মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ৪২১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: এই বিষয়টি প্রথম দিকে ছাড় ছিল অতঃপর রহিত হয়ে যায়
(৪২১) আবদুল্লাহ আমাদের বলেছেন, আমাদেরকে আমার বাবা বলেছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে ইয়াহ্ইয়া ইবন্ আদম বলেছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে যুহাইর ও ইবন্ ইদ্রীস মোহাম্মদ ইবন ইসহাক থেকে (বর্ণনা করে বলেছেন।) তিনি ইয়াযিদ ইবন্ আবূ হুবাইব থেকে, তিনি মা'যর ইবন্ আবু হাবিবা থেকে, তিনি উবাইদা ইবন রিফাআ' ইবন রাফে' থেকে, তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন। যুহাইর রেফা'আ ইবন্ রাফে'র হাদীস সম্বন্ধে বলেন, তিনি 'আকাবা এবং বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরই একজন ছিলেন। তিনি বলেন, আমি ওমরের কাছেই ছিলাম তখন তাকে বলা হল, যায়েদ ইবন ছাবিত মসজিদে বসে ফাতাওয়া দিচ্ছেন যে, যুহাইর তাঁর হাদীসে বলেছেন, তিনি (যাইদ ইবন ছাবিত) যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করল, কিন্তু তার বীর্যপাত হলো না তার সম্বন্ধে মনগড়া ফাতাওয়া দিচ্ছিলেন। উমর বললেন, তাকে দ্রুতই আমার কাছে নিয়ে আসুন। তাকে নিয়ে আসা হলে উমর তাকে বললেন, হে নিজের শত্রু! তুমি কি রাসূলুল্লাহর মসজিদে বসে মানুষকে তোমার মনগড়া ফাতাওয়া দেয়ার মত যোগ্য হয়েছ? তিনি উত্তরে বললেন, আমি তো এমন কিছু করি নি। তবে আমার চাচারা আমাকে রাসুলুল্লাহর এর হাদীস বলেছেন, উমর (রা) বললেন, তোমার কোন, চাচা? তিনি বললেন উবাই ইবন্ কা'ব, যুহাইর বলেন এবং আবু আইয়ূব রেফা'আ ইবন রাফে'ও। তারপর আমার দিকে থাকালেন এবং বললেন, এ যুবকটি কি কথা বলছে? যুহাইর বলেন, এ ছেলেটি কি বলছে? তখন আমি বললাম, আমরা রাসুলুল্লাহর যুগে এরূপ করতাম। তিনি (উমর) বললেন, তোমরা কি এ প্রসঙ্গে রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলে? তিনি বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সা)-এর যুগে এরূপ করতাম। তারপর গোসল করতাম না। তিনি বলেন, তারপর (উমর) মানুষদেরকে জমায়েত করলেন এবং লোকেরা এ ব্যাপারে ঐকমত্যে উপনীত হল যে, বীর্ঘপাত ছাড়া পানি ব্যবহার করতে হয় না। তবে দু'জন লোক ভিন্ন মত পোষণ করলেন। আলী ইবন্ তালিব ও মুয়ায ইবন জাবাল, তাঁরা উভয়ে বললেন, যখন (পুরুষের) খতনার স্থান (নারীর) খতনাস্থান অতিক্রম করবে তখন গোসল ওয়াজিব হবে। তিনি বলেন, তখন আলী (রা) বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী জানেন রাসূল (সা)-এর স্ত্রীগণ। তখন হাফসার কাছে লোক পাঠালেন। তিনি (হাফসা) বললেন, এ প্রসঙ্গে আমার কিছু জানা নেই। তারপর আয়িশা (রা)-এর কাছে লোক পাঠালেন, আয়িশা উত্তরে বললেন, যখন পুরুষের খতনাস্থান নারীর খতনাস্থান অতিক্রম করবে তখন গোসল ওয়াজিব হবে। তিনি বলেন, তখন উমর ক্রোধান্বিত হলেন অর্থাৎ রাগান্বিত হলেন তারপর বললেন, আমার কাছে এরূপ কেউ করেছে অতঃপর গোসল করে নি এমন খবর আসলে আমি তাকে অবশ্যই শাস্তি দিব।
[হাইসুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তাবারানী বর্ণনা করেন। ইবন্ আবু শাইবাও হাদীসটি বর্ণনা করেন। তার সনদ উত্তম।]
كتاب الطهارة
(2) باب فى أن قلك كان رخصة ثم نسخ
(421) حدّثنا عبد الله قال حدَّثنى أبى قال ثنا يحيى بن آدم قال ثنا زهير وابن إدريس عن محمَّد بن إسحق عن يزيد بن أبى حبيب عن معمر بن أبى حبيبة عن عبيد بن رفاعة بن رافع عن أبيه، قال زهير فى حديثه رفاعة ابن رافع وكان عقبيَّا بدريًّا قال كنت عند عمر فقيل له إنَّ زيد بن ثابت يفتى النَّاس فى المسجد، قال زهير فى حديثه يفتى النَّاس برأيه فى الَّذى يجامع ولا ينزل، فقال أعجل به فأتى به فقال يا عدوَّ نفسه أو قد بلغت أن تفتى النَّاس فى مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم، برأيك، قال ما فعلت ولكن حدَّثنى عمومتى عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيُّ عمومتك، قال أبىُّ بن كعب، قال زهير وأيُّوب ورفاعة بن رافع، فالتفت إلىَّ وقال ما يقول هذا الفتى، وقال
زهير ما يقول هذا الغلام، فقلت كنَّا نفعله في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال فسألتم عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كنَّا نفعله على عهده فلم نغتسل، قال فجمع النَّاس واتَّفق النَّاس على أنَّ الماء لا يكون إلاَّ من الماء إلاَّ رجلين علىَّ بن أبى طالب ومعاذ بن جبل قالا إذا جاوز الختان الختان فقد وجب
الغسل قال فقال عليُّ يا أمير المؤمنين إن أعلم النَّاس بهذا أزواج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأرسل إلى حفصة فقالت لا علم لى، فأرسل إلى عائشة فقالت إذا جاوز الختان الختان وجب الغسل، قال فتحطَّم عمر يعنى تغيَّظ ثمَّ قال لا يبلغني أنَّ أحدًا فعله ولا يغتسل إلاَّ أنهكته عقوبةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: নারী, পুরুষের খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলনের ফলে বীর্যপাত না হলেও গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২২) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যখন কেউ (স্ত্রীর) চার শাখার মধ্যে বসে অতঃপর খাতনা স্থানের সাথে খতনাস্থানের সংযোগ ঘটায় তখন তার ওপর গোসল ওয়াজিব হয়।
[মুসলিম ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিনি হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى وجوب الغسل بالتقاء الختانين ولو لم ينزل
(422) عن عائشة رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قعد بين الشُّعب الأربع ثم ألزق الختان بالختان فقد وجب الغسل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: নারী, পুরুষের খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলনের ফলে বীর্যপাত না হলেও গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৩) আমর ইবন্ শুয়াইব তাঁর দাদা থেকে তাঁর বাবার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি (দাদা) বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যখন উভয় খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলিত হবে আর শিশ্নাগ্র অন্তরীণ হয়ে যাবে তখন গোসল ওয়াজিব হবে।
كتاب الطهارة
(3) باب فى وجوب الغسل بالتقاء الختانين ولو لم ينزل
(423) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه قال قال رسول الله
صلى الله عليه وسلم إذا التقى الختانان وتوارت الحشفة فقد وجب الغسل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: নারী, পুরুষের খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলনের ফলে বীর্যপাত না হলেও গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৪) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সা) বলেছেন, যখন কেউ (স্ত্রীর) চার শাখার মধ্যে বসেন এবং সচেষ্ট হয়
(অপর এক বর্ণনায় আছে, অতঃপর তার প্রতি চেষ্টা চালায়) তখন গোসল ওয়াজিব হবে, বীর্যপাত হোক কিংবা না হোক।
[বুখারী, মুসলিম মালিক ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى وجوب الغسل بالتقاء الختانين ولو لم ينزل
(424) عن أبى هريرة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال إذا جلس بين شعبها الأربع وأجهد نفسه (وفى رواية ثمَّ جهدها) فقد وجب الغسل أنزل أو لم ينزل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: নারী, পুরুষের খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলনের ফলে বীর্যপাত না হলেও গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৫) সাঈদ ইবন্ মুসাইয়্যাব (র) থেকে বর্ণিত। আবু মুসা আশ'আরী (রা) আয়িশা (রা)-কে বললেন, আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই, কিন্তু আপনার কাছে এ প্রশ্ন করতে লজ্জা পাচ্ছি। তখন আয়িশা বললেন, প্রশ্ন কর লজ্জা পেও না, আমি তো তোমার মা। তখন (আবূ মূসা) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, কোন ব্যক্তি স্ত্রী সঙ্গম করল কিন্তু বীর্যপাত হলো না (তাকে কি করতে হবে) তিনি উত্তরে বলেন, নবী (সা) বলেছেন, যখন (পুরুষের) খতনা স্থান (নারীর) খতনাস্থানের সাথে মিলিত হয় তখন গোসল ওয়াজিব হয়।
[মুসলিম, মালিক শাফেয়ী ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى وجوب الغسل بالتقاء الختانين ولو لم ينزل
(425) عن سعيد بن المسيَّب أنَّ أبا موسى (الأشعرىَّ) رضى الله عنه قال لعائشة رضى الله عنها إنِّى أريد أن أسألك عن شئ وأنا أستحى منك، فقالت سل ولا تستحى فإنَّما أنا أمك، فسألها عن الرَّجل يغشى ولا ينزل فقالت عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم إذا أصاب الختان الختان فقد وجب الغسل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: নারী, পুরুষের খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলনের ফলে বীর্যপাত না হলেও গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৬) মুয়ায ইবন্ জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সা) বলেছেন, যখন খতনা স্থান খতনা স্থানকে অতিক্রম করবে তখন গোসল ওয়াজিব হবে।
[হাইসুমী বলেন, হাদীসটি বাযযার কর্তৃক বর্ণিত। তাতে একজন অজ্ঞাত ও আর একজন দুর্বল রাবী রয়েছেন।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى وجوب الغسل بالتقاء الختانين ولو لم ينزل
(426) عن معاذ بن جبل رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال إذا جاوز
الختان الختان فقد وجب الغسل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: নারী, পুরুষের খতনা স্থান পরস্পরের সাথে মিলনের ফলে বীর্যপাত না হলেও গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৭) আবদুল্লাহ ইবন সা'দ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, কি কারণে গোসল ওয়াজিব হয়? আর পেশাবের পর মযী বের হলে কি করতে হয় এবং বাড়িতে নামায পড়া ও মসজিদে নামায় পড়া প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন রাসূল (সা) বললেন, আল্লাহ তা'আলা সত্য প্রকাশ করতে লজ্জা পান না। আমি যখন এরূপ করি তারপর গোসলের কথা বললেন। বললেন, আমি নামাযের জন্য যেরূপ ওযু করি তেমন ওযু করি। আমার লজ্জাস্থান দুই, তারপর গোসলের কথা উল্লেখ করেন। আর পেশাবের পর যে পানি বের হয় তা হল মযী। সব পুরুষেরই মযী বের হয়। এ কারণে আমি আমার লজ্জাস্থান দুই এবং ওযু করি। আর মসজিদে নামায ও আমার বাড়িতে নামায পড়া প্রসঙ্গে বলতে হয় তুমি দেখতে পাচ্ছ আমার বাড়ি মসজিদ থেকে কতই কাছে। আমার বাড়িতে নামায পড়া আমার কাছে মসজিদে নামায পড়ার চেয়ে বেশী প্রিয়। তবে ফরয নামাযের কথা আলাদা। আর ঋতুবর্তী মহিলার সাথে খাওয়া-দাওয়া করার ব্যাপারে উত্তর হলো, তুমি তার (তাদের সাথে) সাথে খাওয়া-দাওয়া করবে।
[আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى وجوب الغسل بالتقاء الختانين ولو لم ينزل
(427) عن عبد الله بن سعد أنَّه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عمَّا يوجب الغسل، وعن الماء يكون بعد الماء وعن الصَّلاة فى البيت، وعن الصَّلاة فى المسجد، وعن مؤاكلة الحائض، فقال إنَّ الله لا يستحيى من الحقِّ، أمَّا أنا فإذا فعلت كذا وكذا فذكر الغسل، قال أتوضَّأ وضوئي للصَّلاة أغسل من ذلك فرجى وأتوضَّأ، وأمَّا الصَّلاة فى المسجد والصَّلاة في بيتى فقد ترى ما أقرب بيتى من المسّجد، ولأن أصلِّي، فى بيتى أحبُّ إلىَّ من أن أصلِّي في المسجد إلاَّ أن تكون صلاةً مكتوبةً. وأمَّ مؤاكلة الحائض فآكلها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৬১৯৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৮) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হল, কোন লোক তার কাপড় ভেজা পেল কিন্তু তার স্বপ্নদোষের কথা মনে পড়ছে না। (তাকে কি করতে হবে?) তিনি বললেন, সে গোসল করবে (আবার জিজ্ঞাসা করা হল) কোন লোকের মনে হচ্ছে যে, তার স্বপ্নদোষ হয়েছে কিন্তু সে তার কাপড় ভেঁজা দেখতে পেল না। (রাসূল (ﷺ) বললেন, তাকে গোসল করতে হবে না। তখন উম্মে সুলাইম বললেন, কোন মহিলা যদি এরূপ স্বপ্ন দেখে তাকে কিছু করতে হবে কি? (রাসূল সা) বললেন, হ্যাঁ, কারণ নারী হল পুরুষের সমকক্ষ।
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(428) عن عائشة رضى الله عنها قالت سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرَّجل يجد البلل ولا يذكر احتلامًا، قال يغتسل، وعن الرَّجل يرى أنَّه قد احتلم ولا يرى بللًا، قال لا غسل عليه، فقالت أمُّ سليم هل على المرأة ترى ذلك شيء؟ قال نعم، إنَّما النِّساء شقائق الرِّجال
হাদীস নং: ৪২৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৭১১৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪২৯) ইসহাক ইবন্ আব্দুল্লাহ ইবন্‌ আবূ তালহা আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর দাদী উম্মে সুলাইম (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন- তিনি নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী উম্মে সালামা (রা)-এর প্রতিবেশী ছিলেন। ফলে তাঁর বাড়িতে যেতেন। একবার নবী (ﷺ) আসলেন তখন উম্মে সুলাইম বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বলুন, কোন মহিলা যদি স্বপ্নে দেখে যে তার স্বামী তার সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছে সে কি গোসল করবে? তখন উম্মে সালামা বললেন, তোমার সর্বনাশ হোক হে উম্মে সুলাইম! তুমি রাসূলুল্লাহর কাছে নারীদেরকে লাঞ্ছিত করলে। উম্মে সুলাইম বললেন, আল্লাহ তা'আলা সত্য প্রকাশে লজ্জা পান না। আমার কাছে আমাদের সমস্যাবলীর সমাধান রাসূলুল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করা অন্ধকারে থাকার চেয়ে উত্তম। তখন রাসূল (ﷺ) উম্মে সালামাকে বললেন, তোমারই সর্বনাশ হোক । হ্যাঁ, হে উম্মে সুলাইম, তাকে গোসল করতে হবে, যদি সে আদ্রতা দেখতে পায়। তখন উম্মে সুলাইম বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! নারীদেরও কি পানি আছে? নবী (ﷺ) বললেন, (যদি না থাকে) তাহলে কেন তার সন্তান তার সাদৃশ্য হয়? তারা তো পুরুষের সমকক্ষ।
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(429) عن إسحاق بن عبد الله بن أبى طلحة الانصارىِّ عن جدَّته أمِّ سليم رضى الله عنها قالت كانت مجاورة أمَّ سلمة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
فكانت تدخل عليها فدخل النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم فقالت أمُّ سليم يا رسول الله أرأيت إذا رأت المرأة أنَّ زوجها يجامعها في المنام أتغتسل؟ فقالت أمُّ سلمة تربت يداك يا أمَّ سليم فضحت النِّساء عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت أمُّ سليم إنَّ الله لا يستحيى من الحقَّ وإنَّ إن نسأل النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم عمَّا أشكل علينا خير من أن نكون منه على عمياء، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم لأمِّ سلمة أنت تربت يداك، نعم يا أمَّ سليم عليها الغسل إذا وجدت الماء، فقالت أمُّ سليم يا رسول الله وهل للمرأة ماء؟ فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم فأنَّى يشبهها ولدها، هنَّ شقائق الرِّجال
হাদীস নং: ৪৩০
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৬৩১ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪৩০) উম্মে সালামা (রা) থেকে, উম্মে সুলাইম (আবূ তালহার স্ত্রী) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ কোন নারী যদি স্বপ্নে দেখে যে তার স্বামী তার উপর উপগত হয়েছেন তাকে কি গোসল করতে হবে? (রাসূল (ﷺ)) বলেন হ্যাঁ । যদি বীর্য দেখতে পায়। তখন উম্মে সালামা বলেন, এরূপ কি হয়? (একথা শুনে) রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমার ডান হাত ধূলায় মণ্ডিত হোক। যদি তাই না হত তাহলে শিশু কি করে আমাদের সাদৃশ্য পায়? তাতো একারণেই হয়। এতদুভয়ের যার বীর্য জরায়ুতে আগে স্থাপিত হয় তার সাদৃশ্য প্রাধান্য পায়। হাজ্জাজ তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেন, তোমার কপাল ধূলায় মণ্ডিত হোক।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) যায়নাব বিনতে উম্মে সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর মা উম্মে সালামা থেকে বর্ণনা করেন যে, উম্মে সুলাইম নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ,। আল্লাহ তা'আলা সত্য প্রকাশে লজ্জাবোধ করেন না। মহিলার যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে তাকে কি গোসল করতে হবে? (রাসূল (ﷺ) বললেন হ্যাঁ, যদি বীর্য দেখতে পায়।
(তৃতীয় এক সূত্রে) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি উম্মে সালামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, উম্মে সুলাইম নবী (ﷺ)-এর কাছে আসলেন তারপর তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, কোন মহিলা যদি স্বপ্নে তাই দেখে যা পুরুষরা দেখে থাকেন (তাহলে তাকে কি করতে হবে?) উত্তরে (মহানবী সা) বললেন, যদি আদ্রতা বা পানি দেখতে পায় তাহলে তাকে গোসল করতে হবে। তিনি (উম্মে সালামা) বলেন, আমি বললাম, তুমি নারীদেরকে লাঞ্ছিত করেছ। নারীর কি স্বপ্নদোষ হয়। তখন নবী (ﷺ) বললেন, তোমার ডান হাত ধূলায় মণ্ডিত হোক। তা না হলে তাদের সন্তান কেন তাদের মত হয়?
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(430) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا يزيد بن هارون وحدَّثنى حجَّاج قال أنا ابن أبى ذئب عن المقبرىِّ عن عبد الله بن رافع مولى أمِّ سلمة عن أمِّ سلمة رضى الله عنها أنَّ أمَّ سليم قال حجاج امرأة أبى طلحة قالت يا رسول الله المرأة ترى زوجها فى المنام يقع عليها أعليها غسل؟ قال نعم إذا رأت الماء فقالت أمُّ سلمة وتفعل ذلك؟ فقال تربت يمينك، أنَّى يأتي شبه الخؤولة إلاَّ من ذلك، أيُّ النُّطفتين سبقت إلى الرَّحم غلبت على الشَّبه، وقال حجاج
في حديثه ترتب جبينك
(ومن طريق ثان) عن زينب بنت أم سلمة عن أمِّها أمِّ سلمة أنَّ أمَّ سليم سألت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إنَّ الله لا يستحيى من الحقِّ، هل على المرأة غسل إذا احتملت؟ قال نعم إذا رأت الماء
(ومن طريق ثالث) عنها عن أمِّ سلمة قالت جاءت أمُّ سليم إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فسألته عن المرأة ترى في منامنها ما يرى الرَّجل، فقال إذا رأت الماء فلتغتسل، قالت قلت فضحت النِّساء، وهل تحتلم المرأة؟ فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم تربت يمينك فبم يشبهها ولدها إذًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৬৩৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪৩১) ইয়াযিদ ইবন আবূ সুমাইয়্যা (রা) থেকে বর্ণিত, (তিনি বলেন) আমি ইবন উমর (রা)-কে বলতে শুনেছি উম্মে সুলাইম তিনি আনাস ইবন মালিকের মা রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! নারীরাও যদি স্বপ্নে তাই দেখে যা পুরুষরা দেখে থাকে তাহলে কি করবে? রাসূল (ﷺ) তাঁকে বললেন, নারীরা যদি তা দেখে আর তাতে তাদের বীর্যপাত হয় তা হলে তারা যেন গোসল করে।
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(431) عن يزيد بن أبى سميَّة سمعت ابن عمر رضى الله عنهما يقول سألت أمُّ سليم وهى أمُّ أنس بن مالك فقالت يا رسول الله ترى المرأة فى المنام ما يرى الرَّجل؟ فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رأت المرأة ذلك
وأنزلت فلتغتسل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩২
আন্তর্জাতিক নং: ১২২২২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪৩২) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, উম্মে সুলাইম (রা) রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন জনৈক মহিলা স্বপ্নে তাই দেখেন যা পুরুষেরা দেখে থাকেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ স্বপ্ন, দেখে তাতে তার বীর্যপাত হলে সে যেন গোসল করে। উম্মে সালামা (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরূপ কি হয়? তিনি বললেন, হ্যাঁ । পুরুষের বীর্য ঘন এবং সাদা। আর মহিলার বীর্য (রস) হলুদ ও পাতলা। এতদুভয়ের মধ্যে যেটা অগ্রবর্তী হবে, অথবা প্রাধান্য পাবে সন্তান তার সাদৃশ্য হবে।
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(432) عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّ سليم سألت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم عن امرأة ترى فى منامها ما يرى الرَّجل، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم من رأت ذلك منكنَّ فأنزلت فلتغتسل، قالت أمُّ سلمة أو يكون ذلك يا رسول الله؟ قال نعم، ماء الرَّجل غليظ أبيض، وماء المرأة أصفر رقيق، فأيهما سبق أو علا أشبهه الولد
হাদীস নং: ৪৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৬১০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪৩৩) উরওয়া ইবন যুবাইর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, জনৈক মহিলা নবী (ﷺ)-কে বললেন, মহিলার যদি স্বপ্নদোষ হয় আর বীর্য দেখতে পায় তাহলে সে কি গোসল করবে? রাসূল (ﷺ) (তিরস্কার করা) বাদ দাও। একারণেই তো (সন্তান) সাদৃশ্যমান হয়। যখন স্ত্রীর বীর্য পুরুষের বীর্যের প্রাধান্য লাভ করে তখন (সন্তান) তার আমাদের সাদৃশ্যমান হয়। আর যখন পুরুষের বীর্য নারীর বীর্যের উপর প্রাধান্য লাভ করে তখন তার সাদৃশ্যমান হয়।
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(433) عن عروة بن الزُّبير عن عائشة رضى الله عنها أنَّ امرأةً قالت للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم هل تغتسل المرأة إذا احتلمت وأبصرت الماء؟ قال نعم، فقالت لها عائشة تربت يدّاك، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم دعيها، وهل يكون الشَّبه إلاَّ من قبل ذلك، إذا علا ماؤها ماء الرجل أشبه أخواله، وإذا علا ماء الرَّجل ماءها أشبهه
হাদীস নং: ৪৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৩১২ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বপ্নদোষের কারণে বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৪৩৪) সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব, থেকে বর্ণিত, তিনি খাওলা বিনতে হাকীম (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন নারী যদি তার স্বপ্নে কিছু দেখে যেরূপ পুরুষরা দেখেন (তাহলে তাকে কি করতে হবে?) তখন নবী (ﷺ) বললেন, তাকে গোসল করতে হবে না পানি (রস) না দেখা পর্যন্ত। যেমন পুরুষদেরকে গোসল করতে হয় না বীর্যপাত না হলে।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে) তিনি বলেন, খাওলা বিনতে হাকীম আমুলামিয়া তিনি নবী (ﷺ)-এর খালাদেরই একজন তিনি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন নারীর যদি স্বপ্নদোষ হয়? তাহলে তাকে কি করতে হবে?) তখন নবী (ﷺ) বলেন, সে অবশ্যই গোসল করবে।
كتاب الطهارة
(4) باب وجوب الغسل على من احتلك اذا أنزل
(434) عن سعيد بن المسيَّب عن خولة بنت حكيم رضى الله عنها أنَّها سألت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم عن المرأة ترى في منامها ما يرى الرَّجل، فقال ليس عليها
غسل حتَّى ينزل الماء كما أنَّ الرَّجل ليس عليه غسل حتَّى ينزل
(وعنه من طريق ثان) قال إنَّ خولة بنت حكيم السُّلميَّة وهى إحدى خالات النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم سألت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم عن المرأة تحتلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لتغتسل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ৮৪০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ জানাবতাবস্থায় আল-কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে না একথা যারা বলেন তাঁদের দলিল
(৪৩৫) আব্দুল্লাহ ইবন্ সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী ইবন আবূ তালিবের কাছে গেলাম আরও দু'টি লোকও গেল, একজন আমারই গোত্রের অপর লোকটি বনী আসাদের। আমি মনে করি অতঃপর এতদুভয়কে পাঠালেন কোন কাজের জন্য এবং বলেন, তোমরা দু'জন শক্ত সামর্থ। তোমরা তোমাদের দীনের কাজ কর, অতঃপর শৌচগোরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটালেন। তারপর বের হয়ে আসলেন। তারপর এক আঁজলা পানি নিলেন, তা দিয়ে মাসহ করলেন। তারপর কুরআন তিলাওয়াত আরম্ভ করলেন। তিনি (রাবী) বলেন, তিনি যেন মনে করলেন আমরা তাঁর এ কর্মের আপত্তি করছি। তারপর বললেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করে বের হয়ে এসে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আমাদের সাথে গোস্ত খেতেন। তাঁকে জানাবত ছাড়া অন্য কোন কিছু কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত রাখতে পারত না।
كتاب الطهارة
(5) باب حجة من قال الجنب لا يقرأ القرآن
(435) عن عبد الله بن سلمة قال دخلت على علىِّ بن أبى طالب رضى الله عنه أنا ورجلان رجل من قومى ورجل من بنى أسد أحسب فبعثهما وجهًا وقال أما إنَّكما علجان فعالجا عن ينكما ثمَّ دخل المخرج فقضى حاجته ثمَّ خرج فأخذ حفنةً من ماء فتمسَّح بها ثمَّ جعل يقرأ القرآن قال فكأنَّه
رآنا أنكر ذلك ثمَّ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقضى حاجته ثمَّ يخرج فيقرأ القرآن ويأكل معنا اللّحم ولم يكن يحجبه عن القرآن شيء ليس الجنابة
হাদীস নং: ৪৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬২৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ জানাবতাবস্থায় আল-কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে না একথা যারা বলেন তাঁদের দলিল
(৪৩৬) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে কুরআন পড়াতেন জানাবত না হওয়া অবস্থায়।
كتاب الطهارة
(5) باب حجة من قال الجنب لا يقرأ القرآن
(436) عن علىّ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرئنا القرآن ما لم يكن جنبًا
হাদীস নং: ৪৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ৮৭২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ জানাবতাবস্থায় আল-কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে না একথা যারা বলেন তাঁদের দলিল
(৪৩৭) আবুল গারীফ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আলী (রা)-এর জন্য ওযূর পানি নিয়ে আসা হল, তখন তিনি কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন তিনবার করে। মুখমণ্ডল ধুলেন তিনবার। তাঁর হাত দু'টি (কবজি পর্যন্ত) ও তার উপরের অংশ তিন তিন বার করে ধুলেন। তারপর মাথা মাসহ করলেন। তারপর তাঁর পা দু'টি ধুলেন। তারপর বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে ওযূ করতে দেখেছি। তারপর তিনি আল-কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করলেন। তারপর বললেন, এ বিধান তাদের জন্য যারা জানাবত সম্পন্ন নয়। আর যারা জানাবত ওয়ালা তারা একটি আয়াতও তিলাওয়াত করতে পারবে না।
كتاب الطهارة
(5) باب حجة من قال الجنب لا يقرأ القرآن
(437) عن أبى الغريف قال أتى علىُّ رضى الله عنه بوضوء فمضمض واستنشق ثلاثًا وغسل يديه وذراعيه ثلاثًا ثلاثًا ثمَّ مسح برأسه ثمَّ غسل رجليه ثمَّ قال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ ثمَّ قرأ شيئًا من القرآن ثمَّ قال هذا لمن ليس بجنب فأمَّا الجنب فلا ولا آية
হাদীস নং: ৪৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৩২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ জানাবতাবস্থায় আল-কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে না একথা যারা বলেন তাঁদের দলিল
(৪৩৮) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাঃ) বলেছেন, যে বাড়িতে জানাবত অবস্থার মানুষ কিংবা ছবি অথবা কুকুর আছে সেখানে (রহমতের) ফিরিশতা প্রবেশ করেন না।
كتاب الطهارة
(5) باب حجة من قال الجنب لا يقرأ القرآن
(438) عن علىّ رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال لا تدخل الملائكة
بيتًا فيه جنب ولا صورة ولا كلب
হাদীস নং: ৪৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৯১১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ গোসলের সময় পর্দাবলম্বন করা প্রসঙ্গে
(৪৩৯) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) আলী (রা)-কে নির্দেশ করলেন, ফলে তিনি তাঁর জন্য গোসলের পানি দিলেন, তারপর তাঁকে কাপড়-চোপড় দিলেন। তখন তিনি (মহানবী সা) বললেন, আমাকে আড়াল করো এবং আমার দিকে তোমার পিঠ দিয়ে থাক।
كتاب الطهارة
(6) باب فى الاستتار عند الغسل
(439) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه أمر عليًّا فوضع
له غسلًا ثم أعطاه ثوبًا فقال استرنى وولِّنى ظهرك
হাদীস নং: ৪৪০
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৭৬৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ গোসলের সময় পর্দাবলম্বন করা প্রসঙ্গে
(৪৪০) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মুসা ইবন্ ইমরান (আ.) যখন (গোসলের জন্য) পানিতে নামতেন পানি অভ্যন্তরে তাঁর সতর অন্তরীণ না হওয়া পর্যন্ত কাপড় খুলতেন না ।
كتاب الطهارة
(6) باب فى الاستتار عند الغسل
(440) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ موسى ابن عمران كان إذا أراد أن يدخل الماء لم يلق ثوبه حتَّى يواري عورته بالماء