আল্লাহুম্মাজ‘আলনী উ‘আজ্জিমু শুকরাকা, ওয়া আকছিরু জিকরাকা, ওয়া আত্তাবি‘উ নাসীহাতাকা, ওয়া আহফাজু ওয়াসিয়্যাতাক। আল্লাহুম্মা ইন্না কুলুবানা ওয়া নাওয়া'সিয়ানা ওয়া জাওয়া'রিহানা বিয়াদিকা, লাম তুমাল্লিকনা মিনহা শাইআন্, ফাইযা ফা‘আলতা যালিকা বিনা ফাকুন। আন্তা ওয়ালিয়্যানা, ওয়াহদিনা ইলা সাওয়া-ইস্ সাবীল।
হে আল্লাহ! আমাকে আপনার প্রতি সর্বোচ্চ কৃতজ্ঞতা আদায়কারী, আপনাকে অধিক স্মরণকারী, আপনার নসীহত ও অনুশাসন অনুসরনকারী এবং আপনার উপদেশ ও আদেশ হেফাজতকারী বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমাদের অন্তর, আমাদের ললাট (ভাগ্য ও নিয়ন্ত্রণ) এবং আমাদের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আপনারই কুদরতি হাতে নিহিত; এগুলোর কোনো কিছুর ওপরই আপনি আমাদের কর্তৃত্ব দেননি। তাই আপনি যখন আমাদের নিয়ে এই ফয়সালা করেছেন, তখন আপনিই আমাদের অভিভাবক ও রক্ষক হয়ে যান এবং আমাদের সহজ-সঠিক ও সরল পথ দেখান।
আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু শুকরান, ওয়া লাকাল মান্নু ফাদলান। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাত তাওফীকা লিমাহা'ব্বিকা মিনাল আ‘মা'লি, ওয়া সিদকাত তাওয়াক্কুলি ‘আলাইকা, ওয়া হুসনায যন্নি বিকা।
হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ। আর অনুগ্রহ ও দানের অধিকারী আপনিই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার পছন্দনীয় আমল করার তাওফীক, আপনার ওপর যথার্থভাবে ভরসা করার এবং আপনার প্রতি উত্তম ধারণা পোষণ করার তাওফীক প্রার্থনা করছি।
আল্লাহুম্মাফতাহ মাসামি‘আ কালবী লিযিকরিকা, ওয়ারযুকনী ত্বা‘আতাকা ওয়া ত্বা‘আতা রাসূলিকা, ওয়া ‘আমালাম বিকিতাবিকা।
হে আল্লাহ! আপনার যিকিরের জন্য আমার অন্তরের শ্রবণশক্তি উন্মুক্ত করে দিন। আমাকে আপনার আনুগত্য, আপনার রাসূলের আনুগত্য এবং আপনার কিতাব অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন।
আল্লাহুম্মাজ‘আলনী আখশাকা কা-আন্নী আরা'কা আবাদান হাত্তা আলক্বাকা, ওয়া আস‘ইদনী বিতাকওয়াকা, ওয়া লা তুশকিনী বিমা‘সিয়াতিক।
হে আল্লাহ! আমাকে এমনভাবে আপনার ভয় ও সম্মান অন্তরে ধারণকারী বানিয়ে দিন, যেন আমি সর্বদা আপনাকে দেখছি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত। আপনার তাকওয়া অবলম্বনের মাধ্যমে আমাকে সৌভাগ্যবান করুন এবং আপনার অবাধ্যতার কারণে আমাকে দুর্ভাগা করবেন না।
আল্লাহুম্মারযুকনী ‘আইনাইনি হাত্তালাতাইনি, তাসকিয়ানিল-কালবা বিযুরূফিদ-দাম‘ই মিন খাশইয়াতিকা, কাবলা আন তাকূনাদ-দুমূ‘উ দামাওঁ ওয়াল-আদরাসু জামরান।
হে আল্লাহ! আমাকে এমন দুটি চোখ দান করুন, যা থেকে অঝোরে অশ্রু ঝরে; আপনার ভয়ে সেই অশ্রুধারা আমার অন্তরকে সিক্ত করে। এমন সময় আসার আগেই, যখন চোখের পানি রক্তে পরিণত হবে এবং দাঁতগুলো জ্বলন্ত অঙ্গারে পরিণত হবে।
আল্লাহুম্মা ফা'রিজাল-হাম্মি, কা'শিফাল-গাম্মি, মুজীবা দা‘ওয়াতিল-মুদতাররীনা! রাহমা'নাদ-দুনইয়া ওয়া রহীমাহা! আনতা তারহামুনী, ফারহামনী বিরাহমাতিন তুগনীনী বিহা ‘আন রাহমাতি মান সিওয়াক।
হে আল্লাহ! দুশ্চিন্তা দূরকারী, দুঃখ-কষ্ট মোচনকারী এবং অসহায়দের দু‘আ কবুলকারী! হে দুনিয়ার পরম দয়াময় ও করুণাময়! আপনিই আমার প্রতি দয়া করেন। অতএব, আপনি আমার প্রতি এমন রহমত করুন, যার মাধ্যমে আপনি ছাড়া অন্য কারও রহমতের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে আমি অমুখাপেক্ষী হতে পারি।
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফুজা’আতিল-খাইরি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ফুজা’আতিশ-শাররি।
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আকস্মিক কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং আকস্মিক অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চাইছি।
আল্লাহুম্মা আনতাস-সালাম, ওয়া মিনকাস-সালাম, ওয়া ইলাইকা ইয়া‘ঊদুস-সালাম। আসআলুকা ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরামি, আন তাসতাজীবা লানা দা‘ওয়াতানা, ওয়া আন তু‘তিয়ানা রাগবাতানা, ওয়া আন তুগনিয়ানা ‘আম্মান আগনাইতাহূ ‘আন্না মিন খালকিকা।
হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি ও নিরাপত্তার উৎস, আপনার পক্ষ থেকেই শান্তি আসে এবং আপনার দিকেই শান্তি ফিরে যায়। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, আপনি যেন আমাদের দু‘আ কবুল করেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেন এবং আপনার সৃষ্টির মধ্যে যাদের থেকে আমাদের অমুখাপেক্ষী করেছেন, তাদের থেকে আমাদেরও অমুখাপেক্ষী করে দেন।
আল্লাহুম্মা আরদিনী বিক্বাদা'ইকা, ওয়া বারিক লী ফীমা কুদ্দিরা লী, হাত্তা লা উহিব্বা তা‘জীলা মা আখখারতা, ওয়া লা তা’খীরা মা ‘আ'জ্জালতা।
ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার ফয়সালায় রাজি-খুশি রাখুন আর যা কিছু আমার জন্য ধার্য হয়েছে, তাতে আমার জন্য বরকত দিন, যেন আপনি যা বিলম্বে রেখেছেন, তাতে আমি ত্বরা না করি আর যা আপনি অবিলম্বে রেখেছেন, তাতে বিলম্ব অন্বেষণ না করি।
আল্লাহুম্মা আহ'ইনী মিসকীনাওঁ, ওয়া আমিতনী মিসকীনাওঁ, ওয়াহ'শুরনী ফী যুমরাতিল-মাসাকীন।
হে আল্লাহ! আমাকে মিসকীন (বিনয়ী ও আপনার মুখাপেক্ষী) অবস্থায় জীবিত রাখুন, মিসকীন অবস্থায় মৃত্যু দিন এবং মিসকীনদের দলের অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে হাশরের ময়দানে উঠান।
nullআল্লাহুম্মা আনতা খালাকতা নাফসী, ওয়া আনতা তাওয়াফ্ফাহা। লাকা মামাতুহা ওয়া মাহইয়াহা। ইন আহইয়াইতাহা ফাহফাযহা বিমা তাহফাযু বিহি ‘ইবাদাকাস সালিহীন। ওয়া ইন আমাত্তাহা ফাগফির লাহা ওয়ারহামহা।
হে আল্লাহ! আপনিই আমার প্রাণ সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তা কবয করবেন। এর মৃত্যু ও জীবন আপনারই অধীন। যদি আপনি একে জীবিত রাখেন, তবে আপনার নেককার বান্দাদের যেভাবে হেফাজত করেন, সেভাবে একে হেফাজত করুন। আর যদি আপনি একে মৃত্যুদান করেন, তবে একে ক্ষমা করুন এবং এর প্রতি রহম করুন।
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল বারাসি, ওয়া মিনাশ শিকাকি, ওয়ান-নিফাকি, ওয়া সূইল আখলাকি, ওয়া মিন শাররি মা তা‘লামু। আ‘ঊযু বিল্লাহি মিন হালি আহলিন নারি, ওয়া মিনান নারি, ওয়া মা ক্বাররাবা ইলাইহা মিন কাওলিন আও ‘আমালিন। ওয়া মিন শাররি মা আনতা আখিযুম বিনাসিয়াতিহি। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি মা ফী হাযাল ইয়াওমি, ওয়া শাররি মা বা‘দাহু, ওয়া মিন শাররি নাফসী, ওয়া শাররিশ শাইতানি ওয়া শিরকিহি। ওয়া আন নাকতারিফা ‘আলা আনফুসিনা সূআন, আও নাজুররাহূ ইলা মুসলিমিন, আও আকতাসিবা খাতীআতান আও যানবান লা তাগফিরুহু, ওয়া মিন দ্বীকিল মাক্বামি ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ।
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে শ্বেতী রোগ, বিদ্বেষ, মুনাফিকি, মন্দ চরিত্র এবং আপনার জানা যাবতীয় অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। আমি জাহান্নামবাসীদের অবস্থা, জাহান্নাম এবং এমন কথা ও কাজ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই, যা জাহান্নামের নিকটবর্তী করে। আর যার নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে, তার অনিষ্ট থেকেও আশ্রয় চাই। আমি আপনার কাছে এই দিনের অনিষ্ট, পরবর্তী সময়ের অনিষ্ট, নিজের নফসের অনিষ্ট, শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরক থেকে আশ্রয় চাই। আরও আশ্রয় চাই যেন আমরা নিজেদের ওপর কোনো মন্দ কাজ না করি, অথবা কোনো মুসলিমের ওপর তা চাপিয়ে না দিই; কিংবা এমন কোনো অপরাধ বা পাপ না করি, যা আপনি ক্ষমা করবেন না। আর কিয়ামতের দিন সংকীর্ণ ও কঠিন অবস্থানে পড়া থেকেও আপনার আশ্রয় চাই।
দু'আর বিষয়সমূহ
40টি বিষয় পাওয়া গেছে