দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৫ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

ঈমান সম্বলিত দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ زَيِّنَّا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُّهْتَدِيْنَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা যাইয়িন্না বিযীনাতিল ঈমান, ওয়াজ‘আলনা হুদাতান মুহতাদীনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত কর আর আমাদেরকে বানাও পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক।

২.

আযান এবং আযানের উত্তর

اَللهُ اَكْبَرْ উত্তরে বলবে: اَللهُ اَكْبَرْ (৪ বার ) اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهْ উত্তরে বলবে: اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا الله ( ২ বার ) اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ উত্তরে বলবে: اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ ( ২ বার ) حَيَّ عَلَي الصَّلٰوةِ উত্তরে বলবে: لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ (২ বার) حَيَّ عَلَي الفَلَاحِ উত্তরে বলবে: لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ (২ বার ) (শুধুমাত্র ফজরের সময়) اَلصّلٰوةُ خَيْرٌمِّنَ النَّوْمِ উত্তরে বলবে: صَدَقْتَ وَ بَرَرْتَ (২ বার) اَللهُ اَكْبَرْ উত্তরে বলবে: اَللهُ اَكْبَرْ (২ বার ) لَا اِلٰهَ اِلَّا الله উত্তরে বলবে: لَا اِلَهَ اِلَّا الله (১ বার )
উচ্চারণঃ

আল্লা-হু আকবর উত্তরঃ আল্লা-হু আকবর (৪ বার) আশহাদু-আল্‌ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ উত্তরঃ আশহাদু-আল্‌ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (২ বার) আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ উত্তরঃ আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ (২ বার) হাইয়া আলাস সালা উত্তরঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্‌ (২ বার) হাইয়া আলাল ফালা উত্তরঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্‌ (২ বার) (শুধুমাত্র ফযরের আযানের জন্য) আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম উত্তরঃ সাদাকতা ও বারারতা (২ বার) আল্লা-হু আকবর উত্তরঃ আল্লা-হু আকবার (২ বার) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ উত্তরঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১ বার)

অর্থঃ

আল্লাহ সর্বশক্তিমান উত্তরঃ আল্লাহ সর্বশক্তিমান (৪ বার) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই (২ বার) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত (২ বার) নামাজের জন্য এসো উত্তরঃ আল্লাহর আশ্রয় ও শক্তি ছাড়া আর কারো কোন ক্ষমতা নাই (২ বার) সাফল্যের জন্য এসো উত্তরঃ আল্লাহর আশ্রয় ও শক্তি ছাড়া আর কারো কোন ক্ষমতা নাই (শুধুমাত্র ফযরের আযানের জন্য) ঘুম হতে নামাজ উত্তম উত্তরঃ সত্য বলেছেন, কল্যানের কথা বলেছেন (২ বার) আল্লাহ্ মহান উত্তরঃ আল্লাহ্ মহান (২ বার) আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই উত্তরঃ আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই (১ বার)

৩.

সালাম

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
উচ্চারণঃ

আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়া রাহ্‌মাতুল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহর পক্ষ হতে আপনার উপর শান্তি ও অনুগ্রহ বর্ষিত হউক

৪.

ঘুমানোর সময় পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيْلِ وَالْفُرْقَانِ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهٖ،
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রাব্বাস সামাওয়াতিস সাবয়ি ওয়ারাব্বাল আরদি ওয়ারাব্বাল আরশিল আজিমি, রাব্বানা ওয়ারাব্বা কুল্লি শাইয়িন, ফালিকাল হাব্বি ওয়ান নাওয়া, ওয়ামুনযিলাত তাওরাতি ওয়াল ইঞ্জিলি ওয়াল ফুরকানি, আউজুবিকা মিন শাররি কুল্লি শাইয়িন, আনতা আখিযুম বিনাসিয়াতিহী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! হে সপ্ত আকাশের রব্ব, যমিনের রব্ব, মহান ‘আরশের রব্ব, আমাদের রব্ব ও প্রত্যেক বস্তুর রব্ব, হে শস্য-বীজ ও আঁটি বিদীর্ণকারী, হে তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী, আমি প্রত্যেক এমন বস্তুর অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি, যাকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

৫.

মৃত্যু নিকটবর্তী অনুভব হলে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاَلْحِقْنِيْ بِالرَّفِيْقِ الْاَعْلٰى
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ার হামনী ওয়া আলহিক্বনী বিররফী-ক্বিল আ‘লা

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমার উপর রহমত ও দয়া বর্ষণ করুন এবং আমাকে রফিকে আ’লা (নবী ও সালেহগণ)-এর সাথে মিলিত করে দিন।

৬.

মৃত্যু নিকটবর্তী অনুভব হলে পড়ার দু‘আ-২

۞ لٓاَ إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ইন্না লিল মাওতি সাকারাত

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিশ্চয় মৃত্যুর রয়েছে বিভিন্ন প্রকার ভয়াবহ কষ্ট।

৭.

মুমূর্ষু ব্যক্তিকে তালকীন (পড়ে শোনানো) করবে

۞ لٓاَ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।

অর্থঃ

একমাত্র আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত অন্য কোনো মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহ তা’আলার রাসূল।

৮.

মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করানোর সময় এ দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِفُلاَنٍ (بِاسْمِهٖ) وَارْفَعْ دَرَجَتَهٗ فِي الْمَهْدِيِّيْنَ، وَاخْلُفْهٗ فِي عَقِبِهٖ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهٗ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهٗ فِي قَبْرِ هٖ، وَنَوِّرْ لَهٗ فِيْهِ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাগফির লিফুলা-নিন (মৃতের নাম বলবে) ওয়ারফা‘ দারাজাতাহু ফিল মাহদিয়্যীন, ওয়াখলুফহু ফী ‘আক্বিবিহী ফিল গা-বিরীন, ওয়াগফির লানা ওয়ালাহু ইয়া রব্বাল আ-লামীন। ওয়াফসাহ্‌ লাহু ফী ক্বাবরিহী ওয়া নাউওয়ীর লাহু ফী-হি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি অমুককে (মৃত ব্যক্তির নাম ধরে) ক্ষমা করুন; যারা হেদায়াত লাভ করেছে, তাদের মাঝে তার মর্যাদা উঁচু করে দিন; যারা রয়ে গেছে তাদের মাঝে তার বংশধরদের ক্ষেত্রে আপনি তার প্রতিনিধি হোন। হে সৃষ্টিকুলের রব! আমাদের ও তার গুনাহ মাফ করে দিন। তার জন্য তার কবরকে প্রশস্ত করে দিন এবং তার জন্য তা আলোকময় করে দিন।

৯.

কবরে মাটি দেওয়ার সময়ে পড়ার দু‘আ

কোনো মুসলমানের লাশ দাফনের সময় কবরে তিনবার মাটি দেওয়া মুস্তাহাব। উচ্চারণ ও অর্থ: প্রথমবার মাটি দেওয়ার সময় বলবে- مِنْهَا خَلَقْنَاكُمْ (মিনহা খলাক্বনাকুম) এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি। দ্বিতীয়বার বলবে- وَفِيْهَا نُعِيْدُكُمْ (ওয়া ফী হা নু‘ঈ দুকুম) এ মাটির মধ্যেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব। তৃতীয়বার বলবে- وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً اُخْرٰى (ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তা-রতান উখরা) এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে পুনরায় উঠাবো।

১০.

জানাযা নামাযের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا. وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا. وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا، وَذَكَرِنَا وَاُنْثَانَا اَللّٰهُمَّ مَنْ اَحْيَيْتَهٗ مِنَّا فَاَحْيِهٖ عَلَی الْاِسْلَامِ. وَمَنْ تَوَفَّيْتَهٗ مِنَّا فَتَوَفَّهٗ عَلَى الْاِيْمَانِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লিহাইয়্যিনা ওয়া মায়্যিতিনা ওয়া শাহিদিনা ওয়া গা ইবিনা ওয়া সগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসানা, আল্লাহুম্মা মান আহইয়াইতাহূ মিন্না ফা আহইহী ‘আলাল ইসলাম, ওয়া মানতাওয়াফ ফাইতাহূ মিন্না ফাতা ওয়াফফাহূ ‘আলাল ঈমান।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং পুরুষ ও নারী – সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি আমাদের মধ্য থেকে যাঁদেরকে জীবিত রেখেছেন ইসলামের উপর জীবিত রাখেন আর যাদেরকে মৃত্যু দান করেছেন তাদেরকে ঈমানের সাথেই মৃত্যু দান করেন।

১১.

রহমত ও নিরাপত্তার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী, ওয়া ’আফিনী, ওয়ারযুক্বনী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, আমাকে হিদায়াত দান করুন, আমাকে রোগমুক্ত করে দিন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

১২.

উপকারী ইলমের জন্য দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَرِزْقًا طَيِّبًا
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ’ইলমান না-ফি’আন ওয়া ’আমালান মুতাকাব্বালান ওয়া রিযকন ত্বইয়্যিবা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী 'ইলম, উত্তম রিযিক এবং মকবূল আমল চাই।

১৩.

মৃত্যু নিকটবর্তী অনুভব হলে পড়ার দু‘আ-৩

۞ لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللّٰهِ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, আল্লা-হু আকবার, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা হাউলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, আল্লাহ মহান। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, যাবতীয় রাজত্ব তাঁরই, তার জন্যই সকল প্রশংসা, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি নেই।

১৪.

কবরে লাশকে ডান কাত করে রাখার সময় এ দু‘আ পড়বে

۞ بِاسْمِ اللهِ وَعَلٰى مِلَّةِ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রসূলিল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামের সাথে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের তরীকার উপর আমরা তাকে দাফন করছি।

১৫.

আল্লাহর কাছে অসহায়ত্ব প্রকাশ, সাহায্য প্রার্থনা ও দু`আ কবুলের আবেদন

اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَـلَامِيْ، وَتَرٰى مَكَانِيْ، وَتَعْلَمُ سِرِّيْ وَعَلَانِيَتِىْ، لَا يَخْفٰى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِّنْ أَمْرِيْ، وَأَنَا الْبَآئِسُ الْفَقِيْرُ الْمُسْتَغِيْثُ الْمُسْتَجِيْرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنْبِىْ، أَسْأَلُكَ مَسْأَلَةَ الْمِسْكِيْنِ، وَأَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابْتِهَالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيْلِ، وَأَدْعُوْكَ دُعَآءَ الْخَآئِفِ الضَّرِيْرِ، وَدُعَآءَ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهٗ، وَفَاضَتْ لَكَ عَبْرَتُهٗ، وَذَلَّ لَكَ جِسْمُهٗ، وَرَغِمَ لَكَ أَنْفُهٗ. اَللّٰهُمَ لَا تَجْعَلْنِيْ بِدُعَآئِكَ شَقِيًّا، وَكُنْۢ بِيْ رَؤُوْفًا رَّحِيْمًا، يَا خَيْرَ الْمَسْؤُوْلِيْنَ! وَيَا خَيْرَ الْمُعْطِيْنَ! اَللّٰهُمَّ إِلَيْكَ أَشْكُوْ ضُعْفَ قُوَّتِيْ وَقِلَّةَ حِيْلَتِيْ وَهَوَانِيْ عَلَى النَّاسِ، يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ، إِلٰى مَنْ تَكِلُنِيْ؟ إِلٰى عَدُوٍّ يَـتَجَهَّمُنِيْ؟ أَمْ إِلٰى قَرِيْبٍ مَّلَّكْتَهٗ أَمْرِيْ؟ إِنْ لَّمْ تَكُنْ سَاخِطًا عَلَيَّ فَلَاۤ أُبَالِيْ غَيْرَ أَنَّ عَافِيَتَكَ أَوْسَعُ لِىْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা তাসমা‘উ কালামী, ওয়া তারা মাকানী, ওয়া তা‘লামু সির্রী ওয়া ‘আলানিয়াতী, লা ইয়াখফা ‘আলাইকা শাইউম মিন আমরী। ওয়া আনা আল-বাইসুল ফাকীরুল মুসতাগীসুল মুসতাজীরুল ওয়াজিলুল মুশফিকুল মুকিররুল মু‘তারিফু বিযাম্বী। আসআলুকা মাসআলাতাল মিসকীন, ওয়া আবতাহিলু ইলাইকা ইবতিহালাল মুযনিবিয যালীল, ওয়া আদ‘ঊকা দু‘আআল খা-ইফিদ দারীর, ওয়া দু‘আআ মান খাদা‘আত লাকা রাকাবাতুহূ, ওয়া ফাদাত লাকা ‘আবরাতুহূ, ওয়া যাল্লা লাকা জিসমুহূ, ওয়া রাগিমা লাকা আনফুহূ। আল্লাহুম্মা লা তাজ‘আলনী বিদু‘আয়িকা শাকিয়্যা, ওয়া কুন বী রাঊফার রাহীমা, ইয়া খাইরাল মাসঊলীন, ওয়া ইয়া খাইরাল মু‘তীন। আল্লাহুম্মা ইলাইকা আশকূ দু‘ফা কুওয়াতী, ওয়া কিল্লাতা হীলাতী, ওয়া হাওয়ানী ‘আলান নাস। ইয়া আরহামার রাহিমীন, ইলা মান তাকিলুনী? ইলা ‘আদুইয়্যিন ইয়াতাজাহহামুনী? আম ইলা কারীবিম মাল্লাকতাহূ আমরী? ইন লাম তাকুন সাখিতান ‘আলাইয়্যা ফালা উবালী, গাইরা আন্না ‘আফিয়াতাকা আওসা‘উ লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি আমার কথা শোনেন, আমার অবস্থান দেখেন এবং আমার গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় জানেন। আমার কোনো বিষয়ই আপনার কাছে গোপন নয়। আমি অসহায়, অভাবগ্রস্ত, সাহায্যপ্রার্থী, আশ্রয়প্রার্থী, ভীত-সন্ত্রস্ত, উদ্বিগ্ন এবং নিজের পাপ স্বীকারকারী। আমি আপনার কাছে একজন অসহায় ব্যক্তির মতো প্রার্থনা করছি, বিনয়ী পাপীর মতো আপনার কাছে কাকুতি-মিনতি করছি এবং ভীত ও বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির মতো আপনাকে ডাকছি—যার ঘাড় আপনার সামনে অবনত, যার চোখের পানি আপনার জন্য প্রবাহিত, যার দেহ আপনার সামনে বিনীত এবং যার নাক আপনার সামনে ধূলিধূসরিত। হে আল্লাহ! আমার দুআর কারণে আমাকে হতভাগা করবেন না। আমার প্রতি স্নেহশীল ও দয়ালু হোন। হে সর্বোত্তম প্রার্থনা গ্রহণকারী এবং সর্বোত্তম দানকারী! হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছেই আমার শক্তির দুর্বলতা, সামর্থ্যের স্বল্পতা এবং মানুষের কাছে আমার অসহায় অবস্থার অভিযোগ পেশ করছি। হে সর্বাধিক দয়ালু! আপনি আমাকে কার কাছে সোপর্দ করছেন? এমন শত্রুর কাছে, যে আমার সঙ্গে রূঢ় আচরণ করবে? নাকি এমন নিকটাত্মীয়ের কাছে, যার হাতে আপনি আমার বিষয়টি অর্পণ করেছেন? যদি আপনি আমার প্রতি অসন্তুষ্ট না হন, তবে অন্য কোনো কিছুর পরোয়া করি না। তবে আপনার দেওয়া নিরাপত্তা ও সুস্থতা আমার জন্য অধিক প্রশস্ত ও কল্যাণকর।

১৬.

হজরে আসওয়াদকে চুমু দিয়ে বা ইশারা করে তাওয়াফ শুরু করার দু‘আ

۞ اَللّٰهُ أَكْبَرْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার।

অর্থঃ

আল্লাহ সবার চেয়ে বড়।

১৭.

ঈমান, তাকদিরের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস ও আল্লাহর বণ্টনে সন্তুষ্টি লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا يُّبَاشِرُ قَلْبِيْ وَيَقِيْنًا صَادِقًا حَتّٰىۤ أَعْلَمَ أَنَّهٗ لَا يُصِيْبُنِيْۤ إِلَّا مَا كَتَبْتَ لِيْ، وَرِضًى مِّنَ الْمَعِيْشَةِ بِمَا قَسَمْتَ لِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ঈমানাইঁ ইউবাশিরু কালবী, ওয়া ইয়াকীনান সাদিকান হাত্তা আ‘লামা আন্নাহূ লা ইউসীবুনী ইল্লা মা কাতাবতা লী, ওয়া রিদাম মিনাল মা‘ঈশাতি বিমা কাসামতা লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন ঈমান প্রার্থনা করছি, যা আমার অন্তরের গভীরে প্রবেশ করবে এবং এমন সত্যনিষ্ঠ দৃঢ় বিশ্বাস প্রার্থনা করছি, যাতে আমি জানতে পারি যে, আপনি আমার জন্য যা লিখে রেখেছেন, তা ছাড়া অন্য কিছুই আমার ওপর আপতিত হবে না। আর আপনি আমার জন্য জীবিকা থেকে যা বণ্টন করেছেন, তাতেই সন্তুষ্টি প্রার্থনা করছি।

১৮.

সহবাসে অক্ষমতার রুক্বিয়্যাহ

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾ আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। আররাহমা-নির রাহীম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন। ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম। সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম اَللهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلْحَیُّ الْقَیُّوْمُ ۬ۚ لَا تَاْخُذُهٗ سِنَۃٌ وَّلَا نَوْمٌ ؕ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ مَنْ ذَا الَّذِیْ یَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِذْنِهٖ ؕ یَعْلَمُ مَا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚ وَلَا یُحِیْطُوْنَ بِشَیْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا بِمَاشَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚ وَلَا یَـُٔوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیْمُ ﴿۲۵۵﴾ আল্লা-হু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আল হাইয়ুল কাইয়ূমু লা-তা’খুযুহূ ছিনাতুওঁ ওয়ালা-নাওমুন লাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূইল্লা-বিইযনিহী ইয়া‘লামুমা-বাইনা আইদীহিম ওয়ামা-খালফাহুম ওয়ালা-ইউহীতূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহীইল্লা-বিমা-শাআ ওয়াছি‘আ কুরছিইয়ুহুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ওয়ালা-ইয়াঊদুহু হিফজু হুমা-ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ূল ‘আজীম। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاکَ ۚ فَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْنَ ﴿۱۱۷﴾ۚ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ۚ فَغُلِبُوْا هُنَالِکَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ۚ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَۃُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ۚۖ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ۙ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾ ওয়া আওহাইনাইলা-মূছাআন আলকি‘আসা-কা ফাইযা-হিয়া তালকাফুমাইয়া’ফিকূন। ফাওয়াকা‘আল হাক্কুওয়া বাতালা মা-কা-নূইয়া‘মালূন। ফাগুলিবূহুনা-লিকা ওয়ান কালাবূসা-গিরীন। ওয়া উলকিয়াছছাহারাতুছা-জিদীন। কা-লূআ-মান্না-বিরাব্বিল ‘আ-লামীন। রাব্বি মূছা-ওয়া হা-রূন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَقَالَ فِرْعَوْنُ ائْتُوْنِیْ بِكُلِّ سٰحِرٍ عَلِیْمٍ ﴿۷۹﴾ فَلَمَّا جَآءَ السَّحَرَۃُ قَالَ لَهُمْ مُّوْسٰۤی اَلْقُوْا مَاۤ اَنْتُمْ مُّلْقُوْنَ ﴿۸۰﴾ فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَالَ مُوْسٰی مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙ السِّحْرُ ؕ اِنَّ اللهَ سَیُبْطِلُهٗ ؕ اِنَّ اللهَ لَا یُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِیْنَ ﴿۸۱﴾ وَیُحِقُّ اللهُ الْحَقَّ بِکَلِمٰتِهٖ وَلَوْ کَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ ﴿۠۸۲﴾ ওয়া ক্বালা ফিরআউনু ই’তুনী বিকুল্লি সাহিরিন আলীম। ফালাম্মা জা’আস-সাহারাতু ক্বালা লাহুম মূসা আলকূ মা আন্তুম মুলকূন। ফালাম্মা আলকাও, ক্বালা মূসা মা জি’তুম বিহিস্‌সিহরু, ইন্‌নাল্লাহা সায়ুবতিলুহু, ইন্‌নাল্লাহা লা ইউসলিহু ‘আমালাল মুফসিদীন। ওয়া ইউহিক্কুল্লাহুল হাক্কা বিকালিমাতিহী, ওয়ালাও কারিহাল মুজরিমূন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِکَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾ ওয়া আল্কি মা ফি ইয়ামীনিকা, তালকাফ মা সানা‘উ, ইন্‌না মা সানা‘উ কাইদু সাহিরিন, ওয়া ইউফলিহুস সাহিরু হাইসু আতা। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ قَدِمْنَاۤ اِلٰی مَا عَمِلُوْا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنٰهُ هَبَاۤءً مَّنْثُوْرًا ﴿۲۳﴾ ওয়া কাদিমনাইলা-মা-‘আমিলূমিন ‘আমালিন ফাজা‘আলনা-হু হাবাআম মানছূরা-। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম قُلْ هُوَ اللهُ اَحَدٌ ۚ﴿۱﴾ اَللهُ الصَّمَدُ ۚ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۬ۙ وَ لَمْ یُوْلَدْ ۙ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۠﴿۴﴾ কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুসসামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۙ﴿۱﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۙ﴿۲﴾ وَ مِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۙ﴿۳﴾ وَ مِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ۙ﴿۴﴾ وَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ۠﴿۵﴾ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক মিন শাররি মা-খালাক। ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۬ۙ الْخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾ الَّذِیْ یُوَسْوِسُ فِیْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ۠﴿۶﴾ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ, মালিকিন্না-ছ, ইলা-হিন্না-ছ। মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।

১৯.

বাক্‌জড়তার বা তোতলামির রুক্বিয়্যাহ

قَالَ رَبِّ اشْرَحْ لِیْ صَدْرِیْ ﴿ۙ۲۵﴾ وَ یَسِّرْ لِیْۤ اَمْرِیْ ﴿ۙ۲۶﴾ وَ احْلُلْ عُقْدَۃً مِّنْ لِّسَانِیْ ﴿ۙ۲۷﴾ یَفْقَهُوْا قَوْلِیْ ﴿۪۲۸﴾ যদি উপরোক্ত কোন সমস্যা না থাকে অর্থাৎ জন্মগত নয় বরং সবসময় সুন্দর করে কথা বলতো এবং হঠাৎ করে তোতলামো শুরু করলো বা কথা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে তাহলে বদনজরের রুকইয়াহ করবে।

২০.

সূরা ইখলাস

۞ قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ‌ ۚ‏ ﴿۱﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ‌ ۚ‏ ﴿۲﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙ وَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ‏ ﴿۳﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿۴﴾
উচ্চারণঃ

(১)কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। (২) আল্লা-হুসসামাদ। (৩) লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ। (৪) ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ।

অর্থঃ

(১) বলে দাও, কথা হল আল্লাহ সব দিক থেকে এক। (২) আল্লাহই এমন যে, সকলে তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন। (৩) তার কোন সন্তান নেই এবং তিনিও কারও সন্তান নন (৪) এবং তার সমকক্ষ নয় কেউ।