আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা সিহহাতান ফী ঈমানিন, ওয়া ঈমানান ফী হুসনি খুলুকিন, ওয়া নাজাহান তুত্ববি‘উহু ফালাহান, ওয়া রহমাতাম মিনকা ওয়া ‘আফিয়াতান, ওয়া মাগফিরাতাম মিনকা ওয়া রিদওয়ানান।
হে আল্লাহ্! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি ঈমানের সাথে সুস্বাস্থ্য এবং প্রার্থনা করছি সদাচরণের সাথে ঈমান। আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছার সাফল্য, যার পেছনে থাকবে পারলৌকিক সাফল্য, আর প্রার্থনা করছি তোমার রহমত, নিরাময় ও মাগফিরাত এবং তোমার সন্তুষ্টি।
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বি ফাদলিকা আম্মান সিওয়াক
হে আল্লাহ! তুমি তোমার হারাম থেকে বাঁচিয়ে তোমার হালাল রিযিক দ্বারা আমাকে পরিতুষ্ট করে দাও। (হালাল রুজিই যেন আমার জন্য যথেষ্ট হয়) এবং তোমার অনুগ্রহে ছাড়া অন্য সবকিছু থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে দাও।
ফাসুব হা-নাল্লা-হি হীনা তুম সু-না ওয়া হী-না তুছ্ব বিহূ-ন্। ওয়ালাহুল হামদু ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি ওয়া‘আশিয়্যাও ওয়া হীনা তুজ-হিরুন। ইয়ুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল্ মাইয়্যিতি ওয়া ইয়ুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যি ওয়া ইয়ুহইল আরদ্বা বা’দা মাওতিহা- ওয়া কাযা-লিকা তুখরজুন।
আল্লাহর তাসবীহতে লিপ্ত থাক যখন তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হও এবং যখন তোমরা ভোরের সম্মুখীন হও। এবং তারই প্রশংসা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে, এবং বিকাল বেলায় (তার তাসবীহতে লিপ্ত হও) এবং জুহরের সময়ও। তিনি প্রাণহীন থেকে প্রাণবানকে বের করে আনেন এবং প্রাণবান থেকে প্রাণহীনকে বের করে আনেন। আর তিনি ভূমিকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন। এভাবেই তোমাদেরকে (কবর থেকে) বের করা হবে।
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, ‘আজিলিহী ওয়া আজিলিহী, মা ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ‘লাম।
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সকল কল্যাণ প্রার্থনা করছি—তাৎক্ষণিক ও পরবর্তী সকল কল্যাণ, যা আমি জানি এবং যা আমি জানি না।
আল্লাহুম্মা আসলিহ লী দীনিয়াল্লাযী হুয়া ‘ইসমাতু আমরী, ওয়া আসলিহ লী দুনইয়ায়াল্লাতী ফীহা মা‘আশী, ওয়া আসলিহ লী আখিরাতিয়াল্লাতী ফীহা মা‘আদী, ওয়াজ‘আলিল হায়াতা যিয়াদাতাল লী ফী কুল্লি খাইরিন, ওয়াজ‘আলিল মাওতা রাহাতাল লী মিন কুল্লি শাররিন।
হে আল্লাহ! আমার দীনকে সংশোধন করে দিন, যা আমার সকল কাজের সুরক্ষাকবচ। আমার দুনিয়াকে সংশোধন করে দিন, যেখানে আমার জীবিকা রয়েছে। আমার আখিরাতকে সংশোধন করে দিন, যেখানে আমাকে ফিরে যেতে হবে। আমার জীবনকে প্রতিটি কল্যাণ বৃদ্ধির মাধ্যম বানিয়ে দিন এবং মৃত্যুকে আমার জন্য সকল অনিষ্ট থেকে মুক্তির আরামের মাধ্যম বানিয়ে দিন।
আসআলুকা বিনূরি ওয়াজহিকাল্লাযী আশরাকাত লাহুস সামাওয়াতু ওয়াল আরদু, ওয়া বিকুল্লি হাক্কিন হুয়া লাকা, ওয়া বিহাক্কিস সা-ইলীনা ‘আলাইকা আন তুকীলানী ওয়া আন তুজীরানী মিনান নারি বিকুদরাতিক।
আমি আপনার সেই সত্তার নূরের উসিলায় প্রার্থনা করছি, যার দ্বারা আসমানসমূহ ও জমিন আলোকিত হয়েছে। আপনার জন্য নির্ধারিত প্রতিটি হকের উসিলায় এবং আপনার কাছে প্রার্থনাকারীদের হকের উসিলায় প্রার্থনা করছি, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আপনার কুদরতে জাহান্নামের আগুন থেকে আমাকে মুক্তি দিন।
আল্লাহুম্মা হাব্বিব ইলাইনাল ঈমান, ওয়া ঝাইয়িনহূ ফী কুলূবিনা, ওয়া কাররিহ ইলাইনাল কুফরা ওয়ালফুছূকা ওয়াল ‘ইসইয়া-ন, ওয়াজ‘আলনা মিনার রাশিদীন।
হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরে ঈমানের ভালোবাসা সঞ্চার করুন এবং আমাদের অন্তরে তা (ঈমান) আকর্ষণীয় করুন। আর কুফর, গুনাহ ও অবাধ্যতাকে আমাদের অন্তরে ঘৃণ্য বানিয়ে দিন এবং আমাদেরকে সঠিক পথপ্রাপ্তদের অন্তরভুক্ত করুন।
ইয়া রব্বি! ইয়া রব্বি! ইয়া রব্বি! আল্লাহুম্মা ইয়া কাবীরু! ইয়া সামী'উ! ইয়া বাসীরু! ইয়া মাল্লা- শারীকা লাহু ওয়া লা- ওয়াযীরা লাহ্! ওয়া ইয়া খ-লিক্বাশ শামসি ওয়াল ক্বমারিল মুনীর! ওয়া ইয়া 'ইছ্মাতাল বা-ইছিল খ-ইফিল মুস্তাজীর! ওয়া ইয়া র-যিক্বাত ত্বিফলিছ ছগীর! ওয়া ইয়া জা-বিরাল 'আযমিল কাসীর! আদ'ঊকা দু'আ-আল বা-ইছিল ফাক্বীরি কাদু'আ-ইল মুদ্বত্বররিদ দ্বরীর, আসআলুকা বিমা'আ-ক্বিদিল 'ইযযি মিন 'আরশিকা ওয়া বিমাফা-তীহির রহমাতি মিন কিতা-বিকা আন তাজ'আলাল ক্বুরআ-না রবী'আ ক্বলবী ওয়া জিলা-আ হুযনী।
হে আমার প্রতিপালক! হে আমার প্রতিপালক! হে আমার রব! হে আল্লাহ! হে সুমহান! হে সর্বশ্রোতা! হে সর্বদ্রষ্টা! হে সেই সত্তা! যাঁর কোনো শরীক নেই এবং যাঁর কোনো পরামর্শদাতা নেই! হে সূর্য ও আলোকময় চাঁদের স্রষ্টা! হে নিরূপায়, ভীত ও আশ্রয়প্রার্থী মানুষের একমাত্র আশ্রয়! হে ছোট শিশুর রিযিকদাতা! হে ভগ্ন হাড়ে জোড়াদানকারী! আমি আপনার কাছে একজন নিস্ব ও অভাবী মানুষের মতো আকুল আবেদন করছি; একজন চরম সংকটাপন্ন ও অসহায় মানুষের মতো ডাকছি। আমি আপনার আরশের মহিমান্বিত গৌরবময় গ্রন্থিসমূহের উসিলায় এবং আপনার কিতাবের রহমতের চাবিকাঠিগুলোর উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, আপনি কুরআনকে আমার হৃদয়ের বসন্ত এবং দুঃখ-কষ্ট দূরীকরণের মাধ্যম বানিয়ে দিন।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুলহামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসা কেবল তাঁর জন্যই। তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
র দ্বী-তু বিল্লাহি রব্বান অবিল ইসলামি দ্বীনান ও বি মুহাম্মাদীন নাবিয়্যা
আমি সন্তুষ্ট আল্লাহ তা‘আলাকে রব হিসেবে, ইসলামকে দীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবী হিসেবে মেনে নিয়ে।
আইয়াওয়াদ্দুআহাদুকুম আন তাকূনা লাহু জান্নাতুম মিন নাখীলিওঁ ওয়া আ‘না-বিন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু লাহু ফীহা-মিন কুল্লিছছামারা-তি ওয়া আসা-বাহুল কিবারু ওয়ালাহু যুররিইইয়াতুন দু‘আফাউ ফাআসা-বাহা ই‘সা-রুন ফীহি না-রুন ফাহতারাকাত কাযা-লিকা ইউবাইয়িনুল্লা-হু লাকুমুল আ-য়া-তি ল‘আল্লাকুম তাতাফাক্কারূন।
তোমাদের মধ্যে কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার খেজুর ও আঙ্গুরের একটা বাগান থাকবে, যার পাদদেশ দিয়ে নদী-নালা প্রবাহিত থাকবে (এবং) তা থেকে আরও বিভিন্ন রকমের ফল তার অর্জিত হবে, অতঃপর সে বার্ধক্য-কবলিত হবে আর তার থাকবে দুর্বল সন্তান-সন্ততি, এ অবস্থায় অকস্মাৎ এক অগ্নিক্ষরা ঝড় এসে সে বাগানে আঘাত হানবে, ফলে গোটা বাগান ভস্মিভূত হয়ে যাবে? ২০৪ এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় আয়াতসমূহ পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা কর।
লাকাদ ছামি‘আল্লা-হু কাওলাল্লাযীনা কালূইন্নাল্লা-হা ফাকীরুওঁ ওয়ানাহনু আগনিয়াউ । ছানাকতুবুমা-কা-লূওয়া কাতলাহুমুল আম্বিয়াআ বিগাইরি হাক্কিওঁ ওয়া নাকূলুযূকূ‘আযা-বাল হারীক।
যারা বলে, ‘আল্লাহ্ অবশ্যই অভাবগ্রস্ত আর আমরা অভাবমুক্ত’, তাদের কথা আল্লাহ্ শুনেছেন। তারা যা বলেছে তা আর নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করার বিষয় আমি লিখে রাখব এবং বলিব, ‘তোমরা দহন-যন্ত্রণা ভোগ কর।’
জামে দু‘আ, নবীজী ﷺ এর শেখানো দু‘আগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দু‘আগুলোর নাম জামে দু‘আ। এই দু‘আগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্প কথায় আল্লাহর নিকট অনেক বেশি চাওয়া হয়ে যায়। এজন্যে নবীজী ﷺ এই দু‘আগুলো বেশি পরিমাণে পাঠ করতেন। সালাফে সালেহীনও এই দু‘আগুলোর গুরুত্ব দিতেন। মুসলমানদের উচিত, এই দু‘আগুলো মুখস্থ করে রাখা এবং সময়ে সময়ে এই দু‘আগুলো পাঠ করা। বিশেষ করে মুনাজাতে এই দু‘আগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর নিকট চাওয়া।
শরীয়তের দৃষ্টিতে পবিত্রতা হলো, হাদাস (অযু/গোসল ছাড়া যে অপবিত্রতা থাকে) দূর করা এবং নাজাসাত (দৃষ্ট নাপাকি) অপসারণ করা। নাপাক বলা হয় তাকে, যা শরীয়ত মতে অপবিত্র সাব্যস্ত, এবং যার উপস্থিতিতে নামাজ সহিহ হয় না, যতক্ষণ না তা শরঈ পদ্ধতিতে দূর করা হয়।
দু'আর বিষয়সমূহ
40টি বিষয় পাওয়া গেছে