দু’আ

মোট দু’আ - ৬১৪ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দু‘আ-৭৬

اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَآئِمًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ رَاقِدًا، وَلَا تُشْمِتْ بِيْ عَدُوًّا وَّلَا حَاسِدًا.اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَ لُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَآئِنُهٗ بِيَدِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ الَّذِيْ هُـوَ بِيَدِكَ كُـلِّه.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে ইসলামের সাথে রাখুন দাঁড়ানো অবস্থায়, ইসলামের সাথে রাখুন বসা অবস্থায়, ইসলামের সাথে রাখুন শায়িত অবস্থায়।৭৫ আর আমার বিপদে আনন্দিত হওয়ার সুযোগ দিয়েন না কোনো দুশমনকে আর না কোনো হিংসুককে। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ঐ সকল কল্যাণ চাই, যার খাযানা আপনার কুদরতী হাতে এবং আপনার কাছে ঐ কল্যাণও চাই, যা সম্পূর্ণই আপনার কুদরতী হাতে।৭৬

.

দু‘আ-৮১

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ضَعِيْفٌ فَقَوِّ فِيْ رِضَاكَ ضُعْفِيْ ، وَخُذْ إِلَى الْخَيْرِ بِنَاصِيَتِىْ، وَاجْعَلِ الْإِسْلَامَ مُنْتَهٰى رِضَآئِـيْ، وَإِنِّيْ ذَلِيْلٌ فَأَعِزَّنِىْ، وَإِنِّيْ فَقِيْرٌ فَارْزُقْنِيْ .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি দুর্বল। আপনার রেযামন্দির বিষয়ে শক্তিতে পরিণত করুন আমার দুর্বলতাকে। আমাকে ঝুটি ধরে কল্যাণের দিকে আকর্ষণ করুন। ইসলামকেই আমার পরম সন্তুষ্টির বিষয় করুন। আমি তো হীন, আমাকে মর্যাদা দিন। আমি তো ভিখারী, আমাকে রিযিক দিন।৮১

.

দু‘আ-৮৪

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ عُمُرِيْ اٰخِرَهٗ وَخَيْرَ عَمَلِيْ خَوَاتِمَهٗ، وَخَيْرَ أَيَّامِيْ يَوْمَ أَلْقَاكَ فِيْهِ، يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِه ! ثَبِّتْنِيْ بِه حَتّٰى أَلْقَاكَ. أَسْأَلُكَ غِنَايَ وَغِنٰى مَوْلَايَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার জীবনের সর্বোত্তম অংশ করুন সর্বশেষ অংশ এবং আমার সর্বোত্তম কর্ম করুন আমার শেষের কর্ম আর আমার সর্বোত্তম দিন যেন হয় ঐ দিনটি, যেদিন আপনার সাথে মিলিত হব।৮৬ হে সহায় ইসলাম ও মুসলমানের! আমাকে ইসলামের উপর অটল রাখুন আপনার সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত।৮৭ আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আমার ও আমার সংশ্লিষ্টদের তুষ্টি ও পরিতুষ্টি। (যার দ্বারা না আমি কারো মুখাপেক্ষী থাকব, না আমার সংশ্লিষ্টরা)।

.

অনুগত নেক সন্তান প্রার্থনা-২

۞ رَبِّ هَبْ لِيْ مِنَ الصَّالِحِيْنَ
উচ্চারণঃ

রব্বি হাবলী মিনাছ ছ-লিহিন।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক নেক সন্তান দান কর।

.

সূরা বাকারার প্রথম ৫ আয়াত

الٓمّٓۚ‏ ﴿۱﴾ ذٰ لِكَ الۡڪِتٰبُ لَا رَيۡبَۛۚۖ فِيۡهِۛۚ هُدًى لِّلۡمُتَّقِيۡنَۙ‏ ﴿۲﴾ الَّذِيۡنَ يُؤۡمِنُوۡنَ بِالۡغَيۡبِ وَ يُقِيۡمُوۡنَ الصَّلٰوةَ وَمِمَّا رَزَقۡنٰهُمۡ يُنۡفِقُوۡنَۙ‏ ﴿۳﴾ وَالَّذِيۡنَ يُؤۡمِنُوۡنَ بِمَۤا اُنۡزِلَ اِلَيۡكَ وَمَاۤ اُنۡزِلَ مِنۡ قَبۡلِكَۚ وَبِالۡاٰخِرَةِ هُمۡ يُوۡقِنُوۡنَؕ‏ ﴿۴﴾ اُولٰٓٮِٕكَ عَلٰى هُدًى مِّنۡ رَّبِّهِمۡ‌ وَاُولٰٓٮِٕكَ هُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ‏ ﴿۵﴾
উচ্চারণঃ

বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। (১) আলিফ লাম মীম। (২) যা-লিকাল কিতা-বু লা-রাইবা ফীহি হুদাল লিলমুত্তাকীন। (৩) আল্লাযীনা ইউ’মিনূনা বিলগাইবি ওয়াইউকীমূনাসসালা-তা ওয়া মিম্মা-রাঝাকনা-হুম ইউনফিকূ ন। (৪) ওয়াল্লাযীনা ইউ’মিনূনা বিমা উনঝিলা ইলাইকা ওয়ামা উনঝিলা মিন কাবলিকা ওয়াবিল আ-খিরাতি হুম ইউকিনূন। (৫) উলা ইকা ‘আলা-হুদাম মির রাব্বিহিম ওয়া উলাইকা হুমুল মুফলিহূন।

অর্থঃ

(১) আলিফ্-লাম-মীম, (২) এই সে কিতাব; এতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্যে এটা পথ-নির্দেশ, (৩) যারা অদৃশ্যে ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে ও তাদেরকে যে জীবনোপকরণ দান করেছি তা হতে ব্যয় করে, (৪) এবং তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে ও তোমার পূর্বে যা নাযিল হয়েছে তাতে যারা ঈমান আনে ও আখিরাতে যারা নিশ্চিত বিশ্বাসী, (৫) তারাই তাদের প্রতিপালক-নির্দেশিত পথে আছে এবং তারাই সফলকাম।

.

সংক্ষিপ্ত দরূদ-১

۞ اَللّٰهُـــمَّ صَـــلِّ عَلٰـى مُحَمَّــــدٍ وَّآلِ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সল্লি আ’লা- মুহাম্মাদ ওয়াআলী মুহাম্মাদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! দয়া ও রহমত কর হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) এর প্রতি এবং তার পরিবারের প্রতি।

.

শবে ক্বদরে পড়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ ۞
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউয়ুন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি অতি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

.

মৃত ব্যক্তির (রূহের)জন্য দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهٖ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهٗ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهٗ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهٖ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهٖ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهٖ، وَزَوْجَاً خَيْرًا مِنْ زَوْجِهٖ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ (وَعَذَابِ النَّارِ)
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি, ওয়ানাক্বক্বিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদদানাসি, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহি, ওয়া যাওজান খাইরাম মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আ‘য়িযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি [ওয়া ‘আযাবিন্না-র]

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন”

.

মৃত ব্যক্তির (রূহের) জন্য দু‘আ-৩

۞ اَللّٰهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ اِحْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهٖ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهٖ، وَإِنْ كَانَ مُسِيئاً فَتَجَاوَزْ عَنْهُ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু আমাতিকা, ইহতাজা ইলা রাহমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদ ফী হাসানা-তিহি, ওয়া ইনকা-না মুসীআন ফা তাজা-ওয়ায ‘আনহু

অর্থঃ

হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।

১০.

কবর যিয়ারতের দু‘আ

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ، يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَلَكُمْ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا، وَنَحْنُ بِالْأَثَرِ
উচ্চারণঃ

আসসালামু ‘আলাইকুম ইয়া আহলাল ক্বুবূরি, ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়ালাকুম, আনতুম সালাফুনা ওয়া নাহনু বিল আসার।

অর্থঃ

হে কবরবাসীগণ! আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে এবং আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আপনারা আমাদের পূর্বে গমনকারী। আমরা আপনাদের অনুগামী।

১১.

কারো আপনজনের মৃত্যু হলে এ দু‘আ দ্বারা সান্ত্বনা দিবে

۞ اِنَّ لِلّٰهِ مَا اَخَذَ وَلِلّٰهِ مَا اَعْطٰی وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهٗ بِاَجَلٍ مُّسَمًّى فَاصْبِرْ وَاحْتَسِبْ
উচ্চারণঃ

ইন্না লিল্লাহি মা আখাযা ওয়া লিল্লাহি মা আ‘ত্বা ওয়া কুল্লু শাই ইন ‘ইনদাহূ বিআজালিম মুসাম্মান ফাসবির ওয়াহ তাসিব।

অর্থঃ

নিশ্চয়ই (সমস্ত কিছু) আল্লাহ পাকেরই যা তিনি নিয়ে নিয়েছেন, আর যা প্রদান করেছেন তাও আল্লাহ পাকেরই এবং আল্লাহ তা‘আলার নিকট প্রত্যেকের মৃত্যুকাল নির্ধারিত রয়েছে। সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর এবং সওয়াব-এর আশা কর।

১২.

কবরের আযাব, দাজ্জাল, মৃত ও জীবিত ব্যক্তির ফিতনা থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবি জাহান্নামা, ওয়া আউজুবিকা মিন আজাবিল কবরি, ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জালি, ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পানাহ চাই জাহান্নামের আযাব থেকে এবং আপনার কাছে পানাহ চাই কবরের আযাব থেকে এবং আপনার কাছে পানাহ চাই মাসীহ দাজ্জাল থেকে এবং আপনার কাছে পানাহ চাই জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে।

১৩.

মৃত ব্যক্তির (রূহের)জন্য দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنَّ فُلاَنَ بْنَ فُلاَنٍ فِي ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهٖ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحيْمُ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলানাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা, ওয়া হাবলি জিওয়ারিকা, ফাক্বিহি মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি ওয়া আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফাই ওয়াল হাক্ক, ফাগফির লাহু ওয়ারহামহু, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম

অর্থঃ

হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার নৈকট্যের নিরাপত্তায়। সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

১৪.

দু‘আ-৬৯

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ اِيْمَانًا لَّا يَرْتَدُّ، وَنَعِيْمًا لَّا يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ نَبِـيِّكَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْۤ أَعْلٰى دَرَجَةِ الْجَنَّةِ جَنَّةِ الْخُلْدِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি অটল ঈমান, অশেষ নেয়ামত এবং জান্নাতে উচ্চতম স্থানে, জান্নাতুল খুলদে আপনার নবী মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের) সঙ্গ।৬৯

১৫.

দু‘আ-৭৪

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَآءٍ تَقْضِيْهِ لِيْ خَيْرًا، وَأَسْأَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ أَمْرٍ أَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهٗ رُشْدًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে ঐ কল্যাণ চাই, যা আপনার বান্দা ও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার কাছে প্রার্থনা করেছেন। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে জান্নাত চাই। আর চাই ঐ সকল কথা ও কাজের তাওফীক, যা তার কাছে নিয়ে যায়। আর প্রার্থনা করি, আপনার সকল ফয়সালা আমার জন্য কল্যাণকর করুন এবং প্রার্থনা করি, আমার বিষয়ে আপনার যা কিছু ফয়সালা তার পরিণাম শুভ করুন।৭৩

১৬.

দু‘আ-৭৭

اَللّٰهُمَّ لَا تَدَعْ لَـنَا ذَنْۢبًا إِلَّا غَفَرْتَهٗ، وَلَا هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهٗ وَلَا دَيْنًا إِلَّا قَضَيْتَهٗ، وَلَا حَاجَةً مِّنْ حَوَآ ئِجِ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ إِلَّا قَضَيْتَهَا يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের সকল গুনাহ ক্ষমা করুন, সকল দুশ্চিন্তা দূর করুন, সকল ঋণ পরিশোধ করুন আর দুনিয়া-আখিরাতের সকল প্রয়োজন পূরণ করুন। হে সব দয়ালুর বড় দয়ালু! ৭৭

১৭.

দু‘আ-৮০

اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَسْأَلُكَ عِيْشَةً نَّقِيَّةً وَّمِيْتَةً سَوِيَّةً، وَمَرَدًّا غَيْرَ مَخْزِيٍّ وَّلَا فَاضِحٍ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি, নির্মল জীবন, নিখুঁত মরণ এবং লজ্জা ও লাঞ্ছনামুক্ত প্রত্যাবর্তন।৮০

১৮.

দু‘আ-৮২

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَسْأَلَةِ وَخَيْرَالدُّعَآءِ وَخَيْرَ النَّجَاحِ وَخَيْرَ الْعَمَلِ وَخَيْرَ الثَّوَابِ وَخَيْرَ الْحَيَاةِ وَخَيْرَ الْمَمَاتِ، وَثَبِّتْنِيْ وَثَقِّلْ مَوَازِيْنِيْ، وَحَقِّقْ إِيْمَانِيْ وَارْفَعْ دَرَجَتِيْ وَتَقَبَّلْ صَلٰوتِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلٰى مِنَ الْجَنَّةِ، اٰمِيْنَ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ فَوَاتِحَ الْخَيْرِوَخَوَاتِمَهٗ وَجَوَامِعَهٗ وَأَوَّلَهٗ وَاٰخِرَهٗ وَظَاهِرَهٗ وَبَاطِنَه. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَاۤ اٰتِيْ وَخَيْرَمَاۤ أَفْعَلُ ، وَخَيْرَ مَاۤ أَعْمَلُ، وَخَيْرَ مَا بَطَنَ ، وَخَيْرَ مَا ظَهَرَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই উত্তম প্রার্থনা, উত্তম দু‘আ ও শ্রেষ্ঠ সাফল্য; উৎকৃষ্ট কর্ম ও উত্তম প্রতিদান; কল্যাণপূর্ণ জীবন ও কল্যাণময় মৃত্যু। আমাকে অবিচল রাখুন ও আমার নেকির পাল্লা ভারী করুন। আমার ঈমানকে সত্য করুন ও আমার মর্তবা বুলন্দ করুন। আর কবুল করুন আমার নামায। আমি আপনার কাছে চাই জান্নাতের বুলন্দ মাকাম। আমীন।৮২ ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে প্রার্থনা করি কল্যাণের সূচনাসমূহ ও সমাপ্তিসমূহ এবং কল্যাণগর্ভ বিষয়সমূহ এবং প্রার্থনা করি প্রথম কল্যাণ ও শেষ কল্যাণ; প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কল্যাণ।৮৩ ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে সকল কাজে কল্যাণ চাই, যা আমি সম্পন্ন করি অঙ্গের দ্বারা কিংবা অন্তর দ্বারা এবং ঐ বিষয়ের কল্যাণ, যা প্রকাশিত এবং ঐ বিষয়েরও, যা অপ্রকাশিত।৮৪

১৯.

দু‘আ-৮৩

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ أَوْسَعَ رِزْقِكَ عَلَيَّ عِنْدَ كِبَرِ سِنِّيْ وَانْقِطَاعِ عُمُرِيْ .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার জন্য নির্ধারিত আপনার প্রশস্ততম রিযিক আমাকে দিন বার্ধক্যে ও জীবন-সায়াহ্নে।৮৫

২০.

দু‘আ-৮৫

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُبِكَ مِنْ سُوْٓءِ الْعُمُرِ وَ فِتْنَةِ الصَّدْرِ، و َأَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ ــ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ ــ أَنْ تُضِلَّنِيْ، وَمِنْ جَهْدِ الْبَلَآءِ وَ دَرَكِ الشَّقَآءِ، وَ سُوْٓءِ الْقَضَآءِ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَآءِ، وَمِنْ شَرِّ مَاعَمِلْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ، وَمِنْ شَرِّ مَاعَلِمْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْلَمْ، وَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَآءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ، وَمِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ، وَمِنَ الْفَاقَةِ، وَمِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ، وَمِنَ الْهَدَمِ، وَمِنَ التَّرَدِّيْ، وَمِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ، وَأَنْ يَّتَخَبَّطَنِيْ الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ، وَمِنْ أَنْ أَمُوْتَ فِيْ سَبِيْلِكَ مُدْبِرًا وَّ أَنْ أَمُوْتَ لَدِيْغًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে আশ্রয় নিচ্ছি কল্যাণহীন জীবন থেকে ও অন্তরের ফিতনা থেকে এবং আপনার প্রতাপের ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছি - নেই কোনো মাবুদ আপনি ছাড়া - আমাকে পথভ্রষ্ট কোরেন না। (আশ্রয় চাই) কঠিন বিপদ থেকে, দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া থেকে, মন্দ ভাগ্য থেকে, শত্রুকুলের তৃপ্তির হাসি থেকে, আমার কৃত ও অকৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে, আমার জানা-অজানা বিষয়াদির অনিষ্ট থেকে, আপনার নেয়ামত উঠে যাওয়া থেকে, আপনার সুরক্ষা ঘুরে যাওয়া থেকে, আপনার অতর্কিত শাস্তি থেকে এবং আপনার সকল অসন্তুষ্টি থেকে। (আমি পানাহ চাই) আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার জিহ্বা ও অন্তঃকরণের অনিষ্ট থেকে এবং আমার বীর্যের অনিষ্ট থেকে। (অর্থাৎ অবৈধ যৌনাচার থেকে।) (আমি পানাহ চাই) অনাহার থেকে, জালিম বা মজলুম হওয়া থেকে, চাপা পড়া, উপর থেকে পড়ে যাওয়া, ডুবে যাওয়া ও অগ্নিদগ্ধ হওয়া থেকে। (আমি পানাহ চাই) মৃত্যুর সময় শয়তানের দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া থেকে, জিহাদ থেকে পলায়নরত অবস্থায় মরণ থেকে এবং দংশিত হয়ে মৃত্যুবরণ থেকে।৮৮