দু’আ

মোট দু’আ - ৬১৪ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

ঘুম থেকে উঠে এই দু‘আ পড়বে-৪

﴿اِنَّ فِيْ خَلْقِ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ وَاخْتِلَافِ الَّيْلِ وَالنَّھَارِ لَاٰيٰتٍ لِّاُولِي الْاَلْبَابِ ١٩٠؁ڌالَّذِيْنَ يَذْكُرُوْنَ اللّٰهَ قِيٰمًا وَّقُعُوْدًا وَّعَلٰي جُنُوْبِھِمْ وَيَتَفَكَّرُوْنَ فِيْ خَلْقِ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ ۚ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هٰذَا بَاطِلًا ۚ سُبْحٰنَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ١٩١؁رَبَّنَآ اِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ اَخْزَيْتَهٗ ۭ وَمَا لِلظّٰلِمِيْنَ مِنْ اَنْصَارٍ ١٩٢؁رَبَّنَآ اِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُّنَادِيْ لِلْاِيْمَانِ اَنْ اٰمِنُوْا بِرَبِّكُمْ فَاٰمَنَّاڰ رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّاٰتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْاَبْرَارِ ١٩٣؁ۚرَبَّنَا وَاٰتِنَا مَا وَعَدْتَّنَا عَلٰي رُسُلِكَ وَلَا تُخْزِنَا يَوْمَ الْقِيٰمَةِ ۭاِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيْعَادَ ١٩٤؁فَاسْتَجَابَ لَھُمْ رَبُّھُمْ اَنِّىْ لَآ اُضِيْعُ عَمَلَ عَامِلٍ مِّنْكُمْ مِّنْ ذَكَرٍ اَوْ اُنْثٰى ۚ بَعْضُكُمْ مِّنْۢ بَعْضٍ ۚ فَالَّذِيْنَ ھَاجَرُوْا وَاُخْرِجُوْا مِنْ دِيَارِھِمْ وَاُوْذُوْا فِيْ سَبِيْلِيْ وَقٰتَلُوْا وَقُتِلُوْا لَاُكَفِّرَنَّ عَنْھُمْ سَيِّاٰتِھِمْ وَلَاُدْخِلَنَّھُمْ جَنّٰتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِھَا الْاَنْھٰرُ ۚ ثَوَابًا مِّنْ عِنْدِ اللّٰهِ ۭوَاللّٰهُ عِنْدَهٗ حُسْنُ الثَّوَابِ ١٩٥؁لَا يَغُرَّنَّكَ تَقَلُّبُ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا فِي الْبِلَادِ ١٩٦؁ۭ مَتَاعٌ قَلِيْلٌ ۣ ثُمَّ مَاْوٰىھُمْ جَهَنَّمُ ۭوَبِئْسَ الْمِھَادُ ١٩٧؁لٰكِنِ الَّذِيْنَ اتَّقَوْا رَبَّھُمْ لَھُمْ جَنّٰتٌ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِھَا الْاَنْھٰرُ خٰلِدِيْنَ فِيْھَا نُزُلًا مِّنْ عِنْدِ اللّٰهِ ۭ وَمَا عِنْدَ اللّٰهِ خَيْرٌ لِّلْاَبْرَارِ ١٩٨؁وَاِنَّ مِنْ اَھْلِ الْكِتٰبِ لَمَنْ يُّؤْمِنُ بِاللّٰهِ وَمَآ اُنْزِلَ اِلَيْكُمْ وَمَآ اُنْزِلَ اِلَيْھِمْ خٰشِعِيْنَ لِلّٰهِ ۙ لَا يَشْتَرُوْنَ بِاٰيٰتِ اللّٰهِ ثَـمَنًا قَلِيْلًا ۭ اُولٰۗىِٕكَ لَھُمْ اَجْرُھُمْ عِنْدَ رَبِّھِمْ ۭ اِنَّ اللّٰهَ سَرِيْعُ الْحِسَابِ ١٩٩؁يٰٓاَيُّھَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اصْبِرُوْا وَصَابِرُوْا وَرَابِطُوْا ۣوَاتَّقُوا اللّٰهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ ٢٠٠؁ۧ﴾
উচ্চারণঃ

(ইন্না ফী খলকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়াখতিলা-ফিল লাইলি ওয়ান্নাহা-রি লাআয়া-তিল্ লিউলিল্ আলবা-ব। আল্লাযীনা ইয়াযকুরূনাল্লাহা কিয়া-মাও ওয়াকু‘উদাঁও ওয়া‘আলা জুনূবিহিম ওয়াইয়াতাফাক্কারূনা ফী খলকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, রববানা মা খালাকতা হাযা বা-তিলান, সুবহানাকা ফাকিনা ‘আযা-বান্ নার। রববানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্ না-রা ফাকাদ আখযাইতাহু, ওয়ামা লিয্যালিমীনা মিন আনসা-র। রববানা ইন্নানা সামি‘না মুনাদিইয়াইয়্যুনা-দী লিলঈমানি আন্ আ-মিনু বিরব্বিকুম ফাআ--মান্না। রব্বানা ফাগফির লানা যুনূবানা ওয়াকাফফির ‘আন্না সায়্যিআ-তিনা ওয়া তাওয়াফ্‌ফানা মা‘আল আবরা-র। রববানা ওয়া আতিনা মা ওয়া‘আদতানা ‘আলা রুসুলিকা ওয়ালা তুখযিনা ইয়াওমাল কিয়া-মাতি, ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী‘আদ। ফাস্তাজাবা লাহুম রববুহুম আন্নী লা উদী‘উ আমালা ‘আমিলিম মিনকুম মিন যাকারিন ওয়া উনসা বা‘দুকুম মিন বা‘দ, ফাল্লাযীনা হা-জারূ ওয়া উখরিজূ মিন দিয়ারিহিম ওয়া ঊ-যূ ফী সাবীলী ওয়া কা-তালু ওয়া কু-তিলু লাউকাফফিরান্না ‘আনহুম সায়্যিআ-তিহিম ওয়ালাউদখিলান্নাহুম জান্না-তিন তাজরী মিন তাহ-তিহাল আনহারু, ছাওয়া-বাম্ মিন ‘ইনদিল্লাহি, ওয়াল্লা-হু ইনদাহু হুসনুছ ছাওয়া-ব। লা ইয়াগুররান্নাকা তাকল্লুবুল্লাযীনা কাফারূ ফিল্ বিলা-দ। মাতা‘উন কালীলুন ছুম্মা মা’ওয়াহুম জাহান্নামু ওয়া বি’সাল মিহা-দ। লা-কিনিল্লাযীনাত্তাকাও রববাহুম লাহুম জান্না-তুন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহারু খা-লিদ্বীনা ফীহা নুযুলাম্ মিন ইনদিল্লাহি ওয়ামা ইনদাল্লাহি খাইরুল লিল্ আবরার। ওয়াইন্না মিন আহলিল কিতাবি লামইয়ূ’মিনু বিল্লাহি ওয়ামা উনযিলা ইলাইকুম ওয়ামা উনযিলা ইলাইহিম খা-শিঈনা লিল্লা-হি লা ইয়াশতারূনা বিআ-য়া-তিল্লাহি ছামানান্ কালীলা। উলা-ইকা লাহুম আজরুহুম ‘ইনদা রববিহিম। ইন্নাল্লাহা সারী‘উল হিসাব। ইয়া আয়্যুহাল্লাযীনা আমানুসবিরূ ওয়াসা-বিরূ ওয়া রা-বিতু ওয়াত্তাকুল্লাহা লা‘আল্লাকুম তুফলিহুন)।

অর্থঃ

নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য। যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহ্‌র স্মরণ করে এবং আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা করে, আর বলে, ‘হে আমাদের রব! আপনি এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি, আপনি অত্যন্ত পবিত্র, অতএব আপনি আমাদেরকে আগুনের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’ ‘হে আমাদের রব! আপনি কাউকেও আগুনে নিক্ষেপ করলে তাকে তো আপনি নিশ্চয়ই হেয় করলেন এবং যালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।’ ‘হে আমাদের রব, আমরা এক আহ্বায়ককে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি, ‘তোমরা তোমাদের রবের উপর ঈমান আন।’ কাজেই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের পাপরাশি ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো দূরীভূত করুন এবং আমাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের সহগামী করে মৃত্যু দিন। ‘হে আমাদের রব! আপনার রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদেরকে যা দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আমাদেরকে দান করুন এবং কেয়ামতের দিন আমাদেরকে হেয় করবেন না। নিশ্চয় আপনি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না।’ তারপর তাদের রব তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের মধ্যে আমলকারী কোনো নর বা নারীর আমল বিফল করি না; তোমরা একে অপরের অংশ। কাজেই যারা হিজরত করেছে, নিজ ঘর থেকে উৎখাত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং যুদ্ধ করেছে ও নিহত হয়েছে আমি তাদের পাপ কাজগুলো অবশ্যই দূর করব এবং অবশ্যই তাদেরকে প্রবেশ করাব জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। এটা আল্লাহ্‌র কাছ থেকে পুরস্কার; আর উত্তম পুরস্কার আল্লাহ্‌রই কাছে রয়েছে। যারা কুফরী করেছে, দেশে দেশে তাদের অবাধ বিচরণ যেন কিছুতেই আপনাকে বিভ্রান্ত না করে। এ তো স্বল্পকালীন ভোগ মাত্র; তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস; আর ওটা কত নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! কিন্তু যারা তাদের রবকে ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এ হচ্ছে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে আতিথেয়তা; আর আল্লাহ্‌র কাছে যা আছে তা সৎকর্মপরায়ণদের জন্য উত্তম। আর নিশ্চয় কিতাবীদের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহ্‌র প্রতি বিনয়াবনত হয়ে তাঁর প্রতি এবং তিনি যা তোমাদের ও তাদের প্রতি নাযিল করেছেন তাতে ঈমান আনে। তারা আল্লাহ্‌র আয়াত তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে না। তারাই, যাদের জন্য আল্লাহ্‌র কাছে পুরস্কার রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ কর, ধৈর্যে প্রতিযোগিতা কর এবং সবসময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাক, আর আল্লাহ্‌র তাকওয়া অবলম্বন কর; যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার”

.

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا اُرْسِلَ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না না‘ঊযুবিকা মিন শাররি মা উরসিলা বিহি।

অর্থঃ

অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট ঐ সকল অনিষ্ট থেকে পানাহ চাচ্ছি, যাকে এ মেঘ বহন করে এনেছে।

.

বৃষ্টি বর্ষণের পর বলবে

۞ مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللهِ وَرَحْمَتِهٖ
উচ্চারণঃ

মুতিরনা বিফাদলিল্লাহি ওয়া রহমাতিহী

অর্থঃ

আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।

.

পিতা-মাতার জন্য দু‘আ

۞ رَبِّ ارْحَـمْـهُـمَـا كَـمَـا رَبَّيَانِيْ صَـغِـيْـرًا
উচ্চারণঃ

রব্বির হাম্‌ হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের উভয়ের (পিতা-মাতার) প্রতি দয়া কর যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।

.

সূরা আল-কাহফ (দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার দু‘আ)

(প্রথম ১০ আয়াত) ১ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَل لَّهُ عِوَجًا ۜ ২ قَيِّمًا لِّيُنذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِّن لَّدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا ৩ مَّاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا ৪ وَيُنذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا ৫ مَّا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ ۚ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا ৬ فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلَىٰ آثَارِهِمْ إِن لَّمْ يُؤْمِنُوا بِهَٰذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا ৭ إِنَّا جَعَلْنَا مَا عَلَى الْأَرْضِ زِينَةً لَّهَا لِنَبْلُوَهُمْ أَيُّهُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ৮ وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا ৯ أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا ১০ إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا (শেষ ১০ আয়াত) ১ الَّذِينَ كَانَتْ أَعْيُنُهُمْ فِي غِطَاءٍ عَن ذِكْرِي وَكَانُوا لَا يَسْتَطِيعُونَ سَمْعًا ২ أَفَحَسِبَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَن يَتَّخِذُوا عِبَادِي مِن دُونِي أَوْلِيَاءَ ۚ إِنَّا أَعْتَدْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَافِرِينَ نُزُلًا ৩ قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُم بِالْأَخْسَرِينَ أَعْمَالًا ৪ الَّذِينَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ يُحْسِنُونَ صُنْعًا ৫ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ وَلِقَائِهِ فَحَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فَلَا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَزْنًا ৬ ذَٰلِكَ جَزَاؤُهُمْ جَهَنَّمُ بِمَا كَفَرُوا وَاتَّخَذُوا آيَاتِي وَرُسُلِي هُزُوًا ৭ إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَانَتْ لَهُمْ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ نُزُلًا ৮ خَالِدِينَ فِيهَا لَا يَبْغُونَ عَنْهَا حِوَلًا ৯ قُل لَّوْ كَانَ الْبَحْرُ مِدَادًا لِّكَلِمَاتِ رَبِّي لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ أَن تَنفَدَ كَلِمَاتُ رَبِّي وَلَوْ جِئْنَا بِمِثْلِهِ مَدَدًا ১০ قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
উচ্চারণঃ

(প্রথম ১০ আয়াত) ১ আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আনযালা ‘আলা ‘আবদিহিল্ কিতা-বা অ লাম্ ইয়াজ্ব‘আল্ লাহূ ‘ইওয়াজ্বা-। ২ ক্বাইয়্যিমাল্ লিয়ুনযিরা বা'সান্ শাদীদাম্ মিল্লাদুনহু অ-য়ুবাশ্ শিরাল্ মুমিনীনাল্লাযীনা ইয়া’মালূনাছ্ ছোয়া-লিহা-তি আন্না লাহুম্ আজ্বরান্ হাসানা-। ৩ মা-কিছীনা ফীহি আবাদা-। ৪ অ-য়ুনযিরাল্লাযিনা ক্ব-লুত্তাখাযাল্লা-হু অলাদা-। ৫ মা-লাহুম্ বিহী মিন্ ‘ইল্মিঁও অলা- লিআ-বা-য়িহিম্; কাবুরত্ কালিমাতান্ তাখরুজু মিন্ আফ্ওয়া-হিহিম্; ইঁইয়াকু লূনা ইল্লা-কাযিবা-। ৬ ফালা‘আল্লাকা বা-খি‘উন্নাফ্সাকা ‘আলা আ-ছা-রিহিম্ ইল্ লাম্ ইয়ুমিনূ বিহা-যাল্ হাদীছি আসাফা-। ৭ ইন্না- জ্বা‘আলনা-মা- ‘আলাল্ র্আদ্বি যীনাতাল্লাহা-লিনাব্লুওয়াহুম্ আইয়্যুহুম্ আহ্সানু ‘আমালা-। ৮ অইন্না-লাজ্বা-‘ইলূনা মা-‘আলাইহা-ছোয়া‘ঈদান্ জুরুযা-। ৯ আম্ হাসিবতা আন্না আছ্হা-বাল্ ক্বহ্ফি অর্রাক্বীমি কা-নূ মিন্ আ-ইয়া-তিনা- ‘আজ্বাবা। ১০ ইয্ আওয়াল্ ফিত্ইয়াতু ইলাল্ কাহ্ফি ফাক্ব-লূ রব্বানা আ-তিনা-মিল্লাদুন্কা রাহমাতাওঁ অহাইয়ি লানা- মিন্ আম্রিনা- রশাদা-। (শেষ ১০ আয়াত) ১ আল্লাযীনা কা-নাত্ ‘আইয়ুনুহুম্ ফী গিত্বোয়া-য়িন্ ‘আন্ যিক্রী অকা-নূ লা- ইয়াস্তাত্বী ‘ঊনা সাম্‘আ-। ২ আফাহাসিবাল্ লাযীনা কাফারূ আইঁ ইয়াত্তাখিযূ ‘ইবা-দী মিন্ দূনী আওলিয়া-য়্; ইন্না ‘আ'তাদ্না-জ্বাহান্নামা লিল্ কা-ফিরীনা নুযুলা-। ৩ কুল্ হাল্ নুনাব্বিয়ুকুম্ বিল্আখ্সারীনা ‘আমা-লা-। ৪ আল্লাযীনা দ্বোয়াল্লা সা’ইয়ুহুম্ ফীল্ হা-ইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া-অ হুম্ ইয়াহ্সাবূনা আন্নাহুম্ ইয়ুহ্সিনূনা ছুন্‘আ-। ৫ উলা-য়িকাল লাযীনা কাফারূ বিআ-ইয়া-তি রব্বিহিম্ অলিক্বা-য়িহী ফাহাবিত্বোত আ’মা-লূহুম্ ফালা-নুক্বীমু লাহুম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি অয্না-। ৬ যা-লিকা জ্বাযা-য়ুহুম্ জ্বাহান্নামু বিমা-কাফারূ অত্তাখাযূ আ-ইয়া-তী অরুসুলী হুযুওয়া-। ৭ ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূ অ‘আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি কা-নাত্ লাহুম্ জ্বান্নাতুল্ ফিরদাউসি নুযুলা-। ৮ খা-লিদীনা ফীহা-লা-ইয়াবগূনা ‘আন্হা-হিওয়ালা-। ৯ কুল্ লাও কা-নাল্ বাহরু মিদা-দাল্ লিকালিমাতি রব্বী লানাফিদাল্ বাহরু ক্বাব্লা আন্ তান্ফাদা কালিমা-তু রব্বী অলাও জ্বিনা-বিমিছ্লিহী মাদাদা-। ১০ কুল্ ইন্নামা আনা-বাশারুম্ মিছ্লুকুম্ ইয়ূহা ইলাইয়্যা আন্নামা ইলা-হুকুম্ ইলাহুঁও ওয়া- হিদুন্ ফামান্ কা-না ইয়ারজু লিক্বা রব্বিহী ফাল্ইয়া’মাল্ ‘আমালান্ ছোয়া-লিহাঁও অলা-ইয়ুশরিকু বি ই’বা-দাতি রব্বিহী আহাদা-।

অর্থঃ

(প্রথম ১০ আয়াত) ১ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি তাঁর বান্দার উপর কিতাব নাযিল করেছেন এবং তাতে রাখেননি কোন বক্রতা । ২ সরলরূপে, যাতে সে তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন আযাব সম্পর্কে সতর্ক করে এবং সুসংবাদ দেয়, সেসব মুমিনকে, যারা সৎকর্ম করে, নিশ্চয় তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান। ৩ তারা তাতে অনন্তকাল অবস্থান করবে। ৪ আর যেন সতর্ক করে তাদেরকে, যারা বলে, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন’। ৫ এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও না। বড় মারাত্মক কথা, যা তাদের মুখ থেকে বের হয়। মিথ্যা ছাড়া তারা কিছুই বলে না! ৬ হয়তো তুমি তাদের পেছনে পেছনে ঘুরে দুঃখে নিজকে শেষ করে দেবে, যদি তারা এই কথার প্রতি ঈমান না আনে। ৭ নিশ্চয় যমীনের উপর যা রয়েছে, তা আমি শোভা করেছি তার জন্য, যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করি যে, কর্মে তাদের মধ্যে কে উত্তম। ৮ আর নিশ্চয় তার উপর যা রয়েছে তাকে আমি উদ্ভিদহীন শুষ্ক মাটিতে পরিণত করব। ৯ তুমি কি মনে করেছ যে, গুহা ও রাকীমের অধিবাসীরা ছিল আমার আয়াতসমূহের এক বিস্ময়? ১০ যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নিল অতঃপর বলল, ‘হে আমদের রব, আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দিন এবং আমাদের জন্য আমাদের কর্মকাণ্ড সঠিক করে দিন’। (শেষ ১০ আয়াত) ১ আমার স্মরণ থেকে যাদের চোখ ছিল আবরণে ঢাকা এবং যারা শুনতেও ছিল অক্ষম। ২ যারা কুফরী করছে, তারা কি মনে করেছে যে, তারা আমার পরিবর্তে আমার বান্দাদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে? নিশ্চয় আমি জাহান্নামকে কাফিরদের আপ্যায়নের জন্য প্রস্তুত করছি। ৩ বল, ‘আমি কি তোমাদেরকে এমন লোকদের কথা জানাব, যারা আমলের দিক থেকে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত’? ৪ দুনিয়ার জীবনে যাদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে, অথচ তারা মনে করছে যে, তারা ভাল কাজই করছে’! ৫ ‘তারাই সেসব লোক, যারা তাদের রবের আয়াতসমূহ এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতকে অস্বীকার করেছে। ফলে তাদের সকল আমল নিষ্ফল হয়ে গেছে। সুতরাং আমি তাদের জন্য কিয়ামতের দিন কোন ওজনের ব্যবস্থা রাখব না’। ৬ ‘এ জন্যই তাদের প্রতিফল জাহান্নাম। কারণ তারা কুফরী করেছে এবং আমার আয়াতসমূহ ও আমার রাসূলগণকে বিদ্রুপের বিষয় বানিয়েছে’। ৭ নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তাদের মেহমানদারির জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদাউস। ৮ সেখানে তারা স্থায়ী হবে। তারা সেখান থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হতে চাইবে না। ৯ বল, ‘আমার রবের কথা লেখার জন্য সমুদ্র যদি কালি হয়ে যায় তবে সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যাবে আমার রবের কথা শেষ হওয়ার আগেই। যদিও এর সাহায্যার্থে অনুরূপ আরো সমুদ্র নিয়ে আসি’। ১০ বল, ‘আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ। আমার নিকট ওহী প্রেরণ করা হয় যে, তোমাদের ইলাহই এক ইলাহ। সুতরাং যে তার রবের সাক্ষাৎ কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম করে এবং তার রবের ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে’।

.

মজলিসের কাফফারার দু‘আ

۞ سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী সুবহানাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লা- আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমরা আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং প্রশংসা ব্যক্ত করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া অন্য কোন মা‘বুদ নেই, আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং আপনার দিকেই ধাবিত হচ্ছি।

.

সন্তানের সংশোধনের জন্য দু’আ

رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَىٰ وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَ اَصْـلِـحْ لِـىْ فِـي ذُرِّيَّـتِـىْ ج اِنِّـىْ تُـبْـتُ اِلَـيْـكَ وَاِنِّـىْ مِـنَ الْـمُـسْـلِـمِـيْـنَ
উচ্চারণঃ

রাব্বি আওঝি‘নীআন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতীআন‘আমতা ‘আলাইইয়া ওয়া ‘আলা-ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া আন আ‘মালা সা-লিহান তারদা-হু ওয়া আছলিহ্ লী ফী যুররিয়্যাতি; ইন্নী তুব্‌তু ইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল্ মুসলিমীন।

অর্থঃ

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার জন্য আমার সন্তানদের সৎকর্মপরায়ণ করে দিন; আমি অবশ্যই আপনার নিকট তওবা করছি এবং নিশ্চয়ই আমি অনুগত বান্দাদের একজন।

.

মুমিনদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা

۞  رَبَّـنَـا  اغْـفِـرْلِـىْ  وَلِـوَالِـدَىَّ  وَلِـلْـمُـؤْمِـنِـيْـنَ  يَـوْمَ  يَـقُـوْمُ  الْـحِـسَـابُ
উচ্চারণঃ

রাব্বানাগ্ ফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল্ মু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল্ হিসাব্।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! যে দিন হিসাব অনুষ্ঠিত হবে সেই দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মু’মিনগণকে ক্ষমা করো।

.

উযূর পর পড়ার দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي ْ ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِـيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মাগফিরলি- যাম্বি- ওয়া ওয়াসসি’লি ফি দা-রি ওয়া বা-রিকলি ফি রিযকি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার গুনাহ মাফ করে দিন। আমার ঘর প্রশস্ত করে দিন। আমার রিযিক বৃদ্ধি করে দিন।

১০.

দ্বীনের উপর অবিচল থাকার দু‘আ

۞ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلٰى دِيْنِكَ
উচ্চারণঃ

ইয়া মুকাল্লিবাল ক্বুলূ-ব, ছাব্বিত ক্বলবী আ’লা দ্বী-নিকা

অর্থঃ

হে অন্তরের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তুমি তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ।

১১.

কুরআনে বর্ণিত রব্বানা দু‘আ-৮

۞ رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيْهِ ۚ إِنَّ اللهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيْعَادَ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ইন্নাকা জা-মি‘উন্না-ছি লিইয়াওমিল্লা-রাইবা ফীহি ইন্নাল্লা-হা লা-ইউখলিফুল মী‘আদ।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি সমস্ত মানুষকে এমন একদিন একত্র করবে, যে দিনের আগমনে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াদার বিপরীত করেন না।

১২.

কুরআনে বর্ণিত জ্ঞাণ বৃদ্ধির দু‘আ-২০

۞ رَبِّ زِدْنِـىْ عِـلْـمًـا
উচ্চারণঃ

রাব্বি জিদনি ইলমা।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।

১৩.

ক্বওমার দু‘আ-৩

۞ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণঃ

হামদান্ কাছী-রান্ তাইয়্যিবান মুবা-রাকান ফি-হি।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্য অগণিত প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতময়।

১৪.

মুনাজাত শুরু করার নিয়ম দু‘আ ও মুনাজাত হামদ ও সালাতের মাধ্যমে শুরু করা সুন্নাত। যেমন এভাবেও শুরু করা যেতে পারে-

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ربِّ الْعَالَمِيْنَ، وَالصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلَى سَيِّدِ الْمُرْسَلِيْنَ
উচ্চারণঃ

আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ‘লা সায়্যিদিল মুরসালিন।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ আল্লাহ তা‘আলার জন্য, যিনি সমগ্র জাহানের প্রতিপালক এবং দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক সাইয়্যিদুল মুরসালীন প্রিয় নবী (ﷺ) এর উপর।

১৫.

যে ব্যক্তি ঘুমে ভয় পায় সে এই দু‘আ পড়বে

‏۞ أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهٖ وَعِقَابِهٖ وَشَرِّ عِبَادِهٖ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ وَأَنْ يَحْضُرُوْنِ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযু বিকালিমা তিল্লা হিত্তাম্মাতি মিন গযাবিহি ওয়া ‘ইক্বা বিহি ওয়া শাররি ‘ইবা দিহি ওয়া মিন হামাযাতিশ শায়া ত্বীনি ওয়া আনইয়াহ যুরূন।

অর্থঃ

আমি আল্লাহ তা‘আলার পূর্ণ বাক্যসমূহ দ্বারা তাঁর ক্রোধ, শাস্তি এবং তাঁর বান্দাদের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও তার উপস্থিতি হতে পানাহ চাচ্ছি।

১৬.

বাসিন্দাদের জন্য সফরকারীদের দু‘আ

۞ أَسْتَوْدِعُكَ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ ۞ أَسْتَوْدِعُكِ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ ۞ أَسْتَوْدِعُكُمُ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ
উচ্চারণঃ

একজন পুরুষের জন্য, উচ্চারণ: আসতাওদিউকাল্লাহাল্লাজি লা তাদিয়ু ওয়া দা-ই-য়ুহ। একজন মহিলার জন্য, উচ্চারণ: আসতাওদিউকিল্লাহাল্লাজি লা তাদিয়ু ওয়া দা-ই-য়ুহ। গোষ্ঠীর লোকেদের জন্য, উচ্চারণ: আসতাওদিউকুমুল্লাহাল্লাজি লা তাদিয়ু ওয়া দা-ই-য়ুহ

অর্থঃ

আল্লাহর উপর ভরসা করে তোমাদেরকে রাখলাম। যার উপর ভরসা করলে কখনো বিফলে যাবে না।

১৭.

অনুগত নেক সন্তান প্রার্থনা-১

۞ رَبِّ ه‍ََبۡ لِیۡ مِنۡ لَّدُنۡكَ ذُرِّیَّۃً طَیِّبَۃً اِنَّكَ سَمِیۡعُ الدُّعَآءِ
উচ্চারণঃ

রব্বি হাবলী মিন লাদুনকা যুররিয়্যাতান তইয়্যিবাতান ইন্নাকা সামীউদ দু‘আ

অর্থঃ

হে রব! আমাকে তুমি তোমার নিকট হতে নেক বংশধর দান কর। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী।

১৮.

স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের জন্য দু‘আ

۞ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّا تِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ إِمَاماً
উচ্চারণঃ

রাব্বানা হাব্ লানা মিন্ আয্ওয়াজ্বিনা ওয়া যুররিইয়্যাতিনা ক্বুরওয়াতা আ’ইউনিওঁ ওয়াজ্ব’আলঅনা লিল্ মুত্তাক্বিনা ইমামা।

অর্থঃ

হে আমাদের রব! তুমি আমাদেরকে এমন স্ত্রী-সন্তান দান কর যাদের দর্শনে আমাদের চক্ষুশীতল হয়ে যাবে। তুমি আমাদেরকে পরহেযগার লোকদের ইমাম (অভিভাবক) বানিয়ে দাও।

১৯.

শত্রু থেকে হেফাজতের দু’আ

اَللّٰهُمَّ وَاقِيَةً كَوَاقِيَةِ الْوَلِيْدِ
উচ্চারণঃ

আল্লাাহুম্মা ওয়াা ক্বিয়াতান কা ওয়াা ক্বিয়াতিল ওয়ালীদ

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নবজাতককে হেফাজত করার মত (আমাদেরকে) হেফাজত করো।

২০.

দু‘আ-১০২

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَاهْدِنِيْ، وَارْزُقْنِيْ وَعَافِنِيْ، وَاهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيْهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে মাফ করুন, আমাকে হেদায়েত দিন, আমাকে রিযিক দিন, আমাকে আফিয়াত (সুস্থতা ও নিরাপত্তা) দিন এবং যে সত্যের বিষয়ে মতভেদ করা হয়, তাতে আমাকে আপনার দয়ায় সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।১০১