মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ৫২১
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৩৯৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২০) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার কোলে কুরআন তিলাওয়াত করা বৈধ এবং তাদের মসজিদে প্রবেশ করার বিধান প্রসঙ্গে
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) তাঁর মাথা আমার কোলে রাখতেন। (অপর এক বর্ণনায় আছে, আমাকে হেলান দিয়ে বসতেন।) আমার স্রাবাবস্থায় তারপর কুরআন তিলাওয়াত করতেন ।
كتاب الطهارة
(20) باب جواز قراءة القرآن في حجر الحائض وحكم دخولها المسجد
عن عائشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يضع رأسه في حجري (وفي رواية يتّكئ علىَّ) وأنا حائض فيقرأ القرآن.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩৮২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২০) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার কোলে কুরআন তিলাওয়াত করা বৈধ এবং তাদের মসজিদে প্রবেশ করার বিধান প্রসঙ্গে
ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) আয়িশা (রা)-কে বলেছেন, আমাকে মসজিদ থেকে জায়নামাযটি এনে দাও। তিনি বললেন, আমি তো ঋতুবতী হয়েছি। তখন তিনি বললেন, তোমার স্রাব কি তোমার হাতে?
كتاب الطهارة
(20) باب جواز قراءة القرآن في حجر الحائض وحكم دخولها المسجد
عن ابن عمر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لعائشة ناوليني الخمرة من المسجد فقالت أني قد أحدثت، فقال: أوحيضتك في يدك.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৪১৮৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২০) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার কোলে কুরআন তিলাওয়াত করা বৈধ এবং তাদের মসজিদে প্রবেশ করার বিধান প্রসঙ্গে
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) (আমাকে) বললেন, (ঘর থেকে হাত বাড়িয়ে) মসজিদ থেকে জায়নামাযটি আমাকে এনে দাও। আমি বললাম, আমি তো ঋতুবতী। তিনি বললেন, তোমার স্রাব বা ঋতু তোমার হাতে নয়।
كتاب الطهارة
(20) باب جواز قراءة القرآن في حجر الحائض وحكم دخولها المسجد
(27) عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ناوليني الخمرة من المسجد قالت قلت أني حائض، قال إن حيضتك ليست في يدك.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৪৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২০) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার কোলে কুরআন তিলাওয়াত করা বৈধ এবং তাদের মসজিদে প্রবেশ করার বিধান প্রসঙ্গে
আয়িশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, নবী (ﷺ) মসজিদের অভ্যন্তরে থাকা অবস্থায় এক দাসীকে বললেন, আমাকে জায়নামাযটি দাও। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তা বিছিয়ে তার উপর নামায পড়তে চেয়েছিলেন। তখন সে বললো, আমি তো ঋতুবতী। তখন মহানবী (ﷺ) বললেন, তার স্রাব তার হাতে নয় ।
كتاب الطهارة
(20) باب جواز قراءة القرآن في حجر الحائض وحكم دخولها المسجد
(28) وعنها أيضًا أن النبي صلى الله عليه وسلم قال للجارية وهو في المسجد ناوليني الخمرة قالت أراد أن يبسطها فيصلي عليها، فقالت إني حائض، فقال إن حيضتها ليست في يدها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৩৯৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২১) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার শরীর ও কাপড়-চোপড় পবিত্র।এতদুভয়ের রক্তের স্থান ব্যতীত
হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পরিবারের সাথে একরাত ঘুমালাম । রাসূল (ﷺ) রাতে নামায পড়তে দাঁড়ালেন। তখন লেপের একপ্রান্ত থাকল তাঁর শরীরে আর অপর প্রাপ্ত থাকল আয়িশার শরীরের উপর। তিনি তখন ঋতুস্রাবের কারণে নামায পড়ছেন না।
كتاب الطهارة
(21) باب في طهارة بدن الحائض وثوبها حاشا موضع الدم منهما
(29) عن حذيفة (بن اليمان) رضي الله عنه قال بتَّ بآل رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلةً فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وعليه طرف اللّحاف وعلى عائشة طرفه وهي حائض لا تصلي.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৮০৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২১) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার শরীর ও কাপড়-চোপড় পবিত্র।এতদুভয়ের রক্তের স্থান ব্যতীত
আব্দুল্লাহ ইবন্ শাদ্দাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী মাইমূনা (রা)-কে বলতে শুনেছি। রাসূল (ﷺ) রাত্রে উঠে নামায পড়তেন। তখন আমি তার পাশে শুয়ে থাকতাম। যখন তিনি সিজদা দিতেন তখন তাঁর কাপড় আমার গায়ে লাগতো। তখন আমি ঋতুবতী।
كتاب الطهارة
(21) باب في طهارة بدن الحائض وثوبها حاشا موضع الدم منهما
(30) عن عبد الله بن شداد سمعت ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوم فيصلي من الليل وأنا نائمة إلى جنبه فإذا سجد أصابني ثيابه وأنا حائض.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৩৭০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২১) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার শরীর ও কাপড়-চোপড় পবিত্র।এতদুভয়ের রক্তের স্থান ব্যতীত
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) নামায পড়ছিলেন এমতাবস্থায় তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হলো। তখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ দিকে ইঙ্গিত করলেন একটি কাপড় দ্বারা যাতে রক্ত ছিল। তখন রাসূল (ﷺ) নামাযে থেকেই তাকে ইঙ্গিত করে বললেন, ওটা ধুয়ে পেল। তখন আয়িশা (রা) রক্তের স্থানটি ধুয়ে নিলেন। তারপর রাসূল (ﷺ) ঐ কাপড়টি নিলেন এবং তাতে নামায পড়লেন।
كتاب الطهارة
(21) باب في طهارة بدن الحائض وثوبها حاشا موضع الدم منهما
(31) عن عائشة رضي الله عنها أنها طرّقتها الحيضة ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي فأشارت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بثوب وفيه دم فأشار إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة اغسليه، فغسلت موضع الدم ثم أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك الثوب فصلى فيه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৪১৭৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২১) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবতী মহিলার শরীর ও কাপড়-চোপড় পবিত্র।এতদুভয়ের রক্তের স্থান ব্যতীত
আয়িশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি ঋতুবতী অবস্থায় রাসূল (ﷺ)-এর সাথে একই কাপড়ের নীচে ঘুমাতাম। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় আমার কোন রক্ত যদি তাঁর কাপড়ে লাগত তিনি তখন কেবল রক্তের স্থানটুকু ধুয়ে নিতেন। তার বাইরে ধুইতেন না এবং সে কাপড়ে নামায পড়তেন।
كتاب الطهارة
(21) باب في طهارة بدن الحائض وثوبها حاشا موضع الدم منهما
(32) وعنها أيضًا قالت كنت أبيت أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم في الشِّعار الواحد وأنا طامث حائض قالت فإن أصابه مني شيء غسله لم يعد مكانه وصلى فيه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৯০৭ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২২) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবর্তী ও সন্তান প্রসবোত্তর রক্ত স্রাবগ্রস্তা মহিলাদের গোসল করার নিয়ম পদ্ধতি
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা নবী (ﷺ)-এর কাছে আসলেন। তারপর বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি (স্রাব থেকে) পবিত্র হবার পর কিভাবে গোসল করবো? তিনি বললেন, মেশক মিশ্রিত এক টুকরা কাপড় বা তুলা নাও তারপর তার দ্বারা পরিষ্কার কর। মহিলাটি বললেন, সেটা দ্বারা কিভাবে পরিষ্কার করব? তখন রাসূল (ﷺ) সুবহানাল্লাহ বললেন এবং (লজ্জায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন। তারপর বললেন, ওটা দ্বারা পরিষ্কার করবে। আয়িশা (রা) বলেন, তখন আমি বুঝলাম রাসূল (ﷺ) কী বুঝাতে চাচ্ছেন। তখন আমি তাঁকে ধরলাম এবং আমার দিকে টেনে আনলাম । তারপর রাসূল (ﷺ) কী বুঝাতে চাচ্ছেন তা বললাম,
(অপর এক সূত্রে আছে।) ইবরাহীম ইবন্ মুহাজির থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি সাফিয়া বিনতে শাইবাকে আয়িশা (রা) থেকে বলতে শুনেছি যে, আসমা (রা) রাসূল (ﷺ)-কে ঋতুস্রাবের গোসল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা যে কেউ তার পানি ও বদরী বৃক্ষের পাতা নিয়ে পাক-পবিত্র হবে। ভাল করে পবিত্র হবে। অতঃপর তার মাথার উপর পানি ঢেলে দিবে এবং ভাল করে ঢেলে দিবে। যাতে মাথার চুলের গোড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছে যায়। তারপর তার উপর পানি ঢেলে দিবে। তারপর সুগন্ধ মিশ্রিত এক টুকরা কাপড় বা তুলা নিবে তার দ্বারা পরিষ্কার করবে। আসমা বলেন, সেটা দ্বারা কিভাবে পরিষ্কার করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, সুবহানাল্লাহ তার দ্বারা পরিষ্কার করবে। তখন আয়িশা উক্ত মহিলাকে একটু মৃদু স্বরে বললেন, যেন তিনি লুকাচ্ছেন। রক্তের স্থান অনুসরণ করবে, (মেশক দিয়ে মুছবে) (আসমা) তাঁকে রাসূল (ﷺ) জানাবতের গোসল সম্বন্ধেও জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি উত্তরে বললেন, তোমার গোসলের পানি নিয়ে পবিত্র হবে । (অর্থাৎ ওযূ করবে।) ভাল করেই পবিত্র হবে। অথবা বললেন, উত্তমভাবে পবিত্র হবে। তারপর তাঁর মাথার উপর পানি ঢেলে দিবে। তারপর মাথা ঘষবে যাতে চুলের গোড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছে যায়। তারপর মাথার উপর পানি ঢেলে দিবে। আয়িশা (রা) বলেন, উত্তম নারী হলেন, আনসারী নারীরা। লজ্জা-শরম তাঁদেরকে দীনী বিষয়ে প্রজ্ঞা অর্জনে বাধা দিতে পারেনি।
(অপর এক সূত্রে আছে।) ইবরাহীম ইবন্ মুহাজির থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি সাফিয়া বিনতে শাইবাকে আয়িশা (রা) থেকে বলতে শুনেছি যে, আসমা (রা) রাসূল (ﷺ)-কে ঋতুস্রাবের গোসল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা যে কেউ তার পানি ও বদরী বৃক্ষের পাতা নিয়ে পাক-পবিত্র হবে। ভাল করে পবিত্র হবে। অতঃপর তার মাথার উপর পানি ঢেলে দিবে এবং ভাল করে ঢেলে দিবে। যাতে মাথার চুলের গোড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছে যায়। তারপর তার উপর পানি ঢেলে দিবে। তারপর সুগন্ধ মিশ্রিত এক টুকরা কাপড় বা তুলা নিবে তার দ্বারা পরিষ্কার করবে। আসমা বলেন, সেটা দ্বারা কিভাবে পরিষ্কার করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, সুবহানাল্লাহ তার দ্বারা পরিষ্কার করবে। তখন আয়িশা উক্ত মহিলাকে একটু মৃদু স্বরে বললেন, যেন তিনি লুকাচ্ছেন। রক্তের স্থান অনুসরণ করবে, (মেশক দিয়ে মুছবে) (আসমা) তাঁকে রাসূল (ﷺ) জানাবতের গোসল সম্বন্ধেও জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি উত্তরে বললেন, তোমার গোসলের পানি নিয়ে পবিত্র হবে । (অর্থাৎ ওযূ করবে।) ভাল করেই পবিত্র হবে। অথবা বললেন, উত্তমভাবে পবিত্র হবে। তারপর তাঁর মাথার উপর পানি ঢেলে দিবে। তারপর মাথা ঘষবে যাতে চুলের গোড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছে যায়। তারপর মাথার উপর পানি ঢেলে দিবে। আয়িশা (রা) বলেন, উত্তম নারী হলেন, আনসারী নারীরা। লজ্জা-শরম তাঁদেরকে দীনী বিষয়ে প্রজ্ঞা অর্জনে বাধা দিতে পারেনি।
كتاب الطهارة
(22) باب في كيفية غسل الحائض والنفساء
(33) عن عائشة رضي الله عنها أن امرأة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله
كيف أغتسل عند الطهر؟ فقال خذي فرصة ممسكة فتوضئي بها. قالت كيف أتوضأ بها؟ قال توضئي بها، قالت كيف أتوضأ بها؟ ثم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم سبح فأعرض عنها، ثم قال توضئي بها، قال عائشة ففطنت لما يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخذتها فجذبتها إلي فأخبرتها بما يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم.
(ومن طريق آخر) عن إبراهيم بن المهاجر قال سمعت صفية بنت شيبة تحدث عن عائشة أن أسماء سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن غسل المحيض قال تأخذ إحداكن ماءها وسدرتها فتطهر فتحسن الطهور ثم تصب على رأسها فتدلكه دلكا شديدا حتى يبلغ شؤون رأسها، ثم تصب
عليها الماء ثم تأخذ فرصة ممسكة فتطهر بها، قالت أسماء وكيف تطهر بها؟ قال سبحان الله تطهري بها، فقالت عائشة كأنها تخفي ذلك تتبعي أثر الدم، وسألته عن غسل الجنابة، قال تأخذي ماءك فتطهرين فتحسنين الطهور أو أبلغي الطهور ثم تصب على رأسها فتدلكه حتى يبلغ شؤون رأسها، ثم تفيض عليها الماء، فقالت عائشة نعم النساء نساء الأنصار، لم يكن يمنعهن الحياء أن يتفقهن في الدين.
كيف أغتسل عند الطهر؟ فقال خذي فرصة ممسكة فتوضئي بها. قالت كيف أتوضأ بها؟ قال توضئي بها، قالت كيف أتوضأ بها؟ ثم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم سبح فأعرض عنها، ثم قال توضئي بها، قال عائشة ففطنت لما يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخذتها فجذبتها إلي فأخبرتها بما يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم.
(ومن طريق آخر) عن إبراهيم بن المهاجر قال سمعت صفية بنت شيبة تحدث عن عائشة أن أسماء سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن غسل المحيض قال تأخذ إحداكن ماءها وسدرتها فتطهر فتحسن الطهور ثم تصب على رأسها فتدلكه دلكا شديدا حتى يبلغ شؤون رأسها، ثم تصب
عليها الماء ثم تأخذ فرصة ممسكة فتطهر بها، قالت أسماء وكيف تطهر بها؟ قال سبحان الله تطهري بها، فقالت عائشة كأنها تخفي ذلك تتبعي أثر الدم، وسألته عن غسل الجنابة، قال تأخذي ماءك فتطهرين فتحسنين الطهور أو أبلغي الطهور ثم تصب على رأسها فتدلكه حتى يبلغ شؤون رأسها، ثم تفيض عليها الماء، فقالت عائشة نعم النساء نساء الأنصار، لم يكن يمنعهن الحياء أن يتفقهن في الدين.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৫৫১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২২) পরিচ্ছেদঃ ঋতুবর্তী ও সন্তান প্রসবোত্তর রক্ত স্রাবগ্রস্তা মহিলাদের গোসল করার নিয়ম পদ্ধতি
সাফিয়া বিনতে শাইবা থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আনসারী মহিলাদের কথা উল্লেখ করে তাদের প্রশংসা করলেন এবং তাদের সম্বন্ধে ভাল মন্তব্য করলেন এবং বললেন, যখন সূরা নূর অবতীর্ণ হয় তখন তারা তাদের পরিধেয় বস্ত্র ছিঁড়ে তা দ্বারা ওড়না তৈরী করেছেন। তাদেরই এক মহিলা রাসূল (ﷺ) এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হবার নিয়মাবলী সম্বন্ধে অবগত করুন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। তোমাদের যে কেউ তার গোসলের পানি ও বদরী (Lotus) পাতা নিবে। তারপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বললেন।
كتاب الطهارة
(7) باب في كيفية غسل الحائض والنفساء
(34) عن صفية بنت شيبة عن عائشة رضي الله عنها أنها ذكرت نساء الأنصار فأثنت عليهن وقالت لهنَّ معروفًا وقالت لما نزلت سورة النور
عمدن إلى حجز أو حجوز مناطقهنَّ فشققنه ثمَّ اتَّخذن منه خمرا، وإنَّها دخلت امرأة منهنَّ على رسول الله صلّى الله عليه وآله وسلَّم فقالت يا رسول الله أخبرني عن الطّهور من الحيض، فقال نعم، لتأخذ إحداكنَّ ماءها وسدرتها فذكرت نحو الحديث المتقدم.
عمدن إلى حجز أو حجوز مناطقهنَّ فشققنه ثمَّ اتَّخذن منه خمرا، وإنَّها دخلت امرأة منهنَّ على رسول الله صلّى الله عليه وآله وسلَّم فقالت يا رسول الله أخبرني عن الطّهور من الحيض، فقال نعم، لتأخذ إحداكنَّ ماءها وسدرتها فذكرت نحو الحديث المتقدم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৬৩১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৩) পরিচ্ছেদঃ মুস্তাহাযা ও (অসুস্থতাজনিত স্থায়ী স্রাবগ্রস্ত) মহিলারা তাদের পূর্বাভ্যাস এর উপর ভিত্তি করবে এবং প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করবে
আব্দুল্লাহ ইবন্ আবূ মুলাইকা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার খালা ফাতিমা বিনতে আবূ হুবাইশ আমাকে বলেছেন যে, আমি আয়িশা (রা)-এর কাছে গেলাম। গিয়ে তাঁকে বললাম, ইয়া উম্মুল মু'মিনীন! আমার ভয় হচ্ছে যে, ইসলামে আমার কোন অংশ থাকবে না। তাই আমি জাহান্নামবাসী হবো। (কারণ) যেদিন হতে আল্লাহর ইচ্ছায় আমার ইস্তিহাযা (লাগাতার রক্তস্রাব) আরম্ভ হয় সেদিন থেকে আমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে কোন নামায পড়ছি না। (একথা শুনে) আয়িশা (রা) বলেন, আপনি বসুন নবী (ﷺ) না আসা পর্যন্ত । যখন নবী (ﷺ) আসলেন, তখন তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্, ইনি হচ্ছেন ফাতিমা বিনতে আবূ হুবাইশ। তিনি ভয় পাচ্ছেন যে, ইসলামে তার কোন অংশ থাকবে না এবং তিনি জাহান্নামী হবেন । (কারণ) তিনি আল্লাহর ইচ্ছায় যেদিন থেকে ইস্তাহাযাগ্রস্ত হন সে দিন থেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আর কোন নামায পড়েন না। তখন মহানবী (ﷺ) বলেন, তুমি ফাতিমা বিনতে আবূ হুবাইশকে বলো, সে যেন প্রতিমাসের তাঁর ঋতুস্রাবের কয়টা দিন অপেক্ষা করে তারপর গোসল করে এবং লজ্জাস্থানে কাপড় ও তুলা বেঁধে নেয় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। তারপর প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করে নেয়। তারপর নামায আদায় করে। কারণ এই স্রাব হলো শয়তানের একটা আঘাতের ফলে। অথবা বিচ্ছিন্ন একটা রগ কিংবা ব্যাধি যার সে শিকার।
كتاب الطهارة
(23) باب في المستحاضة تبني على عادتها وفي وضوئها لكل صلاة
(35) عن عبد الله بن أبي مليكة قال حدّثتني خالتي فاطمة بنت أبي حبيش (رضي الله عنها) قالت أتيت عائشة (رضي الله عنها) فقلت لها يا أمَّ المؤمنين قد خشيت أن لا يكون لي حظ في الإسلام وأن أكون من أهل النَّار، أمكث
ما شاء الله من يوم أستحاض فلا أصلّي لله عزَّ وجلَّ صلاةً، قالت اجلبي حتَّى يجيء النّبيّ صلى الله عليه وسلم فلما جاء النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله هذه فاطمة بنت أبي حبيش تخشى أن لا يكون لها حظُّ في الإسلام وأن تكون من أهل النًّار، تمكث ما شاء الله من يوم تستحاض فلا تصلَّي لله عزَّ وجلّ صلاةً، فقال مري فاطمة بنت أبي حبيش فلتمسك كلّ شهر عدد أيّام أقرانها ثم تغتسل وتحتشي وتستثفر وتتنظّف ثم تطهّر عند كلَّ صلاة وتصلّي فإنّما ذلك ركضة من الشَّيطان أو عرق انقطع أو داء عرض لها.
ما شاء الله من يوم أستحاض فلا أصلّي لله عزَّ وجلَّ صلاةً، قالت اجلبي حتَّى يجيء النّبيّ صلى الله عليه وسلم فلما جاء النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله هذه فاطمة بنت أبي حبيش تخشى أن لا يكون لها حظُّ في الإسلام وأن تكون من أهل النًّار، تمكث ما شاء الله من يوم تستحاض فلا تصلَّي لله عزَّ وجلّ صلاةً، فقال مري فاطمة بنت أبي حبيش فلتمسك كلّ شهر عدد أيّام أقرانها ثم تغتسل وتحتشي وتستثفر وتتنظّف ثم تطهّر عند كلَّ صلاة وتصلّي فإنّما ذلك ركضة من الشَّيطان أو عرق انقطع أو داء عرض لها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩২
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৩৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৩) পরিচ্ছেদঃ মুস্তাহাযা ও (অসুস্থতাজনিত স্থায়ী স্রাবগ্রস্ত) মহিলারা তাদের পূর্বাভ্যাস এর উপর ভিত্তি করবে এবং প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করবে
উরওয়া ইবন যুবাইর (রা) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা বিনতে আবূ হুবাইশ (রা) রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আসলেন। তারপর তাঁর কাছে দীর্ঘস্থায়ী রক্তস্রাবের ব্যাপারে অভিযোগ করলেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, এটা হলো একটা রগ । তুমি দেখ যখন তোমার ঋতুস্রাবের সময় আসবে তখন নামায পড়বে না। আর যখন ঋতুস্রাবের সময় চলে যাবে তখন পবিত্র হয়ে যাবে। তারপর এক ঋতুস্রাব হতে অপর ঋতুস্রাব পর্যন্ত মধ্যের সময় নামায পড়বে।
كتاب الطهارة
(23) باب في المستحاضة تبني على عادتها وفي وضوئها لكل صلاة
(36) عن عروة ابن الزبير أن فاطمة بنت أبي حبيش رضي الله عنها حدَّثته أنّها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فشكت إليه الدّم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنّما ذلك عرق فانظري إذا أتى قرؤك فلا تصلّي، فإذا مرّ القرء تطهَّري
ثمَّ صلّى ما بين القرء إلى القرء
ثمَّ صلّى ما بين القرء إلى القرء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৪১৪৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৩) পরিচ্ছেদঃ মুস্তাহাযা ও (অসুস্থতাজনিত স্থায়ী স্রাবগ্রস্ত) মহিলারা তাদের পূর্বাভ্যাস এর উপর ভিত্তি করবে এবং প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করবে
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমা বিনতে আবূ হুবাইশ রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আসলেন। তারপর বললেন, আমি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হয়েছি। রাসূল (ﷺ) উত্তরে বললেন তোমার ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে নামায ছেড়ে দিবে তারপর গোসল করে নিবে এবং প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করবে, এমন কি ছাটাইয়ের উপর রক্তের ফোঁটা পড়লেও।
كتاب الطهارة
(23) باب في المستحاضة تبني على عادتها وفي وضوئها لكل صلاة
(37) عن عائشة رضي الله عنها قالت أتت فاطمة بنت أبي حبيش النَّبي صلى الله عليه وسلم فقالت إنَّي استحضت، فقال دعي الصَّلاة أيام حيضك ثم اغتسلي وتوضَّئي عند كلّ صلاة وإن فطر الدَّم على الحصير.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৭১৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৩) পরিচ্ছেদঃ মুস্তাহাযা ও (অসুস্থতাজনিত স্থায়ী স্রাবগ্রস্ত) মহিলারা তাদের পূর্বাভ্যাস এর উপর ভিত্তি করবে এবং প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করবে
সুলায়মান ইবন্ ইয়াসার নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী উম্মে সালামা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (ﷺ)-এর যুগে এক মহিলার একটানা রক্তস্রাব হত। তার ব্যাপারে রাসূলের স্ত্রী উম্মে সালামা (রা) রাসূলুল্লাহর কাছে ফাতাওয়া চাইলেন। তখন তিনি বললেন, মাসের যে কয়দিন ও রাত তার ঋতুস্রাব হত সে কয়দিন অপেক্ষা করবে। আর যখন এ কয়দিন শেষ হবে তখন গোসল করবে। তারপর একটা কাপড় দ্বারা লজ্জাস্থান বাঁধবে। তারপর নামায পড়তে থাকবে।
كتاب الطهارة
(23) باب في المستحاضة تبني على عادتها وفي وضوئها لكل صلاة
(38) عن سليمان بن يسار عن أمَّ سلمة زوج النّبيّ صلى الله عليه وسلم أنَّ امرأة كانت تهراق الدَّم على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتت لها أم سلمة زوج النَّبيّ صلى الله عليه وسلم فقال لتنظر عدّة اللّيالي والأيّام الّتي كانت تحيضهنَّ من الشَّهر فإذا بلغت ذلك فلتغتسل ثمَّ تستثفر بثوب ثمَّ تصلي
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৯৭২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৩) পরিচ্ছেদঃ মুস্তাহাযা ও (অসুস্থতাজনিত স্থায়ী স্রাবগ্রস্ত) মহিলারা তাদের পূর্বাভ্যাস এর উপর ভিত্তি করবে এবং প্রতি নামাযের জন্য ওযূ করবে
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, যে উম্মে হাবিবা বিনতে জাহশ ছিলেন আব্দুর রহমান ইবন্ আওফের স্ত্রী । তার এরূপ একটানা রক্তস্রাব আরম্ভ হলো যে, তিনি আর পাক পবিত্র হতে পারছিলেন না। তার ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহর কাছে উল্লেখ করা হলো। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন এটা ঋতুস্রাব নয়। এটা হলো জরায়ুর এক ক্ষত। যে কয়দিন ঋতুগ্রস্ত হতো সে কয়দিন অপেক্ষা করবে। সে কয়দিন নামায ছেড়ে দিবে। তারপর প্রতি নামাযের জন্য গোসল করে নামায পড়বে।
كتاب الطهارة
(23) باب في المستحاضة تبني على عادتها وفي وضوئها لكل صلاة
(39) عن عائشة رضي الله عنها أنَّ أمَّ حبيبة بنت جحش كانت تحت عبد الرّحمن بن عوف وإنَّها استحيضت فلا تطهر فذكرت شأنها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ليست بالحيضة ولكنها ركضة من الرحم فلتنظر قدر قرئها الَّتي كانت تحيَّض له فلتترك الصلاة ثمَّ لتنظر ما بعد ذلك فلتغتسل عند كلّ صلاةٍ ولتصلّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৫৩৮ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৪) পরিচ্ছেদঃ ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা পার্থক্য বুঝতে পারলে সে মতে আমল করবে
নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, উম্মে হাবিবা বিনতে জাহশ তিনি আব্দুর রহমান ইবন্ আওফের স্ত্রী সাত বছর রক্তস্রাবগ্রস্ত ছিলেন। তিনি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহর কাছে অভিযোগ করলেন। তখন নবী (ﷺ) বললেন, এটা কোন হায়েয বা ঋতুস্রাব নয়। এটা হলো একটা রগ। যখন ঋতুস্রাব শুরু হবে তখন নামায পড়া ছেড়ে দিবে। আর ঋতুস্রাবের সময় চলে যাবে তখন গোসল করবে। তারপর নামায পড়বে। আয়িশা (রা) বলেন, এরপর থেকে তিনি প্রতি নামাযের জন্য গোসল করতেন তারপর নামায পড়তেন। তিনি তাঁর বোন যাইনাব বিনতে জাহশের একটা বড় গামলায় বসতেন। তাঁর এত স্রাব হতো যে, গামলার পানি লাল হয়ে যেত।
(অপর এক সূত্রে তার থেকে আরও বর্ণিত আছে।) তিনি বলেন উম্মে হাবিবা বিনতে জাহশ রাসূল (ﷺ) এর কাছে ফাতওয়া চাইলেন। তিনি বললেন, আমার রক্তস্রাব হচ্ছে। রাসূল (ﷺ) বললেন, এটা হলো একটা রগ। (এরূপ হলে) তুমি গোসল করে নামায পড়ে নিবে। এরপর থেকে তিনি প্রতি নামাযের জন্য গোসল করতেন। ইবন্ শিহাব বলেন্ নবী (ﷺ) তাকে প্রতি নামাযের সময় গোসল করতে আদেশ করেন নি। তিনি নিজেই তা করতেন।
(অপর এক সূত্রে তার থেকে আরও বর্ণিত আছে।) তিনি বলেন উম্মে হাবিবা বিনতে জাহশ রাসূল (ﷺ) এর কাছে ফাতওয়া চাইলেন। তিনি বললেন, আমার রক্তস্রাব হচ্ছে। রাসূল (ﷺ) বললেন, এটা হলো একটা রগ। (এরূপ হলে) তুমি গোসল করে নামায পড়ে নিবে। এরপর থেকে তিনি প্রতি নামাযের জন্য গোসল করতেন। ইবন্ শিহাব বলেন্ নবী (ﷺ) তাকে প্রতি নামাযের সময় গোসল করতে আদেশ করেন নি। তিনি নিজেই তা করতেন।
كتاب الطهارة
(24) باب في المستحاضة تعمل بالتمييز
(40) عن عائشة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قالت استحيضت أمُّ حبيبة بنت جحشٍ وهي تحت عبد الرَّحمن بن عوف سبع سنين فشكت ذلك إلى رسول الله
صلى الله عليه وسلم فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم إنَّ هذه ليست بالحيضة، وإنما هو عرق، فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصَّلاة، وإذا أدبرت فاغتسلي ثمَّ صلّي، قالت عائشة فكانت تغتسل لكلَّ صلاة ثمّ تصلّي، وكانت تقعد في مركن لأختها زينب بنت جحش حتَّى إنَّ حمرة الدَّم لتعلو الماء (وعنها من طريق آخر) أنّها قالت استفتت أم حبيبة بنت جحش رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إنّي أستحاض
قال إنَّما ذلك عرق فاغتسلي ثمَّ صلَّي، فكانت تغتسل عند كلِّ صلاة، قال ابن شهاب لم يأمرها النَّبيّ صلى الله عليه وسلم أن تغتسل عند كلّ صلاة، إنَّما فعلته هي
صلى الله عليه وسلم فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم إنَّ هذه ليست بالحيضة، وإنما هو عرق، فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصَّلاة، وإذا أدبرت فاغتسلي ثمَّ صلّي، قالت عائشة فكانت تغتسل لكلَّ صلاة ثمّ تصلّي، وكانت تقعد في مركن لأختها زينب بنت جحش حتَّى إنَّ حمرة الدَّم لتعلو الماء (وعنها من طريق آخر) أنّها قالت استفتت أم حبيبة بنت جحش رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إنّي أستحاض
قال إنَّما ذلك عرق فاغتسلي ثمَّ صلَّي، فكانت تغتسل عند كلِّ صلاة، قال ابن شهاب لم يأمرها النَّبيّ صلى الله عليه وسلم أن تغتسل عند كلّ صلاة، إنَّما فعلته هي
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৪৭৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৫) পরিচ্ছেদঃ যে ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার পূর্বে ঋতুস্রাবের নিয়মের কথা জানে না এবং স্রাবও পৃথক করতে পারছে না এমতাবস্থায় সে কি করবে?
ইমরান ইবন্ তালহা তাঁর মা হাসনা বিনতে জাহাশ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমার প্রচূর রক্তস্রাব হতো। তখন আমি রাসূলুল্লাহ্ কাছে আসলাম তার কাছে এ প্রসঙ্গে ফাতওয়া চাইতে এবং তাকে জানাতে। তখন তাঁকে আমার বোন যাইনাব বিনতে জাহাশর ঘরে পেলাম। তিনি বলেন, তখন আমি তাঁকে বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনার কাছে আমার একটা প্রয়োজন আছে। তিনি বললেন, তা কি? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার প্রচুর রক্তস্রাব হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আপনি কি বলেন? তা আমাকে নামায রোযা থেকে বিরত রেখেছে। তিনি বললেন, আমি তোমাকে ফুরসফ অর্থাৎ তুলা ব্যবহারের কথা বলছি তা তোমার রক্ত বন্ধ করবে। তিনি বললেন, এ স্রাব অত্যধিক, তুলা তা বন্ধ করতে পারবে না। রাসূল (ﷺ) বলেন, আমি তোমাকে দু'টি নির্দেশ দিব । এতদুভয়ের যে কোন একটা আদেশ পালন করলেই দ্বিতীয়টাও আদায় হয়ে যাবে। আর যদি উভয় আদেশ পালন করতে পারো তাহলে তুমিই তা ভাল জান। তারপর তাকে বললেন, এটা শয়তানের একটা আঘাত। তুমি ছয় থেকে সাতদিন পর্যন্ত হায়েয (ঋতুস্রাব) পালন করবে, যা আল্লাহর ইলমে বিদ্যমান। অতঃপর গোসল করে নিজে যখন তোমার মনে হবে যে, তুমি পবিত্র হয়েছ । আর তোমার ইয়াকীন ও বিশ্বাস হবে যে, তুমি পূত-পবিত্র হয়েছ তখন থেকে চব্বিশ বা তেইশ দিন ও রাত পর্যন্ত নামায পড়বে এবং রোযা রাখবে, এটা তোমার জন্য যথেষ্ট। প্রতি মাসেই এরূপ করবে। যেমন অন্যান্য নারীর ঋতুস্রাব হয়, যেমনি তারা তাদের নির্ধারিত সময়ে পাক-পবিত্র হয়। তেমনি তুমিও পাক-পবিত্র হবে।) (আর দ্বিতীয় পথটি হল) আর যদি তুমি যোহরের নামাযকে বিলম্ব ও আছরের নামাযকে এগিয়ে নিয়ে আসতে পার তাহলো গোসল করে যোহর ও আসরের নামায একত্রে পড়বে। অতঃপর মাগরিবের নামায বিলম্ব করবে আর এশার নামাযকে এগিয়ে নিয়ে আসবে তারপর গোসল করে এতদুভয় নামাযকে একত্রে আদায় করতে পার তাহলে তা-ই করবে। আর ফজরের সময় গোসল করেই নামায পড়বে। এভাবেই সব সময় নামায পড়বে ও রোযা রাখবে। যদি তা তোমার পক্ষে সম্ভব হয়। (রাবী ইমরান) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছিলেন, এতদুভয়ের মধ্যে শেষোক্ত পদ্ধতিটাই আমার কাছে অধিক প্রিয় ।
كتاب الطهارة
(25) باب في المستحاضة التي جهلت عادتها ولم تميز، ماذا تفعل؟
(41) عن عمران بن طلحة عن أمِّه حمنة بنت جحش رضي الله عنها قالت كنت أستحاض حيضةً شديدةً كثيرةً فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم أستفتيه وأخبره فوجدته في بيت أختي زينب بنت جحش، قالت فقلت يا رسول الله إنّ لي إليك حاجةً: فقال وما هي؟ فقلت يا رسول الله إنّي أستحاض حيضةً كثيرةً شديدةً فا ترى فيها؟ قد منعتني الصَّلاة والصِّيام، قال أنعت لك الكرسف فإنه يذهب الدِّم، قال هو أكثر من ذلك، قال فتلجِّمي قالت إنَّما
أثجُّ ثجّا فقال لها سآمرك أمرين أيَّهما فعلت فقد أجزأ عنك من الآخر، فإن قويت عليهما فأنت أعلم: فقال لها إنَّما هذه ركضة من ركضات الشَّيطان، فتحيَّضي ستَّة أيّاَم إلى سبعة في علم الله ثمَّ اغتسلي حتَّى إذا رأيت أنَّك قد طهرت واستيقنت واستنقأت فصلّي أربعًا وعشرين ليلةً أو ثلاثًا وعشرين ليلةً وأيّامها وصومي، فإنّ ذلك يجزئك، وكذلك فافعلي في كلّ شهر كما تحيض النِّساء وكما يطهرن بميقات حيضهنَّ وطهرهنَّ، وإن قويت على أن تؤخّري الظُّهر وتعجّلي العصر فتغتسلين ثم تصلّين الظُّهر والعصر جميعًا ثمّ تؤخِّرين المغرب وتعجَّلين العشاء ثمَّ تغتسلين وتجمعين بين الصَّلاتين فافعلي، وتغتسلين مع الفجر وتصلِّين، وكذلك فافعلي وصلِّي وصومي إن قدرت على ذلك وقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهذا أعجب الأمرين إليَّ
أثجُّ ثجّا فقال لها سآمرك أمرين أيَّهما فعلت فقد أجزأ عنك من الآخر، فإن قويت عليهما فأنت أعلم: فقال لها إنَّما هذه ركضة من ركضات الشَّيطان، فتحيَّضي ستَّة أيّاَم إلى سبعة في علم الله ثمَّ اغتسلي حتَّى إذا رأيت أنَّك قد طهرت واستيقنت واستنقأت فصلّي أربعًا وعشرين ليلةً أو ثلاثًا وعشرين ليلةً وأيّامها وصومي، فإنّ ذلك يجزئك، وكذلك فافعلي في كلّ شهر كما تحيض النِّساء وكما يطهرن بميقات حيضهنَّ وطهرهنَّ، وإن قويت على أن تؤخّري الظُّهر وتعجّلي العصر فتغتسلين ثم تصلّين الظُّهر والعصر جميعًا ثمّ تؤخِّرين المغرب وتعجَّلين العشاء ثمَّ تغتسلين وتجمعين بين الصَّلاتين فافعلي، وتغتسلين مع الفجر وتصلِّين، وكذلك فافعلي وصلِّي وصومي إن قدرت على ذلك وقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهذا أعجب الأمرين إليَّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৮৭৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৬) পরিচ্ছেদঃ ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলারা সম্ভব হলে প্রতি নামাযের জন্য গোসল করবে, অথবা দুই নামাযের জন্য এক গোসল করবে বলে যারা বলেন তাদের দলীল
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালামা (অপর এক বর্ণনা মতে সুহাইলা) বিনতে সোহাইল ইবন্ আমর, এর রক্তস্রাব আরম্ভ হয়। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহর কাছে এসে তাঁকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করেন। তখন রাসূল (ﷺ) তাকে প্রতি নামাযের সময় গোসল করার আদেশ করেন। যখন তার পক্ষে তা করা কষ্টকর হল তখন তাকে যোহর আসর এর নামায এক গোসলে একত্রিত করতে এবং আর মাগরিব এশাকে এক গোসলে একত্রিত করতে আদেশ করেন। আর সকালের নামায এক গোসলে পড়তে আদেশ করলেন।
كتاب الطهارة
(26) باب حجة من قال تغتسل المستحاضة لكل صلاة إنَّ قررت
(أو تجمع بين الصلاتين بغسل)
(أو تجمع بين الصلاتين بغسل)
(42) عن عائشة رضي الله عنها قالت إنّ سلمة (وفي رواية سهيلة) بنت سهيل بن عمرو استحيضت فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألته عن ذلك، فأمرها
بالغسل عند كلِّ صلاة فلمَّا جهدها ذلك أمرها أن تجمع بين الظُّهر والعصر بغسل، والمغرب والعشاء بغسل، والصُّبح بغسل
بالغسل عند كلِّ صلاة فلمَّا جهدها ذلك أمرها أن تجمع بين الظُّهر والعصر بغسل، والمغرب والعشاء بغسل، والصُّبح بغسل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৩৯১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২৬) পরিচ্ছেদঃ ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলারা সম্ভব হলে প্রতি নামাযের জন্য গোসল করবে, অথবা দুই নামাযের জন্য এক গোসল করবে বলে যারা বলেন তাদের দলীল
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহর যুগে এক ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা (ইস্তিহাযা সম্বন্ধে) জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তাকে বলা হলো, এ হলো এক ব্যাড়া রগের কারসাজী এবং তাকে আদেশ করা হলো জোহরের নামায বিলম্ব করতে আর আসরের নামায এগিয়ে নিয়ে আসতে তারপর একবার গোসল করতে। তারপর নামায পড়তে। আর মাগরিবের নামায বিলম্ব করতে আর এশার নামায এগিয়ে নিয়ে এসে এতদুভয়ের জন্য একবার গোসল করতে (তারপর নামায পড়তে) আর সকালের নামাযের জন্য একবার গোসল করতে।
كتاب الطهارة
(26) باب حجة من قال تغتسل المستحاضة لكل صلاة إنَّ قررت
(أو تجمع بين الصلاتين بغسل)
(أو تجمع بين الصلاتين بغسل)
(43) حدثنا عبد الله حدَّثني أبى ثنا محمَّد بن جعفر وحجَّاج قالا حدَّثنا شعبة عن عبد الرَّحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أن امرأة مستحاضة سألت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل إنَّما هو عرق عاند وأمرت أن تؤخِّر الظُّهر وتعجّل العصر وتغتسل غسلًا واحدًا، وتؤخِّر المغرب وتعجِّل العشاء وتغتسل لهما غسلًا واحدًا، وتغتسل لصلاة الصُّبح غسلًا، قال ابن جعفر غسلًا واحدًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৪০
আন্তর্জাতিক নং: ২৫০৫৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (27) পরিচ্ছেদঃ ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলাদের জন্য যা নিষিদ্ধ তার কিছুই নিষিদ্ধ নয়
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলারা নামায পড়তে থাকবে এমনকি বিছানায় রক্তের ফোঁটা পড়তে থাকলেও।
كتاب الطهارة
(27) باب في أن الاستحاضة لا تمنع شيئا من موانع الحيض
(44) عن عائشة رضي الله عنها عن النُّبيّ صلى الله عليه وسلم قال تصلَّي المستحاضة وإن فطر الدَّم على الحصير
তাহকীক: