দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দুর্বলতা দূর, সম্মান ও হালাল রিজিক লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ضَعِيْفٌ فَقَوِّ فِيْ رِضَاكَ ضُعْفِيْ ، وَخُذْ إِلَى الْخَيْرِ بِنَاصِيَتِىْ، وَاجْعَلِ الْإِسْلَامَ مُنْتَهٰى رِضَآئِـيْ، وَإِنِّيْ ذَلِيْلٌ فَأَعِزَّنِىْ، وَإِنِّيْ فَقِيْرٌ فَارْزُقْنِيْ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী দাঈফুন, ফাকাওয়ি ফী রিদাকা দু‘ফী, ওয়া খুয ইলাল খাইরি বিনাসিয়াতী, ওয়াজ‘আলিল ইসলামা মুনতাহা রিদা-ঈ, ওয়া ইন্নী যালীলুন ফা-আ‘ইযনী, ওয়া ইন্নী ফাকীরুন ফারযুকনী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি দুর্বল, তাই আপনার সন্তুষ্টি অর্জনের পথে আমার দুর্বলতাকে শক্তিতে পরিণত করুন। আমার অগ্রভাগ ধরে আমাকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করুন। ইসলামকে আমার সন্তুষ্টির চূড়ান্ত লক্ষ্য বানিয়ে দিন। আমি অপমানিত ও অসহায়, তাই আমাকে সম্মানিত করুন। আমি অভাবগ্রস্ত, তাই আমাকে রিজিক দান করুন।

২.

দু‘আ-১৩৩

اَللّٰهُمَّ أَرْضِنِيْ بِقَضَآئِكَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْ مَا قُدِّرَ لِيْ، حَتّٰى لَاۤ أُحِبَّ تَعْجِيْلَ مَاۤ أَخَّرْتَ وَلَا تَأْخِيْرَ مَا عَجَّلْتَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আরদিনী বিক্বাদা'ইকা, ওয়া বারিক লী ফীমা কুদ্দিরা লী, হাত্তা লা উহিব্বা তা‘জীলা মা আখখারতা, ওয়া লা তা’খীরা মা ‘আ'জ্জালতা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার ফয়সালায় রাজি-খুশি রাখুন আর যা কিছু আমার জন্য ধার্য হয়েছে, তাতে আমার জন্য বরকত দিন, যেন আপনি যা বিলম্বে রেখেছেন, তাতে আমি ত্বরা না করি আর যা আপনি অবিলম্বে রেখেছেন, তাতে বিলম্ব অন্বেষণ না করি।

৩.

দু‘আ-১৩৫

اَللّٰهُمَّ أَحْيِنِيْ مِسْكِيْنًا وَّأَمِتْنِيْ مِسْكِيْنًا، وَاحْشُرْنِيْ فِيْ زُمْرَةِ الْمَسَاكِيْنِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহ'ইনী মিসকীনাওঁ, ওয়া আমিতনী মিসকীনাওঁ, ওয়াহ'শুরনী ফী যুমরাতিল-মাসাকীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে মিসকীন (বিনয়ী ও আপনার মুখাপেক্ষী) অবস্থায় জীবিত রাখুন, মিসকীন অবস্থায় মৃত্যু দিন এবং মিসকীনদের দলের অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে হাশরের ময়দানে উঠান।

৪.

দু‘আ-১৭৫

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ بِمُحَمَّدٍ نَّبِيِّكَ، وَإِبْرَاهِيْمَ خَلِيْلِكَ، وَمُوْسٰى نَجِيِّكَ، وَعِيْسٰى رُوْحِكَ وَكَلِمَتِكَ، وَبِكَـلَامِ مُوْسٰى، وَإِنْجِيْلِ عِيْسٰى، وَزَبُوْرِ دَاوٗدَ، وَفُرْقَانِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. وَبِكُلِّ وَحْيٍ أَوْحَيْتَهٗ، أَوْ قَضَآءٍ قَضَيْتَهٗ، أَوْ سَآئِلٍ أَعْطَيْتَهٗ، أَوْ فَقِيْرٍ أَغْنَيْتَهٗ، أَوْ غَنِىٍّ أَفْقَرْتَهٗ، أَوْ ضَآلٍّ هَدَيْتَهٗ، وَأَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الَّذِيْ وَضَعْتَهٗ عَلَى الْأَرْضِ فَاسْتَقَرَّتْ، وَعَلَى السَّمٰوٰتِ فَاسْتَقَلَّتْ، وَعَلَى الْجِبَالِ فَرَسَتْ، وَاَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الَّذِيْ اسْتَقَرَّ بِه عَرْشُكَ، وَاَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الطَّاهِرِ الْمُطَهَّرِ الْمُنَزَّلِ فِيْ كِتَابِكَ مِنْ لَّدُنْكَ، وَبِاسْمِكَ الَّذِيْ وَضَعْتَهٗ عَلَى النَّهَارِ فَاسْتَنَارَ، وَعَلَى اللَّيْلِ فَأَظْلَمَ، وَبِعَظَمَتِكَ وَكِبْرِيَآئِكَ وَبِنُوْرِ وَجْهِكَ أَنْ تَرْزُقَنِيَ الْقُرْاٰنَ الْعَظِيْمَ، وَتُخَلِّطَهٗ بِلَحْمِيْ وَدَمِيْ وَسَمْعِيْ وَبَصَرِيْ، وَتَسْتَعْمِلَ بِه جَسَدِيْ بِحَوْلِكَ وَقُوَّتِكَ، فَإِنَّهٗ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِكَ. اَللّٰهُمَّ لَاتُـؤْمِنَّا مَكْرَكَ، وَلَا تُنْسِنَا ذِكْرَكَ، وَلَا تَهْتِكْ عَنَّا سِتْرَكَ، وَلَا تَجْعَلْنَا مِنَ الْغَافِلِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিমুহাম্মাদিন নাবিয়্যিকা, ওয়া ইব্রাহীমা খলীলিকা, ওয়া মূসা নাজিয়্যিকা, ওয়া 'ঈসা রূহিকা ওয়া কালিমাতিকা, ওয়া বিকালামি মূসা, ওয়া ইঞ্জীলি 'ঈসা, ওয়া যাবূরি দাঊদা, ওয়া ফুরক্বানি মুহাম্মাদিন সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ওয়া বিকুল্লি ওহইন আওহাইতাহু, আও ক্বদা-ইন ক্বদাইতাহু, আও সা-ইলিন আ'ত্বইতাহু, আও ফাক্বীরিন আগ্নাইতাহু, আও গানিয়্যিন আফক্বর্তাহু, আও দ্ব-ল্লিন হাদাইতাহু। ওয়া আসআলুকা বিস্মিকাল্লাযী ওয়াদ'তাহু 'আলাল আরদ্বি ফাস্তাক্বররত, ওয়া 'আলাস সামা-ওয়া-তি ফাস্তাক্বল্লাত, ওয়া 'আলাল জিবা-লি ফারসাত। ওয়া আসআলুকা বিস্মিকাল্লাযী ইস্তাক্বরর বিহি 'আরশুকা। ওয়া আসআলুকা বিস্মিকাত ত্ব-হিরিল মুত্বহ্হারিল মুনায্যালি ফী কিতা-বিকা মিল্লাদুনকা। ওয়া বিস্মিকাল্লাযী ওয়াদ'তাহু 'আলাননাহা-রি ফাস্তানা-র, ওয়া 'আলাল লাইলি ফাআজ্লাম। ওয়া বি'আযমাতিকা ওয়া কিবরিয়া-ইকা ওয়া বিনূরি ওয়াজ্হিকা আন তারযুক্বানিয়াল ক্বুরআ-নাল 'আযীম, ওয়া তুখল্লিত্বাহু বিলাহমী ওয়া দামী ওয়া সাম'ঈ ওয়া বাসারী, ওয়া তাস্তা’মিলা বিহি জাসাদী বিহাউলিকা ওয়া ক্বুউওয়াতিকা, ফাইন্নাহু লা- হাউলা ওয়া লা- ক্বুউওয়াতা ইল্লা- বিকা। আল্লাহুম্মা লা- তু’মিন্না- মাকরকা, ওয়া লা- তুনসিনা- যিকরকা, ওয়া লা- তাহ্তিক্ব 'আন্না- সিতরকা, ওয়া লা- তাজ'আলনা- মিনাল গ-ফিলীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উসিলায়, আপনার বন্ধু (খলীল) ইবরাহীম আ.-এর উসিলায়, আপনার সাথে কথপোকথনকারী মূসা আ.-এর উসিলায় এবং আপনার রূহ ও কালিমা ঈসা আ.-এর উসিলায়। আর প্রার্থনা করছি মূসার প্রতি অবতীর্ণ কালামের (তাওরাত) উসিলায়, ঈসার প্রতি অবতীর্ণ ইঞ্জীলের উসিলায়, দাঊদের প্রতি অবতীর্ণ যাবূরের উসিলায় এবং মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি অবতীর্ণ ফুরকানের (কুরআন) উসিলায়। এবং আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার অবতীর্ণ প্রতিটি ওহীর উসিলায়, আপনার জারিকৃত প্রত্যেক (জাগতিক) বিধানের উসিলায়, আপনার কাছে সাহায্যপ্রার্থী প্রত্যেক যাচনাকারীর উসিলায় যাকে আপনি দান করেছেন, প্রত্যেক দরিদ্রের উসিলায় যাকে আপনি ধনী করেছেন, প্রত্যেক ধনীর উসিলায় যাকে আপনি ফকির বানিয়েছেন এবং প্রত্যেক পথভ্রষ্টের উসিলায় যাকে আপনি হেদায়াত দিয়েছেন। আমি আপনার সেই নামের উসিলায় প্রার্থনা করছি, যা আপনি পৃথিবীর ওপর রাখায় তা স্থির ও শান্ত হয়েছে, যা আকাশের ওপর রাখায় তা স্থিতি লাভ করেছে এবং যা পাহাড়গুলোর ওপর রাখায় তা দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়েছে। আমি আপনার সেই নামের উসিলায় চাচ্ছি, যার মাধ্যমে আপনার আরশ স্থির হয়েছে। আমি আপনার সেই পবিত্র, শুচি-শুভ্র নামের উসিলায় চাচ্ছি, যা আপনার পক্ষ থেকে আপনার কিতাবে অবতীর্ণ হয়েছে। এবং আপনার সেই নামের উসিলায়, যা দিনের ওপর রাখায় তা উদ্ভাসিত ও আলোকিত হয়েছে এবং রাতের ওপর রাখায় তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়েছে। আর আপনার বড়ত্ব, গৌরব এবং আপনার সত্তার নূরের উসিলায় প্রার্থনা করছি— আপনি আমাকে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন (মুখস্থ ও উপলব্ধি করার তৌফিক) দান করুন; তা আমার রক্ত, মাংস, শ্রবণ ও দৃষ্টির সাথে মিশিয়ে দিন এবং আপনার ক্ষমতা ও শক্তিতে আমার পুরো শরীরকে এর ওপর আমল করার কাজে নিয়োজিত করে দিন। আপনার সাহায্য ও শক্তি ছাড়া (পাপ থেকে) ফেরার এবং (পুণ্য করার) কোনো শক্তি কারও নেই। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে আপনার গোপন কৌশল সম্পর্কে শঙ্কাহীন করে দিবেন না, আমাদের থেকে আপনার স্মরণ ভুলিয়ে দিবেন না, আমাদের ওপর থেকে আপনার (দোষত্রুটি ঢাকার) পর্দা উঠিয়ে নিবেন না এবং আমাদেরকে গাফেল বা উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত করবেন না।

৫.

দু‘আ-১৭৬

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ تَعْجِيْلَ عَافِيَتِكَ وَدَفْعَ بَلَآئِكَ، وَخُرُوْجًا مِّنَ الدُّنْيَا اِلٰى رَحْمَتِكَ، يَا مَنْ يَّـكْفِيْ عَنْ كُلِّ أَحَدٍ وَّلَا يَكْفِيْ مِنْهُ أَحَدٌ، يَاۤ أَحَدَ مَنْ لَّاۤ أَحَدَ لَهٗ، وَيَا سَنَدَ مَنْ لَّا سَنَدَ لَهٗ، اِنْقَطَعَ الرَّجَآءُ إِلَّا مِنْكَ، نَجِّنِيْ مِمَّاۤ أَنَا فَيْهِ، وَ أَعِنِّيْ عَلٰى مَاۤ أَنَا عَلَيْهِ مِمَّا نَزَلَ بِيْ بِجَاهِ وَجْهِكَ الْكَرِيْمِ، وَبِحَقِّ مُحَمَّدٍ عَلَيْكَ، اٰمِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা তা'জীলা 'আ-ফিয়াতিকা ওয়া দাফ'আ বালা-ইকা, ওয়া খুরূজাম মিনাদ্ দুন্ইয়া ইলা- রহমাতিকা, ইয়া মাই ইয়াক্ফী 'আন কুল্লি আহাদিউঁ ওয়া লা- ইয়াক্ফী মিন্হু আহাদ, ইয়া আহাদা মাল্লা- আহাদা লাহু, ওয়া ইয়া সানাদা মাল্লা- সানাদা লাহু, ইন্ক্বত্ব'আর রজা-উ ইল্লা- মিন্কা, নাজ্জিনী মিম্মা- আনা ফীহি, ওয়া আ'ইন্নী 'আলা- মা- আনা 'আলাইহি মিম্মা- নাযালা বী বিজাহি ওয়াজ্হিকাল কারীম, ওয়া বিহা ক্বি মুহাম্মাদিন 'আলাইকা, আমীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার দেওয়া তড়িৎ নিরাপত্তা, আপনার দেওয়া বালা-মুসিবত ও বিপদ থেকে সুরক্ষা এবং এই দুনিয়া থেকে আপনার রহমতের দিকে (ঈমানের সাথে) প্রস্থান। হে সেই সত্তা! যিনি প্রত্যেকের জন্য যথেষ্ট এবং যাঁর বিপরীতে কেউ (কখনো কারও জন্য) যথেষ্ট হতে পারে না। হে তাঁদের একমাত্র আশ্রয়, যাঁদের কোনো আশ্রয়দাতা নেই! হে তাঁদের একমাত্র অবলম্বন, যাঁদের কোনো অবলম্বন নেই! আপনি ছাড়া অন্য সবার থেকে আমার সব আশা-ভরসা ছিন্ন হয়ে গেছে। আমি এখন যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি, তা থেকে আমাকে মুক্তি দিন। আমার ওপর যে বিপদ নেমে এসেছে, তার ওপর ধৈর্য ধারণ ও তা মোকাবিলা করার জন্য আমাকে সাহায্য করুন আপনার মহান সত্তার মহিমার উসিলায় এবং আপনার কাছে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর যে বিশেষ মর্যাদা ও হক রয়েছে তার উসিলায়। আমীন (হে আল্লাহ, কবুল করুন)।

৬.

সংক্ষিপ্ত দরূদ-১

۞ اَللّٰهُـــمَّ صَـــلِّ عَلٰـى مُحَمَّــــدٍ وَّآلِ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সল্লি আ’লা- মুহাম্মাদ ওয়াআলী মুহাম্মাদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! দয়া ও রহমত কর হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) এর প্রতি এবং তার পরিবারের প্রতি।

৭.

দু‘আ-২৪

رَبِّ اَنْزِلْنِیْ مُنْزَلًا مُّبٰرَكًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْمُنْزِلِیْنَ۝۲۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি আনঝিলনী মুনঝালাম মুবারাকাও ওয়া আনতা খাইরুল মুনঝিলীন

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে অবতরণ করাও বরকতময় অবতারণে। আর তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।

৮.

দু‘আ-১৮

رَبِّ اَدْخِلْنِیْ مُدْخَلَ صِدْقٍ وَّ اَخْرِجْنِیْ مُخْرَجَ صِدْقٍ وَّ اجْعَلْ لِّیْ مِنْ لَّدُنْكَ سُلْطٰنًا نَّصِیْرًا۝۸۰
উচ্চারণঃ

রাব্বি আদখিলনী মুদ খালা সিদকিও ওয়া আখরিজনী মুখরাজা সিদকিও ওয়াজ‘আলনী মিল্লাদুনকা ছুলতা-নান নাসীরা

অর্থঃ

হে প্রতিপালক! আমাকে যেখানে প্রবেশ করাবে, কল্যাণের সাথে প্রবেশ করিও এবং যেখান থেকে বের করবে কল্যাণের সাথে বের করো এবং আমাকে তোমার নিকট থেকে বিশেষভাবে এমন ক্ষমতা দান করো, যার সাথে (তোমার) সাহায্য থাকবে।

৯.

দু‘আ-২১

رَبِّ زِدْنِیْ عِلْمًا ۝۱۱۴
উচ্চারণঃ

রাব্বি ঝিদনী ইলমা।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! জ্ঞানে আমাকে আরও উন্নতি দান কর।

১০.

দু‘আ-২২

اَنِّیْ مَسَّنِیَ الضُّرُّ وَ اَنْتَ اَرْحَمُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۸۳
উচ্চারণঃ

আন্নী মাছছানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুররা হিমীন।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমার এই কষ্ট দেখা দিয়েছে এবং তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

১১.

দু‘আ-৪২

اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا، أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আতি নাফসি তাকওয়াহা, ওয়া জাক্কিহা, আনতা খাইরু মান জাক্কাহা, আনতা ওয়ালিয়্যুহা ওয়া মাওলাহা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার নফসে (অন্তর) তাকওয়া দান করুন এবং একে পরিশুদ্ধ করে দিন। আপনি একে সর্বোত্তম পরিশোধনকারী, আপনিই এর মালিক ও এর অভিবাবক।

১২.

দু‘আ-৭

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ اَخْزَیْتَهٗ ؕ وَ مَا لِلظّٰلِمِیْنَ مِنْ اَنْصَارٍ۝۱۹۲
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্না-রা ফাকাদ আখঝাইতাহূ ওয়ামা-লিজ্জা-লিমীনা মিন আনসা-র।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি যাকেই জাহান্নামে দাখিল করবেন, তাকে নিশ্চিতভাবেই লাঞ্ছিত করলেন। আর জালিমগণ তো কোনও সাহায্যকারী পাবে না।

১৩.

দু‘আ-২৫

رَبِّ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیْنِۙ۝۹۷ وَ اَعُوْذُ بِكَ رَبِّ اَنْ یَّحْضُرُوْنِ۝۹۸
উচ্চারণঃ

রাব্বি আ‘ঊযুবিকা মিন হামাঝাতিশশাইয়া-তীন। ওয়া আ‘ঊযুবিকা রাব্বি আই ইয়াহদু রূন।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের প্ররোচনা হতে আপনার আশ্রয় চাই। হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই যাতে তারা আমার কাছেও আসতে না পারে।

১৪.

মৃত্যুর সময় ঈমানের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ لَقِّنِّيْ حُجَّةَ الْإِيْمَانِ عِنْدَ الْمَمَاتِ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাক্কিনী হুজ্জাতাল ঈমানি ‘ইন্দাল মামাতি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! মৃত্যুর সময় আমাকে ঈমানের কালিমা স্মরণ করিয়ে দিন।

১৫.

দু‘আ-১৩১

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ، وَمِنْكَ السَّلَامُ وَإِلَيْكَ يَعُوْدُ السَّلَامُ، أَسْأَلُكَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ! أَنْ تَسْتَجِيْبَ لَنَا دَعْوَتَنَا، وَأَنْ تُعْطِيَنَا رَغْبَتَنَا، وَأَنْ تُغْنِيَنَا عَمَّنْ أَغْنَيْتَهٗ عَنَّا مِنْ خَلْقِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আনতাস-সালাম, ওয়া মিনকাস-সালাম, ওয়া ইলাইকা ইয়া‘ঊদুস-সালাম। আসআলুকা ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরামি, আন তাসতাজীবা লানা দা‘ওয়াতানা, ওয়া আন তু‘তিয়ানা রাগবাতানা, ওয়া আন তুগনিয়ানা ‘আম্মান আগনাইতাহূ ‘আন্না মিন খালকিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি ও নিরাপত্তার উৎস, আপনার পক্ষ থেকেই শান্তি আসে এবং আপনার দিকেই শান্তি ফিরে যায়। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, আপনি যেন আমাদের দু‘আ কবুল করেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেন এবং আপনার সৃষ্টির মধ্যে যাদের থেকে আমাদের অমুখাপেক্ষী করেছেন, তাদের থেকে আমাদেরও অমুখাপেক্ষী করে দেন।

১৬.

দু‘আ-২৩

رَبِّ لَا تَذَرْ نِیْ فَرْدًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْوٰرِثِیْنَۚۖ۝۸۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি লা তাযারনী ফারদাও ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিছীন।

অর্থঃ

হে আমার রব্ব! আমাকে একা রেখে দিও না, আর তুমিই শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।

১৭.

দু‘আ-২৭

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ۖۗ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًاۗۖ۝۶۵
উচ্চারণঃ

রাব্বানাসরিফ ‘আন্না-‘আযা-বা জাহান্নামা ইন্না ‘আযা-বাহা কানা গারা-মা।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! জাহান্নামের আযাব আমাদের থেকে দূরে রাখুন। নিশ্চয়ই তার আযাব সদা সংলগ্ন হয়ে থাকে।

১৮.

দু‘আ-১৬৪

اَللّٰهُمَّ اِلٰهِيْ وَإِلٰهَ إِبْرَاهِيْمَ وَإِسْحٰقَ وَيَعْقُوْبَ، وَإِلٰهَ جِبْرَئِيْلَ وَمِيْكَآئِيْلَ وَإِسْرَافِيْلَ، أَسْأَلُكَ أَنْ تَسْتَجِيْبَ دَعْوَتِيْ فَأَنا مُضْطَرٌّ، وَ تَعْصِمَنِيْ فِيْ دِيْنِيْ فَإِنِّيْ مُبْتَلًى، وَتَنَالَنِيْ بِرَحْمَتِكَ فَإِنِّيْ مُذْنِبٌ، وَتَنْفِيَ عَنِّي الْفَقْرَ فَإِنِّيْ مُتَمَسْكِنٌ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইলাহী ওয়া ইলাহা ইবরাহীমা ওয়া ইসহাক্বা ওয়া ইয়াকূব, ওয়া ইলাহা জিবরাঈলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরাফীলা। আসআলুকা আন তাস্তাজীবা দা‘ওয়াতী, ফা-আনা মুদতাররুন; ওয়া তা‘সিমানী ফী দীনী, ফা-ইন্নী মুবতালান; ওয়া তানালানী বিরাহমাতিকা, ফা-ইন্নী মুযনিবুন; ওয়া তানফিয়া ‘আন্নিল ফাকরা, ফা-ইন্নী মুতামাসকীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! হে আমার উপাস্য, ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূবের উপাস্য! হে জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের উপাস্য! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, আপনি যেন আমার দু‘আ কবুল করেন; কারণ আমি অসহায়। আমার দ্বীনকে হেফাজত করুন; কারণ আমি পরীক্ষার সম্মুখীন। আপনার রহমত দিয়ে আমাকে অনুগ্রহ করুন; কারণ আমি গুনাহগার। আর আমার দারিদ্র্য দূর করে দিন; কারণ আমি অভাবগ্রস্ত।

১৯.

দু‘আ-১৬৫

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ بِحَقِّ السَّآئِلِيْنَ عَلَيْكَ فَإِنَّ لِلسَّآئِلِ عَلَيْكَ حَقًّا، أَيُّمَا عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ مِّنْ أَهْلِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ تَقَبَّلْتَ دَعْوَتَهُمْ وَاسْتَجَبْتَ دُعَآءَهُمْ اَنْ تُشْرِكَنَا فِيْ صَالِحِ مَا يَدْعُوْنَكَ فِيْهِ، وَأَنْ تُشْرِكَهُمْ فِيْ صَالِحِ مَا نَدْعُوْكَ فِيْهِ، وَأَنْ تُعَافِيَنَا وَإِيَّاهُمْ، وَأَنْ تَقَبَّلَ مِنَّا وَمِنْهُمْ، وَأَنْ تَجَاوَزَ عَنَّا وَعَنْهُمْ، فَإِنَّاۤ اٰمَنَّا بِمَاۤ أَنْزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُوْلَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشّٰهِدِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিহাক্কিস্ সাআইলীনা ‘আলাইকা, ফা-ইন্না লিস্ সাআইলি ‘আলাইকা হাক্কান। আইয়ুমা ‘আবদিন আও আমাতিম মিন আহলিল বাররি ওয়াল বাহরি, তাকাব্বালতা দা‘ওয়াতাহুম ওয়াস্তাজাবতা দু‘আআহুম, আন তুশরিকানা ফী সালিহি মা ইয়াদ‘ঊনাকা ফীহি, ওয়া আন তুশরিকাহুম ফী সালিহি মা নাদ‘ঊকা ফীহি, ওয়া আন তু‘আফিয়ানা ওয়া ইয়্যাহুম, ওয়া আন তাকাব্বালা মিন্না ওয়া মিনহুম, ওয়া আন তাজাওয়াযা ‘আন্না ওয়া ‘আনহুম। ফা-ইন্না আমান্না বিমা আনযালতা ওয়াত্তাবা‘নার রাসূলা, ফাকতুবনা মা‘আশ শা-হিদীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনাকারীদের আপনার প্রতি যে অধিকার রয়েছে, তার উসিলায় প্রার্থনা করছি। কেননা, প্রার্থনাকারীর জন্য আপনার কাছে একটি অধিকার রয়েছে। স্থল ও সমুদ্রের অধিবাসীদের মধ্যে যে বান্দা বা বান্দী আপনার কাছে দু‘আ করে, আপনি যার দু‘আ কবুল করেন এবং যার প্রার্থনায় সাড়া দেন—তারা আপনার কাছে যে কল্যাণ প্রার্থনা করে, সেই কল্যাণের অংশ আমাদেরও দান করুন। আর আমরা আপনার কাছে যে কল্যাণ প্রার্থনা করি, তার অংশ তাদেরও দান করুন। আমাদের ও তাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন, আমাদের ও তাদের পক্ষ থেকে আমল কবুল করুন এবং আমাদের ও তাদের ত্রুটি ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই আমরা আপনার অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি ঈমান এনেছি এবং রাসূলের অনুসরণ করেছি। অতএব, আমাদের সাক্ষ্যদানকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

২০.

দু‘আ-১৭১

اَللّٰهُمَّ اٰنِسْ وَحْشَتِيْ فِيْ قَبْرِيْ. اَللّٰهُمَّ ارْحَمْنِيْ بِالْقُرْاٰنِ الْعَظِيْمِ، وَاجْعَلْهُ لِيْۤ إِمَامًا وَنُوْرًا وَّهُدًى وَّرَحْمَةً. اَللّٰهُمَّ ذَ كِّرْنِيْ مِنْهُ مَا نَسِيْتُ، وَعَلِّمْنِيْ مِنْهُ مَا جَهِلْتُ، وَارْزُقْنِيْ تِلَاوَتَهٗ اٰنَآءَ اللَّيْلِ وَاٰنَآءَ النَّهَارِ، وَاجْعَلْهُ لِيْ حُجَّةً يَّا رَبَّ الْعٰلَمِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আনিস ওয়াহশাতী ফী কাবরী। আল্লাহুম্মারহামনী বিল কুরআনিল ‘আযীমি, ওয়াজ‘আলহু লী ইমামাঁও ওয়া নূরাঁও ওয়া হুদাঁও ওয়া রহমাহ। আল্লাহুম্মা যাক্কিরনী মিনহু মা নাসীতু, ওয়া ‘আল্লিমনী মিনহু মা জাহিলতু, ওয়ারযুকনী তিলাওয়াতাহু আনা-আল লাইলি ওয়া আনা-আন নাহার, ওয়াজ‘আলহু লী হুজ্জাতাই ইয়া রব্বাল ‘আলামীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার কবরে আমার নিঃসঙ্গতা দূর করে আমাকে প্রশান্তি দান করুন। হে আল্লাহ! মহান কুরআনের মাধ্যমে আমার প্রতি রহম করুন। কুরআনকে আমার নেতা, আলো, হিদায়াত ও রহমত বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! কুরআনের যে অংশ আমি ভুলে গেছি, তা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিন। এর যে জ্ঞান আমার অজানা, তা আমাকে শিখিয়ে দিন। রাত ও দিনের বিভিন্ন সময়ে কুরআন তিলাওয়াত করার তাওফীক দান করুন এবং কুরআনকে আমার পক্ষে দলিল বানিয়ে দিন। হে সমগ্র জগতের প্রতিপালক!