মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
রোযা অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৮৪ টি
হাদীস নং: ৮১
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইতিকাফ প্রসঙ্গ
৮১. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইতিকাফকারীর জন্য সুন্নত ও শরী‘আতের বিধান হচ্ছে এই যে, সে রোগী দেখতে যাবে না, জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য বাইরে যাবে না, স্ত্রী-সম্ভোগ করবে না এবং আবেগঘন স্পর্শ ও চুম্বনও করবে না। সে নিজের প্রয়োজনের জন্যও মসজিদের বাইরে যাবে না, তবে ঐসব প্রয়োজনের কথা ভিন্ন, যেগুলো পুরণ করা ছাড়া কোন গত্যন্তর নেই, (যেমন, পেশাব, পায়খানা ইত্যাদি।) আর (ইতিকাফ রোযা অবস্থায় হওয়া চাই।) রোযা ছাড়া ইতিকাফ নেই। ইতিকাফ জামা‘আতের মসজিদে হওয়া চাই, এর বাইরে নয়। -আবূ দাউদ
کتاب الصوم
عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : " السُّنَّةُ عَلَى الْمُعْتَكِفِ : أَنْ لَا يَعُودَ مَرِيضًا ، وَلَا يَشْهَدَ جَنَازَةً ، وَلَا يَمَسَّ امْرَأَةً ، وَلَا يُبَاشِرَهَا ، وَلَا يَخْرُجَ لِحَاجَةٍ ، إِلَّا لِمَا لَا بُدَّ مِنْهُ ، وَلَا اعْتِكَافَ إِلَّا بِصَوْمٍ ، وَلَا اعْتِكَافَ إِلَّا فِي مَسْجِدٍ جَامِعٍ "
(رواه ابوداؤد)
(رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮২
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইতিকাফ প্রসঙ্গ
৮২. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতিকাফকারীর ব্যাপারে বলেছেন: সে (ইতিকাফের কারণে এবং মসজিদে বন্দী হয়ে যাওয়ার দরুন) গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে এবং পুণ্য অর্জনকারীদের মত পুণ্য তার জন্যও অব্যাহত থাকে। -ইবনে মাজাহ্
کتاب الصوم
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي الْمُعْتَكِفِ « هُوَ يَعْكِفُ الذُّنُوبَ ، وَيُجْرَى لَهُ مِنَ الْحَسَنَاتِ كَعَامِلِ الْحَسَنَاتِ كُلِّهَا »
(رواه ابن ماجة)
(رواه ابن ماجة)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৩
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইসলামী শরী‘আত বিশেষ আমল ও ইবাদতসমূহের জন্য যে বিশেষ সময় অথবা দিন তারিখ অথবা সময়কাল নির্ধারণ করেছে, এগুলো নির্ধারণ করার সময় এ বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়েছে যে, এ সময় অথবা দিন অথবা সময়কালকে জানার জন্য যেন কোন বিদ্যা, কোন দর্শন অথবা কোন যন্ত্র ব্যবহার করার প্রয়োজন না হয়; বরং একজন সাধারণ ও নিরক্ষর গ্রাম্য মানুষও চোখে দেখে যেন এটা জেনে নিতে পারে। এ জন্যই নামায ও রোযার সময় ও ওয়াক্ত সূর্যের হিসাব দ্বারা নির্ণয় করা হয়েছে। যেমন, ফজরের ওয়াক্ত সুবহে সাদিক থেকে নিয়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। যুহরের ওয়াক্ত সূর্য মধ্য গগণ থেকে ঢলে পড়ার পর থেকে এক মিছাল অথবা দুই মিছাল (সদৃশ) ছায়া পর্যন্ত এবং আসরের ওয়াক্ত এরপর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রাখা হয়েছে। অনুরূপভাবে মাগরিবের ওয়াক্ত সূর্যাস্তের পর থেকে 'শফক' বাকী থাকা পর্যন্ত এবং ইশার ওয়াক্ত শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর বলা হয়েছে। তদ্রূপভাবে রোযার সময় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
একথা স্পষ্ট যে, এ সময়গুলো জানার জন্য কোন বিদ্যা, কোন দর্শন অথবা কোন যন্ত্র ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না; বরং প্রতিটি মানুষ নিজের প্রত্যক্ষ দর্শন দ্বারা এগুলো জেনে নিতে পারে। আর যেভাবে সাধারণ মানুষের সুবিধার লক্ষ্যে নামায ও রোযার এ ওয়াক্তসমূহের জন্য সূর্যের উদয়-অস্ত ও উঠানামাকে মাপকাঠি ও চিহ্ন সাব্যস্ত করা হয়েছে, তেমনিভাবে যাকাত, রোযা এবং হজ্বের মত আমল ও ইবাদতের জন্য- যেগুলোর সম্পর্ক মাস অথবা বছরের সাথে চাঁদকে মাপকাঠি ধরা হয়েছে এবং সৌরবর্ষ ও সৌরমাসের স্থলে চান্দ্রবর্ষ ও চান্দ্রমাসকে স্থির করা হয়েছে। কেননা, সাধারণ মানুষ নিজেদের চোখে দেখে চান্দ্রমাসকেই ধরতে পারে, সৌরমাসের আগমনের উপর এমন কোন আলামত ও লক্ষণ আসমানে অথবা যমীনে প্রকাশ পায় না, যা দেখে প্রত্যেক মানুষই বুঝে নিতে পারে যে, এখন আগের মাস শেষ হয়ে আরেকটি মাস শুরু হয়ে গিয়েছে। হ্যাঁ, চান্দ্র মাস যেহেতু চাঁদের উদয় দ্বারা শুরু হয়, এ জন্য একজন নিরক্ষর মানুষও আকাশে নতুন চাঁদ দেখে বুঝে নেয় যে, গত মাস শেষ হয়ে এখন নতুন মাস শুরু হয়ে গিয়েছে।
যাহোক, ইসলামী শরী‘আত মাস ও বছরের বেলায় চাঁদের হিসাবের যে নিয়ম প্রবর্তন করেছে, এর একটি বিশেষ রহস্য ও হেকমত সাধারণ মানুষের এ সহজবোধ্যতাও। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মাহে রমযানের রোযার ফরযিয়াতের বিধান শুনালেন, তখন এটাও বলে দিলেন যে, রমযানের শুরু অথবা সমাপ্তির নিয়ম ও মাপকাঠি কি। তিনি বলে দিলেন যে, শা'বানের ২৯ দিন পূর্ণ হওয়ার পর যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে রমযানের রোযা শুরু করে দাও। আর যদি ২৯ তারিখ চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে মাসের ৩০ দিন পূর্ণ করে রোযা শুরু কর এবং এভাবে রোযা ২৯ অথবা ৩০টি রাখ। তারপর তিনি বিভিন্ন সময় চাঁদ দেখা সম্পর্কে অন্যান্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এ ভূমিকার পর এবার নিম্নের হাদীসগুলো পাঠ করে নিন:
একথা স্পষ্ট যে, এ সময়গুলো জানার জন্য কোন বিদ্যা, কোন দর্শন অথবা কোন যন্ত্র ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না; বরং প্রতিটি মানুষ নিজের প্রত্যক্ষ দর্শন দ্বারা এগুলো জেনে নিতে পারে। আর যেভাবে সাধারণ মানুষের সুবিধার লক্ষ্যে নামায ও রোযার এ ওয়াক্তসমূহের জন্য সূর্যের উদয়-অস্ত ও উঠানামাকে মাপকাঠি ও চিহ্ন সাব্যস্ত করা হয়েছে, তেমনিভাবে যাকাত, রোযা এবং হজ্বের মত আমল ও ইবাদতের জন্য- যেগুলোর সম্পর্ক মাস অথবা বছরের সাথে চাঁদকে মাপকাঠি ধরা হয়েছে এবং সৌরবর্ষ ও সৌরমাসের স্থলে চান্দ্রবর্ষ ও চান্দ্রমাসকে স্থির করা হয়েছে। কেননা, সাধারণ মানুষ নিজেদের চোখে দেখে চান্দ্রমাসকেই ধরতে পারে, সৌরমাসের আগমনের উপর এমন কোন আলামত ও লক্ষণ আসমানে অথবা যমীনে প্রকাশ পায় না, যা দেখে প্রত্যেক মানুষই বুঝে নিতে পারে যে, এখন আগের মাস শেষ হয়ে আরেকটি মাস শুরু হয়ে গিয়েছে। হ্যাঁ, চান্দ্র মাস যেহেতু চাঁদের উদয় দ্বারা শুরু হয়, এ জন্য একজন নিরক্ষর মানুষও আকাশে নতুন চাঁদ দেখে বুঝে নেয় যে, গত মাস শেষ হয়ে এখন নতুন মাস শুরু হয়ে গিয়েছে।
যাহোক, ইসলামী শরী‘আত মাস ও বছরের বেলায় চাঁদের হিসাবের যে নিয়ম প্রবর্তন করেছে, এর একটি বিশেষ রহস্য ও হেকমত সাধারণ মানুষের এ সহজবোধ্যতাও। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মাহে রমযানের রোযার ফরযিয়াতের বিধান শুনালেন, তখন এটাও বলে দিলেন যে, রমযানের শুরু অথবা সমাপ্তির নিয়ম ও মাপকাঠি কি। তিনি বলে দিলেন যে, শা'বানের ২৯ দিন পূর্ণ হওয়ার পর যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে রমযানের রোযা শুরু করে দাও। আর যদি ২৯ তারিখ চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে মাসের ৩০ দিন পূর্ণ করে রোযা শুরু কর এবং এভাবে রোযা ২৯ অথবা ৩০টি রাখ। তারপর তিনি বিভিন্ন সময় চাঁদ দেখা সম্পর্কে অন্যান্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এ ভূমিকার পর এবার নিম্নের হাদীসগুলো পাঠ করে নিন:
৮৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার রমযান প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন এবং বললেনঃ তোমরা চাঁদ না দেখে রোযা রাখবে না এবং (শাওয়ালের) চাঁদ না দেখে রোযা ছাড়বে না। যদি (২৯ তারিখে) চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে এর হিসাব পূর্ণ করে নাও (অর্থাৎ, ৩০ দিনের মাস মনে করে নাও।) -বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ : « لاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوُا الْهِلَالَ ، وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ ، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ »
(رواه البخارى ومسلم)
(رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৪
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চাঁদ দেখা প্রসঙ্গ
৮৪. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে রোযা ছাড়। আর যদি (২৯ তারিখে) চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে শা'বানের ৩০ দিনের গণনা পূর্ণ করে নাও। -বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ ، فَإِنْ غُبِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلاَثِينَ »
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৫
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চাঁদ দেখা প্রসঙ্গ
৮৫. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমযানের (হিসাব ঠিক রাখার) জন্য তোমরা শা'বানের চাঁদকে ভালভাবে গণনা কর। -তিরমিযী
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : أَحْصُوا هِلاَلَ شَعْبَانَ لِرَمَضَانَ.
(رواه الترمذى)
(رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৬
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চাঁদ দেখা প্রসঙ্গ
৮৬. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শা'বানের দিন-তারিখ যেভাবে মনে রাখতেন, অন্য কোন মাসের দিন-তারিখ এভাবে মনে রাখতেন না। তারপর রমযানের চাঁদ দেখে তিনি রোযা রাখতেন। যদি (২৯শে শা'বান) চাঁদ দেখা না যেত, তাহলে ৩০ দিন পূর্ণ করে রোযা রাখতেন। -আবূ দাউদ
کتاب الصوم
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ : « كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَحَفَّظُ مِنْ شَعْبَانَ مَا لَا يَتَحَفَّظُ مِنْ غَيْرِهِ ، ثُمَّ يَصُومُ لِرُؤْيَةِ رَمَضَانَ ، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْهِ عَدَّ ثَلَاثِينَ يَوْمًا ثُمَّ صَامَ »
(رواه ابوداؤد)
(رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সংবাদ ও সাক্ষ্যের দ্বারা চাঁদ প্রমাণিত হওয়া প্রসঙ্গ
৮৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী করীম (ﷺ)এর খেদমতে এসে বলল, আমি আজ রমযানের চাঁদ দেখেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি কি একথার সাক্ষ্যদান কর যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা'বুদ নেই? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি আবার জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও যে, মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল? সে উত্তর দিল, হ্যাঁ। (অর্থাৎ, আমি তওহীদ ও রেসালতে বিশ্বাসী মুসলমান।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন বললেনঃ হে বিলাল! তুমি লোকদের মাঝে এ ঘোষণা দিয়ে দাও যে, তারা যেন আগামীকাল থেকে রোযা রাখে। -আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ, দারেমী
کتاب الصوم
عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ : جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ : إِنِّي رَأَيْتُ الْهِلَالَ ، فَقَالَ : « أَتَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ، قَالَ : نَعَمْ. أَتَشْهَدُ وَأَنِّ مُحَمَّدًا رَّسُولُ اللَّهِ؟ » قَالَ : نَعَمْ. قَالَ : « يَا بِلَالُ ، اَذِّنْ فِي النَّاسِ ، أَنْ يَّصُومُوا غَدًا »
(رواه ابوداؤد والترمذى والنسائى وابن ماجه والدارمى)
(رواه ابوداؤد والترمذى والنسائى وابن ماجه والدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সংবাদ ও সাক্ষ্যের দ্বারা চাঁদ প্রমাণিত হওয়া প্রসঙ্গ
৮৮. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার লোকেরা চাঁদ দেখার চেষ্টা করল, (কিন্তু সাধারণভাবে লোকেরা দেখতে পেল না।) আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে সংবাদ দিলাম যে, আমি চাঁদ দেখেছি। তিনি তখন নিজেও রোযা রাখলেন এবং অন্য লোকদেরকেও রোযা রাখার হুকুম দিলেন। -আবূ দাউদ, মুসনাদে দারেমী
کتاب الصوم
عَنْ عَبْدِ اللهِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : « تَرَآ النَّاسُ الْهِلَالَ ، » فَأَخْبَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، أَنِّي رَأَيْتُهُ فَصَامَهُ ، وَأَمَرَ النَّاسَ بِصِيَامِهِ "
(رواه ابوداؤد والدارمى)
(رواه ابوداؤد والدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইসলামী শরী‘আতে পূর্ণ রমযান মাসের রোযা ফরয করা হয়েছে এবং যেমন এইমাত্র জানা গেল যে, শরী‘আত এ নির্দেশও দিয়েছে যে, রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান থাকতে হবে- এমনকি এ উদ্দেশ্যে শা'বানের চাঁদ দেখার ব্যাপারেও খুব সতর্ক থাকতে হবে-যাতে কোন প্রকার ভ্রমে পড়ে অথবা উদাসীনতার কারণে রমযানের কোন রোযা ছুটে না যায়। কিন্তু শরী‘আতের সীমা রেখার হেফাযতের জন্য এ নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যে, রমযানের এক দু'দিন পূর্ব থেকেই যেন রোযা রাখা শুরু করে দেওয়া না হয়। আল্লাহর ইবাদতে কোন অতি উৎসাহী মানুষ যদি এমনটি করতে যায়, তাহলে এ আশংকা থেকে যায় যে, অজ্ঞ সাধারণ মানুষ এটাকেই শরী‘আতের হুকুম ও মাসআলা মনে করে নেবে। এ জন্য এ প্রবণতা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
৮৯. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যেন রমযানের এক দু'দিন পূর্ব থেকেই রোযা রাখা শুরু না করে। তবে কেউ যদি পূর্ব থেকেই এ দিন রোযা রাখায় অভ্যস্ত থাকে, তাহলে সে এদিন রোযা রেখে নেবে। (যেমন, একজনের অভ্যাস এই যে, সে প্রতি বৃহস্পতিবার অথবা সোমবার রোযা রাখে। এখন যদি ২৯ অথবা ৩০ শা'বান বৃহস্পতিবার অথবা সোমবার পড়ে যায়, তাহলে ঐ ব্যক্তির জন্য এ দিন রোযা রাখার অনুমতি রয়েছে। বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « لاَ يَتَقَدَّمَنَّ أَحَدُكُمْ رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ ، إِلَّا أَنْ يَكُونَ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمَهُ ، فَلْيَصُمْ ذَلِكَ اليَوْمَ »
(رواه البخارى ومسلم)
(رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রমযান শুরুর এক দু'দিন আগ থেকে রোযা রাখার নিষিদ্ধতা
৯০. হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সন্দেহের দিন রোযা রাখল, সে আল্লাহর পয়গাম্বর আবুল কাসেম (ﷺ)এর হুকুমের অবাধ্যতা করল। -আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ, দারেমী
کتاب الصوم
عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ قَالَ مَنْ صَامَ اليَوْمَ الَّذِي يَشُكُّ فِيهِ النَّاسُ فَقَدْ عَصَى أَبَا القَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
(رواه ابوداؤد والترمذى والنسائى وابن ماجه والدارمى)
(رواه ابوداؤد والترمذى والنسائى وابن ماجه والدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহরী ও ইফতার সম্পর্কে কতিপয় দিকনির্দেশনা
৯১. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সাহরী খাও। কেননা, সাহরী খাওয়াতে বরকত রয়েছে। বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ أَنَسٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السُّحُورِ بَرَكَةً »
(رواه البخارى ومسلم)
(رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহরী ও ইফতার সম্পর্কে কতিপয় দিকনির্দেশনা
৯২. হযরত আমর ইবনুল আস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমাদের রোযা ও আহলে কিতাবদের রোযার মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী জিনিসটি হল সাহরী খাওয়া। -মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ ، أَكْلَةُ السَّحَرِ »
(رواه مسلم)
(رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৩
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইফতারে তাড়াতাড়ি ও সাহরীতে দেরী করার হুকুম
৯৩. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন: আমার বান্দাদের মধ্যে আমার নিকট তারাই সর্বাধিক প্রিয়, যারা ইফতারে তাড়াতাড়ি করে। (অর্থাৎ, সূর্যাস্তের পর মোটেই দেরী করে না।) তিরমিযী
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : إِنَّ أَحَبَّ عِبَادِي إِلَيَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا.
(رواه الترمذى)
(رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৪
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইফতারে তাড়াতাড়ি ও সাহরীতে দেরী করার হুকুম
৯৪. হযরত সাহল ইবনে সা'দ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার উম্মতের লোকেরা সে পর্যন্ত কল্যাণ পথে থাকবে, যে পর্যন্ত তারা ইফতার শীঘ্র শীঘ্র করবে। -বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ »
(رواه البخارى ومسلم)
(رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৫
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইফতারে তাড়াতাড়ি ও সাহরীতে দেরী করার হুকুম
৯৫. হযরত আনাস রাযি. সূত্রে হযরত যায়েদ ইবনে সাবেত রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এর সাথে সাহরী খেলাম। তারপর তিনি ফজরের নামাযের জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন। আনাস রাযি. বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, সাহরী খাওয়া এবং ফজরের আযানের মধ্যে সময়ের কতটুকু ব্যবধান ছিল? তিনি উত্তর দিলেন, পঞ্চাশটি আয়াত তিলাওয়াত করার সমপরিমাণ সময়। বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ أَنَسٍ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ : « تَسَحَّرْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ » ، قُلْتُ : كَمْ كَانَ بَيْنَ الأَذَانِ وَالسَّحُورِ؟ " قَالَ : « قَدْرُ خَمْسِينَ آيَةً »
(رواه البخارى ومسلم)
(رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৬
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ 'সাওমে বেছাল' হচ্ছে ইফতার ও সাহরী ছাড়া একাধারে রোযা রেখে যাওয়া এবং দিনের মত রাতও পানাহার ছাড়া কাটিয়ে দেওয়া। যেহেতু এ ধরনের রোযা মারাত্মক কষ্ট ও দুর্বলতার কারণ হয় এবং এর প্রবল আশংকা থাকে যে, মানুষ এভাবে এমন দুর্বল হয়ে যাবে যে, সে অন্যান্য ফরয ইবাদত ও দায়িত্ব পালন করতে পারবে না, এ জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উম্মতকে এভাবে রোযা রাখতে নিষেধ করে দিয়েছেন। কিন্তু স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অবস্থা ছিল স্বতন্ত্র। আল্লাহ্ তা'আলার সাথে তাঁর বিশেষ সম্পর্কের দরুন তিনি অন্যদের তুলনায় বেশী আমল করতেন তাছাড়া, তাঁকে আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে এক ধরনের অপার্থিব সামর্থ্যও প্রদান করা হত, এ জন্য তিনি নিজে এ ধরনের রোযা রাখতেন।
৯৬. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকদেরকে 'সাওমে বেছাল' থেকে নিষেধ করেছেন। এক ব্যক্তি তখন বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি নিজে তো সাওমে বেছাল করেন? তিনি উত্তরে বললেন: তোমাদের মধ্যে আমার মত কে আছে? (অর্থাৎ, এ ব্যাপারে আমার সাথে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ আচরণ রয়েছে, যা অন্য কারো সাথে নেই। আর সেটা হচ্ছে এই যে,) আমার রাত এভাবে কাটে যে, আমার প্রতিপালক আমাকে আহার ও পানীয় দান করেন। (অর্থাৎ, আমি অদৃশ্য জগৎ থেকে খাদ্য পেয়ে থাকি। তাই এ ব্যাপারে নিজেকে আমার সাথে তুলনা করতে যেয়ো না।) -বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : « نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الوِصَالِ فِي الصَّوْمِ » فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ : إِنَّكَ تُوَاصِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ : « وَأَيُّكُمْ مِثْلِي ، إِنِّي أَبِيتُ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِىْ »
(رواه البخارى ومسلم)
(رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৭
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাওমে বেছালের নিষিদ্ধতা
৯৭. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি: তোমরা সাওমে বেছাল পালন করবে না। আর কেউ যদি (মনের উৎসাহে ও আবেগে) বেছাল করতেই চায়, তাহলে সাহরী পর্যন্ত করতে পারে। (অর্থাৎ, সাহরী থেকে সাহরী পর্যন্ত প্রায় চব্বিশ ঘন্টা।) কোন কোন সাহাবী বললেন, আপনি নিজে তো সাওমে বেছাল করেন? তিনি উত্তর দিলেন: আমার অবস্থা তোমাদের মত নয়। আমি এভাবে রাত যাপন করি যে, আমার একজন খাবার দানকারী থাকে, যে আমাকে আহার যোগায় আর একজন পানীয় দানকারী থাকে, যে আমার পানীয় যোগায়। বুখারী
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، يَقُولُ : « لاَ تُوَاصِلُوا ، فَأَيُّكُمْ أَرَادَ أَنْ يُوَاصِلَ ، فَلْيُوَاصِلْ حَتَّى السَّحَرِ » ، قَالُوا : فَإِنَّكَ تُوَاصِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ : « لَسْتُ كَهَيْئَتِكُمْ إِنِّي أَبِيتُ لِي مُطْعِمٌ يُطْعِمُنِي ، وَسَاقٍ يَسْقِينِىْ »
(رواه البخارى)
(رواه البخارى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৮
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইফতারের জন্য কোন্ জিনিস উত্তম?
৯৮. হযরত সালমান ইবনে আমের রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন রোযা রাখে, তখন সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। আর যদি খেজুর না পায়, তাহলে যেন পানি দিয়েই ইফতার করে নেয়। কেননা, পানি হচ্ছে পবিত্রকারী। আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, দারেমী
کتاب الصوم
عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ صَائِمًا ، فَلْيُفْطِرْ عَلَى التَّمْرِ ، فَإِنْ لَمْ يَجِدِ التَّمْرَ ، فَعَلَى الْمَاءِ فَإِنَّ الْمَاءَ طَهُورٌ »
(رواه احمد وابوداؤد والترمذى وابن ماجه والدارمى)
(رواه احمد وابوداؤد والترمذى وابن ماجه والدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৯
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইফতারের জন্য কোন্ জিনিস উত্তম?
৯৯. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাগরিবের নামাযের আগে কয়েকটি তাজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি উপস্থিত সময়ে তাজা খেজুর পাওয়া না যেত, তাহলে শুকনা খেজুর দিয়েই ইফতার করতেন, আর শুকনা খেজুরও পাওয়া না গেলে কয়েক চুমুক পানি পান করে নিতেন। -তিরমিযী, আবূ দাউদ
کتاب الصوم
عَنْ أَنَسٍ قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُفْطِرُ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَى رُطَبَاتٍ ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ رُطَبَاتٌ فَتُمَيْرَاتٌ ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تُمَيْرَاتٌ حَسَا حَسَوَاتٍ مِنْ مَاءٍ.
(رواه الترمذى وابوداؤد)
(رواه الترمذى وابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০০
রোযা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইফতারের দু‘আ
১০০. মো'আয ইবনে যুহরা তাবেয়ী থেকে বর্ণিত, তাঁর কাছে একথা পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ইফতার করতেন, তখন এ দু‘আ পড়তেন:
اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ ، وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
অর্থ, হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোযা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিযিক দিয়েই ইফতার করেছি। আবূ দাউদ
اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ ، وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
অর্থ, হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোযা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিযিক দিয়েই ইফতার করেছি। আবূ দাউদ
کتاب الصوم
عَنْ مُعَاذِ بْنِ زُهْرَةَ ، أَنَّهُ بَلَغَهُ " أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَفْطَرَ قَالَ : « اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ ، وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ »
(رواه ابوداؤد)
(رواه ابوداؤد)
তাহকীক: