দু'আ (বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পাঠ্য দু‘আ অধ্যায়)

মোট বিষয় - ৫৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

আল্লাহর মুহাব্বাত লাভের দু‘আ-৬৫

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ، وَحُبَّ الْمَسَاكِيْنِ، وَأَنْ تَغْفِرَ لِيْ وَتَرْحَمَنِيْ، وَإِذَاۤ أَرَدْتَ بِقَوْمٍ فِتْنَةً فَتَوَفَّنِيْ غَيْرَ مَفْتُوْنٍ، أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُّحِبُّكَ وَحُبَّ عَمَلٍ يُّقَرِّبُ إِلٰى حُبِّكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে তাওফীক চাই ভালো কাজসমূহ করার এবং মন্দ কাজসমূহ ছাড়ার। তাওফীক চাই অভাবীদের ভালোবাসার। আর আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার উপর রহম করুন। আর যখন ইচ্ছা করবেন কোনো জাতিকে বিপদগ্রস্ত করার তো আমাকে তুলে নিয়েন বিপদগ্রস্ত হওয়ার আগেই। আমি আপনার কাছে চাই আপনার ভালোবাসা এবং ঐ ব্যক্তির ভালোবাসা, যে আপনাকে ভালোবাসে। আর ঐ কাজেরও ভালোবাসা, যা আপনার ভালোবাসার নিকটবর্তী করে।৬৫

.

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا اُرْسِلَ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না না‘ঊযুবিকা মিন শাররি মা উরসিলা বিহি।

অর্থঃ

অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট ঐ সকল অনিষ্ট থেকে পানাহ চাচ্ছি, যাকে এ মেঘ বহন করে এনেছে।

.

কুনুত-ই-নাযেলা

"اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِيْ شَرَّمَا قَضَيْتَ؛ إِنَّكَ تَقْضِىْ وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ، وَإنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ، وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ، تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ"
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইতা ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়াবা-রিক লী ফীমা আ‘ত্বাইতা ওয়াক্বিনী শাররা মা ক্বাদাইতা ফাইন্নাকা তাক্ব‌্দ্বী ওয়ালা ইউক্ব্‌দ্বা ‘আলাইকা। ওয়া ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইতা, ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইতা। তাবা-রক্‌তা রব্বানা ওয়া তা‘আ-লাইতা)

অর্থঃ

“হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে সুখদায়ক সৎ পথ প্রকৃত ইসলামের অনুগামী করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সুখশান্তিপূর্ণ মঙ্গলময় জীবন প্রদান করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সর্ব প্রকার কল্যাণ প্রদানের সহিত সাহায্য করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি আমাকে যে সমস্ত মঙ্গলদায়ক জিনিস প্রদান করেছেন, সেগুলিকে আমার জন্য অধিকতর মঙ্গলদায়ক করুন। আপনি যে ফয়সালা করেছেন, তার অমঙ্গল হতে আমাকে রক্ষা করুন। কেননা সব জগতের সঠিক পরিচালনার জন্য যে ফয়সালা আপনি করেছেন, সেটাই সঠিক ফয়সালা। তাই আপনার ফয়সালার উপরে আর কোনো প্রকারের সঠিক ফয়সালা নেই। আপনি যাকে ভালো বাসবেন, সে কোনো দিন অপমানিত হতে পারে না। আর আপনি যার জন্য অমঙ্গল নির্ধারণ করবেন, সে কোনো দিন শক্তিশালী হতে পারবে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি মহাকল্যাণময় এবং মহামহিমান্বিত”।

.

শত্রুর ভয় পেলে পড়বে

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيهِمْ بِمَا شِئْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাকফিনীহিম বিমা শি’তা

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি যা ইচ্ছে তা দ্বারাই এদের মোকাবিলায় আমার জন্য যথেষ্ট হোন।

.

ঋণ পরিশোধের দু’আ-২

«بارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالأَدَاءُ»
উচ্চারণঃ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিকা, ইন্নামা জাযা-উস সালাফে আল-হামদু ওয়াল আদা-উ

অর্থঃ

আল্লাহ আপনার পরিবারে ও সম্পদে বরকত দান করুন। ঋণের প্রতিদান তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও সঠিকভাবে তা আদায় করণ।

.

একান্ত প্রিয় বস্তু হারিয়ে গেলে যে দু‘আ পড়বে

۞ اِنَّا لِلّٰهِ وَاِنَّا اِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ. اَللّٰهُمَّ أْجُرْنِيْ فِـيْ مُصِيْبَتِيْ. وَاَخْلِفْ لِيْ خَيْرًا مِّنْهَا
উচ্চারণঃ

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘ঊন, আল্লাহুম্মা’ জুরনী ফী মুসী বাতী ওয়া আখলিফলী খইরম মিনহা।

অর্থঃ

নিঃসন্দেহে আমরা আল্লাহ তা‘আলারই জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ ! আমাকে আমার মুসিবতের উপর সওয়াব দান করুন, আর যে জিনিস আপনি আমার নিকট থেকে নিয়ে গিয়াছেন তা থেকে উত্তম জিনিস আমাকে দান করুন।

.

বদনজর থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযু বিকালিমা তিল্লা হিত তা ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বা নিউ ওয়া হা ম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনীন লাম্মাতিন।

অর্থঃ

সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদ নযর থেকে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় চাচ্ছি।

.

শত্রু থেকে হেফাজতের দু’আ

اَللّٰهُمَّ وَاقِيَةً كَوَاقِيَةِ الْوَلِيْدِ
উচ্চারণঃ

আল্লাাহুম্মা ওয়াা ক্বিয়াতান কা ওয়াা ক্বিয়াতিল ওয়ালীদ

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নবজাতককে হেফাজত করার মত (আমাদেরকে) হেফাজত করো।

.

ভূমিকম্প (উপর থেকে পড়া, ঘরচাপা পড়া), পানিতে ডুবে যাওয়া ও আগুনে দগ্ধীভূত হওয়া থেকে দু'আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي وَالْهَدْمِ وَالْغَرَقِ وَالْحَرِيْقِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাত্তারাদ্দী, ওয়াল হাদমি, ওয়াল গারাক্বি, ওয়াল হারীক্ব।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি উপর থেকে পড়ে যাওয়া, ঘরচাপা পড়া, পানিতে ডুবে যাওয়া এবং আগুনে দগ্ধীভূত হওয়া থেকে।

১০.

ঋণ পরিশোধের দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বি ফাদলিকা আম্মান সিওয়াক

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি তোমার হারাম থেকে বাঁচিয়ে তোমার হালাল রিযিক দ্বারা আমাকে পরিতুষ্ট করে দাও। (হালাল রুজিই যেন আমার জন্য যথেষ্ট হয়) এবং তোমার অনুগ্রহে ছাড়া অন্য সবকিছু থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে দাও।

১১.

শয়তান থেকে হেফাযতের দু‘আ

۞ لَااِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুলহামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসা কেবল তাঁর জন্যই। তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।

১২.

কষ্টদায়ক জিনিস থেকে মুক্তির দু‘আ

সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস (৩বার)
উচ্চারণঃ

সূরা ইখলাস: ১. قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ২. اللَّهُ الصَّمَدُ ৩. لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ৪. وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ সূরা ফালাক্ব: ১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ২. مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ৩. وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ৪. وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ৫. وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ সূরা নাস: ১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ২. مَلِكِ النَّاسِ ৩. إِلَـٰهِ النَّاسِ ৪. مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ৫. الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ৬. مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ

অর্থঃ

সূরা ইখলাস: ১. কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। ২. আল্লা-হুসসামাদ। ৩. লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ। ৪. ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ। সূরা ফালাক্ব: ১. কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক ২. মিন শাররি মা-খালাক। ৩. ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ৪. ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। ৫. ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। সূরা নাস: ১. কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ, ২.মালিকিন্না-ছ, ৩. ইলা-হিন্না-ছ। ৪. মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। ৫. আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। ৬. মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।

১৩.

ক্রোধ দমনের জন্যে এই দু‘আ পড়বে

۞ اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম।

অর্থঃ

আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

১৪.

হতাশ থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ قَدَّرَ ‌اللّٰهُ ‌وَمَا ‌شَاءَ ‌فَعَلَ
উচ্চারণঃ

কাদ্দারাল্লাহু ওয়া মা-শা’আ ফাআলা

অর্থঃ

আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তাই করেছেন।

১৫.

আকস্মিক পরীক্ষা ও বিপদ থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই।

১৬.

শত্রু বা যালিমের সম্মুখীন হলে পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ عَضُدِيْ ، وَأَنْتَ نَصِيْرِيْ ، بِكَ أَحُوْلُ وَبِكَ أَصُوْلُ، وَبِكَ أُقاتِلُ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।

১৭.

শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে ৩ বার পড়বে

۞ اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِه جَمِيْعاً، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوْذُ بِاللهِ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ، الْمُمْسِكِ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِه، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلاَنٍ، وَجُنُوْدِه وَأَتْبَاعِه وَأَشْيَاعِه، مِنَ الْجِنِّ وَالإِنْسِ، اَللّٰهُمَّ كُنْ لِيْ جَارًا مِّنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আ‘আয্যু মিন খালক্বিহী জামী‘আন। আল্লাহু আ‘আয্যু মিম্মা আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল মুমসিকুস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা বিইযনিহী, মিন শাররি ‘আবদিকা ফুলা-নিন,(উক্ত ব্যক্তির নাম বলবে) ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লাহুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আয্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়া লা ইলা-হা গাইরুকা

অর্থঃ

আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে— (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জ্বীন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার প্রতিবেশী মহিমান্বিত, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

১৮.

দারিদ্র্যতা ও অপরের কাছে হাতপাতা থেকে আশ্রয়

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُؤْسِ وَالتَّبَاؤُسِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বু’সি ওয়াত তাবা- উস

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি দারিদ্র্য ও অপরের কাছে হাত-পাতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

১৯.

শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে ৩ বার পড়বে

اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِهِ جَمِيعاً، اللَّهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوذُ بِاللَّهِ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ، الْمُمْسِكِ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلاَنٍ، وَجُنُودِهِ وَأَتْبَاعِهِ وَأَشْيَاعِهِ، مِنْ الْجِنِّ وَالإِنْسِ، اللَّهُمَّ كُنْ لِي جَاراً مِنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হু আ‘আয্যু মিন খালক্বিহী জামী‘আন। আল্লাহু আ‘আয্যু মিম্মা আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল মুমসিকুস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা বিইযনিহী, মিন শাররি ‘আবদিকা ফুলা-নিন, ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লা-হুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আয্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়া লা ইলা-হা গাইরুকা

অর্থঃ

“আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে— (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।”

২০.

নতুন বছরের দুআঃ

اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيمَانِ ، وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ ، وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمَنِ ، وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি, ওয়ারিদ ওয়ানিম মিনার রাহমানি ওয়া জিওয়ারিম মিনাশ শাইত্বনি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ঈমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহ্র সন্তুষ্টির সাথে।

দু'আ (বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পাঠ্য দু‘আ অধ্যায়) | মুসলিম বাংলা