(ইন্না ফী খলকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়াখতিলা-ফিল লাইলি ওয়ান্নাহা-রি লাআয়া-তিল্ লিউলিল্ আলবা-ব। আল্লাযীনা ইয়াযকুরূনাল্লাহা কিয়া-মাও ওয়াকু‘উদাঁও ওয়া‘আলা জুনূবিহিম ওয়াইয়াতাফাক্কারূনা ফী খলকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, রববানা মা খালাকতা হাযা বা-তিলান, সুবহানাকা ফাকিনা ‘আযা-বান্ নার। রববানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্ না-রা ফাকাদ আখযাইতাহু, ওয়ামা লিয্যালিমীনা মিন আনসা-র। রববানা ইন্নানা সামি‘না মুনাদিইয়াইয়্যুনা-দী লিলঈমানি আন্ আ-মিনু বিরব্বিকুম ফাআ--মান্না। রব্বানা ফাগফির লানা যুনূবানা ওয়াকাফফির ‘আন্না সায়্যিআ-তিনা ওয়া তাওয়াফ্ফানা মা‘আল আবরা-র। রববানা ওয়া আতিনা মা ওয়া‘আদতানা ‘আলা রুসুলিকা ওয়ালা তুখযিনা ইয়াওমাল কিয়া-মাতি, ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী‘আদ। ফাস্তাজাবা লাহুম রববুহুম আন্নী লা উদী‘উ আমালা ‘আমিলিম মিনকুম মিন যাকারিন ওয়া উনসা বা‘দুকুম মিন বা‘দ, ফাল্লাযীনা হা-জারূ ওয়া উখরিজূ মিন দিয়ারিহিম ওয়া ঊ-যূ ফী সাবীলী ওয়া কা-তালু ওয়া কু-তিলু লাউকাফফিরান্না ‘আনহুম সায়্যিআ-তিহিম ওয়ালাউদখিলান্নাহুম জান্না-তিন তাজরী মিন তাহ-তিহাল আনহারু, ছাওয়া-বাম্ মিন ‘ইনদিল্লাহি, ওয়াল্লা-হু ইনদাহু হুসনুছ ছাওয়া-ব। লা ইয়াগুররান্নাকা তাকল্লুবুল্লাযীনা কাফারূ ফিল্ বিলা-দ। মাতা‘উন কালীলুন ছুম্মা মা’ওয়াহুম জাহান্নামু ওয়া বি’সাল মিহা-দ। লা-কিনিল্লাযীনাত্তাকাও রববাহুম লাহুম জান্না-তুন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহারু খা-লিদ্বীনা ফীহা নুযুলাম্ মিন ইনদিল্লাহি ওয়ামা ইনদাল্লাহি খাইরুল লিল্ আবরার। ওয়াইন্না মিন আহলিল কিতাবি লামইয়ূ’মিনু বিল্লাহি ওয়ামা উনযিলা ইলাইকুম ওয়ামা উনযিলা ইলাইহিম খা-শিঈনা লিল্লা-হি লা ইয়াশতারূনা বিআ-য়া-তিল্লাহি ছামানান্ কালীলা। উলা-ইকা লাহুম আজরুহুম ‘ইনদা রববিহিম। ইন্নাল্লাহা সারী‘উল হিসাব। ইয়া আয়্যুহাল্লাযীনা আমানুসবিরূ ওয়াসা-বিরূ ওয়া রা-বিতু ওয়াত্তাকুল্লাহা লা‘আল্লাকুম তুফলিহুন)।
নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য। যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহ্র স্মরণ করে এবং আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা করে, আর বলে, ‘হে আমাদের রব! আপনি এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি, আপনি অত্যন্ত পবিত্র, অতএব আপনি আমাদেরকে আগুনের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’ ‘হে আমাদের রব! আপনি কাউকেও আগুনে নিক্ষেপ করলে তাকে তো আপনি নিশ্চয়ই হেয় করলেন এবং যালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।’ ‘হে আমাদের রব, আমরা এক আহ্বায়ককে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি, ‘তোমরা তোমাদের রবের উপর ঈমান আন।’ কাজেই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের পাপরাশি ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো দূরীভূত করুন এবং আমাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের সহগামী করে মৃত্যু দিন। ‘হে আমাদের রব! আপনার রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদেরকে যা দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আমাদেরকে দান করুন এবং কেয়ামতের দিন আমাদেরকে হেয় করবেন না। নিশ্চয় আপনি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না।’ তারপর তাদের রব তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের মধ্যে আমলকারী কোনো নর বা নারীর আমল বিফল করি না; তোমরা একে অপরের অংশ। কাজেই যারা হিজরত করেছে, নিজ ঘর থেকে উৎখাত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং যুদ্ধ করেছে ও নিহত হয়েছে আমি তাদের পাপ কাজগুলো অবশ্যই দূর করব এবং অবশ্যই তাদেরকে প্রবেশ করাব জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। এটা আল্লাহ্র কাছ থেকে পুরস্কার; আর উত্তম পুরস্কার আল্লাহ্রই কাছে রয়েছে। যারা কুফরী করেছে, দেশে দেশে তাদের অবাধ বিচরণ যেন কিছুতেই আপনাকে বিভ্রান্ত না করে। এ তো স্বল্পকালীন ভোগ মাত্র; তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস; আর ওটা কত নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! কিন্তু যারা তাদের রবকে ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এ হচ্ছে আল্লাহ্র পক্ষ থেকে আতিথেয়তা; আর আল্লাহ্র কাছে যা আছে তা সৎকর্মপরায়ণদের জন্য উত্তম। আর নিশ্চয় কিতাবীদের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহ্র প্রতি বিনয়াবনত হয়ে তাঁর প্রতি এবং তিনি যা তোমাদের ও তাদের প্রতি নাযিল করেছেন তাতে ঈমান আনে। তারা আল্লাহ্র আয়াত তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে না। তারাই, যাদের জন্য আল্লাহ্র কাছে পুরস্কার রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ কর, ধৈর্যে প্রতিযোগিতা কর এবং সবসময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাক, আর আল্লাহ্র তাকওয়া অবলম্বন কর; যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার”
আল্লা-হুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইতা ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়াবা-রিক লী ফীমা আ‘ত্বাইতা ওয়াক্বিনী শাররা মা ক্বাদাইতা ফাইন্নাকা তাক্ব্দ্বী ওয়ালা ইউক্ব্দ্বা ‘আলাইকা। ওয়া ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইতা, ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইতা। তাবা-রক্তা রব্বানা ওয়া তা‘আ-লাইতা)
“হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে সুখদায়ক সৎ পথ প্রকৃত ইসলামের অনুগামী করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সুখশান্তিপূর্ণ মঙ্গলময় জীবন প্রদান করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সর্ব প্রকার কল্যাণ প্রদানের সহিত সাহায্য করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি আমাকে যে সমস্ত মঙ্গলদায়ক জিনিস প্রদান করেছেন, সেগুলিকে আমার জন্য অধিকতর মঙ্গলদায়ক করুন। আপনি যে ফয়সালা করেছেন, তার অমঙ্গল হতে আমাকে রক্ষা করুন। কেননা সব জগতের সঠিক পরিচালনার জন্য যে ফয়সালা আপনি করেছেন, সেটাই সঠিক ফয়সালা। তাই আপনার ফয়সালার উপরে আর কোনো প্রকারের সঠিক ফয়সালা নেই। আপনি যাকে ভালো বাসবেন, সে কোনো দিন অপমানিত হতে পারে না। আর আপনি যার জন্য অমঙ্গল নির্ধারণ করবেন, সে কোনো দিন শক্তিশালী হতে পারবে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি মহাকল্যাণময় এবং মহামহিমান্বিত”।
আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি, ওয়ারিদ ওয়ানিম মিনার রাহমানি ওয়া জিওয়ারিম মিনাশ শাইত্বনি।
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ঈমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহ্র সন্তুষ্টির সাথে।
রাব্বি আওঝি‘নীআন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতীআন‘আমতা ‘আলাইইয়া ওয়া ‘আলা-ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া আন আ‘মালা সা-লিহান তারদা-হু ওয়া আছলিহ্ লী ফী যুররিয়্যাতি; ইন্নী তুব্তু ইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল্ মুসলিমীন।
হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার জন্য আমার সন্তানদের সৎকর্মপরায়ণ করে দিন; আমি অবশ্যই আপনার নিকট তওবা করছি এবং নিশ্চয়ই আমি অনুগত বান্দাদের একজন।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহ।
নেই কোন উপাস্য এক আল্লাহ ব্যতীত। তাঁর শরীক নেই। রাজত্ব তাঁর জন্য। প্রশংসা তাঁর জন্য। তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। নেই কোন উপাস্য এক আল্লাহ ব্যতীত। তিনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন। তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল দলকে পরাজিত করেছেন।
রাব্বানা ইন্নানা আ-মান্না ফাগ্ফিরলানা যুনূবানা ওয়া ক্বিনা আযা-বান্ন না-র।
হে আমাদের রব, আমরা ঈমান এনেছি। তুমি আমাদের ক্ষমা কর এবং আমাদের আগুনের আযাব হতে রক্ষা কর।
রাব্বানা আ-তিনা মিল্লাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা রাশাদা।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার নিকট থেকে বিশেষ রহমত নাযিল করুন এবং আমাদের এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য কল্যাণকর পথের ব্যবস্থা করে দিন।
রাব্বানা হাবলানা মিন আঝওয়া জিনা ওয়া যুররিইইয়া তিনা কুররাতা আ‘ইউনিও ওয়াজ‘আলনা লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের পক্ষ হতে দান কর নয়নপ্রীতি এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানাও।
রাব্বানা ওয়াছি‘তা কুল্লা শাইয়িররাহমাতাও ওয়া ‘ইলমান ফাগফির লিল্লাযীনা তাবূ ওয়াত্তাবা‘ঊ ছাবীলাকা ওয়াকিহিম ‘আযা-বাল জাহীম।
হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার রহমত ও জ্ঞান সমস্ত কিছু জুড়ে ব্যাপ্ত। সুতরাং যারা তাওবা করেছে ও তোমার পথের অনুসারী হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর।
লা ইলাহা ইল্লা আনতা, লা শারীকা লাক, সুবহানাকা। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসতাগফিরুকা লিযাম্বী, ওয়া আসআলুকা রাহমাতাক।
আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, আপনার কোনো শরিক নেই। আপনি পবিত্র। হে আল্লাহ! আমি আমার গুনাহের জন্য আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার রহমত কামনা করছি।
আল্লাহুম্মাগফির লী যানবী, ওয়া ওয়াসসি‘ লী ফী দারী, ওয়া বারিক লী ফী রিযকী।
হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমার বাসস্থানে প্রশস্ততা দান করুন এবং আমার রিজিকে বরকত দিন।
আল্লাহুম্মাফতাহ লানা আবওয়াবা রাহমাতিক, ওয়া সাহহিল লানা আবওয়াবা রিযকিক।
হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন এবং আমাদের জন্য আপনার রিজিকের দরজাগুলো সহজ করে দিন।
আল্লাহুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা, ওয়াবনু ‘আবদিকা, ওয়াবনু আমাতিকা। নাসিয়াতী বিয়াদিকা, মাদিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাযাউকা। আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন হুয়া লাকা, সাম্মাইতা বিহী নাফসাকা, আও আনযালতাহূ ফী কিতাবিকা, আও ‘আল্লামতাহূ আহাদাম মিন খালকিকা, আওইস্তা’ছারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইন্দাকা, আন তাজ‘আলাল কুরআনাল ‘আযীমা রবী‘আ কালবী, ওয়া নূরা বাসারী, ওয়া জিলাআ হুযনী, ওয়া যাহাবা হাম্মী।
হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার সন্তান এবং আপনার বান্দীর সন্তান। আমার কপালের চুল আপনার হাতে। আমার ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্ত কার্যকর। আমার ব্যাপারে আপনার ফয়সালা ন্যায়পূর্ণ। আপনার প্রতিটি সেই নামের উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, যে নাম আপনি নিজের জন্য নির্ধারণ করেছেন, অথবা আপনার কিতাবে নাজিল করেছেন, অথবা আপনার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছেন, অথবা নিজের কাছে ইলমে গায়েবে সংরক্ষিত রেখেছেন—আপনি যেন মহান কুরআনকে আমার অন্তরের বসন্ত, আমার দৃষ্টির আলো, আমার দুঃখ দূর করার উপায় এবং আমার দুশ্চিন্তা দূর করার মাধ্যম বানিয়ে দেন।
আল্লাহুম্মা কান্নি‘নী বিমা রাযাকতানী, ওয়াবারিকলী ফীহি, ওয়াখলুফ আলাইয়া কুল্লা গা-ইবাতিন লী বিখাইরিন।
হে প্রভু! তুমি যে রিযিক (জীবিকা) আমাকে দান করেছ, তাতেই আমাকে তুষ্ট রাখ। এবং উহাতে বরকত দান কর। এবং আমার প্রতিটি অনুপস্থিত বিষয়ক তুমি মঙ্গলের সহিত রক্ষণাবেক্ষণ কর।
আল্লাহুম্মা ইলাহা জিবরীলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরাফীলা, ওয়া ইলাহা ইবরাহীমা ওয়া ইসমাঈলা ওয়া ইসহাকা, ‘আফিনী, ওয়া লা তুসাল্লিতান্না আহাদাম মিন খালকিকা ‘আলাইয়্যা বিশাইয়িল্লা ত্বাকাতা লী বিহী।
হে আল্লাহ! জিবরীল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব! ইবরাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের রব! আমাকে নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করুন। আপনার সৃষ্টির কাউকে আমার ওপর এমন কোনো বিষয়ে কর্তৃত্বশীল করবেন না, যা সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই।
আল্লাহুম্মাগফির যুনূবানা- ওয়াসতুর 'উয়ূবানা-, ওয়াশরাহ্ ছুদূরনা-, ওয়াহ্ফায ক্বুলূবানা-, ওয়া নাউউইর ক্বুলূবানা-, ওয়া ইয়াস্সির উমূরনা-, ওয়া হাচ্ছ্বিল মুরা-দানা-, ওয়া তাম্মিম তাক্বছীরনা-। আল্লাহুম্মা নাজ্জিনা- মিম্মা- নাখা-ফু ইয়া- হাফিয়্যাল আলত্বা-ফ।
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিন, আমাদের দোষত্রুটিগুলো গোপন রাখুন, আমাদের বক্ষকে প্রশস্ত করে দিন এবং আমাদের অন্তরগুলোকে হেফাজত করুন। আপনি আমাদের অন্তরগুলোকে নূরে নূরান্বিত করে দিন, আমাদের সমস্ত কাজ সহজ করে দিন, আমাদের নেক মাকসাদগুলো পূরণ করে দিন এবং আমাদের সব রকমের অপূর্ণতা পূর্ণাঙ্গ করে দিন। হে ঐ সত্তা, যিনি দয়া ও করুণার জন্য সদা প্রস্তুত! আমরা যে বিষয়গুলোকে ভয় পাই, সেই সমস্ত বিষয় থেকে আপনি আমাদেরকে মুক্তি দান করুন।
বিসমিল্লা-হি আরকীকা মিন কুল্লি শাইইন ইউ’যীকা, মিন শার্রি কুল্লি নাফসিন আও ‘আইনিং হা-সিদিন, আল্লাহু ইয়াশফীকা, বিসমিল্লা-হি আরকীকা।
আমি আল্লাহর নামে আপনাকে রুকইয়াহ করছি, সেই সব জিনিস থেকে, যা আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। সব প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদ নজর থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দিক; আমি আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি।
বিসমিল্লাহি ইয়ুবরিকা, ওয়ামিন কুল্লি দাঈন য়াশফীকা, ওয়ামিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদা, ওয়া শাররি কুল্লি যি আইনিন।
আল্লাহর নামে, তিনি আপনাকে (রোগ) মুক্ত করুন, সব রোগ হতে আপনাকে নিরাময় করুন, আর হিংসুকের অনিষ্ট হাত-যখন সে হিংসা করে আর সব বদ নযরওয়ালার অনিষ্ট হতে।
দু'আর বিষয়সমূহ
40টি বিষয় পাওয়া গেছে