আল্লাহুম্মাজ‘আল খাইরা ‘উমুরী আখিরাহু, ওয়া খাইরা ‘আমালী খাওয়াতিমাহু, ওয়া খাইরা আইয়ামী ইয়াওমা আলকাকা ফীহি। ইয়া ওয়ালিয়্যাল ইসলামি ওয়া আহলিহী! সাব্বিতনী বিহী হাত্তা আলকাকা। আসআলুকা গিনায়া ওয়া গিনা মাওলায়া।
হে আল্লাহ! আমার জীবনের শেষাংশকে সর্বোত্তম করুন, আমার আমলের পরিণতিকে সর্বোত্তম করুন এবং আমার দিনগুলোর মধ্যে সেই দিনটিকে সর্বোত্তম করুন, যেদিন আমি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। হে ইসলাম ও ইসলামের অনুসারীদের অভিভাবক! আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত আমাকে এর ওপর অবিচল রাখুন। আমি আপনার কাছে আমার ও আমার অভিভাবকের অভাবমুক্তি প্রার্থনা করছি।
যাউওয়াদাকাল্লা-হুত্ তাক্বওয়া, ওয়াগাফারা যামবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসুমা কুন্ত্।
আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া (সংযমশীলতার-পাথেয়) প্রদান করুন, তোমার গোনাহ মাফ করে দিন, তুমি যেখানেই থাক, আল্লাহ যেন তোমার জন্য কল্যাণ সহজ করে দেন।
১. ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। ২. ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। ৩. ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। ৪. ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতুল লিলমু’মিনি-ন। ৫. ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। ৬. কুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাওঁ ওয়া শিফাউন।
১. এবং আল্লাহ মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। ২. এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ৩. তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ৪. আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। ৫. এবং যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন ৬. বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার
আল্লাহুম্মা সল্লিআ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আনযিলহুল মাক্ব’আদাল মুক্বার্রবা ই’নদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ্।
হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর রহমত বর্ষিত কর, এবং কিয়ামতের দিন তুমি তাঁকে তোমার নিকটতম স্থানে অধিষ্ঠিত কর।
রাব্বানাআ-তিনা-মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা-রাশাদা-।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার নিকট থেকে বিশেষ রহমত নাযিল করুন এবং আমাদের এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য কল্যাণকর পথের ব্যবস্থা করে দিন।
লা বা’সা তাহুরুন ইনশাআল্লাহ, আস আলুল্লাহাল ‘আযীম রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম আইঁ ইয়াশ ফিয়াক।
বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই। (আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন) ইনশাআল্লাহ্ এই রোগ (বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা থেকে) পবিত্রতা সাধনকারী। এরপরে সাতবার এই দু‘আ পড়বে : আমি আরশে আযীমের মালিক, মহান আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট আপনার সুস্থতার জন্যে দু‘আ করছি।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘ঊন, আল্লাহুম্মা’ জুরনী ফী মুসী বাতী ওয়া আখলিফলী খইরম মিনহা।
নিঃসন্দেহে আমরা আল্লাহ তা‘আলারই জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ ! আমাকে আমার মুসিবতের উপর সওয়াব দান করুন, আর যে জিনিস আপনি আমার নিকট থেকে নিয়ে গিয়াছেন তা থেকে উত্তম জিনিস আমাকে দান করুন।
রাব্বানা আফরিগ আলাইনা সাবরাও ওয়া সাব্বিত আকদা-মানা ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ধৈর্য দান করুন। আমাদের কদম অবিচলিত রাখুন, আর কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে সাহায্য ও বিজয় দান করুন।
রাব্বানা লা-তুআ খিযনা ইন নাছীনা আও আখতা-না, রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা, রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা-তা-কাতা লানা বিহী, ওয়া‘ফু‘আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আনতা মাওলা-না ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দ্বারা যদি কোনও ভুল-ত্রুটি হয়ে যায় তবে সেজন্য তুমি আমাদের পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি সেই রকমের দায়িত্বভার অর্পণ করো না, যেমন তা অর্পণ করেছিলে আমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর এমন ভার চাপিয়ো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের (ত্রুটিসমূহ) মার্জনা কর, আমাদের ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের অভিভাবক ও সাহায্যকারী। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর।
রাব্বানাগফিরলানা ওয়া লিইখওয়া-নিনাল্লাযীনা ছাবকূনা বিল ঈমা-নি ওয়ালা তাজ‘আল ফী কুলূবিনা গিল্লাল লিল্লাযীনা আ-মানূ রাব্বানা ইন্নাকা রাঊফুর রাহীম।
হে আমাদের প্রতিপালক! ক্ষমা কর আমাদেরকে এবং আমাদের সেই ভাইদেরকেও, যারা আমাদের আগে ঈমান এনেছে এবং আমাদের অন্তরে ঈমানদারদের প্রতি কোন হিংসা-বিদ্বেষ রেখ না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি অতি মমতাবান, পরম দয়ালু।
রাব্বানা আতমিম লানা নূরানা ওয়াগফিরলানা, ইন্নাকা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য এ আলোকে পরিপূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান।
রাব্বিগফিরলী ওয়ালি ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মু’মিনাও ওয়া লিলমু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনা-তি
হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমার পিতা-মাতাকেও এবং প্রত্যেক এমন ব্যক্তিকেও, যে ঈমানের অবস্থায় আমার ঘরে প্রবেশ করেছে আর সমস্ত মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীকেও।
আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা কুলূবান আওওয়াহাতাম মুখবিতাতাম মুনীবাতান ফী সাবীলিকা।
হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে এমন অন্তর প্রার্থনা করি, যা আপনার ভয়ে কাতর, আপনার সামনে বিনীত ও অনুগত এবং আপনার পথে আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তনশীল।
আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু কাল্লাযী তাকূলু, ওয়া খাইরাম মিম্মা নাকূলু।
হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে প্রশংসা করেন, সেভাবে আপনারই প্রশংসা; আর আমরা যা বলি, তার চেয়েও উত্তম প্রশংসা আপনারই প্রাপ্য।
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই।
কা-লা রাব্বি ইন্নী ওয়াহানাল ‘আজমু মিন্নী ওয়াশতা‘আলার রা’ছু শাইবাওঁ ওয়ালাম আকুম বিদু‘আইকা রাব্বি শাকিইইয়া-।
সে বলেছিল, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মস্তক শুভ্রোজ্জ্বল হয়েছে; হে আমার প্রতিপালক! তোমাকে আহ্বান করে আমি কখনও ব্যর্থকাম হই নাই।
শরঈ মসজিদ
“শরয়ি মসজিদ” বলতে সেই স্থানকে বোঝায়, যেখানে কোনো একজন ব্যক্তি বা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের মালিকানাধীন জমিকে ‘মসজিদ’ হিসেবে নিজেদের মালিকানা থেকে পৃথক করে দেন এবং সেটির পথ সাধারণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার সঙ্গে খুলে দিয়ে মুসলমানদের সেখানে নামাজ আদায়ের অনুমতি প্রদান করেন। এরপর যখন একবারও সেখানে আজান ও জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা হয়, তখনই সেই স্থান শরয়ি মসজিদ হিসেবে গণ্য হয়ে যায়।
দু'আর বিষয়সমূহ
40টি বিষয় পাওয়া গেছে