দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

নেক আমল, আল্লাহর ভালোবাসা ও তাঁর নৈকট্য লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ، وَحُبَّ الْمَسَاكِيْنِ، وَأَنْ تَغْفِرَ لِيْ وَتَرْحَمَنِيْ، وَإِذَاۤ أَرَدْتَ بِقَوْمٍ فِتْنَةً فَتَوَفَّنِيْ غَيْرَ مَفْتُوْنٍ، أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُّحِبُّكَ وَحُبَّ عَمَلٍ يُّقَرِّبُ إِلٰى حُبِّكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ফি‘লাল খাইরাতি ওয়া তারকাল মুনকারাতি, ওয়া হুব্বাল মাসাকীনি, ওয়া আন তাগফিরা লী ওয়া তারহামানী, ওয়া ইযা আরাদতা বি-কাওমিন ফিতনাতান ফাতাওয়াফফানী গাইরা মাফতুনিন। আসআলুকা হুব্বাকা ওয়া হুব্বা মান ইউহিব্বুকা, ওয়া হুব্বা ‘আমালিন ইউকাররিবু ইলা হুব্বিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে নেক কাজ করা, মন্দ কাজ পরিত্যাগ করা এবং মিসকিনদের ভালোবাসা প্রার্থনা করছি। আর প্রার্থনা করছি, আপনি যেন আমাকে ক্ষমা করেন ও আমার প্রতি দয়া করেন। যখন আপনি কোনো সম্প্রদায়ের জন্য ফিতনার ইচ্ছা করেন, তখন আমাকে ফিতনায় পতিত না করে মৃত্যু দান করুন। আমি আপনার ভালোবাসা, যারা আপনাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসা এবং যে আমল আমাকে আপনার ভালোবাসার নিকটবর্তী করে, সেই আমলের ভালোবাসা প্রার্থনা করছি।

২.

দু‘আ-১

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنْیَا حَسَنَةً وَّ فِی الْاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ۝۲۰۱
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আ-তিনা-ফিদ্দুনইয়া-হাসানাতাও ওয়া ফিল আ-খিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা-‘আযা-বান্না-র।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন, এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

৩.

দু‘আ-৮

رَبَّنَاۤ اِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِیًا یُّنَادِیْ لِلْاِیْمَانِ اَنْ اٰمِنُوْا بِرَبِّكُمْ فَاٰمَنَّا ۖۗ رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَ كَفِّرْ عَنَّا سَیِّاٰتِنَا وَ تَوَفَّنَا مَعَ الْاَ بْرَارِۚ۝۱۹۳
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ইন্নানা-ছামি‘না মুনা-দিআই ইউনাদী লিল ঈমা-নি আন আ-মিনূ বিরাব্বিকুম ফা‘আমান্না, রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনূবানা ওয়াকাফফির‘আন্না ছাইয়িআতিনা ওয়াতাওয়াফফানা মা‘আল আব রা-র।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা এক ঘোষককে ঈমানের দিকে ডাক দিতে শুনেছি যে, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আন।’ সুতরাং আমরা ঈমান এনেছি। কাজেই হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, আমাদের মন্দসমূহ আমাদের থেকে মিটিয়ে দিন এবং আমাদেরকে পুণ্যবানদের মধ্যে শামিল করে নিজের কাছে তুলে নিন।

৪.

দু‘আ-১৭৭

اَللّٰهُمَّ احْرُسْنِيْ بِعَيْنِكَ الَّتِيْ لَا تَنَامُ، وَاكْنُفْنِيْ بِرُكْنِكَ الَّذِيْ لَا يُرَامُ، وَارْحَمْنِيْ بِقُدْرَتِكَ عَلَيَّ فَلَا أَهْلِكَ، وَأَنْتَ رَجَآئِـيْ، فَـكَمْ مِّنْ نِعْمَةٍ أَنْعَمْتَ بِهَا عَلَيَّ قَلَّ لَكَ بِهَا شُكْرِيْ، وَكَمْ مِّنْۢ بَلِيَّةٍ ابْتَلَيْتَنِيْ بِهَا قَلَّ لَكَ بِهَا صَبْرِيْ، فَيَا مَنْ قَلَّ عِنْدَ نِعْمَتِه شُكْرِيْ، فَلَمْ يَحْرِمْنِيْ! وَيَا مَنْ قَلَّ عِنْدَ بَلِيَّتِه صَبْرِيْ! فَلَمْ يَخْذُلْنِيْ! وَيَا مَنْ رَّاٰنِيْ عَلَى الْخَطَايَا فَلَمْ يَفْضَحْنِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাহ্ রুস্নী বি'আইনিকাল্লাতী লা- তানা-মু, ওয়াক্নুফ্নী বিরুক্নিকাল্লাযী লা- ইয়ুরামূ, ওয়ার্হাম্নী বিক্বুদ্রতিকা 'আলাইয়্যা ফালা- আহ্লিকা, ওয়া আন্তা রজা-ঈ। ফাকাম মিন নি'মাতিন আন্'আম্তা বিহা- 'আলাইয়্যা ক্বল্লা লাকা বিহা- শুকরী, ওয়া কাম মিম বালিইয়্যাতিন ইবতালাইতানী বিহা- ক্বল্লা লাকা বিহা- সব্রী। ফাইয়া মান ক্বল্লা 'ইন্দা নি'মাতিহী শুকরী, ফালাম ইয়াহ্রিম্নী! ওয়া ইয়া মান ক্বল্লা 'ইন্দা বালিইয়্যাতিহী সব্রী! ফালাম ইয়াখযুল্নী! ওয়া ইয়া মার রআ-নী 'আলাল খত্বা-য়া- ফালাম ইয়াফ্দ্বহনী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার সেই অতন্দ্র দৃষ্টি দিয়ে পাহারা দিন, এবং আমাকে আপনার সেই আশ্রয়ে আগলে রাখুন যাকে কেউ পরাস্ত করতে পারে না। আমার ওপর আপনার যে অসীম ক্ষমতা রয়েছে, তার উসিলায় আমার প্রতি দয়া করুন যাতে আমি ধ্বংস হয়ে না যাই; আপনিই তো আমার একমাত্র আশা-ভরসা। আপনি আমাকে কতশত নেয়ামত দান করেছেন, অথচ সেগুলোর বিপরীতে আপনার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ছিল খুবই সামান্য! আর আপনি আমাকে কত কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছেন, অথচ সেগুলোর সময় আপনার প্রতি আমার ধৈর্য্য ধারণের পরিমাণ ছিল খুবই নগণ্য! হে সেই পরম দয়ালু সত্তা! যাঁর দেওয়া নেয়ামতের পর আমার কৃতজ্ঞতা কম হওয়া সত্ত্বেও যিনি আমাকে তাঁর নেয়ামত থেকে বঞ্চিত করেননি! হে সেই সত্তা! বিপদের সময় আমার ধৈর্য কম হওয়া সত্ত্বেও যিনি আমাকে একা ফেলে যাননি! এবং হে সেই সত্তা! যিনি আমাকে বারবার পাপ করতে দেখা সত্ত্বেও আমার গোপন অপরাধগুলো দুনিয়ার সামনে প্রকাশ করে আমাকে অপদস্থ করেননি! (হে মহামহিম! ভবিষ্যতে আমি এমন দয়া ও করুণারই আশাবাদী।)

৫.

দু‘আ-১৭৮

يَا ذَا الْمَعْرُوْفِ الَّذِيْ لَا يَنْقَضِيْ أَبَدًا! وَيَا ذَا النَّعْمَآءِ الَّتِيْ لَا تُحْصٰىۤ أَبَدًا! أَسْأَلُكَ أَنْ تُصَلِّيَ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰۤى اٰلِ مُحَمَّدٍ، وَبِكَ أَدْرَأُ فِيْ نُحُوْرِ الْأَعْدَآءِ وَالْجَبَابِرَةِ.
উচ্চারণঃ

ইয়া যাল মা'রূফিল্লাযী লা- ইয়ান্ক্বদ্বী আবাদা! ওয়া ইয়া যান না'মা-ইল্লাতী লা- তুহ্স্বা- আবাদা! আসআলুকা আন তুসল্লিয়া 'আলা- মুহাম্মাদিউঁ ওয়া 'আলা- আ-লি মুহাম্মাদ, ওয়া বিকা আদরাউ ফী নুহূরিল আ'দা-ই ওয়াল জাবা-বিরাহ্।

অর্থঃ

হে চিরস্থায়ী কল্যাণের অধিকারী! যাঁর অনুগ্রহ কখনো শেষ হয় না, এবং হে অসীম নেয়ামতের অধিকারী! যাঁর নেয়ামতসমূহ কখনো গুণে শেষ করা যায় না! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যে, আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ) এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর দরূদ ও রহমত বর্ষণ করুন। আর আপনারই শক্তির সাহায্যে আমি শত্রু এবং স্বৈরাচারী-অত্যাচারীদের আক্রমণ ও ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করছি (তাদের কণ্ঠনালী চেপে ধরছি)।

৬.

দু‘আ-১৮০

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ سَرِيْرَتِيْ خَيْرًا مِّنْ عَلَانِيَتِيْ وَاجْعَلْ عَلَانِيَتِيْ صَالِحَةً. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِيْ النَّاسَ مِنَ الْمَالِ وَالْأَهْلِ وَالْوَلَدِ غَيْرَ ضَآلٍّ وَّلَا مُضِلٍّ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ্'আল সারীরতী খইরম মিন 'আলা-নিয়াতী ওয়াজ্'আল 'আলা-নিয়াতী স্ব-লিহাহ্। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন স্ব-লিহি মা- তু'তিন-না-সা মিনাল মা-লি ওয়াল আহ্লি ওয়াল ওয়ালাদি গইরা দ্ব-ল্লিউঁ ওয়া লা- মুদ্বিল্ল।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন অবস্থাকে আমার প্রকাশ্য অবস্থার চেয়েও উত্তম করে দিন এবং আমার প্রকাশ্য অবস্থাকে সৎ ও সুন্দর (আমলদার) বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনি মানুষকে সম্পদ, পরিবার ও সন্তান-সন্ততির মধ্য থেকে যা কিছু উত্তম ও কল্যাণকর দান করে থাকেন আমি আপনার কাছে তা প্রার্থনা করছি; এমন অবস্থায় যা আমাকে পথভ্রষ্ট করবে না এবং অন্যের পথভ্রষ্টতার কারণও বানাবে না।

৭.

দু‘আ-১৮৩

اَللّٰهُمَّ كَمَا حُلْتَ بَيْنِيْ وَبَيْنَ قَلْبِيْ فَحُلْ بَيْنِيْ وبَيْنَ الشَّيْطَانِ وَعَمَلِه. اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنَا مِنْ فَضْلِكَ وَلَا تَحْرِمْنَا رِزْقَكَ، وَبَارِكْ لَنَا فِيْمَا رَزَقْتَنَا، وَاجْعَلْ غِنَانَا فِيْ أَنْفُسِنَا، وَاجْعَلْ رَغْبَتَنَا فِيْمَا عِنْدَكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা কামা- হুল্তা বাইনী ওয়া বাইনা ক্বলবী ফাহুল্ বাইনী ওয়া বাইনাশ্ শাইত্ব-নি ওয়া 'আমালিহ্। আল্লাহুম্মার যুক্বনা- মিন ফাদ্বলিকা ওয়া লা- তাহ্রিম্না- রিযক্বকা, ওয়া বা-রিক লানা- ফীমা- রযাক্বতানা-, ওয়াজ্'আল গিনানা- ফী আন্ফুসিনা-, ওয়াজ্'আল রগ্বাতানা- ফীমা- 'ইন্দাকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে আমার এবং আমার অন্তরের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, ঠিক সেভাবেই আমার এবং শয়তান ও তার (কুৎসিত) কর্মের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দিন। হে আল্লাহ! আপনি আপনার অসীম অনুগ্রহ থেকে আমাদেরকে দান করুন এবং আপনার রিযিক থেকে আমাদের বঞ্চিত করবেন না। আপনি আমাদের যে রিযিক দিয়েছেন তাতে প্রচুর বরকত দান করুন। আমাদের অন্তরসমূহকে (মানুষের কাছে যা আছে তা থেকে) নির্মুখাপেক্ষী বানিয়ে দিন এবং আপনার কাছে যা কিছু (নেয়ামত ও প্রতিদান) রয়েছে তার প্রতি আমাদেরকে আগ্রহী করে দিন।

৮.

দু‘আ-১৮৬

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْئألُكَ تَمَامَ النِّعْمَةِ فِيْ الْأَشْيَآءِ كُلِّهَا، وَالشُّكْرَ لَكَ عَلَيْهَا حَتّٰى تَرْضٰى وَبَعْدَ الرِّضٰى، وَالْخِيَرَةَ فِيْ جَمِيْعِ مَا تَـكُوْنُ فِيْهِ الْخِيَرَةُ، وَلِجَمِيْعِ مَيْسُوْرِ الْأُمُوْرِ كُـلِّهَا لَا بِمَعْسُوْرِهَا يَا كَرِيْمُ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা তামা-মান নি'মাতি ফিল আশ্ইয়া-ই কুল্লিহা-, ওয়াশ শুকরা লাকা 'আলাইহা- হাত্তা- তারদ্বা- ওয়া বা'দার রিদ্ব-, ওয়াল খিয়ারতা ফী জামী'ই মা- তাকূনু ফীহিল খিয়ারতু, ওয়া লিজামী'ই মাইসূরিল উমুরি কুল্লিহা- লা- বিমা'সূরিহা- ইয়া কারীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সমস্ত বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ নেয়ামত প্রার্থনা করছি, এবং সেসব নেয়ামতের ওপর আপনার এমন কৃতজ্ঞতা আদায়ের তৌফিক চাচ্ছি, যাতে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যান এবং আপনার সন্তুষ্টির পরেও তা জারি থাকে। আর যেসব বিষয়ে বাছাই হতে পারে সেখানে আপনিই আমার জন্য বাছাই করে দিন। হে পরম সম্মানিত সত্তা! আপনি আমার সমস্ত কাজকর্মকে সহজ উপায়ে সম্পন্ন করে দিন, কোনো কাজকে কঠিন বা জটিল করবেন না।

৯.

ইস্তিখারা

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيْمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلَاۤ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلَاۤ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوْبِ، اَللّٰهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هٰذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِىْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاقْدُرْهُ لِيْ وَيَسِّرْهُ لِيْ ثُمَّ بَارِكْ لِيْ فِيْهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هٰذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِىْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاصْرِفْهُ عَنِّيْ وَاصْرِفْنِيْ عَنْهُ وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِيْ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসতাখিরুকা বি‘ইলমিকা ওয়া আস্তাক্বদিরুকা বিক্বুদ্‌রাতিকা ওয়া আস্আলুকা মিন ফাদ্‌লিকাল আযীম। ফা ইন্নাকা তাক্বদিরু ওয়ালা আক্বদিরু, ওয়া তা‘লামু ওয়ালা আ‘লামু, ওয়া আনতা ’আল্লামূল গুয়ূব। আল্লাহুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আম্‌রা (বলে, মনে মনে প্রয়োজন উল্লেখ করুন) খাইরুন লী ফী দ্বীনি ওয়া মা‘আশী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী, ফাকদিরহু লী, ওয়া ইয়াস্‌সিরহু লী, ছুম্মা বারিক লী ফীহি। ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (বলে, মনে মনে প্রয়োজন উল্লেখ করুন) শাররুন লী ফী দীনী ওয়া মা’আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী, ফাসরিফহু ‘আন্নী ওয়াসরিফনী ‘আনহু, ওয়াকদুর লিয়াল-খাইর। হাইসু কা-না, সুম্মা আরদ্বিনী বিহ্।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার ইলমের উসিলায় আপনার নিকট মঙ্গল কামনা করছি এবং আপনার কুদরতের উসিলায় আপনার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং আপনার নিকট আপনার মহান অনুগ্রহ কামনা করছি। কেননা, আপনি ক্ষমতাবান, আর আমি অক্ষম এবং আপনি সর্বজ্ঞানী আর আমি অজ্ঞ, এবং আপনি সমস্ত গোপন সম্পর্কে জ্ঞাত। হে আল্লাহ! যদি আপনার জ্ঞান অনুযায়ী এ কাজটি আমার জন্য আমার দ্বীন ও দুনিয়ার দিক দিয়ে এবং পরিণামে মঙ্গলজনক হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারণ করে দিন এবং একে সহজ করে দিন। অতঃপর এর মধ্যে আমার জন্য বরকত দান করুন। আর যদি আপনার জ্ঞান অনুযায়ী এ কাজটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ার দিক দিয়ে এবং পরিণামে আমার জন্য মঙ্গলজনক না হয়, তবে আপনি এ কাজটিকে আমার থেকে দূরে রাখুন এবং যেখানেই আমার জন্য মঙ্গল রয়েছে তা আমার জন্য নির্ধারিত করুন এবং তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট করে দিন।

১০.

সালাতুল তাসবীহের ফযীলত

۞ سُبْحَانَ اللّٰهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ وَلاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ
উচ্চারণঃ

সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

অর্থঃ

আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করতেছি, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বূদ নাই, তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ।

১১.

অবিচল ঈমান, চিরস্থায়ী নেয়ামত ও জান্নাতে নবীজি ﷺ-এর সান্নিধ্য লাভের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ اِيْمَانًا لَّا يَرْتَدُّ، وَنَعِيْمًا لَّا يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ نَبِـيِّكَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْۤ أَعْلٰى دَرَجَةِ الْجَنَّةِ جَنَّةِ الْخُلْدِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ঈমানাল লা ইয়ারতাদ্দু, ওয়া না‘ঈমাল লা ইয়ানফাদু, ওয়া মুরাফাকাতা নাবিয়্যিকা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফী আ‘লা দারাজাতিল জান্নাতি, জান্নাতিল খুলদি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন ঈমান প্রার্থনা করছি, যা থেকে ফিরে যাওয়া হবে না; এমন নেয়ামত প্রার্থনা করছি, যা কখনো শেষ হবে না; আর আপনার নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর সঙ্গে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে, চিরস্থায়ী জান্নাতে সঙ্গ লাভের প্রার্থনা করছি।

১২.

দু‘আ-১০

رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ۝۲۳
উচ্চারণঃ

রাব্বানা জালামনা আনফুছানা ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খা-ছিরীন।

অর্থঃ

তারা বলল, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজ সত্তার উপর জুলুম করে ফেলেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন ও আমাদের প্রতি রহম না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অকৃতকার্যদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

১৩.

দু‘আ-৪

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَیْتَنَا وَ هَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً ۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ۝۸
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লা-তুঝিগ কুলূবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা ওয়াহাবলানা মিল্লা দুনকা রাহমাতান, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহা-ব।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে যখন হিদায়াত দান করেছ তারপর আর আমাদের অন্তরে বক্রতা সৃষ্টি করো না এবং একান্তভাবে নিজের পক্ষ হতে আমাদেরকে রহমত দান কর। নিশ্চয়ই তুমিই মহাদাতা।

১৪.

দু‘আ-৪৩

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন ﷺ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে সেই সব কল্যাণ প্রার্থনা করি, যে সব কল্যাণের প্রার্থনা তোমার কাছে তোমার নবী মুহাম্মাদ ﷺ করেছেন।

১৫.

দুনিয়া-আখিরাতের বিপদ, অকল্যাণ ও আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُبِكَ مِنْ سُوْٓءِ الْعُمُرِ وَ فِتْنَةِ الصَّدْرِ، و َأَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ ــ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ ــ أَنْ تُضِلَّنِيْ، وَمِنْ جَهْدِ الْبَلَآءِ وَ دَرَكِ الشَّقَآءِ، وَ سُوْٓءِ الْقَضَآءِ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَآءِ، وَمِنْ شَرِّ مَاعَمِلْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ، وَمِنْ شَرِّ مَاعَلِمْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْلَمْ، وَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَآءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ، وَمِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ، وَمِنَ الْفَاقَةِ، وَمِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ، وَمِنَ الْهَدَمِ، وَمِنَ التَّرَدِّيْ، وَمِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ، وَأَنْ يَّتَخَبَّطَنِيْ الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ، وَمِنْ أَنْ أَمُوْتَ فِيْ سَبِيْلِكَ مُدْبِرًا وَّ أَنْ أَمُوْتَ لَدِيْغًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন সূইল ‘উমুরি ওয়া ফিতনাতিস সদর, ওয়া আ‘ঊযু বি‘ইজ্জাতিকা—লা ইলাহা ইল্লা আনতা—আন তুদিল্লানী, ওয়া মিন জাহদিল বালা-ই, ওয়া দারাকিশ শাকা-ই, ওয়া সূইল কাদা-ই, ওয়া শামাতাতিল আ‘দা-ই, ওয়া মিন শাররি মা ‘আমিলতু ওয়া মিন শাররি মা লাম আ‘মাল, ওয়া মিন শাররি মা ‘আলিমতু ওয়া মিন শাররি মা লাম আ‘লাম, ওয়া মিন যাওয়ালি নি‘মাতিকা ওয়া তাহাওউলি ‘আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজা-আতি নিকমাতিকা ওয়া জামী‘ই সাখাতিকা, ওয়া মিন শাররি সাম‘ঈ ওয়া মিন শাররি বাসারী, ওয়া মিন শাররি লিসানী ওয়া মিন শাররি কালবী, ওয়া মিন শাররি মানিয়্যী, ওয়া মিনাল ফাকাহ, ওয়া মিন আন আযলিমা আও উযলাম, ওয়া মিনাল হাদমি, ওয়া মিনাত তারাদ্দী, ওয়া মিনাল গারাকি ওয়াল হারাকি, ওয়া আন ইয়াতাখাব্বাতানিয়াশ শাইতানু ‘ইন্দাল মাওতি, ওয়া মিন আন আমূতা ফী সাবীলিকা মুদবিরাও, ওয়া আন আমূতা লাদীগা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই বার্ধক্যের মন্দ পরিণতি ও অন্তরের ফিতনা থেকে। আপনার সম্মান ও মহত্ত্বের উসিলায়—আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই—আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই, যেন আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট হতে না দেন। আমি আশ্রয় চাই কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্যের পরিণতি, মন্দ ফয়সালা এবং শত্রুদের উল্লাস থেকে। আমি আশ্রয় চাই আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে, যা করিনি তার অনিষ্ট থেকেও; যা জানি তার অনিষ্ট থেকে এবং যা জানি না তার অনিষ্ট থেকেও। আপনার নেয়ামত চলে যাওয়া, আপনার দেওয়া নিরাপত্তা ও সুস্থতার পরিবর্তন, আকস্মিক শাস্তি এবং আপনার সকল অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই। আমার শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, জিহ্বা, অন্তর ও বীর্যের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। অভাব-অনটন থেকে, কাউকে জুলুম করা বা কারও দ্বারা জুলুমের শিকার হওয়া থেকে, ধসে পড়া, উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া, ডুবে যাওয়া ও আগুনে পুড়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। মৃত্যুর সময় শয়তানের আঘাতে আক্রান্ত হওয়া থেকে, আপনার পথে পৃষ্ঠ প্রদর্শনকারী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা থেকে এবং বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে মৃত্যুবরণ করা থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

১৬.

বরকত লাভ ও বঞ্চনার পরীক্ষায় অবিচল থাকার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ ضَعْ فِيْۤ أَرْضِنَا بَرَكَتَهَا وَزِيْنَتَهَا وَسَكَنَهَا، وَلَا تَحْرِمْنِيْ بَرَكَة َ مَاۤ أَعْطَيْتَنِيْ، وَلَا تَفْتِنِّيْ فِيْمَاۤ أَحْرَمْتَنِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা দা‘ ফী আরদিনা বারাকাতাহা ওয়া যীনাতাহা ওয়া সাকানাহা, ওয়া লা তাহরিমনী বারাকাতা মা আ‘তাইতানী, ওয়া লা তাফতিন্নী ফীমা আহরামতানী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের জমিনে তার বরকত, সৌন্দর্য ও প্রশান্তি দান করুন। আপনি আমাকে যা দান করেছেন, তার বরকত থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না। আর যা থেকে আমাকে বঞ্চিত রেখেছেন, তা দিয়ে আমাকে পরীক্ষায় ফেলবেন না।

১৭.

দু‘আ-১১৮

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا تَجِيْٓءُ بِهِ الرِّيَاحُ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন খায়রি মা তাjeeউ বিহির রিয়াহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সেই কল্যাণ প্রার্থনা করছি, বাতাস যে কল্যাণ বয়ে আনে।

১৮.

দু‘আ-৩৮

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِیْنَ كَفَرُوْا وَ اغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا ۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ ۝۵
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লা তাজ‘আলনা ফিতনাতালিলল্লাযীনা কাফারূ ওয়াগফিরলানা রাব্বানা, ইন্নাকা আনতাল ‘আঝীঝুল হাকীম।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে কাফেরদের পরীক্ষার পাত্র বানাবেন না এবং হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই কেবল আপনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

১৯.

দু‘আ-১৯৮

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا دَآئِمًا وَّهَدْيًا قَيِّمًا وَّعِلْمًا نَّافِعًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ঈমা-নান দা-ইমাওঁ ওয়া হাদয়ান ক্বইয়্যিমাওঁ ওয়া 'ইল্মান না-ফি'আ-।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি চিরস্থায়ী ঈমান, সুপ্রতিষ্ঠিত হেদায়েত এবং উপকারী জ্ঞান।

২০.

দু‘আ-১৭২

اَللّٰهُمَّ أَنَا عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، أَتَقَلَّبُ فِيْ قَبْضَتِكَ، وَأُصَدِّقُ بِلِقَآئِكَ وَأُوْمِنُ بِوَعْدِكَ، أَمَرْتَنِيْ فَعَصَيْتُ وَنَهَيْتَنِيْ فَأَتَيْتُ، هٰذَا مَكَانُ الْعَآئِذِ بِكَ مِنَ النَّارِ، لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ سُبْحَانَكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْلِيْ، إِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّۤا أَنْتَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আনা ‘আবদুকা, ওয়াবনু ‘আবদিকা, ওয়াবনু আমাতিকা। নাসিয়াতী বিয়াদিকা, আতাকাল্লাবু ফী কাবদাতিকা, ওয়া উসাদ্দিকু বিলিকাআইকা, ওয়া উ’মিনু বিওয়া‘দিকা। আমারতানী ফা‘আসাইতু, ওয়া নাহাইতানী ফা-আতাইতু। হাযা মাকানুল ‘আইযি বিকা মিনান নার। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, সুবহানাকা, যালামতু নাফসী ফাগফির লী। ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র এবং আপনার বান্দীর পুত্র। আমার কপালের চুল আপনার হাতে; আমি আপনারই নিয়ন্ত্রণাধীন। আমি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার বিষয়টি সত্য বলে বিশ্বাস করি এবং আপনার প্রতিশ্রুতির প্রতি ঈমান রাখি। আপনি আমাকে আদেশ করেছেন, কিন্তু আমি অবাধ্যতা করেছি। আপনি আমাকে নিষেধ করেছেন, কিন্তু আমি তা করে বসেছি। এ হলো আপনার কাছে জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয়প্রার্থীর অবস্থান। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি পবিত্র ও মহান। নিশ্চয়ই আমি নিজের প্রতি যুলুম করেছি। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।