দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

জীবনের শেষাংশ, আমলের পরিণতি ও আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সৌভাগ্য লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ عُمُرِيْ اٰخِرَهٗ وَخَيْرَ عَمَلِيْ خَوَاتِمَهٗ، وَخَيْرَ أَيَّامِيْ يَوْمَ أَلْقَاكَ فِيْهِ، يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِه ! ثَبِّتْنِيْ بِه حَتّٰى أَلْقَاكَ. أَسْأَلُكَ غِنَايَ وَغِنٰى مَوْلَايَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আল খাইরা ‘উমুরী আখিরাহু, ওয়া খাইরা ‘আমালী খাওয়াতিমাহু, ওয়া খাইরা আইয়ামী ইয়াওমা আলকাকা ফীহি। ইয়া ওয়ালিয়্যাল ইসলামি ওয়া আহলিহী! সাব্বিতনী বিহী হাত্তা আলকাকা। আসআলুকা গিনায়া ওয়া গিনা মাওলায়া।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার জীবনের শেষাংশকে সর্বোত্তম করুন, আমার আমলের পরিণতিকে সর্বোত্তম করুন এবং আমার দিনগুলোর মধ্যে সেই দিনটিকে সর্বোত্তম করুন, যেদিন আমি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। হে ইসলাম ও ইসলামের অনুসারীদের অভিভাবক! আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত আমাকে এর ওপর অবিচল রাখুন। আমি আপনার কাছে আমার ও আমার অভিভাবকের অভাবমুক্তি প্রার্থনা করছি।

২.

সফরকারীদের জন্য বাসিন্দাদের দু‘আ-২

۞ زَوَّدَكَ اللهُ التَّقْوَى ، وَغَفَرَ ذَنْبَكَ ، وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ
উচ্চারণঃ

যাউওয়াদাকাল্লা-হুত্ তাক্বওয়া, ওয়াগাফারা যামবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসুমা কুন্ত্।

অর্থঃ

আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া (সংযমশীলতার-পাথেয়) প্রদান করুন, তোমার গোনাহ মাফ করে দিন, তুমি যেখানেই থাক, আল্লাহ যেন তোমার জন্য কল্যাণ সহজ করে দেন।

৩.

আয়াতে শেফা (রোগ মুক্তির ৬ টি আয়াত)

পবিত্র কুরআনে কারীমের ৬ টি আয়াত আয়াতে শেফা বা রোগ মুক্তির আয়াত নামে পরিচিত। এগুলো পড়ার পূর্বে সূরা ফাতিহা পড়ে নেয়া উত্তম। ۞ وَيَشْفِ صُدُوْرَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِيْنَ ۞ وَشِفَآءٌ لِّمَا فِی الصُّدُوۡرِ وَهُدًى وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۞ یَخۡرُجُ مِنۡۢ بُطُوۡنِہَا شَرَابٌ مُّخۡتَلِفٌ اَلۡوَانُہٗ فِیۡہِ شِفَآءٌ لِّلنَّاسِ ۞ وَنُنَزِّلُ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ مَا هُوَ شِفَآءٌ وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۞ وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِيْنِ ۞ قُلْ هُوَ لِلَّذِيْنَ آمَنُوْا هُدًى وَّشِفَاءٌ
উচ্চারণঃ

১. ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। ২. ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। ৩. ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। ৪. ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতুল লিলমু’মিনি-ন। ৫. ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। ৬. কুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাওঁ ওয়া শিফাউন।

অর্থঃ

১. এবং আল্লাহ মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। ২. এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ৩. তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ৪. আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। ৫. এবং যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন ৬. বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার

৪.

অতীব গুরুত্বপূর্ন একটি দরূদ

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّاَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সল্লিআ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আনযিলহুল মাক্ব’আদাল মুক্বার্‌রবা ই’নদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ্‌।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর রহমত বর্ষিত কর, এবং কিয়ামতের দিন তুমি তাঁকে তোমার নিকটতম স্থানে অধিষ্ঠিত কর।

৫.

কুরআনে বর্ণিত রব্বানা দু‘আ-৩

۞ رَبَّنَا اٰ تِنَا مِن لَّدُنْكَ رَحْمَةً وَّهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا
উচ্চারণঃ

রাব্বানাআ-তিনা-মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা-রাশাদা-।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার নিকট থেকে বিশেষ রহমত নাযিল করুন এবং আমাদের এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য কল্যাণকর পথের ব্যবস্থা করে দিন।

৬.

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে পড়বে

۞ لَا بَأْسَ طَهُوْ رٌ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ – أَسْأَلُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ أَنْ يَشْفِيَكَ
উচ্চারণঃ

লা বা’সা তাহুরুন ইনশাআল্লাহ, আস আলুল্লাহাল ‘আযীম রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম আইঁ ইয়াশ ফিয়াক।

অর্থঃ

বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই। (আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন) ইনশাআল্লাহ্‌ এই রোগ (বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা থেকে) পবিত্রতা সাধনকারী। এরপরে সাতবার এই দু‘আ পড়বে : আমি আরশে আযীমের মালিক, মহান আল্লাহ্‌ তা‘আলার নিকট আপনার সুস্থতার জন্যে দু‘আ করছি।

৭.

একান্ত প্রিয় বস্তু হারিয়ে গেলে যে দু‘আ পড়বে

۞ اِنَّا لِلّٰهِ وَاِنَّا اِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ. اَللّٰهُمَّ أْجُرْنِيْ فِـيْ مُصِيْبَتِيْ. وَاَخْلِفْ لِيْ خَيْرًا مِّنْهَا
উচ্চারণঃ

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘ঊন, আল্লাহুম্মা’ জুরনী ফী মুসী বাতী ওয়া আখলিফলী খইরম মিনহা।

অর্থঃ

নিঃসন্দেহে আমরা আল্লাহ তা‘আলারই জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ ! আমাকে আমার মুসিবতের উপর সওয়াব দান করুন, আর যে জিনিস আপনি আমার নিকট থেকে নিয়ে গিয়াছেন তা থেকে উত্তম জিনিস আমাকে দান করুন।

৮.

দু‘আ-২

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ ثَبِّتْ اَقْدَامَنَا وَ انْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَؕ۝۲۵۰
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আফরিগ আলাইনা সাবরাও ওয়া সাব্বিত আকদা-মানা ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ধৈর্য দান করুন। আমাদের কদম অবিচলিত রাখুন, আর কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে সাহায্য ও বিজয় দান করুন।

৯.

দু‘আ-৩

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعْفُ عَنَّا ۥ وَ اغْفِرْ لَنَا ۥ وَ ارْحَمْنَا ۥ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۠۝۲۸۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লা-তুআ খিযনা ইন নাছীনা আও আখতা-না, রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা, রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা-তা-কাতা লানা বিহী, ওয়া‘ফু‘আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আনতা মাওলা-না ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দ্বারা যদি কোনও ভুল-ত্রুটি হয়ে যায় তবে সেজন্য তুমি আমাদের পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি সেই রকমের দায়িত্বভার অর্পণ করো না, যেমন তা অর্পণ করেছিলে আমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর এমন ভার চাপিয়ো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের (ত্রুটিসমূহ) মার্জনা কর, আমাদের ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের অভিভাবক ও সাহায্যকারী। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর।

১০.

দু‘আ-৩৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَ لِاِخْوَانِنَا الَّذِیْنَ سَبَقُوْنَا بِالْاِیْمَانِ وَ لَا تَجْعَلْ فِیْ قُلُوْبِنَا غِلًّا لِّلَّذِیْنَ اٰمَنُوْا رَبَّنَاۤ اِنَّكَ رَءُوْفٌ رَّحِیْمٌ۠۝۱۰
উচ্চারণঃ

রাব্বানাগফিরলানা ওয়া লিইখওয়া-নিনাল্লাযীনা ছাবকূনা বিল ঈমা-নি ওয়ালা তাজ‘আল ফী কুলূবিনা গিল্লাল লিল্লাযীনা আ-মানূ রাব্বানা ইন্নাকা রাঊফুর রাহীম।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! ক্ষমা কর আমাদেরকে এবং আমাদের সেই ভাইদেরকেও, যারা আমাদের আগে ঈমান এনেছে এবং আমাদের অন্তরে ঈমানদারদের প্রতি কোন হিংসা-বিদ্বেষ রেখ না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি অতি মমতাবান, পরম দয়ালু।

১১.

দু‘আ-৩৯

رَبَّنَاۤ اَتْمِمْ لَنَا نُوْرَنَا وَ اغْفِرْ لَنَا ۚ اِنَّكَ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ۝۸
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আতমিম লানা নূরানা ওয়াগফিরলানা, ইন্নাকা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য এ আলোকে পরিপূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান।

১২.

দু‘আ-৪০

رَبِّ اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِمَنْ دَخَلَ بَیْتِیَ مُؤْمِنًا وَّ لِلْمُؤْمِنِیْنَ وَ الْمُؤْمِنٰتِ ۠۝۲۸
উচ্চারণঃ

রাব্বিগফিরলী ওয়ালি ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মু’মিনাও ওয়া লিলমু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনা-তি

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমার পিতা-মাতাকেও এবং প্রত্যেক এমন ব্যক্তিকেও, যে ঈমানের অবস্থায় আমার ঘরে প্রবেশ করেছে আর সমস্ত মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীকেও।

১৩.

আল্লাহর পথে বিনয়ী, অনুগত ও তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনশীল অন্তর লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ قُلُوْبًا أَوَّاهَةً مُّخْبِتَةً مُّنِيْبَةً فِيْ سَبِيْلِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা কুলূবান আওওয়াহাতাম মুখবিতাতাম মুনীবাতান ফী সাবীলিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে এমন অন্তর প্রার্থনা করি, যা আপনার ভয়ে কাতর, আপনার সামনে বিনীত ও অনুগত এবং আপনার পথে আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তনশীল।

১৪.

আল্লাহর প্রশংসায় উত্তম বাক্য প্রার্থনার দু`আ

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كَالَّذِيْ تَقُوْلُ وَخَيْرًا مِّمَّا نَقُوْلُ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু কাল্লাযী তাকূলু, ওয়া খাইরাম মিম্মা নাকূলু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে প্রশংসা করেন, সেভাবে আপনারই প্রশংসা; আর আমরা যা বলি, তার চেয়েও উত্তম প্রশংসা আপনারই প্রাপ্য।

১৫.

শত্রু থেকে হেফাজতের দু’আ

اَللّٰهُمَّ وَاقِيَةً كَوَاقِيَةِ الْوَلِيْدِ
উচ্চারণঃ

আল্লাাহুম্মা ওয়াা ক্বিয়াতান কা ওয়াা ক্বিয়াতিল ওয়ালীদ

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নবজাতককে হেফাজত করার মত (আমাদেরকে) হেফাজত করো।

১৬.

আকস্মিক পরীক্ষা ও বিপদ থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই।

১৭.

সূরা মারইয়াম ( আয়াত নং - ৪ )

قَالَ رَبِّ اِنِّیۡ وَہَنَ الۡعَظۡمُ مِنِّیۡ وَاشۡتَعَلَ الرَّاۡسُ شَیۡبًا وَّلَمۡ اَکُنۡۢ بِدُعَآئِکَ رَبِّ شَقِیًّا
উচ্চারণঃ

কা-লা রাব্বি ইন্নী ওয়াহানাল ‘আজমু মিন্নী ওয়াশতা‘আলার রা’ছু শাইবাওঁ ওয়ালাম আকুম বিদু‘আইকা রাব্বি শাকিইইয়া-।

অর্থঃ

সে বলেছিল, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মস্তক শুভ্রোজ্জ্বল হয়েছে; হে আমার প্রতিপালক! তোমাকে আহ্বান করে আমি কখনও ব্যর্থকাম হই নাই।

১৮.

মসজিদ

المسجد
উচ্চারণঃ

শরঈ মসজিদ

অর্থঃ

“শরয়ি মসজিদ” বলতে সেই স্থানকে বোঝায়, যেখানে কোনো একজন ব্যক্তি বা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের মালিকানাধীন জমিকে ‘মসজিদ’ হিসেবে নিজেদের মালিকানা থেকে পৃথক করে দেন এবং সেটির পথ সাধারণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার সঙ্গে খুলে দিয়ে মুসলমানদের সেখানে নামাজ আদায়ের অনুমতি প্রদান করেন। এরপর যখন একবারও সেখানে আজান ও জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা হয়, তখনই সেই স্থান শরয়ি মসজিদ হিসেবে গণ্য হয়ে যায়।

১৯.

পড়াশোনায় মনোযোগের জন্য রুক্বিয়্যাহ

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾ আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। আররাহমা-নির রাহীম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন। ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম। সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম اَللهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلْحَیُّ الْقَیُّوْمُ ۬ۚ لَا تَاْخُذُهٗ سِنَۃٌ وَّلَا نَوْمٌ ؕ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ مَنْ ذَا الَّذِیْ یَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِذْنِهٖ ؕ یَعْلَمُ مَا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚ وَلَا یُحِیْطُوْنَ بِشَیْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا بِمَاشَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚ وَلَا یَـُٔوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیْمُ ﴿۲۵۵﴾ আল্লা-হু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আল হাইয়ুল কাইয়ূমু লা-তা’খুযুহূ ছিনাতুওঁ ওয়ালা-নাওমুন লাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূইল্লা-বিইযনিহী ইয়া‘লামুমা-বাইনা আইদীহিম ওয়ামা-খালফাহুম ওয়ালা-ইউহীতূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহীইল্লা-বিমা-শাআ ওয়াছি‘আ কুরছিইয়ুহুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ওয়ালা-ইয়াঊদুহু হিফজু হুমা-ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ূল ‘আজীম। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম لِلّٰهِ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ وَ اِنْ تُبْدُوْا مَا فِیْۤ اَنْفُسِكُمْ اَوْ تُخْفُوْهُ یُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللهُ ؕ فَیَغْفِرُ لِمَنْ یَّشَآءُ وَیُعَذِّبُ مَنْ یَّشَآءُ ؕ وَاللهُ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ﴿۲۸۴﴾ اٰمَنَ الرَّسُوْلُ بِمَاۤ اُنْزِلَ اِلَیْهِ مِنْ رَّبِّهٖ وَالْمُؤْمِنُوْنَ ؕ كُلٌّ اٰمَنَ بِاللهِ وَمَلٰٓئِکَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ ۟ لَا نُفَرِّقُ بَیْنَ اَحَدٍ مِّنْ رُّسُلِهٖ ۟ وَقَالُوْا سَمِعْنَا وَ اَطَعْنَا ٭۫ غُفْرَانَکَ رَبَّنَا وَ اِلَیْکَ الْمَصِیْرُ ﴿۲۸۵﴾ لَا یُکَلِّفُ اللهُ نَفْسًا اِلَّا وُسْعَهَا ؕ لَهَا مَا کَسَبَتْ وَعَلَیْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا کَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِهٖ ۚ وَاعْفُ عَنَّا ٝ وَاغْفِرْ لَنَا ٝ وَارْحَمْنَا ٝ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْکٰفِرِیْنَ ﴿۲۸۶﴾۠ লিল্লা-হি মা ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদিওয়া ইন তুবদূমা-ফীআনফুছিকুম আও তুখফূহু ইউহা-ছিবকুম বিহিল্লা-হু ফাইয়াগফিরু লি মাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইউ‘আযযিবু মাইঁ ইয়াশাউ ওয়াল্লা-হু আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদীর। আ-মানাররাছূলু বিমাউনঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহী ওয়াল মু’মিনূনা কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুছুলিহী লা-নুফাররিকুবাইনা আহাদিম মির রুছুলিহী ওয়া কা-লূ ছামি‘না ওয়াআতা‘না গুফরা-নাকা রাব্বানা-ওয়া ইলাইকাল মাসীর। লা-ইউকালিলফুল্লা-হু নাফছান ইল্লা-উছ‘আহা-লাহা-মা কাছাবাত ওয়া ‘আলাইহা-মাকতাছাবাত রাব্বানা-লা-তুআ-খিযনা ইন নাছীনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহী ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاکَ ۚ فَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْنَ ﴿۱۱۷﴾ۚ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ۚ فَغُلِبُوْا هُنَالِکَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ۚ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَۃُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ۚۖ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ۙ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾ ওআউহাইনা ইলা মূসা আন আল্কি ‘আসা-কা, ফাইযা হিয়া তালকাফু মা ইয়াফিকূন। ফাওয়াকাআল হাক্কু ওয়া বাতালা মা কানো ইয়ামালূন। ফাগুলিবূ হুনালিকা ওয়ানকালাবূ সাগিরীন। ওয়া উলকিয়াস সাহারাতু সা-জিদীন। কালূ আ-মান্না বিরাব্বিল ‘আলামীন। রাব্বি মূসা ওয়া হারূন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَقَالَ فِرْعَوْنُ ائْتُوْنِیْ بِكُلِّ سٰحِرٍ عَلِیْمٍ ﴿۷۹﴾ فَلَمَّا جَآءَ السَّحَرَۃُ قَالَ لَهُمْ مُّوْسٰۤی اَلْقُوْا مَاۤ اَنْتُمْ مُّلْقُوْنَ ﴿۸۰﴾ فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَالَ مُوْسٰی مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙ السِّحْرُ ؕ اِنَّ اللهَ سَیُبْطِلُهٗ ؕ اِنَّ اللهَ لَا یُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِیْنَ ﴿۸۱﴾ وَیُحِقُّ اللهُ الْحَقَّ بِکَلِمٰتِهٖ وَلَوْ کَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ ﴿۠۸۲﴾ ওয়া কা-লা ফির‘আওনু’তূনী বিকুল্লি ছা-হিরিন ‘আলীম। ফালাম্মা-জাআ ছছাহারাতুকা-লা লাহুম মূছাআলকূমাআনতুম মুলকূন। ফালাম্মাআলকাও কা-লা মূছা- মা-জি’তুম বিহিছছিহরু ইন্নাল্লা-হা ছাইউবতিলুহূ ইন্নাল্লা-হা লা-ইউসলিহু‘আমালাল মুফছিদীন। ওয়া ইউহিক্কুল্লা-হুল হাক্কা বিকালিমা-তিহী ওয়ালাও কারিহাল মুজরিমূন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِکَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾ ওয়া আল্কি মা ফি ইয়ামীনিকা, তালকাফ মা সানা‘উ, ইন্‌না মা সানা‘উ কাইদু সাহিরিন, ওয়া ইউফলিহুস সাহিরু হাইসু আতাঃ।

২০.

ক্রোধ দমনের জন্যে এই দু‘আ পড়বে

۞ اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম।

অর্থঃ

আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

দু'আর বিষয়াদি | মুসলিম বাংলা