মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৬. পবিত্রতা অর্জন

হাদীস নং: ৪৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ৮৭২
পবিত্রতা অর্জন
(৫) পরিচ্ছেদঃ জানাবতাবস্থায় আল-কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে না একথা যারা বলেন তাঁদের দলিল
(৪৩৭) আবুল গারীফ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আলী (রা)-এর জন্য ওযূর পানি নিয়ে আসা হল, তখন তিনি কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন তিনবার করে। মুখমণ্ডল ধুলেন তিনবার। তাঁর হাত দু'টি (কবজি পর্যন্ত) ও তার উপরের অংশ তিন তিন বার করে ধুলেন। তারপর মাথা মাসহ করলেন। তারপর তাঁর পা দু'টি ধুলেন। তারপর বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে ওযূ করতে দেখেছি। তারপর তিনি আল-কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করলেন। তারপর বললেন, এ বিধান তাদের জন্য যারা জানাবত সম্পন্ন নয়। আর যারা জানাবত ওয়ালা তারা একটি আয়াতও তিলাওয়াত করতে পারবে না।
كتاب الطهارة
(5) باب حجة من قال الجنب لا يقرأ القرآن
(437) عن أبى الغريف قال أتى علىُّ رضى الله عنه بوضوء فمضمض واستنشق ثلاثًا وغسل يديه وذراعيه ثلاثًا ثلاثًا ثمَّ مسح برأسه ثمَّ غسل رجليه ثمَّ قال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ ثمَّ قرأ شيئًا من القرآن ثمَّ قال هذا لمن ليس بجنب فأمَّا الجنب فلا ولا آية

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(تخريجه) رواه أيضاً أبو يعلى مختصراً عن على (قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ ثم قرأ شيئا من القرآن قال هكذا لمن ليس بجنب فأما الجنب فلا ولا آية) قال الهيثمي رجاله موثقون أهـ

[আবূ ইয়ালা কর্তৃক সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণিত। হাইসুমী বলেন, এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।........]

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হযরত উসমান ও আলী (রা) সূত্রে বর্ণিত দু'টি হাদীস থেকে জানা যায় যে, সাধারণভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ উযূর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধৌত করতেন এবং একবার মাথা মাসেহ করতেন, কিন্তু কখনো কখনো দেখা যায় যে, তিনি উযূর অঙ্গসমূহ একবার করে আবার কখনো দু'বার করে ধৌত করা যথেষ্ট মনে করেছেন। তবে তাঁর এধরনের কাজের উদ্দেশ্য ছিল লোকদের জানিয়ে ও দেখিয়ে দেওয়া যে এভাবেও উযূ করা যায়। ফিক্‌হবিদদের পরিভাষায়-এ ধরনের উযূ জায়িয ও অনুমোদিত পদ্ধতি। তবে এ সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না যে, পানির সংকট হেতু তিনি এরূপ উযূ করে থাকবেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান