মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৩২ টি
হাদীস নং: ১৫৬
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফাযায়েলে শায়খাইন
১৫৬. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, (একদিন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (এক মজলিসে) বললেন যে, এক ব্যক্তি একটি বলদ হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। চলতে চলতে সে যখন ক্লান্ত হয়ে গেল, তখন এর পিঠে সওয়ার হয়ে গেল। বলদটি বলল, আমাদেরকে তো এ জন্য সৃষ্টি করা হয়নি, আমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে হাল চালানোর জন্য। তখন উপস্থিত লোকেরা আশ্চর্য হয়ে বলল, সুবহানাল্লাহ! বলদও কথা বলে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি বিশ্বাস রাখি যে, এমনই হয়েছে এবং আবু বকর রাযি. ও উমর রাযি.ও বিশ্বাস রাখে। রাবী বলেন, অথচ এ দু'জন তখন ঐ মজলিসে ছিলেনই না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ ঘটনাও বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি তার ছাগলের পাল নিয়ে মাঠে ছিল। হঠাৎ একটি বাঘ এসে আক্রমণ করে এখান থেকে একটি ছাগল ছিনিয়ে নিয়ে গেল। ছাগলের মালিক তাকে ধরে ফেলল এবং মুক্ত করে আনল। বাঘ তখন তাকে বলল, হিংস্র প্রাণীর রাজত্বের দিন এগুলোর রাখাল কে থাকবে? সেদিন তো আমি ছাড়া তাদের কোন রাখাল থাকবে না। লোকেরা বলল, সুবহানাল্লাহ! বাঘও কথা বলে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমার ঈমান রয়েছে যে, এ ঘটনা সত্য। আর আবু বকর রাযি. ও উমরের রাযি.ও বিশ্বাস রয়েছে। অথচ এ দু'জন (সে সময়) সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। -বুখারী, মুসলিম
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " بَيْنَمَا رَجُلٌ يَسُوقُ بَقَرَةً إِذْ أَعْيَى فَرَكِبَهَا، فَقَالَتْ: إِنَّا لَمْ نُخْلَقْ لِهَذَا، إِنَّمَا خُلِقْنَا لِحَرَاثَةِ الْاَرْضِ" فَقَالَ النَّاسُ: سُبْحَانَ اللَّهِ بَقَرَةٌ تَتَكَلَّمُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فَإِنِّي أُومِنُ بِهِ، أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، - وَمَا هُمَا ثَمَّ – وَقَالَ بَيْنَمَا رَجُلٌ فِي غَنَمِهِ إِذْ عَدَا الذِّئْبُ، عَلَى شَاةٍ مِنْهَا فَاَخَذَهَا، فَاَدْرَكَهَا صَاحِبُهَا فَاسْتَنْقَذَهَا، فَقَالَ لَهُ الذِّئْبُ فَمَنْ لَهَا يَوْمَ السَّبُعِ، يَوْمَ لاَ رَاعِيَ لَهَا غَيْرِي " فَقَالَ النَّاسُ: سُبْحَانَ اللَّهِ ذِئْبٌ يَتَكَلَّمُ، فَقَالَ: «أُومِنُ بِهِ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، وَمَا هُمَا ثَمَّ» (رواه البخارى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৭
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফাযায়েলে শায়খাইন
১৫৭. হযরত ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন ঘরের বাইরে আসলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন। এ সময় তাঁর সাথে আবূ বকর রাযি. ও উমর রাযি. ও ছিলেন। একজন তাঁর ডান দিকে ও অপরজন বাম দিকে। তিনি তাঁদের হাত ধরে বললেন, আমরা কিয়ামতের দিন এভাবেই উঠব। তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ ذَاتَ يَوْمٍ وَدَخَلَ الْمَسْجِدَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، أَحَدُهُمَا عَنْ يَمِينِهِ وَالآخَرُ عَنْ شِمَالِهِ وَهُوَ آخِذٌ بِأَيْدِيهِمَا، وَقَالَ: هَكَذَا نُبْعَثُ يَوْمَ القِيَامَةِ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৮
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফাযায়েলে শায়খাইন
১৫৮. হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি জানিনা যে, আমি কত দিন তোমাদের মধ্যে বর্তমান থাকব। (তাই আমি যখন তোমাদের মধ্যে থাকব না,) তখন তোমরা আবু বকর রাযি. ও উমর রাযি. এ দু'জনের অনুসরণ করে যেয়ো। -তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنِّي لاَ أَدْرِي مَا بَقَائِي فِيكُمْ، فَاقْتَدُوا بِالَّذَيْنِ مِنْ بَعْدِي. وَأَشَارَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফাযায়েলে শায়খাইন
১৫৯. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আবূ বকর রাযি. ও উমর রাযি. নবী-রাসূলগণ ব্যতীত, পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মধ্যবয়সী জান্নাতীদের সরদার হবেন। -তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبُوْ بَكْرٍ وَعُمَرُ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ إِلاَّ النَّبِيِّينَ وَالمُرْسَلِينَ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফাযায়েলে শায়খাইন
১৬০. হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীরই দু'জন উযীর হয়ে থাকেন আসমানবাসী থেকে। (অর্থাৎ, ফিরিশতাদের মধ্য থেকে।) আর দু'জন উযীর হয়ে থাকেন পৃথিবীবাসী থেকে। আসমানের অধিবাসীদের মধ্য থেকে আমার দু'জন উযীর হলেন, জিবরাঈল, মিকাঈল। আর পৃথিবী-বাসীদের মধ্যে আমার দু'জন উযীর হলেন, আবু বকর রাযি.ও উমর রাযি.। তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا مِنْ نَبِيٍّ إِلاَّ وَلَهُ وَزِيرَانِ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ وَوَزِيرَانِ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ، فَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ فَجِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ، وَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ فَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬১. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (আমার পিতা) হযরত আবূ বকর রাযি. কোন প্রয়োজনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আসার অনুমতি চাইলেন। এ সময় তিনি আমার বিছানায় আমার একটি চাদর গায়ে দিয়ে শোয়া ছিলেন। তিনি তাঁকে ভিতরে আসার অনুমতি দিলেন এবং তিনি যেভাবে শোয়া ছিলেন সেভাবেই শুয়ে থাকলেন, আবূ বকর রাযি. ভিতরে আসলেন এবং প্রয়োজনীয় কথা বলে চলে গেলেন। তারপর হযরত উমর রাযি. (কোন প্রয়োজনে) ভিতরে আসার অনুমতি প্রার্থনা করলেন এবং তিনি তাঁকেও অনুমতি দিলেন। হযরত উমর রাযি. ভিতরে আসলেন এবং তিনি যে অবস্থায় ছিলেন, সে অবস্থায়ই থাকলেন। তারপর তিনিও নিজের প্রয়োজনীয় কথা বলে ফিরে গেলেন। তারপর হযরত উসমান রাযি. ভিতরে আসার অনুমতি চাইলেন। এবার তিনি গোছালো অবস্থায় বসে গেলেন এবং নিজের কাপড়গুলো ঠিক করে নিলেন, আর আমাকে বললেন, তুমিও নিজের কাপড় (চাদর ইত্যাদি) ভালভাবে গায়ে দিয়ে নাও। তারপর তিনি তাঁকে ভিতরে আসার অনুমতি দিলেন। তিনিও তাঁর নিকট আসলেন এবং যেসব প্রয়োজনীয় কথা বলার ছিল সেগুলো বলে চলে গেলেন। হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, (হযরত উসমান রাযি. চলে যাওয়ার পর) আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। উসমান রাযি.-এর জন্য আপনি যেরূপ ব্যবস্থা অবলম্বন করেছেন, আবূ বকর রাযি. ও উমর রাযি.-এর জন্য তো এরূপ করতে দেখলাম না। তিনি উত্তর দিলেন, উসমান খুবই লাজুক মানুষ। তাই আমি আশংকা করেছিলাম যে, তাঁকে যদি এ অবস্থায় অনুমতি দিয়ে দেই, তাহলে সে (চরম লাজুকতার কারণে দ্রুত চলে যাবে) এবং সেই প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলতে পারবে না, যার জন্য সে এসেছিল। (এজন্যই আমি তাঁর সাথে একটু ভিন্ন আচরণ করেছি।) মুসলিম
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ عَائِشَةَ اسْتَأْذَنَ أَبُوْ بَكْرٍ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ مُضْطَجِعٌ عَلَى فِرَاشِىْ، عَلَيْهِ مِرْطٌ لِىْ، فَأَذِنَ لَهُ وَهُوَ عَلَى حَالِهِ، فَقَضَى إِلَيْهِ حَاجَتَهُ، ثُمَّ انْصَرَفَ، ثُمَّ اسْتَأْذَنَ عُمَرُ، فَأَذِنَ لَهُ وَهُوَ عَلَى تِلْكَ الْحَالَةِ فَقَضَى إِلَيْهِ حَاجَتَهُ، ثُمَّ انْصَرَفَ،: ثُمَّ اسْتَأْذَنَ عُثْمَانُ فَجَلَسَ وَاَصْلَحَ عَلَيْهِ ثِيَابَهُ، وَقَالَ: «اجْمَعِي عَلَيْكِ ثِيَابَكِ» فَقَضَى إِلَيْهِ حَاجَتَهُ، ثُمَّ انْصَرَفَ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ لَمْ أَرَكَ فَزِعْتَ لِأَبِي بَكْرٍ، وَعُمَرَ، كَمَا فَزِعْتَ لِعُثْمَانَ؟ فَقَالَ يَا عَائِشَةُ «إِنَّ عُثْمَانَ رَجُلٌ حَيِيٌّ، وَإِنِّي خَشِيتُ، إِنْ أَذِنْتُ لَهُ عَلَى تِلْكَ الْحَالِ، أَنْ لَا يَبْلُغَ إِلَيَّ فِي حَاجَتِهِ» وَفِىْ رِوَايَةٍ قَالَ لَهَا اَلَا اَسْتَحْىِ مِنْ رَجُلٍ تَسْتَحْىِ مِنْهُ الْمَلَائِكَةُ. (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬২. হযরত আব্দুর রহমান ইবনে খাব্বাব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম- যখন তিনি (মিম্বরের উপর তাশরীফ রেখে) তাবুক যুদ্ধে সাহায্য করার জন্য লোকদেরকে উৎসাহ দিচ্ছিলেন। এমন সময় হযরত উসমান রাযি. দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার যিম্মায় একশ' উট-গদি ও পালানসহ। (অর্থাৎ, আমি এ জেহাদে একশ' উট পেশ করব সম্পূর্ণ সামানসহ।) তারপর তিনি আবার উৎসাহ দিলেন। এবারও হযরত উসমান রাযি. দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমি (অতিরিক্ত আরো) দু'শ উট দান করব গদি ও পালানসহ। তারপর আবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুদ্ধে সাহায্য করার জন্য উৎসাহ প্রদান করলেন। এবারও হযরত উসমান রাযি. দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন, আমি (অতিরিক্ত আরো) তিনশ উট দান করব গদি ও পালানসহ। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বর থেকে নেমে আসছেন এবং বলছেন: مَا عَلَى عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ هَذِهِ (অর্থাৎ, উসমান রাযি. তাঁর এ আমল ও আর্থিক কুরবানীর পর যাই করুক, তাঁর কোন ক্ষতি হবে না। কথাটি তিনি দু'বার বললেন। -তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَبَّابٍ، قَالَ: شَهِدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَحُثُّ عَلَى تَجْهِيْزِ جَيْشِ العُسْرَةِ فَقَامَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ عَلَيَّ مِائَةُ بَعِيرٍ بِأَحْلاَسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللهِ، ثُمَّ حَضَّ عَلَى الجَيْشِ فَقَامَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ عَلَيَّ مِائَتَا بَعِيرٍ بِأَحْلاَسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللهِ، ثُمَّ حَضَّ عَلَى الجَيْشِ فَقَامَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ عَلَيَّ ثَلاَثُ مِائَةِ بَعِيرٍ بِأَحْلاَسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللهِ، فَأَنَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْزِلُ عَنِ الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ: مَا عَلَى عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ هَذِهِ، مَا عَلَى عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ هَذِهِ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৩
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৩. হযরত আব্দুর রহমান ইবনে সামুরা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) যখন তাবুক যুদ্ধের জন্য যুদ্ধ সরঞ্জাম প্রস্তুত করছিলেন, তখন হযরত উসমান রাযি. স্বীয় জামার আস্তিনে করে এক হাজার দীনার নিয়ে আসলেন এবং এগুলো তাঁর কোলে ঢেলে ছিলেন। আমি দেখলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের কোলে এগুলো উলট-পালট করছেন এবং বলছেন, উসমান রাযি. আজ যে কাজ করছে, এরপর সে যাই করুক, তাঁর কোন ক্ষতি হবে না। কথাটি তিনি দু'বার বললেন। -মুসনাদে আহমদ
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: جَاءَ عُثْمَانُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَلْفِ دِينَارٍ فِي كُمِّهِ، حِينَ جَهَّزَ جَيْشَ الْعُسْرَةِ، فَنَشَرَهَا فِي حِجْرِهِ فَرَأَيْتُهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يُقَلِّبُهَا فِىْ حِجْرِهِ، وَيَقُولُ: «مَا ضَرَّ ابْنُ عَفَّانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ الْيَوْمِ» مَرَّتَيْنِ. (رواه احمد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৪
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৪. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন (হুদায়বিয়ার) বায়আতে রিযওয়ানের নির্দেশ দিলেন, সে সময় হযরত উসমান রাযি. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দূত হিসাবে মক্কায় ছিলেন। লোকেরা (যারা উপস্থিত ছিল,) বায়আত গ্রহণ করে নিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন বললেন, উসমান রাযি. আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কাজে মক্কায় রয়েছে। (সে যদি উপস্থিত থাকত, তাহলে তোমাদের সাথে সেও বায়আতে শরীক থাকত। তাই আমি তাঁর পক্ষ থেকে বায়আত গ্রহণ করছি।) তারপর তিনি (হযরত উসমানের পক্ষ থেকে) নিজেরই এক হাত অপর হাতের উপর রাখলেন। (হাদীসের বর্ণনাকারী হযরত আনাস বলেন,) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হাত যা দ্বারা তিনি উসমানের পক্ষ থেকে বায়আত গ্রহণ করছিলেন, এটা হযরত উসমানের জন্য অন্যান্য লোকের হাত থেকে উত্তম হয়ে গেল, যারা নিজ হাতে বায়আত গ্রহণ করেছিল। -তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَنَسِ قَالَ: قَالَ لَمَّا أُمِرَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَيْعَةِ الرِّضْوَانِ كَانَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ رَسُولَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى مَكَّةَ فَبَايَعَ النَّاسَ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ عُثْمَانَ فِي حَاجَةِ اللهِ وَحَاجَةِ رَسُولِهِ. فَضَرَبَ بِإِحْدَى يَدَيْهِ عَلَى الأُخْرَى، فَكَانَتْ يَدُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعُثْمَانَ خَيْرًا مِنْ أَيْدِيهِمْ لأَنْفُسِهِمْ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৫. হযরত মুররাহ ইবনে কা'ব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে (এক ভাষণে বলতে) শুনেছি। এ ভাষণে তিনি বিভিন্ন ফেতনার কথা আলোচনা করছিলেন এবং এগুলো যে নিকটবর্তী সময়েই প্রকাশিত হবে, একথাও উল্লেখ করছিলেন। এমন সময় কাপড়ে মাথা ঢেকে এক ব্যক্তি যাচ্ছিল। তিনি তার দিকে ইশারা করে বললেন, এ লোকটি ঐ ফেতনার সময় সঠিক পথে থাকবে। (বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ কথা শুনে) তার নিকট গেলাম, (যাতে লোকটা কে তা চিনতে পারি।) লক্ষ করে দেখলাম যে, তিনি হযরত উসমান রাযি.। আমি তাঁর দিকে ইশারা করে জিজ্ঞাসা করলাম, ইনিই কি তিনি? (যার ব্যাপারে আপনি বলেছেন যে, ফেতনার সময় হেদায়াত ও সঠিক পথে থাকবে?) তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ। -তিরমিযী, ইবনে মাজাহ্
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ مُرَّةُ بْنُ كَعْبٍ قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذَكَرَ الفِتَنَ فَقَرَّبَهَا، فَمَرَّ رَجُلٌ مُقَنَّعٌ فِي ثَوْبٍ فَقَالَ: هَذَا يَوْمَئِذٍ عَلَى الهُدَى، فَقُمْتُ إِلَيْهِ فَإِذَا هُوَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ. قَالَ: فَأَقْبَلْتُ عَلَيْهِ بِوَجْهِهِ، فَقُلْتُ: هَذَا؟ قَالَ: نَعَمْ. (رواه الترمذى وابن ماجه)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৬. হযরত আবূ মূসা আশআরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম (ﷺ) এর সাথে মদীনার এক বাগানে ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি আসল এবং দরজা খুলে দিতে অনুরোধ করল। নবী করীম (ﷺ) বললেন, তাঁর জন্য দরজা খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দান কর। আমি তাঁর জন্য দরজা খুলে দিলাম এবং দেখলাম যে, ইনি হচ্ছেন আবু বকর রাযি.। আমি তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করলেন। তারপর আরেক ব্যক্তি আসল এবং দরজা খুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করল। নবী করীম (ﷺ) বললেন, তাঁর জন্যও দরজা খুলে দাও এবং তাঁকেও জান্নাতের সুসংবাদ দান কর। আমি দরজা খুলে দিলাম এবং দেখলাম যে, ইনি হচ্ছেন হযরত উমর রাযি.। আমি তাঁকে ঐ কথা শুনিয়ে দিলাম, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেন। তিনিও আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করলেন। তারপর আরেক ব্যক্তি এসে দরজা খোলার জন্য অনুরোধ করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তার জন্যও দরজা খুলে দাও এবং তাঁকেও জান্নাতের সুসংবাদ দাও একটি বড় বিপদের সাথে, যা তাঁর উপর আসবে। আমি (দরজা খুলে দিয়ে) দেখলাম যে, ইনি হযরত উসমান রাযি.। আমি তাঁকে ঐ কথা বলে দিলাম- যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর বেলায় বলেছিলেন। তিনিও আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর শুকরিয়া আদায় করলেন। তারপর বললেন, الله المستعان (অর্থাৎ আগত বিপদে আল্লাহই আমার সহায়।) -বুখারী, মুসলিম
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَبِي مُوسَى الْاَشْعَرِىْ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَائِطٍ مِنْ حِيطَانِ المَدِينَةِ فَجَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَفْتَحَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «افْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» فَفَتَحْتُ لَهُ، فَإِذَا أَبُو بَكْرٍ، فَبَشَّرْتُهُ بِمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَحَمِدَ اللَّهَ، ثُمَّ جَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَفْتَحَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «افْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ»، فَفَتَحْتُ لَهُ فَإِذَا هُوَ عُمَرُ، فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَحَمِدَ اللَّهَ، ثُمَّ اسْتَفْتَحَ رَجُلٌ، فَقَالَ لِي: «افْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ، عَلَى بَلْوَى تُصِيبُهُ»، فَإِذَا عُثْمَانُ، فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا قَالَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَمِدَ اللَّهَ، ثُمَّ قَالَ: اللَّهُ المُسْتَعَانُ. (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৭
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৭. হযরত সুমামা ইবনে হাযম কুশায়রী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত উসমান রাযি.-এর ঘরে ঐ সময় উপস্থিত ছিলাম, যখন তিনি (তাঁর গৃহ অবরোধকারী বিদ্রোহী ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী লোকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে) বলেছিলেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ ও ইসলামের দোহাই দিয়ে বলছি, তোমরা কি জান যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন সেখানে রুমা কূপ ছাড়া অন্য কোথাও মিঠা পানির ব্যবস্থা ছিল না। (আর এটা ছিল এক ইয়াহুদীর মালিকানাধীন। সে এর পানি ইচ্ছামত চড়ামূল্যে বিক্রি করত।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন বললেন, "এমন কে আছে যে, রুমা কূপটি খরিদ করে মুসলমানদের জন্য ওয়াকফ করে দিবে? আল্লাহ তা'আলা তাকে জান্নাতে এর চেয়ে উত্তম দান করবেন।" আমি তখন আমার ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে এটা ক্রয় করে (ওয়াকফ করে) দিলাম। আর আজ তোমরা আমাকে সেখান থেকে পানি পান করতে নিষেধ করছ, যে কারণে আমি সমুদ্রের পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছি। এর উত্তরে তারা বলল, اللهم نعم (অর্থাৎ, হে আল্লাহ্। আমরা জানি যে, হযরত উসমানের এ কথা ঠিক) তারপর উসমান রাযি. বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ ও ইসলামের দোহাই দিয়ে বলছি, তোমাদের কি এ কথা জানা আছে যে, মসজিদে নববী নামাযীদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (একদিন) বললেন, "এমন কেউ আছে কি, যে অমুক পরিবারের ভূখণ্ডটি (যা মসজিদের বরাবর ছিল।) ক্রয় করে আমাদের মসজিদে শামিল করে দিবে। আল্লাহ্ এর বিনিময়ে জান্নাতে উত্তম স্থান দান করবেন।" তখন আমি এটা ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে ক্রয় করে (মসজিদে শামিল করে দিলাম। অথচ আজ তোমরা আমাকে সেখানে দু'রাকাআত নামায পড়তে বাধা দিচ্ছ। লোকেরা উত্তরে বলল, اللهم نعم (হে আল্লাহ্! আমরা জানি যে, হযরত উসমান রাযি. হুযুর (ﷺ)-এর কথায় এ ভূমি খণ্ডটি ক্রয় করে মসজিদে শামিল করে দিয়েছিলেন।) তারপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের দোহাই দিয়ে বলছি, তোমরা কি জান যে, আমি তাবুক অভিযানে সৈন্যদের জন্য আমার অর্থ দিয়ে যুদ্ধ উপকরণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম? লোকেরা বলল, اللهم نعم (হে আল্লাহ্। আমরা একথাও জানি।) তারপর হযরত উসমান রাযি. বললেন, আমি আল্লাহ্ ও ইসলামের দোহাই দিয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি যে, তোমাদের কি এ কথা জানা আছে যে, (একদিন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কার 'সাবীর' পাহাড়ের উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে আবূ বকর রাযি. ও উমর রাযি.ও ছিলেন। আমিও তাঁদের সাথে ছিলাম। এ সময় পাহাড়টি নড়াচড়াও করতে লাগল এবং এর পাথর নীচে পড়তে শুরু করল। তিনি তখন নিজের কদম মুবারক পাহাড়ের উপর সজোরে মারলেন এবং বললেন, اسكن ثبير (স্থির হয়ে যাও হে সাবীর।) কেননা, এ সময়ে তোমার উপর রয়েছেন একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দু'জন শহীদ। লোকেরা উত্তর দিল, اللهم نعم (হে আল্লাহ্। এ ঘটনাও আমরা জানি।) তারপর হযরত উসমান রাযি. বললেন, আল্লাহু আকবার। এ লোকেরাও সাক্ষ্য দিয়েছে। (এরই সাথে তিনি বললেন,) কা'বার মালিকের কসম! আমি শহীদ হব। কথাটি তিনি তিন বার বললেন। -তিরমিযী, নাসায়ী ও দারাকুতনী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ حَزْنٍ الْقُشَيْرِيِّ، قَالَ: شَهِدْتُ الدَّارَ حِينَ أَشْرَفَ عَلَيْهِمْ عُثْمَانُ، فَقَالَ: أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ وَالْإِسْلَامِ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدِمَ الْمَدِينَةَ وَلَيْسَ بِهَا مَاءٌ يُسْتَعْذَبُ غَيْرَ بِئْرِ رُومَةَ؟ فَقَالَ: " مَنْ يَشْتَرِي بِئْرَ رُومَةَ فَيَجْعَلُ فِيهَا دَلْوَهُ مَعَ دِلَاءِ الْمُسْلِمِينَ بِخَيْرٍ لَهُ مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ؟ فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ صُلْبِ مَالِي فَجَعَلْتُ دَلْوِي فِيهَا مَعَ دِلَاءِ الْمُسْلِمِينَ، وَأَنْتُمُ الْيَوْمَ تَمْنَعُونِي مِنَ الشُّرْبِ مِنْهَا حَتَّى أَشْرَبَ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ، قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ، قَالَ: فَأَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ وَالْإِسْلَامِ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنِّي جَهَّزْتُ جَيْشَ الْعُسْرَةِ مِنْ مَالِي؟ قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ، قَالَ: فَأَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ وَالْإِسْلَامِ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ الْمَسْجِدَ ضَاقَ بِأَهْلِهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يَشْتَرِي بُقْعَةَ آلِ فُلَانٍ فَيَزِيدُهَا فِي الْمَسْجِدِ بِخَيْرٍ لَهُ مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ؟» فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ صُلْبِ مَالِي فَزِدْتُهَا فِي الْمَسْجِدِ، وَأَنْتُمْ تَمْنَعُونِي أَنْ أُصَلِّيَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ، قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ، قَالَ: أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ وَالْإِسْلَامِ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ عَلَى ثَبِيرٍ ثَبِيرِ مَكَّةَ، وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَأَنَا، فَتَحَرَّكَ الْجَبَلُ فَرَكَضَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرِجْلِهِ وَقَالَ: «اسْكُنْ ثَبِيرُ، فَإِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيٌّ وَصِدِّيقٌ وَشَهِيدَانِ» قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ، قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ، شَهِدُوا لِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ - يَعْنِي أَنِّي شَهِيدٌ ثَلَاثًا. (رواه الترمذى والنسائى والدار قطنى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৮
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৮. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) (একদিন) উহুদ পাহাড়ে উঠলেন। তাঁর সাথে আবূ বকর রাযি., উমর রাযি. ও উসমান রাযি. ও ছিলেন। পাহাড়টি তখন কাঁপতে শুরু করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন এতে আপন কদম মুবারক মারলেন এবং বললেন, হে উহুদ। তুমি স্থির হয়ে যাও। এ মুহূর্তে তোমার উপর আল্লাহর একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দু'জন শহীদ রয়েছেন। -বুখারী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَعِدَ أُحُدًا، وَأَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، وَعُثْمَانُ فَرَجَفَ بِهِمْ، فَضَرَبَهُ بِرِجْلِهِ فَقَالَ: «اثْبُتْ أُحُدُ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيٌّ، وَصِدِّيقٌ، وَشَهِيدَانِ» (رواه البخارى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৯
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৬৯. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) (একদিন) হযরত উসমানকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, হে উসমান। আশা করা যায় যে, আল্লাহ তা'আলা তোমাকে একটি বিশেষ জামা পরিধান করাবেন। তাই লোকেরা যদি এ জামা খুলে নিতে চায়, তাহলে তাদের কথায় এটা তুমি খুলে ফেলো না। -তিরমিযী, ইবনে মাজাহ্
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَا عُثْمَانُ إِنَّهُ لَعَلَّ اللَّهَ يُقَمِّصُكَ قَمِيصًا، فَإِنْ أَرَادُوكَ عَلَى خَلْعِهِ فَلاَ تَخْلَعْهُ لَهُمْ. (رواه الترمذى وابن ماجه)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭০
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৭০. হযরত আবূ সাহলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত উসমান রাযি. গৃহবন্দী অবস্থায় আমাকে বিশেষভাবে একটি ওসিয়্যত করেছিলেন। আমি ধৈর্যের সাথে ঐ ওসিয়্যতের উপর আমল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। -তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَبِي سَهْلَةَ، قَالَ: قَالَ لِىْ عُثْمَانُ يَوْمَ الدَّارِ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ عَهِدَ إِلَيَّ عَهْدًا فَأَنَا صَابِرٌ عَلَيْهِ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭১
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৭১. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) (এক দিন আপন ভাষণে) একটি বিরাট ফেতনার কথা আলোচনা করলেন এবং হযরত উসমানের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, এ লোকটি ঐ ফেতনার সময় মজলুম অবস্থায় নিহত হবে। -তিরমিযী
کتاب المناقب والفضائل
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَ فِتْنَةً، فَقَالَ: يُقْتَلُ هَذَا فِيهَا مَظْلُومًا يَعْنِىْ عُثْمَانَ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭২
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৭২. হযরত উসমান রাযি.-এর আযাদকৃত গোলাম মুসলিম ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণিত, (যেদিন হযরত উসমানকে শহীদ করা হয়, সেদিন) তিনি বিশটি গোলাম আযাদ করলেন এবং পায়জামা আনতে বললেন (এবং এটা পরিধান করলেন।) এটাকে শক্ত করে বাধলেন। অথচ তিনি ইসলামপূর্ব জাহিলিয়্যাত যুগে এবং ইসলাম গ্রহণের পরও কখনো এটা পরিধান করেননি। তিনি বললেন, আমি গত রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ), হযরত আবূ বকর রাযি. ও উমরকে রাযি. স্বপ্নে দেখেছি। তাঁরা আমাকে বলছেন, তুমি ধৈর্যধারণ কর, আগামীকাল তুমি আমাদের সাথে ইফতার করবে। তারপর তিনি কুরআন শরীফ আনতে বললেন এবং সামনে নিয়ে খুলে পড়তে শুরু করলেন। পরে এ অবস্থায়ই তাকে হত্যা করা হল যে, কুরআন শরীফ তাঁর সামনেই ছিল।-মুসনাদে আহমদ, মুসনাদে আবূ ই'য়ালা
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ مُسْلِمٍ بْنِ سَعِيدٍ، مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، إِنَّ عُثْمَانَ أَعْتَقَ عِشْرِينَ عَبْدًا وَدَعَا بِسَرَاوِيلَ فَشَدَّهَا عَلَيْهِ، وَلَمْ يَلْبَسْهَا فِي جَاهِلِيَّةٍ، وَلا إِسْلامٍ وَقَالَ: إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، الْبَارِحَةَ فِي الْمَنَامِ، وَرَأَيْتُ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ، وَإِنَّهُمْ قَالُوا لِي: «اصْبِرْ فَإِنَّكَ تُفْطِرُ عِنْدَنَا الْقَابِلَةَ، فَدَعَا بِمُصْحَفٍ فَنَشَرَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَقُتِلَ، وَهُوَ بَيْنَ يَدَيْهِ» (رواه ابن احمد والموصلى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৩
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৭৩. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, মুসলমানদের সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি সস্ত্রীক হাবশার দিকে হিজরত করে যান, তিনি হচ্ছেন হযরত উসমান ইবনে আফফান রাযি.। তিনি তাঁর স্ত্রী (হযরত রুকাইয়া)-কে সাথে নিয়ে হাবশার দিকে রওয়ানা হন। (তারপর দীর্ঘ দিন পর্যন্ত) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁদের কোন সংবাদ পাননি। তাই তিনি সংবাদ জানার জন্য বাইরে যেতেন এবং অপেক্ষায় থাকতেন। এরই মধ্যে এক কুরাইশী মহিলা হাবশা থেকে মক্কায় আসল। তিনি তার কাছে তাঁদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন, সে বলল, হে আবুল কাসেম। আমি তাঁদের দু'জনকে দেখেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কি অবস্থায় দেখেছ? মহিলা বলল, আমি উসমানকে দেখলাম যে, তিনি (আপনার কন্যা) রুকাইয়াকে একটি ধীরগতির হিমারের উপর সওয়ার করিয়ে দিয়ে নিজে পেছনে থেকে পায়ে হেঁটে যাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের সাথে থাকুন (এবং তাঁদের হেফাযত করুন।) তারপর তিনি বললেন, হযরত লূত আ. এর পর উসমানই প্রথম ব্যক্তি, যিনি নিজের স্ত্রীকে নিয়ে আল্লাহর দিকে হিজরত করেছেন। -তাবরানী, বায়হাকী, ইবনে আসাকির
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ أَنَسٍ أَنَّ أَوَّلَ مَنْ هَاجَرَ مِنْ الْمُسْلِمِينَ إلَى الْحَبَشَةِ بِأَهْلِه عُثْمَانُ بْنِ عَفَّانَ فَخَرَجَ وَخَرَجَ مَعَه بِابْنِةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ و سَلَّم فَاحْتَبَسَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ و سَلَّم خَبَرُهُمَا فَجَعَل يَخْرُج يَتَوَكَّف الْأَخْبَارَ فَقَدِمْتْ امْرَأَةٌ مِنْ قُرَيْشٍ مِنْ أَرْضِ الْحَبَشَةِ فَسَأَلَهَا فَقَالَت: يَا أَبَا الْقَاسِمِ! رَأَيْتُهُمَا قَالَ عَلَى أَيِّ حَالٍ رَأَيْتُهُمَا؟ قَالَتْ : رَأَيْتهُ وَقَد حَمَلَهَا عَلَى حِمَارٍ مِنْ هَذِه لدَّبَّابَةِ وَهُوَ يَسُوقُ بِهَا يَمْشِيْ خَلْفَهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ و سَلَّم صَحِبَهُمَا اللَّهُ إنْ كَانَ عُثْمَانُ بْنِ عَفَّانَ لأَوَّلَ مَنْ هَاجَرَ إلَى اللَّهِ بِأَهْلِهِ بَعْدَ لُوطٍ (رَوَاهُ الطَّبَرَانِيُّ فِي الْكَبِير و الْبَيْهَقِيّ و ابْنُ عَسَاكِرَ)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৪
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৭৪. হযরত সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব থেকে বর্ণিত, (একদিন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত উসমানের সাথে সাক্ষাত করলেন, আর তখন হযরত উসমান রাযি. অত্যন্ত শোকাহত অবস্থায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (তাঁর এ অবস্থা দেখে) বললেন, তোমার এ কি অবস্থা হে উসমান রাযি.। উসমান রাযি. উত্তরে বললেন, আমার পিতা-মাতা আপনার উপর কুরবান হোন। কারো উপর কি এমন বিপদ এসেছে, যা আমার উপর এসেছে। আপনার কন্যা যিনি আমার সাথে ছিলেন (অর্থাৎ, রুকাইয়্যা রাযিঃ) ইন্তিকাল করে গিয়েছেন। আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন। (এ আঘাতে) আমার কোমর ভেঙ্গে গিয়েছে এবং আপনার জামাতা হওয়ার যে সৌভাগ্য আমার অর্জিত ছিল, সেটা চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে গিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, হে উসমান রাযি.। তুমি এ কথাই বলছ? উসমান রাযি. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কসম খেয়ে ঐ কথাই বলছি, যা আগে নিবেদন করেছি। যখন তিনি উসমানের সাথে কথা বলছিলেন, তখন বললেন, হে উসমান রাযি.। ইনি হযরত জিবরাঈল। তিনি আল্লাহর নির্দেশে আমাকে হুকুম করেছেন যে, আমি যেন রুকাইয়্যার বোন উম্মে কুলসুমকে তোমার নিকট বিয়ে দিয়ে দেই, ঐ মহরের উপর এবং ঐ সামাজিক আচরণের উপর- যা রুকাইয়্যার জন্য নির্ধারিত ছিল। এরপর তিনি উম্মে কুলসুমকে হযরত উসমানের নিকট বিয়ে দিয়ে দিলেন। -ইবনে আসাকির
کتاب المناقب والفضائل
عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقِيَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ وَهُو مَغْمُوم لَهْفَانٌ : فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم : مَا شَأْنُكَ يَا عُثْمَانُ؟ قَال : بِأَبِي أَنْتَ يَا رَسُولُ اللَّه وَأُمِّي ! وَهَلْ دَخَلَ عَلَى أَحَدٍ مِنْ النَّاسِ مَا دَخَلَ عَلَيَّ ، تُوُفِّيَت بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدِي رَحِمَهَا اللَّه وَانْقَطَع الظَّهْرُ وَذَهَبَ الصِّهْرُ فِيمَا بَيْنِي وَبَيْنَك إلَى آخِرَ الْأَبَدِ ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم : أَتَقُول ذَالِكَ يَا عُثْمَانُ ؟ قَالَ : إِيْ وَاَللَّهِ ! أَقُولُهُ يَا رَسُولُ اللَّهِ! فَبَيْنَمَا هُو يُحاوِرُه إِذْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعُثْمَانَ : هَذَا جِبْرِيلُ يَا عُثْمَانُ! يَأْمُرُنِيْ عَنْ أَمْرِ اللَّهُ أَنْ أُزَوِّجَك أُخْتَهَا أُمِّ كُلْثُومٍ عَلَى مِثْل صِدَاقِهَا وَعَلَى مِثْل عِشْرَتَهَا فَزَوَّجَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إيَّاهَا . (رواه ابن عساكر)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৫
গুণাবলী ও ফযীলত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হযরত উসমান যিন্নুরাইন রাযি.-এর ফযীলত ও মর্যাদা
১৭৫. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ তা'আলা আমার প্রতি ওহী প্রেরণ করেছেন যে, আমি যেন আমার দুই আদরের কন্যাকে উসমানের নিকট বিয়ে দেই। ইবনে আদী, দারাকুতনী, ইবনে আসাকির
کتاب المناقب والفضائل
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَوْحَى إِلَيَّ أَنْ أُزَوِّجَ كَرِيمَتَيَّ مِنْ عُثْمَانَ. (رواه ابن عدى والدار قطنى وابن عساكر)
তাহকীক: