লুহু। বিয়াদিকাল খাইরু কুল্লুহু, ওয়া ইলাইকা ইয়ারজি‘উল আমরু কুল্লুহু। আসআলুকাল খাইরা কুল্লাহু, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা আপনারই, সমস্ত কৃতজ্ঞতা আপনারই, সমগ্র রাজত্ব আপনারই এবং সমগ্র সৃষ্টি আপনারই। সমস্ত কল্যাণ আপনারই হাতে এবং সব বিষয় আপনার কাছেই ফিরে যায়। আমি আপনার কাছে সব ধরনের কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

১১.

দু‘আ-১৬৩

بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُهٗ، اَللّٰهُمَّ أَذْهِبْ عَنِّي الْهَمَّ وَ الْحُزْنَ.اَللّٰهُمَّ بِحَمْدِكَ انْصَرَفْتُ وَبِذَنْۢبِيْ اعْتَرَفْتُ.
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইলাহা গাইরুহু। আল্লাহুম্মা আযহিব ‘আন্নিল হাম্মা ওয়াল-হুযনা। আল্লাহুম্মা বিহামদিকা ইনসারাফতু, ওয়া বিযাম্বী‘তারাফতু।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। হে আল্লাহ! আমার দুশ্চিন্তা ও দুঃখ দূর করে দিন। হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসা করতে করতে আমি ফিরে যাচ্ছি এবং আমার গুনাহ স্বীকার করছি।

১২.

দু‘আ-১৬৪

اَللّٰهُمَّ اِلٰهِيْ وَإِلٰهَ إِبْرَاهِيْمَ وَإِسْحٰقَ وَيَعْقُوْبَ، وَإِلٰهَ جِبْرَئِيْلَ وَمِيْكَآئِيْلَ وَإِسْرَافِيْلَ، أَسْأَلُكَ أَنْ تَسْتَجِيْبَ دَعْوَتِيْ فَأَنا مُضْطَرٌّ، وَ تَعْصِمَنِيْ فِيْ دِيْنِيْ فَإِنِّيْ مُبْتَلًى، وَتَنَالَنِيْ بِرَحْمَتِكَ فَإِنِّيْ مُذْنِبٌ، وَتَنْفِيَ عَنِّي الْفَقْرَ فَإِنِّيْ مُتَمَسْكِنٌ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইলাহী ওয়া ইলাহা ইবরাহীমা ওয়া ইসহাক্বা ওয়া ইয়াকূব, ওয়া ইলাহা জিবরাঈলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরাফীলা। আসআলুকা আন তাস্তাজীবা দা‘ওয়াতী, ফা-আনা মুদতাররুন; ওয়া তা‘সিমানী ফী দীনী, ফা-ইন্নী মুবতালান; ওয়া তানালানী বিরাহমাতিকা, ফা-ইন্নী মুযনিবুন; ওয়া তানফিয়া ‘আন্নিল ফাকরা, ফা-ইন্নী মুতামাসকীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! হে আমার উপাস্য, ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূবের উপাস্য! হে জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের উপাস্য! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, আপনি যেন আমার দু‘আ কবুল করেন; কারণ আমি অসহায়। আমার দ্বীনকে হেফাজত করুন; কারণ আমি পরীক্ষার সম্মুখীন। আপনার রহমত দিয়ে আমাকে অনুগ্রহ করুন; কারণ আমি গুনাহগার। আর আমার দারিদ্র্য দূর করে দিন; কারণ আমি অভাবগ্রস্ত।

১৩.

দু‘আ-১৬৫

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ بِحَقِّ السَّآئِلِيْنَ عَلَيْكَ فَإِنَّ لِلسَّآئِلِ عَلَيْكَ حَقًّا، أَيُّمَا عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ مِّنْ أَهْلِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ تَقَبَّلْتَ دَعْوَتَهُمْ وَاسْتَجَبْتَ دُعَآءَهُمْ اَنْ تُشْرِكَنَا فِيْ صَالِحِ مَا يَدْعُوْنَكَ فِيْهِ، وَأَنْ تُشْرِكَهُمْ فِيْ صَالِحِ مَا نَدْعُوْكَ فِيْهِ، وَأَنْ تُعَافِيَنَا وَإِيَّاهُمْ، وَأَنْ تَقَبَّلَ مِنَّا وَمِنْهُمْ، وَأَنْ تَجَاوَزَ عَنَّا وَعَنْهُمْ، فَإِنَّاۤ اٰمَنَّا بِمَاۤ أَنْزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُوْلَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشّٰهِدِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিহাক্কিস্ সাআইলীনা ‘আলাইকা, ফা-ইন্না লিস্ সাআইলি ‘আলাইকা হাক্কান। আইয়ুমা ‘আবদিন আও আমাতিম মিন আহলিল বাররি ওয়াল বাহরি, তাকাব্বালতা দা‘ওয়াতাহুম ওয়াস্তাজাবতা দু‘আআহুম, আন তুশরিকানা ফী সালিহি মা ইয়াদ‘ঊনাকা ফীহি, ওয়া আন তুশরিকাহুম ফী সালিহি মা নাদ‘ঊকা ফীহি, ওয়া আন তু‘আফিয়ানা ওয়া ইয়্যাহুম, ওয়া আন তাকাব্বালা মিন্না ওয়া মিনহুম, ওয়া আন তাজাওয়াযা ‘আন্না ওয়া ‘আনহুম। ফা-ইন্না আমান্না বিমা আনযালতা ওয়াত্তাবা‘নার রাসূলা, ফাকতুবনা মা‘আশ শা-হিদীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনাকারীদের আপনার প্রতি যে অধিকার রয়েছে, তার উসিলায় প্রার্থনা করছি। কেননা, প্রার্থনাকারীর জন্য আপনার কাছে একটি অধিকার রয়েছে। স্থল ও সমুদ্রের অধিবাসীদের মধ্যে যে বান্দা বা বান্দী আপনার কাছে দু‘আ করে, আপনি যার দু‘আ কবুল করেন এবং যার প্রার্থনায় সাড়া দেন—তারা আপনার কাছে যে কল্যাণ প্রার্থনা করে, সেই কল্যাণের অংশ আমাদেরও দান করুন। আর আমরা আপনার কাছে যে কল্যাণ প্রার্থনা করি, তার অংশ তাদেরও দান করুন। আমাদের ও তাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন, আমাদের ও তাদের পক্ষ থেকে আমল কবুল করুন এবং আমাদের ও তাদের ত্রুটি ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই আমরা আপনার অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি ঈমান এনেছি এবং রাসূলের অনুসরণ করেছি। অতএব, আমাদের সাক্ষ্যদানকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

১৪.

দু‘আ-১৬৬

اَللّٰهُمَّ اٰتِ مُحَمَّدًا ۟الْوَسِيْلَةَ ، وَاجْعَلْ فِيْ الْمُصْطَفَيْنَ مَحَبَّتَهٗ وَفِيْ الْأَعْلَيْنَ دَرَجَتَهٗ، وَفِيْ الْمُقَرَّبِيْنَ ذِكْرَهٗ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা, ওয়াজ‘আল ফিল মুসতাফাইনা মাহাব্বাতাহু, ওয়া ফিল আ‘লাইনা দারাজাতাহু, ওয়া ফিল মুকাররাবীনা যিকরাহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ﷺ-কে ওয়াসীলা দান করুন। মনোনীত বান্দাদের মধ্যে তাঁর ভালোবাসা, সর্বোচ্চ মর্যাদাসম্পন্নদের মধ্যে তাঁর মর্যাদা এবং আপনার নৈকট্যপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর স্মরণকে স্থান দান করুন।

১৫.

দু‘আ-১৬৭

اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ مِنْ عِنْدِكَ، وَأَفِضْ عَلَيَّ مِنْ فَضْلِكَ، وَ اَسْبِـغْ عَلَيَّ مِنْ رَّحْمَتِكَ وَأَ نْزِلْ عَلَيَّ مِنْۢ بَرَكَاتِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাহদিনী মিন ‘ইন্দিকা, ওয়া আফিদ আলাইয়্যা মিন ফাদলিকা, ওয়া আসবিগ ‘আলাইয়্যা মিন রাহমাতিকা, ওয়া আনযিল ‘আলাইয়্যা মিম বারাকাতিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে হিদায়াত দান করুন, আপনার অনুগ্রহ থেকে আমাকে প্রচুর দান করুন, আপনার রহমত দিয়ে আমাকে পরিপূর্ণভাবে আচ্ছাদিত করুন এবং আপনার বরকতসমূহ আমার ওপর অবতীর্ণ করুন।

১৬.

দু‘আ-১৬৮

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِيْ وَتُبْ عَلَيَّ، إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী, ওয়ারহামনী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রাহীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহম করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি বারবার তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।

১৭.

দু‘আ-১৬৯

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ تَوْفِيْقَ أَهْلِ الْهُدٰى وَأَعْمَالَ أَهْلِ الْيَقِيْنِ، وَمُنَاصَحَةَ أَهْلِ التَّوْبَةِ، وَعَزْمَ أَهْلِ الصَّبْرِ، وَجِدَّ أَهْلِ الْخَشْيَةِ، وَطَلَبَ أَهْلِ الرَّغْبَةِ، وَتَعَبُّدَ أَهْلِ الْوَرَ عِ، وَعِرْفَانَ أَهْلِ الْعِلْمِ حَتّٰىۤ أَلْقَاكَ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা তাওফীকা আহলিল হুদা, ওয়া আ‘মালা আহলিল ইয়াকীন, ওয়া মুনাসাহাতা আহলিত তাওবাহ, ওয়া ‘আযমা আহলিস সাবর, ওয়া জিদ্দা আহলিল খাশইয়াহ, ওয়া তালাবা আহলির রাগবাহ, ওয়া তা‘আব্বুদা আহলিল ওয়ারাআ, ওয়া ‘ইরফানা আহলিল ‘ইলমি, হাত্তা আলকাক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াতপ্রাপ্তদের মতো সঠিক পথে চলার তাওফীক, দৃঢ় বিশ্বাসীদের মতো আমল, তাওবাকারীদের মতো আন্তরিক উপদেশ ও সংশোধনের মনোভাব, ধৈর্যশীলদের মতো দৃঢ় সংকল্প, আপনাকে ভয়কারীদের মতো আন্তরিক প্রচেষ্টা, আপনার প্রতি আগ্রহীদের মতো অনুসন্ধিৎসা, পরহেযগারদের মতো ইবাদত এবং জ্ঞানীদের মতো প্রজ্ঞা ও পরিচিতি প্রার্থনা করছি যতক্ষণ না আপনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়।

১৮.

দু‘আ-১৭০

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ مَخَافَةً تَحْجُرُنِيْ عَن ْ مَعَاصِيْكَ، حَتّٰىۤ أَعْمَلَ بِطَاعَتِكَ عَمَلًا أَسْتَحِقُّ بِه رِضَاكَ، وَحَتّٰىۤ أُنَاصِحَكَ بِالتَّوْبَةِ خَوْفًا مِّنْكَ، وَحَتّٰىۤ أُخْلِصَ لَكَ النَّصِيْحَةَ حَيَآءً مِّنْكَ، وَحَتّٰىۤ أَتَـوَكَّلَ عَلَيْكَ فِيْ الْأُمُوْرِ كُـلِّهَا، وَ حُسْنَ ظَنٍّ بِكَ، سُبْحَانَ خَالِقِ النُّوْرِ. اَللّٰهُمَّ لَا تُهْلِكْنَا فُجَآءَةً وَّلَا تَأْخُذْنَا بَغْتَةً، وَلَا تُغْفِلْنَا عَنْ حَقٍ وَّلَا وَصِيَّةٍ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মাখাফাতান তাহজুরুনী ‘আন মা‘আসীকা, হাত্তা আ‘মালা বিত্বা‘আতিকা ‘আমালান আসতাহিক্কু বিহী রিদাকা, ওয়া হাত্তা উনাসিহাকা বিত তাওবাতি খাওফাম মিনকা, ওয়া হাত্তা উখলিসা লাকান নাসীহাতা হায়াআম মিনকা, ওয়া হাত্তা আতাওয়াক্কালা ‘আলাইকা ফিল উমূরি কুল্লিহা, ওয়া হুসনা যন্নিম বিকা। সুবহানা খালিকিন নূর। আল্লাহুম্মা লা তুহলিকনা ফুজাআতাঁও, ওয়া লা তা’খুযনা বাগতাতাঁও, ওয়া লা তুগফিলনা ‘আন হাক্কিওঁ ওয়া লা ওয়াসিয়্যাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন ভয়ের অনুভূতি প্রার্থনা করছি, যা আমাকে আপনার অবাধ্যতা থেকে বিরত রাখবে; যাতে আমি আপনার আনুগত্যে এমন আমল করতে পারি, যার মাধ্যমে আপনার সন্তুষ্টি লাভের যোগ্য হতে পারি। আপনার ভয়ে যেন তাওবার মাধ্যমে আপনার কাছে আন্তরিকভাবে ফিরে আসতে পারি এবং আপনার প্রতি লজ্জাবোধের কারণে আপনার জন্য উপদেশ ও আনুগত্যের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা অবলম্বন করতে পারি। জীবনের সব বিষয়ে যেন আপনার ওপর ভরসা করতে পারি এবং আপনার প্রতি উত্তম ধারণা পোষণ করতে পারি। পবিত্র সেই সত্তা, যিনি নূরের স্রষ্টা। হে আল্লাহ! আমাদের আকস্মিকভাবে ধ্বংস করবেন না, অতর্কিতে পাকড়াও করবেন না এবং কোনো হক বা অসিয়তের ব্যাপারে আমাদের উদাসীন রাখবেন না।

১৯.

দু‘আ-১৭৩

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ وَإِلَيْكَ الْمُشْتَكٰى وَبِكَ الْمُسْتَغَاثُ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু, ওয়া ইলাইকাল মুশতাকা, ওয়া বিকাল মুসতাগাসু, ওয়া আনতাল মুস্তা‘আনু, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা আপনারই প্রাপ্য। আপনার কাছেই আমরা আমাদের দুঃখ-কষ্টের অভিযোগ পেশ করি। আপনার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি এবং আপনিই আমাদের সাহায্যকারী। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপ থেকে বেঁচে থাকার এবং নেক কাজ করার কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

২০.

দু‘আ-১৭৪

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ لَاۤ أُحْصِيْ ثَنَآءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَاۤ أَثْنَيْتَ عَلٰى نَفْسِكَ. اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ نَزِلَّ أَوْ نُزِّلَ، أَوْ نُضِلَّ أَوْ نَظْلِمَ أَوْ يُظْلَمَ عَلَيْنَا، أَوْ نَجْهَلَ أَوْ يُجْهَلَ عَلَيْنَا، أَوْ أَضِلَّ أَوْ أُضَلَّ، أَعُوْذُ بِنُوْرِ وَجْهِكَ الْكَرِيْمِ الَّذِيْ، أَضَآءَتْ لَهُ السَّمٰوٰتُ، وَأَشْرَقَتْ لَهُ الظُّلُمَاتُ، وَصَلُحَ عَلَيْهِ أَمْرُ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ أَنْ تُحِلَّ عَلَيَّ غَضَبَكَ وَتُنْزِلَ عَلَيَّ سَخَطَكَ، وَلَكَ الْعُتْبٰى حَتّٰى تَرْضٰى، وَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِكَ. اَللّٰهُمَّ وَاقِيَةً كَوَاقِيَةِ الْوَلِيْدِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ الْأَعْمَيَيْنِ : السَّيْلِ وَالْبَعِيْرِ الصَّؤُوْلِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিরিদাকা মিন সাখাতিকা, ওয়া বিমু‘আফাতিকা মিন ‘উকূবাতিকা, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনকা। লা উহসী সানাআন ‘আলাইকা, আনতা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা। আল্লাহুম্মা ইন্না না‘ঊযু বিকা মিন আন নাযিল্লা আও নুযাল্লা, আও নাদিল্লা আও নাযলিমা আও ইউযলামা ‘আলাইনা, আও নাজহালা আও ইউজহালা ‘আলাইনা, আও আদিল্লা আও উদাল্লা। আ‘ঊযু বিনূরি ওয়াজহিকাল কারীমিল্লাযী আদাআত লাহুস সামাওয়াতু, ওয়া আশরাকাত লাহুয যুলুমাতু, ওয়া সালুহা ‘আলাইহি আমরুদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি, আন তুহিল্লা ‘আলাইয়্যা গাদাবাকা ওয়া তুনযিলা ‘আলাইয়্যা সাখাতাকা। ওয়া লাকাল ‘উতবা হাত্তা তারদা, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিকা। আল্লাহুম্মা ওয়াকিয়াতান কাওয়াকিয়াতিল ওয়ালিদ। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিল আ‘মায়াইনি: আস-সাইলি ওয়াল বা‘ঈরিস সাঊল।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে এবং আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমা ও নিরাপত্তার মাধ্যমে আশ্রয় চাই। আমি আপনার কাছেই আপনার থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার যথাযথ প্রশংসা গণনা করে শেষ করতে পারি না। আপনি ঠিক তেমনই, যেমন আপনি নিজেই নিজের প্রশংসা করেছেন। হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে আশ্রয় চাই—যেন আমরা পদস্খলিত না হই বা অন্যকে পদস্খলিত না করি; পথভ্রষ্ট না হই বা অন্যকে পথভ্রষ্ট না করি; যুলুম না করি বা আমাদের ওপর যুলুম করা না হয়; মূর্খতাপূর্ণ আচরণ না করি বা আমাদের সঙ্গে মূর্খতাপূর্ণ আচরণ করা না হয়; এবং আমরা যেন নিজেরা বিপথে না যাই বা অন্যের দ্বারা বিপথে পরিচালিত না হই। আমি আপনার সম্মানিত চেহারার নূরের আশ্রয় চাই, যার আলোয় আসমানসমূহ আলোকিত হয়েছে, অন্ধকারসমূহ দূরীভূত হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতের বিষয়াবলি সুশৃঙ্খল হয়েছে। আপনার ক্রোধ যেন আমার ওপর আপতিত না হয় এবং আপনার অসন্তুষ্টি যেন আমার ওপর নেমে না আসে। আপনি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আপনার সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আপনার সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই। হে আল্লাহ! নবজাতক শিশুকে যেভাবে সুরক্ষা দেওয়া হয়, সেরূপ সুরক্ষা দান করুন। হে আল্লাহ! আমি দুটি অন্ধ বিপদের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই: প্রবল বন্যার স্রোত এবং আক্রমণকারী দুর্দমনীয় উট।