দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-১৮৫

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ وَسَاوِسَ قَلْبِيْ خَشْيَتَكَ وَذِكْرَكَ، وَاجْعَلْ هِمَّتِيْ وَهَوَايَ فِيْمَا تُحِبُّ وَتَرْضٰى. اَللّٰهُمَّ وَمَا ابْتَلَيْتَنِيْ بِه مِنْ رَّخَآءٍ وَّشِدَّةٍ فَمَسِّكْنِيْ بِسُنَّةِ الْحَقِّ وَشَرِيْعَةِ الْإِسْلَامِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ্'আল অসা-উইসা ক্বলবী খশইয়াতাকা ওয়া যিক্রকা, ওয়াজ্'আল হিম্মাতী ওয়া হাওয়া-ইয়া ফীমা- তুহিব্বু ওয়া তারদ্বা-। আল্লাহুম্মা ওয়া মাব্তালাইতানী বিহী মির্ রখ-ইঁও ওয়া শিন্দ্দাতিন ফামাস্সিক্নী বিসুন্নাতিল হাক্বকি ওয়া শারী'আতিল ইসলাম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরের ওয়াসওয়াসা (কুবুদ্ধি ও কুচিন্তা)-গুলোকে আপনার ভয় এবং আপনার যিকিরে রূপান্তরিত করে দিন। আর আমার সমস্ত আকাঙ্ক্ষা, সংকল্পকে সেই বিষয়ের অনুগামী করে দিন যা আপনি ভালোবাসেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আরাম-আয়েশ (স্বাচ্ছন্দ্য) কিংবা দুঃখ-কষ্ট যার মাধ্যমেই পরীক্ষায় ফেলুন না কেন; আমাকে সর্বদা সত্যের পথে এবং ইসলামী শরীয়তের ওপর অটল অবিচল রাখুন।

২.

মসজিদে প্রবেশের দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَا ةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ اَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালাতু ওয়াস্‌সালামু’ আলা রাসূলিল্লাহ্‌ আল্লাহুম্মাফ্‌তাহলি আবওয়াবা রাহমাতিকা।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে (প্রবেশ করছি।) আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দিন।

৩.

সানা

۞ سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়াতাবারাকাস্‌মুকা, ওয়াতা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

৪.

ক্বওমার দু‘আ-১

۞ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهْ
উচ্চারণঃ

সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ।

অর্থঃ

আল্লাহ তার কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে।

৫.

ক্বওমার দু‘আ-২

۞ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدْ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লাকাল হামদ্।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা।

৬.

দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগ্‌ফিরলি ওয়ারহাম্‌নি ওয়াজ্‌বুরনি ওয়াহ্‌দিনি ওয়া ‘আ-ফিনি ওয়ার্‌যুক্বনি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার উপর রহম করুন, আমার অবস্থার সংশোধন করুন, আমাকে সৎপথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন ও আমাকে রিযিক দান করুন।

৭.

নামাযের মধ্যে ওয়াসওয়াসা বন্ধের যিকির

۞ أَعُوْذُ بِا للہِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রজীম।

অর্থঃ

আমি অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

৮.

মুনাজাতের মধ্যে দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফি‘আ, ওয়া রিযক্বান ত্বইয়িবা, ওয়া আ‘মালান-মুতাক্বাব্বালা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট উপকারী ইলম, উত্তম রিযক, ও মাকবূল (কবূল হওয়ার মত) আমলের তাওফিক চাই।

৯.

মুনাজাতের মধ্যে দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ حَـاسِـبْـنِـىْ حِـسَـابًا يَّـسِـيْـرًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীরা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার হিসাবকে সহজ করে দিও।

১০.

উযূর শুরুতে পড়ার দু‘আ-২

۞ بِسْمِ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি এবং প্রশংসা সবই কেবল তারই জন্যে।

১১.

উযূর পর পড়ার দু‘আ-৩

۞ سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّاۤ إِلٰهَ إِ لَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানা কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়াআতূবু ইলাইকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি।

১২.

দরূদ

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اۤلِ مُحَمَّدٍ ،كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اۤلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اۤلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اۤلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা ‘আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইব্‌রাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ, আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাক্‌তা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি রহমত বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ (ﷺ) ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপর, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহিম (আ.) ও ইবরাহিমের পরিবারের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! আপনি বরকত নাযিল করুন মুহাম্মাদ (ﷺ) ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপর, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহিম (আ.) ও ইবরাহিমের পরিবারের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত।

১৩.

দু‘আ-ই কুনুত

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ، اَللّٰهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা ,ওয়া নাসতাগ্‌ফিরুকা,ওয়া নু’মিনুবিকা, ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইক, ওয়ানুসনি আলাইকাল খাইর, ওয়া নাশকুরুকা , ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ ওয়া নাতরুকু, মাই ইয়াফ জুরুকা, আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা’বুদু, ওয়ালাকানুছল্লি, ওয়া নাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাসআ, ওয়া নাহফিদু, ওয়া নারজু রহমাতাকা, ওয়া নাখশা আযাবাকা, ইন্না আযাবাকা বিলকুফ্‌ফারি মুলহিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমরা আপনারই সাহায্যপ্রার্থী এবং একমাত্র আপনার কাছেই ক্ষমাপ্রার্থী। আপনার উপর আমরা ঈমান এনেছি এবং আপনার উপরই ভরসা করি, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার শোকর আদায় করি, আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞ হই না, যারা আপনার নাফরমানী করে, তাদেরকে পরিত্যাগ করি এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করি। হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদাত করি, আপনার জন্যই নামায পড়ি এবং আপনার জন্যই সিজদা করি, আপনার দিকেই ধাবিত হই, আপনার হুকুম পালনের জন্যই প্রস্তুত থাকি, আপনার দয়ার আশা করি, এবং আমরা আপনার আযাবকে ভয় করি। নিশ্চাই আপনার প্রকৃত আযাব কাফেরদের উপর পতিত হবে।

১৪.

সালাতুল হাজত

বিশেষ কোন হালাল চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে আল্লাহ’র জন্য দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে সালাতুল হাজত বলা হয়।(সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ১৩৮৪) সংগত কোন প্রয়োজন পূরণের জন্য বান্দা নিজ প্রভুর নিকটে ছবর ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করবে। (সূরা বাকারাহ, আয়াত নং: ১৫৩) আল্লাহর নিকট বান্দার বিশেষ কোন প্রয়োজন হলে কিংবা শারীরিক মানসিক যে কোন পেরেশানি দেখা দিলে উত্তমভাবে উযূ করে দুই রাকাত নফল নামায পড়বে। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও ছানা (প্রশংসা) এবং দরূদ শরীফ পাঠ করে আল্লাহর নিকট দু‘আ করবে। ۞ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ الْحَلِيْمُ الْكَرِيْمُ، سُبْحَانَ اللّٰهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، أَسْأَلُكَ مُوْجِبَاتِ رَحْمَتِكَ، وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ، وَالْغَنِيْمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ، وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ، لَاۤ تَدَعْ لِي ْذَنْبًا إِلَّا غَفَرْتَهٗ ، وَ لَاۤ هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهٗ، وَلَاۤ حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلَّا قَضَيْتَهَا يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারীম। সুবহানাল্লাহি রব্বিল আরশিল আযীম। আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন। আছআলুকা মু’জিবাতি রহমাতিকা ওয়া আযা-ইমা মাগফিরাতিকা ওয়াল গ’নিমাতা মিন কুল্লি বিররিউ ওয়াস সালামাতা মিন কুল্লি ইছমিন, লা তাদা’লি- যাম্বান ইল্লা গাফারতাহু ওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়ালা হাজাতান হিয়া লাকা রিজান ইল্লা কদাইতাহা ইয়া আর হামার রাহিমীন।

অর্থঃ

পরম সহনশীল ও দয়ালু আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। মহান আরশের রব আল্লাহ অতীব পবিত্র। সমগ্র বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ্‌র জন্যই যাবতীয় প্রশংসা। হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট অবধারিত রহমত, তোমার অফুরন্ত ক্ষমা, সকল সদাচারের ভান্ডার এবং প্রতিটি পাপাচার থেকে নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। আমি তোমার নিকট আরো প্রার্থনা করি যে, তুমি আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দাও, আমার দুশ্চিন্তা দূর করে দাও, তোমার সন্তুষ্টিমূলক প্রতিটি প্রয়োজন পূরণ করে দাও।

১৫.

মুসাফাহা করার দু‘আ

۞ يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَ لَكُمْ
উচ্চারণঃ

ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়া লাকুম।

অর্থঃ

আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকেও ক্ষমা করুন এবং আপনাদেরকেও ক্ষমা করুন।

১৬.

কাউকে বিদায় দেয়ার সময় পড়বে

۞ اَسْتَوْدِعُ اللهَ دِيْنَكُمْ وَاَمَانَتَكُمْ وَخَوَاتِيْمَ اَعْمَالِكُمْ
উচ্চারণঃ

আস্তাউদি‘উল্লাহা দ্বীনাকুম, ওয়া আমানাতাকুম ওয়া খওয়াতীমা আ’মালিকুম।

অর্থঃ

তোমাদের দ্বীন ও ঈমানকে এবং তোমাদের আমানতদারীকে এবং তোমাদের ঈমানের উপর মৃত্যু আল্লাহ তা’আলার হাতে সোপর্দ করছি।

১৭.

বৃষ্টি হওয়ার সময় এই দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা ছইয়্যিবান নাফি‘আন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! (এ বৃষ্টিকে) কল্যাণকর, বরকতপূর্ণ এবং উপকারী বানিয়ে দিন।

১৮.

কিয়ামতের দিনের আযাব থেকে মুক্তির দু‘আ

اَللّٰهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা কিনী আযাবাকা ইয়াওমা তাব‘আছু ‘ইবাদাক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! যেদিন আপনি আপনার বান্দাদের পুনরুত্থিত করবেন, সেদিন আমাকে আপনার আযাব থেকে রক্ষা করুন।

১৯.

দু‘আ-১৯৩

اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ خَلَّاقٌ عَظِيْمٌ، إِنَّكَ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ، إِنَّكَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ، إِنَّكَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ. اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ أَنْتَ الْبَرُّ الْجَوَادُ الْكَرِيْمُ، فَاغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ، وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ، وَاسْتُرْنِيْ وَاجْبُرْنِيْ، وَارْفَعْنِيْ، وَاهْدِنِيْ وَلَا تُضِلَّنِيْ، وَأَدْخِلْنِيَ الْجَنَّةَ بِرَحْمَتِكَ يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ. إِلَيْكَ رَبِّ فَحَبِّبْنِيْ، وَفِيْ نَفْسِيْ لَكَ فَذَلِّلْنِيْ، وَفِۤيْ أَعْيُنِ النَّاسِ فَعَظِّمْنِيْ، وَمِنْ سَيِّئِ الْأَخْلَاقِ فَجَنِّبْنِىْ. اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ سَأَلْتَنَا مِنْ أَنْفُسِنَا مَا لَا نَمْلِكُهٗۤ إِلَّا بِكَ، فَأَعْطِنَا مِنْهَا مَا يُرْضِيْكَ عَنَّا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা খল্লা-ক্বুন 'আযীম, ইন্নাকা সামী'উন 'আলীম, ইন্নাকা গফূরুর রহীম, ইন্নাকা রব্বুল 'আরশিল 'আযীম। আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আন্তাল বাররুল জাওয়া-দুল কারীম, ফাগফিরলী ওয়ারহাম্নী, ওয়া 'আ-ফিনী ওয়ারযুক্বনী, ওয়াস্তুরনী ওয়াজবুরনী, ওয়ারফা'নী, ওয়াহ্দিনী ওয়া লা- তুদ্বিল্লানী, ওয়া আদখিলনিয়াল জান্নাতা বিরাহমাতিকা ইয়া- আরহামার র-হিমীন। ইলাইকা রব্বি ফাহাব্বিবনী, ওয়া ফী নাফ্সী লাকা ফাযাল্লিলনী, ওয়া ফী আ'ইউনিন-না-সি ফাআ'যযিম্নী, ওয়া মিন সাইয়্যিইল আখলা-ক্বি ফাজান্নিবনী। আল্লাহুম্মা ইন্নাকা সাআলতানা- মিন আন্ফুসিনা- মা- লা- নামলিকুহু ইল্লা- বিকা, ফাআ'ত্বিনা- মিনহা- মা- ইয়ুরদ্বীকা 'আন্না-।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি মহান স্রষ্টা, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী, নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু এবং নিশ্চয়ই আপনি মহান আরশের প্রতিপালক। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি পরম পুণ্যবান, মহান দাতা ও দয়াশীল; সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন, আমাকে রিযিক দিন, আমার দোষত্রুটি গোপন রাখুন, আমার ক্ষতি পূরণ করে দিন, আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, আমাকে হেদায়েত দিন, পথভ্রষ্ট করবেন না এবং আপনার রহমতের উসিলায় আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু! হে আমার প্রতিপালক! আপনার কাছে আমাকে প্রিয় বানিয়ে দিন, আমার নিজের কাছে আমাকে বিনয়ী ও ছোট রাখুন, আর মানুষের চোখে আমাকে সম্মানিত ও মহান করে দিন এবং আমাকে অসৎ ও মন্দ চরিত্র থেকে দূরে রাখুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের কাছে ঐ সব আমল চেয়েছেন, যার কোনো সাধ্য আমাদের নেই আপনার তাওফীক ছাড়া। সুতরাং আপনিই আমাদেরকে ঐ সকল কাজের তাওফীক দিন, যা আমাদের প্রতি আপনাকে সন্তুষ্ট করবে।

২০.

ভীত অবস্থায় বলবে

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।