দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-১৮৪

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِمَّنْ تَـوَكَّلَ عَلَيْكَ فَـكَفَيْتَهٗ، وَاسْتَهْدَاكَ فَهَدَيْتَهٗ، وَاسْتَنْصَرَكَ فَنَصَرْتَهٗ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ্'আলনী মিম্মান তাওয়াক্কালা 'আলাইকা ফাকাফাইতাহু, ওয়াস্তাহ্দা-কা ফাহাদাইতাহু, ওয়াস্তানস্বরকা ফানাস্বরতাহ্।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা আপনার ওপর ভরসা করেছে আর আপনি তাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে গেছেন, যারা আপনার কাছে হেদায়েত চেয়েছে আর আপনি তাদেরকে হেদায়েত দিয়েছেন এবং যারা আপনার কাছে সাহায্য চেয়েছে আর আপনি তাদেরকে সাহায্য করেছেন।

২.

দু‘আ-১৮৭

اَللّٰهُمَّ فَالِقَ الْإِصْبَاحِ وَجَاعِلَ اللَّيْلِ سَكَنًا وَّالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ حُسْبَانًا! قَوِّنِيْ عَلَى الْجِهَادِ فِيْ سَبِيْلِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা ফা-লিক্বল ইছবা-হি ওয়া জা-'ইলাল লাইলি সাকানাওঁ ওয়াশ শামসা ওয়াল ক্বমারা হুস্ববা-না-! ক্বওউইনী 'আলাল জিহা-দি ফী সাবীলিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! হে ভোরের আলো স্ফূরণকারী! হে রাতকে বিশ্রামদায়ক এবং সূর্য ও চন্দ্রকে সময়নির্ধারক হিসেবে সৃষ্টির স্রষ্টা! আপনি আমাকে আপনার পথে জিহাদ করার জন্য শক্তি ও সামর্থ্য দান করুন।

৩.

সূরা হাশর এর শেষ ৪ আয়াত

لَوۡ اَنۡزَلۡنَا هٰذَا الۡقُرۡاٰنَ عَلٰى جَبَلٍ لَّرَاَيۡتَهٗ خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنۡ خَشۡيَةِ اللّٰهِ‌ؕ وَتِلۡكَ الۡاَمۡثَالُ نَضۡرِبُهَا لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُوۡنَ‏ ﴿۲۱﴾ هُوَ اللّٰهُ الَّذِىۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ‌ ۚ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَالشَّهَادَةِ‌ ۚ هُوَ الرَّحۡمٰنُ الرَّحِيۡمُ‏ ﴿۲۲﴾ هُوَ اللّٰهُ الَّذِىۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ‌ۚ اَلۡمَلِكُ الۡقُدُّوۡسُ السَّلٰمُ الۡمُؤۡمِنُ الۡمُهَيۡمِنُ الۡعَزِيۡزُ الۡجَـبَّارُ الۡمُتَكَبِّرُ‌ؕ سُبۡحٰنَ اللّٰهِ عَمَّا يُشۡرِكُوۡنَ‏ ﴿۲۳﴾ هُوَ اللّٰهُ الۡخَـالِـقُ الۡبَارِئُ الۡمُصَوِّرُ‌ لَـهُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰى‌ؕ يُسَبِّحُ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ‌ۚ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ‏ ﴿۲۴﴾
উচ্চারণঃ

(২১) লাও আনঝালনা-হা-যাল কুরআ-না ‘আলা-জাবালিল লারাআইতাহু খা-শি‘আম মুতাসাদ্দি‘ আম মিন খাশয়াতিল্লা-হি ওয়া তিলকাল আমছা-লুনাদরিবুহা-লিন্নাছি লা‘আল্লাহম ইয়াতাফাক্কারূন। (২২) হুওয়াল্লা-হুল্লাযী লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া ‘আ-লিমুল গাইবি ওয়াশশাহা-দাতি হুওয়াররাহমা-নুর রাহীম। (২৩) হুওয়াল্লা-হুল্লাযী লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আলমালিকুল কুদ্দূছুছ ছালা-মুল ম’মিনুল মুহাইমিনুল ‘আঝীঝুল জাব্বা-রুল মুতাকাব্বিরু ছুবহা-নাল্লা-হি ‘আম্মা-ইউশরিকূন। (২৪) হুওয়াল্লা-হুল খা-লিকুল বা-রিউল মুছাওবিরু লাহুল আছমাউল হুছনা-; ইউছাব্বিহুলাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়াহুওয়াল ‘ আঝীঝুল হাকীম।

অর্থঃ

(২১) যদি আমি এই কুরআন পর্বতের ওপর অবতীর্ণ করতাম তবে তুমি একে আল্লাহ্ র ভয়ে বিনীত এবং বিদীর্ণ দেখতে। আমি এই সমস্ত দৃষ্টান্ত বর্ণনা করি মানুষের জন্যে, যাতে তারা চিন্তা করে। (২২) তিনিই আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই, তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা; তিনি দয়াময়, পরম দয়ালু। (২৩) তিনিই আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। তিনিই অধিপতি, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অতীব মহিমান্বিত। এরা যাকে শরীক স্থির করে আল্লাহ্ তা হতে পবিত্র, মহান। (২৪) তিনিই আল্লাহ্, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁরই সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সমস্তই তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

৪.

বিছানায় শুয়ে পড়বে-৪

বিছানায় শুয়ে সুবহা-নাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার, আল্লাহু আকবার ৩৪ বার।

৫.

মাইয়্যেত যদি নাবালেগা মেয়ে হয় এই দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهَا لَنَا فَرَطًا وَّاجْعَلْهَا لَنَا اَجْرًا وَّذُخْرًا وَّاجْعَلْهَا لَنَا شَافِعَةً وَّمُشَفَّعَةً
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ আলহা লানা ফারতাঁও ওয়াজ আলহা লানা আজরাঁও ওয়া যুখরাঁও ওয়াজআলহা লানা শা-ফিয়াতাও ওয়া মুশাফফায়াহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! ইহাকে আমাদের জন্য অগ্রগামী কর ও ইহাকে আমাদের পুরস্কার ও সাহায্যের উপলক্ষ কর। এবং ইহাকে আমাদের সুপারিশকারী ও গ্রহনীয় সুপারিশকারী বানাও।

৬.

অমুসলিমের সালামের জবাবে যা বলবে

۞ وَعَلَيْكُمْ
উচ্চারণঃ

ওয়া ‘আলাইকুম

অর্থঃ

তোমাদের উপরও

৭.

ক্ষমা, রহমত, জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দুআ

اللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا، وَارْضَ عَنَّا، وَأَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَنَجِّنَا مِنْ النَّارِ، وَأَصْلِحْ لَنَا شَأْنَنَا كُـلَّهُ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লানা, ওয়ারহামনা, ওয়ারদা ‘আন্না, ওয়া আদখিলনাল জান্নাতা, ওয়া নাজ্জিনা মিনান নারি, ওয়া আসলিহ লানা শা’নানা কুল্লাহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান, আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করান, আমাদের জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিন এবং আমাদের সকল বিষয় সংশোধন করে দিন।

৮.

ঈমানের সৌন্দর্য, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাঁর দীদার লাভের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ، أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِّيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِّيْ، وَأَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِيْ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، وَأَسْأَ لُكَ كَلِمَةَ الْإِخْلَاصِ فِيْ الرِّضٰى وَالْغَضَبِ، وَأَسْأَ لُكَ نَعِيْمًا لَّا يَنْفَدُ، وَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَّا تَنْقَطِـعُ، وَأَسْأَ لُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَآءِ، وَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، ولَذَّةَ النَّظَرِ إِلٰى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلٰى لِقَآئِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ ضَرَّآءَ مُضِرَّةٍ وَّ فِتْنَةٍ مُّضِلَّةٍ. اَللّٰهُمَّ زَيِّنَّا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُّهْتَدِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বি‘ইলমিকাল গাইবি ওয়া কুদরাতিকা ‘আলাল খালকি, আহয়িনী মা ‘আলিমতাল হায়াতা খাইরাল লী, ওয়া তাওয়াফফানী ইযা ‘আলিমতাল ওয়াফাতা খাইরাল লী। ওয়া আসআলুকা খাশইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, ওয়া আসআলুকা কালিমাতাল ইখলাসি ফির রিদা ওয়াল গাদাবি, ওয়া আসআলুকা না‘ঈমাল লা ইয়ানফাদু, ওয়া কুররাতা ‘আইনিল লা তানকাতি‘উ, ওয়া আসআলুকার রিদা বা‘দাল কাদা-ই, ওয়া বারদাল ‘আইশি বা‘দাল মাওতি, ওয়া লাযযাতান নাযরি ইলা ওয়াজহিকা, ওয়াশ শাওকা ইলা লিকা-ইকা, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন দাররা-ই মুদিররাতিন ওয়া ফিতনাতিম মুদিল্লাতিন। আল্লাহুম্মা যায়্যিন্না বিজীনাতিল ঈমানি, ওয়াজ‘আলনা হুদাতাম মুহতাদীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার অদৃশ্য বিষয়ক জ্ঞান এবং সৃষ্টির ওপর আপনার ক্ষমতার উসিলায় প্রার্থনা করছি—আপনার জ্ঞানে যত দিন আমার বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর, তত দিন আমাকে জীবিত রাখুন। আর আপনার জ্ঞানে যখন আমার মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর, তখন আমাকে মৃত্যু দান করুন। আমি আপনার কাছে গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনাকে ভয় করার গুণ প্রার্থনা করছি। সন্তুষ্টি ও ক্রোধ উভয় অবস্থায় সত্যনিষ্ঠার বাণী প্রার্থনা করছি। এমন নেয়ামত প্রার্থনা করছি, যা কখনো শেষ হবে না; এমন চক্ষুশীতলতা প্রার্থনা করছি, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। ফয়সালা হয়ে যাওয়ার পর আপনার প্রতি সন্তুষ্টি, মৃত্যুর পর প্রশান্তিময় জীবন, আপনার চেহারা মুবারকের দিকে তাকানোর আনন্দ এবং আপনার সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা প্রার্থনা করছি। আর ক্ষতিকর বিপদ ও পথভ্রষ্টকারী ফিতনা থেকে আপনার আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! ঈমানের সৌন্দর্যে আমাদের সুশোভিত করুন এবং আমাদের হিদায়াতপ্রাপ্ত পথপ্রদর্শক বানিয়ে দিন।

৯.

দু‘আ-২৯

رَبِّ اَوْزِعْنِیْۤ اَنْ اَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِیْۤ اَنْعَمْتَ عَلَیَّ وَ عَلٰی وَالِدَیَّ وَ اَنْ اَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضٰىهُ وَ اَدْخِلْنِیْ بِرَحْمَتِكَ فِیْ عِبَادِكَ الصّٰلِحِیْنَ۝۱۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি আওঝি‘নী আন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতী আন‘আমতা ‘আলাইইয়া ওয়া ‘আলা ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া‘আন আ‘মালা সালিহান তারদা-হু ওয়া আদখিলনী বিরাহমাতিকা ফী ‘ইবাদিকাসসা-লিহীন।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে তাওফীক দাও, যেন শুকর আদায় করতে পারি সেই সকল নি‘আমতের, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং করতে পারি এমন সৎকাজ, যা তুমি পছন্দ কর আর নিজ রহমতে তুমি আমাকে নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর।

১০.

দু‘আ-৩৫

اَنِّیْ مَغْلُوْبٌ فَانْتَصِرْ۝۱۰
উচ্চারণঃ

আন্নী মাগলূবুন ফানতাসির।

অর্থঃ

(হে প্রতিপালক) আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। এবার আপনিই ব্যবস্থা নিন।

১১.

দু‘আ-৪৪

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ عَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ، وَمُنْجِيَاتِ أَمْرِكَ، وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ، وَالْغَنِيْمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ، وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ، وَالنَّجَاةَ مِنَ النَّارِ.
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ‘আযা-ইমা মাগফিরাতিকা, ওয়া মুঞ্জিয়া-তি আমরিক, ওয়াস সালামাতা মিন কুল্লি ইছম, ওয়াল গানীমাতা মিন কুল্লি বিরর, ওয়াল ফাওযা বিল জান্নাহ, ওয়ান্নাজাতা মিনান না-র।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট আপনার ক্ষমা লাভকে নিশ্চিতকারী আমলসমূহের তাওফীক চাই, আপনার নাজাতদানকারী নির্দেশাবলীর অনুসরণ চাই, সকল গুনাহ থেকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা চাই, প্রতিটি নেক কাজ অর্জনের সৌভাগ্য চাই, জান্নাত লাভ করার সফলতা চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাই।

১২.

দু‘আ-১৪

فَاطِرَ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ۫ اَنْتَ وَلِیّٖ فِی الدُّنْیَا وَ الْاٰخِرَةِ ۚ تَوَفَّنِیْ مُسْلِمًا وَّ اَلْحِقْنِیْ بِالصّٰلِحِیْنَ۝۱۰۱
উচ্চারণঃ

ফা-তিরাছছামা ওয়া-তি ওয়াল আরদি আনতা ওয়ালিইইয়ী ফিদদুনইয়া ওয়াল আখিরাতি তাওয়াফফানী মুছলিমাও ওয়া আলহিকনী বিসসা-লিহীন।

অর্থঃ

হে আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর স্রষ্টা! দুনিয়া ও আখেরাতে তুমিই আমার অভিভাবক। তুমি দুনিয়া থেকে আমাকে এমন অবস্থায় তুলে নিও, যখন আমি থাকি তোমার অনুগত। আর আমাকে পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করো।

১৩.

দু‘আ-১৯৪

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ إِِيْمَانًا دَآئِمًا، وَأَسْأَلُكَ قَلْبًا خَاشِعًا، وأَسْأَلُكَ عِلْمًا نَّافِعًا، وَأَسْأَلُكَ يَقِيْنًا صَادِقًا، وَأَسْأَلُكَ دِيْنًا قَيِّمًا، وَأَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ مِنْ كُلِّ بَلِيَّةٍ، وَأَسْأَلُكَ تَمَامَ الْعَافِيَةِ، وَأَسْأَلُكَ دَوَامَ الْعَافِيَةِ، وَأَسْأَلُكَ الشُّكْرَ عَلَى الْعَافِيَةِ، وَأَسْأَلُكَ الْغِنٰى عَنِ النَّاسِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْتَغْفِرُكَ لِمَا تُبْتُ إِلَيْكَ مِنْهُ ثُمَّ عُدْتُّ فِيْهِ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَاۤ أَعْطَيْتُكَ مِنْ نَّفْسِيْ ثُمَّ لَمْ أُوْفِ لَكَ بِه، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِلنِّعَمِ الَّتِيْ تَقَوَّيْتُ بِهَا عَلٰى مَعَاصِيْكَ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِكُلِّ خَيْرٍ أَرَدْتُّ بِه وَجْهَكَ فَخَالَطَنِيْ فِيْهِ مَا لَيْسَ لَكَ. اَللّٰهُمَّ لَا تُخْزِنِيْ فَإِنَّكَ بِيْ عَالِمٌ، وَلَا تُعَذِّبْنِيْ فَاِنَّكَ عَلَيَّ قَادِرٌ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ঈমা-নান দা-ইমা-, ওয়া আসআলুকা ক্বলবান খা-শি'আ-, ওয়া আসআলুকা 'ইল্মান না-ফি'আ-, ওয়া আসআলুকা ইয়াক্বীনান ছা-দিক্বা-, ওয়া আসআলুকা দীনান ক্বইয়্যিমা-, ওয়া আসআলুকাল 'আ-ফিয়াতা মিন কুল্লি বালিয়্যাহ্, ওয়া আসআলুকা তামা-মাল 'আ-ফিয়াহ্, ওয়া আসআলুকা দাওয়া-মাল 'আ-ফিয়াহ্, ওয়া আসআলুকাশ শুক্র 'আলাল 'আ-ফিয়াহ্, ওয়া আসআলুকাল গিনা- 'আনিন-না-স। আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাগফিরুকা লিমা- তুব্তু ইলাইকা মিন্হু ছুম্মা 'উদতু ফীহ্, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- আ'ত্বইতুকা মিন নাফ্সী ছুম্মা লাম ঊফি লাকা বিহ্, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিন্নি'আমিল্লাতী তাক্বওওয়াইতু বিহা- 'আলা- মা'আ-ছীকা, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিকুল্লি খইরিন আরদতু বিহী ওয়াজ্হাকা ফাখ-লাত্বানী ফীহি মা- লাইসা লাক। আল্লাহুম্মা লা- তুখযিনী ফাইন্নাকা বী 'আ-লিম, ওয়া লা- তু'আযযিবনী ফাইন্নাকা 'আলাইয়্যা ক্বা-দির।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি চিরস্থায়ী ঈমান এবং আপনার কাছে চাই বিনীত ও আল্লাহভীরু অন্তর, এবং আপনার কাছে প্রার্থনা করছি উপকারী জ্ঞান, খাঁটি বিশ্বাস (ইয়াকীন) এবং সঠিক দ্বীন। আর আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি সমস্ত বিপদ-আপদ থেকে নিরাপত্তা ('আফিয়াত), পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা, স্থায়ী নিরাপত্তা, এবং আপনার কাছে চাই নিরাপত্তার ওপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার এবং মানুষের কাছ থেকে নির্মুখাপেক্ষী থাকার তৌফিক। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সেই সমস্ত পাপের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি, যা থেকে আমি আপনার কাছে তওবা করেছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে আবার তা করে ফেলেছি। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি আমার নফসের সেই সমস্ত প্রতিশ্রুতির জন্য, যা আমি আপনার সাথে করেছিলাম কিন্তু পরে তা রক্ষা করতে পারিনি। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি আপনার দেওয়া সেই সমস্ত নেয়ামতের জন্য, যার মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে আমি আপনারই অবাধ্যতা ও পাপে লিপ্ত হয়েছি এবং আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি এমন প্রতিটি নেক কাজের জন্য, যা আমি কেবল আপনার সন্তুষ্টির জন্য করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পরবর্তীতে তাতে আপনার উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কিছু (লোকদেখানো বা অন্য নিয়ত) মিশে গেছে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করবেন না, আপনি তো আমার সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত; আর আমাকে আযাব বা শাস্তি দেবেন না, নিশ্চয়ই আপনি আমার ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।

১৪.

দু‘আ-১৯৫

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمٰوٰتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ كُلَّ مُهِمٍّ مِنْ حَيْثُ شِئْتَ، وَ مِنْ أَيْنَ شِئْتَ. حَسْبِيَ اللهُ لِدِيْنِىْ،حَسْبِىَ اللهُ لِدُنْيَايَ، حَسْبِيَ اللهُ لِمَا أَهَمَّنِيْ، حَسْبِيَ اللهُ لِمَنْ بَغٰى عَلَيَّ، حَسْبِيَ اللهُ لِمَنْ حَسَدَنِيْ، حَسْبِيَ اللهُ لِمَنْ كَادَنِيْ بِسُوْٓءٍ، حَسْبِيَ اللهُ عِنْدَ الْمَوْتِ، حَسْبِيَ اللهُ عِنْدَ الْمَسْأَلَةِ فِيْ الْقَبْرِ، حَسْبِيَ اللهُ عِنْدَ الْمِيْزَانِ، حَسْبِيَ اللهُ عِنْدَ الصِّرَاطِ، حَسْبِيَ اللهُ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّـلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রব্বাস সামা-ওয়া-তিস সাব্‌'ই ওয়া রব্বাল 'আরশিল 'আযীম, আল্লাহুম্মাকফিনী কুল্লা মুহিম্মিম মিন হাইছু শি'তা, ওয়া মিন আইনা শি'তা। হাসবিয়াল্লাহু লিদীনি, হাসবিয়াল্লাহু লিদুন্ইয়াইয়া, হাসবিয়াল্লাহু লিমা- আহাম্মানী, হাসবিয়াল্লাহু লিমান বাগা- 'আলাইয়্যা, হাসবিয়াল্লাহু লিমান হাসাদানী, হাসবিয়াল্লাহু লিমান কা-দানী বিসূইন, হাসবিয়াল্লাহু 'ইন্দাল মাওতি, হাসবিয়াল্লাহু 'ইন্দাল মাসআলাতি ফিল ক্ববরি, হাসবিয়াল্লাহু 'ইন্দাল মীযা-নি, হাসবিয়াল্লাহু 'ইন্দাস সিরা-তি, হাসবিয়াল্লাহু লা- ইলা-হা ই্ল্লা- হুয়া 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রব্বুল 'আরশিল 'আযীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! সাত আসমানের প্রতিপালক এবং মহান আরশের মালিক! হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে চান এবং যেখান থেকে চান আমার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন বিষয়ের জন্য আপনি যথেষ্ট হয়ে যান। আমার দ্বীন রক্ষার জন্য আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। আমার দুনিয়ার (জীবন ও জীবিকার) বিষয়ে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। যে কোনো বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তা আমাকে গ্রাস করতে চায়, তার বিরুদ্ধে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। যে ব্যক্তি আমার ওপর অন্যায় বা জুলুম করে, তার বিরুদ্ধে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। যে ব্যক্তি আমাকে দেখে হিংসা করে, তার বিরুদ্ধে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। যে কেউ আমার বিরুদ্ধে অনিষ্টের ষড়যন্ত্র করে, তাকে প্রতিহত করতে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। মৃত্যুর কঠিন মুহূর্তে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। কবরের সওয়াল-জওয়াবের সময় আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। (হাশরের ময়দানে) আমলনামা পরিমাপের দাঁড়িপাল্লার (মীযান) সামনে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। পুলসিরাত পার হওয়ার সময় আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই। আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি এবং তিনি সুমহান আরশের অধিপতি।

১৫.

দু‘আ-১৯৭

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ بِنِعْمَتِكَ السَّابِقَةِ عَلَيَّ وَبَلَآئِكَ الْحَسَنِ الَّذِيْ ابْتَلَيْتَنِيْ بِه، وَفَضْلِكَ الَّذِيْ فَضَّلْتَ عَلَيَّ أَنْ تُدْخِلَنِيَ الْجَنَّةَ بِمَنِّكَ وَفَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিনি'মাতিকাস সা-বিক্বাতি 'আলাইয়্যা ওয়া বালা-ইকাল হাসানিল্লাযীব তালাইতানী বিহী, ওয়া ফাদ্বলিকাল্লাযী ফাদ্বদ্বলতা 'আলাইয়্যা আন তুদখিলানিয়াল জান্নাতা বিমান্নিকা ওয়া ফাদ্বলিকা ওয়া রহমাতিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আমাকে প্রদত্ত আপনার পূর্ববর্তী নেয়ামতের উসিলায়, এবং আপনার সেই উত্তম পরীক্ষার উসিলায় যার মাধ্যমে আপনি আমাকে পরীক্ষা করেছেন, আর আমার ওপর আপনার যে বিশেষ অনুগ্রহ আপনি করেছেন তার উসিলায়, আপনি আপনার পরম এহসান, অসীম দয়া এবং রহমতে আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।

১৬.

দু‘আ-৩০

رَبِّ اِنِّیْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَیَّ مِنْ خَیْرٍ فَقِیْرٌ۝۲۴
উচ্চারণঃ

রাব্বি ইন্নী লিমা আনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী।

১৭.

দু‘আ-৩৪

وَ اَصْلِحْ لِیْ فِیْ ذُرِّیَّتِیْ ؕۚ اِنِّیْ تُبْتُ اِلَیْكَ وَ اِنِّیْ مِنَ الْمُسْلِمِیْنَ۝۱۵
উচ্চারণঃ

ওয়া আসলিহলী ফী যুররিইইয়াতী ইন্নী তুবতুইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল মুছলিমীন।

অর্থঃ

এবং আমার জন্য আমার সন্তানদেরকেও (সেই) যোগ্যতা দান করুন। আমি আপনার কাছে তাওবা করছি এবং আমি আনুগত্য প্রকাশকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

১৮.

ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত ভুলের ক্ষমা প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ جِدِّيْ وَهَزْلِىْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী জিদ্দী ওয়া হাযলী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার গুরুতর ও অনিচ্ছাকৃত বিষয়গুলো ক্ষমা করে দিন।

১৯.

দু‘আ-২০১

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْتَجِيْرُكَ مِنْ جَمِيْعِ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْتَ، وَأَحْتَرِسُ بِكَ مِنْهُنَّ، وَاجْعَلْ لِيْ عِنْدَكَ وَلِيْجَةً، وَاجْعَلْ لِيْ عِنْدَكَ زُلْفٰى وَحُسْنَ مَاٰبٍ، وَاجْعَلْنِيْ مِمَّنْ يَّخَافُ مَقَامَكَ وَوَعِيْدَكَ وَيَرْجُوْ لِقَآءَكَ، وَاجْعَلْنِيْ مِمَّنْ يَّتُوْبُ إِلَيْكَ تَوْبَةً نَّصُوْحًا، وَأَسْأَلُكَ عَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَّعِلْمًا نَجِيْحًا، وَسَعْيًا مَّشْكُوْرًا وَّتِجَارَةً لَّنْ تَبُوْرَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাজীরুকা মিন জামী'ই কুল্লি শাইয়িন খলাক্বতা, ওয়া আহতারিসু বিকা মিনহুন্না, ওয়াজ্'আল লী 'ইন্দাকা ওয়ালীজাহ, ওয়াজ্'আল লী 'ইন্দাকা যুলফা- ওয়া হুসনা মাআ-ব, ওয়াজ্'আলনী মিম্মাই ইয়াখ-ফু মাক্বা-মাকা ওয়া ওয়া'ঈদাকা ওয়া ইয়ারজূ লিক্বা-আকা, ওয়াজ্'আলনী মিম্মাই ইয়াতূবু ইলাইকা তাওবাতান নাসূহা-, ওয়া আসআলুকা 'আমালান মুতাক্বব্বালাওঁ ওয়া 'ইল্মান নাজীহা-, ওয়া সা'ইয়াম মাশ্কূরাওঁ ওয়া তিজা-রাতাল লান তাবূর।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টি করা সমস্ত কিছুর অনিষ্ট থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং তাদের থেকে আপনারই মাধ্যমে সুরক্ষা কামনা করছি। আপনি আপনার নিকট আমার জন্য একটি বিশেষ স্থান বানিয়ে দিন এবং আপনার দরবারে আমাকে দান করুন পরম নৈকট্য ও সর্বোত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল । আপনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা আপনার সামনে দাঁড়ানোকে (জবাবদিহিতাকে) এবং আপনার শাস্তির হুশিয়ারিকে ভয় করে, আর আপনার সাথে সাক্ষাতের (পরকালের) আশা পোষণ করে। আর আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা আপনার দরবারে খাঁটি ও নিষ্ঠাপূর্ণ তওবা করে। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, মকবুল আমল, কল্যাণময় জ্ঞান, প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা এবং এমন ব্যবসা যা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না (অর্থাৎ আখেরাতের লাভজনক ব্যবসা)।

২০.

দু‘আ-১৯২

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِى الدُّنْيَا كَذَا وَ كَذَا، يَا مُؤْنِسَ كُلِّ وَحِيْدٍ! وَيَا صَاحِبَ كُلِّ فَرِيْدٍ! وَيَا قَرِيْبًا غَيْرَ بَعِيْدٍ! وَيَا شَاهِدًا غَيْرَ غَآئِبٍ! وَيَا غَالِبًا غَيْرَ مَغْلُوْبٍ! يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ! يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ! يَا نُوْرَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضِ! وَيَا زَيْنَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضِ! يَا جَبَّارَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضِ! يَا عِمَادَ السَّمٰوٰتِ وَ الْأَرْضِ! يَا بَدِيْعَ السَّمٰوٰتِ وَ الْأَرْضِ، يَا قَيَّامَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضِ! يَا ذَاالْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ! يَا صَرِيْخَ الْمُسْتَصْرِخِيْنَ! وَمُنْتَهَى الْعَآئِذِيْنَ! وَالْمُفَرِّجُ عَنِ الْمَكْرُوْبِيْنَ! وَالْمُرَوِّحُ عَنِ الْمَغْمُوْمِيْنَ! وَمُجِيْبَ دُعَآءِ الْمُضْطَرِّيْنَ! وَيَا كَاشِفَ الْمَكْرُوْبِ! يَاۤ إِلٰهَ الْعَالَمِيْنَ، وَيَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ! مَنْزُوْلٌ بِۢكَ كُلُّ حَاجَةٍ.
উচ্চারণঃ

রব্বানা- আ-তিনা- ফিদ্দুন্ইয়া- কাযা- ওয়া কাযা-, ইয়া মূনিসা কুল্লি ওয়াহীদ! ওয়া ইয়া ছ-হিবা কুল্লি ফারীদ! ওয়া ইয়া ক্বরীবান গইরা বা'ঈদ! ওয়া ইয়া শা-হিদান গইরা গ-ইব! ওয়া ইয়া গ-লিবান গইরা মগ্লূব! ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বইয়্যূম! ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম! ইয়া নূরস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব! ওয়া ইয়া যাইনাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব! ইয়া জাব্বা-রস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব! ইয়া 'ইমা-দাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব! ইয়া বাদী'আস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব! ইয়া ক্বইইয়া-মাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব! ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম! ইয়া ছরীখল মুস্তাসরিখীন! ওয়া মুন্তাহাল 'আ-ইযীন! ওয়াল মুফাররিজু 'আনিল মাকরূবীন! ওয়াল মুরউইহু 'আনিল মাগমূমীন! ওয়া মুজীবা দু'আ-ইল মুদ্বত্বররীন! ওয়া ইয়া কা-শিফাল মাকরূব! ইয়া ইলা-হাল 'আ-লামীন, ওয়া ইয়া আরহামার র-হিমীন! মানযূলুম বিকা কুল্লু হা-জাহ্।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের এই দুনিয়াতে অমুক অমুক (নেয়ামত ও কল্যাণ) দান করুন (এখানে 'কাযা ওয়া কাযা' এর স্থানে যেকোনো জায়েয দুনিয়াবী হাজত বা চাহিদার কথা মনে মনে বলতে হয়)। হে প্রত্যেক নিঃসঙ্গ মানুষের পরম সঙ্গী! হে প্রত্যেক আপনজনহীন মানুষের পরম বন্ধু! হে অতি নিকটবর্তী, যিনি কখনো দূর হন না! হে সদা প্রত্যক্ষকারী, যিনি কখনো অনুপস্থিত হন না! হে চির বিজয়ী, যাঁকে কখনো পরাভূত করা যায় না! হে চিরঞ্জীব! হে বিশ্বজগতের নিয়ন্ত্রক! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে আসমান ও যমীনের নূর! হে আসমান ও যমীনের শোভা! হে আসমান ও যমীনের মহাপরাক্রমশালী শাসক! হে আসমান ও যমীনের রক্ষক! হে আসমান ও যমীনের অনন্য স্রষ্টা! হে আসমান ও যমীনকে রক্ষণাবেক্ষণকারী! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে আর্তনাদকারীদের উদ্ধারকর্তা! হে আশ্রয়প্রার্থীদের শেষ আশ্রয়স্থল! হে সংকটগ্রস্তদের দুঃখ দূরকারী! হে দুশ্চিন্তাগ্রস্তদের হৃদয়ে প্রশান্তি দানকারী! হে নিরুপায়দের দোয়ায় সাড়াদানকারী! হে সমস্ত বিপদ-আপদ দূরকারী! হে বিশ্বজগতের ইলাহ! এবং হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু! আমার প্রতিটি ছোট-বড় প্রয়োজন ও অভাব কেবল আপনারই দরবারে পেশ করছি। (আপনিই তো ছোট-বড় সকল প্রয়োজন পূরণকারী)।