ইফতারের পর এ দু‘আ পড়বে
জাহাবায যমাউ ওয়াব তাল্লাতিল ‘উরূক্বু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।
পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, ধমনী সমূহ সতেজ হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ (রোযার সওয়াব) নিশ্চিত হয়েছে।
খেজুর দিয়ে ইফতার করা নবীজী (ﷺ) খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। তাই খেজুর দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব। খেজুর না পেলে পানি দিয়ে। নবীজী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ ইফতার করলে সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। খেজুর না থাকলে পানি দিয়ে। কেননা তা পবিত্র বস্তু। সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৬৯৫
সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২৩৫৭ সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২৩৫৬; সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৬৯৬; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং: ৯৭৮৯
হযরত ইবনে সালিম আল্-মুকাফফা (রহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনে উমর (রাযি)-কে এক মুষ্টির অধিক দাঁড়ি কর্তন করতে দেখেছি। এরপর তিনি বলেন, নবী কারীম (ﷺ) ইফতারের সময় উক্ত দু‘আ পড়তেন। নামাযের আগেই ইফতার করা। সূর্য অস্তমিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোযাদার ইফতার করবে এবং মুয়াজ্জিন আযান দিবে। ইফতারের ওয়াক্ত আযান শুরু হওয়ার পর হয় বিষয়টি এমন নয়। আমাদের দেশে রেওয়াজ আছে, লোকেরা ইফতার সামনে নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে এবং আযানের শব্দ শোনার আগ পর্যন্ত ইফতার করে না। এ থেকে কারো কারো মনে এ ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে, ইফতারের ওয়াক্তই শুরু হয় আযানের পর। এই ধারণা ঠিক নয়। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই ইফতারের ওয়াক্ত হয়। আর বিনা কারণে ইফতার বিলম্ব করা খেলাফে সুন্নত। ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা উচিত। নামাযের পূর্বেই সংক্ষিপ্তভাবে ইফতার সেরে নেওয়া; ইফতারের জন্য বিশাল আয়োজন লাগবে এমনটি নয়। নবীজীর আমলও এমনই ছিল। হযরত আনাস (রাযি) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাগরিবের নামায পড়ার পূর্বেই তাজা খেজুর দিয়ে ইফতার করে নিতেন। তাজা খেজুর না থাকলে শুকনো খেজুর দিয়ে। আর তাও না থাকলে কয়েক ঢোক পানি পান করে নিতেন।
দু'আর বিষয়সমূহ
38টি বিষয় পাওয়া গেছে