মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ৪০১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০১) তিনি আরও বর্ণনা করে বলেন যে, রাসূল (সা)-এর কাছে কিছু রুটি ও গোশত আনা হল। তখন রাসূল (সা) ওযুর পানি চাইলেন তারপর ওযু করলেন। তারপর জোহরের নামায পড়লেন। তারপর বাকি খাবারগুলো চাইলেন এবং সেগুলো খেলেন, তারপর নামায পড়তে গেলেন ওযু না করেই। পরবর্তীকালে আমি উমর (রা)-এর কাছে প্রবেশ করলান, তখন তাঁর জন্য এখানে (অপর এক বর্ণনায় আছে, এখানে هاهنا শব্দের পরিবর্তে أمامنا আমাদের সামনে।) একটা গামলা রাখা হলো যাতে ছিল রুটি ও গোশত। আর এখানে ছিল আর একটি গামলা তাতেও ছিল রুটি ও গোশত। তখন উমর (রা) তা খেলেন তারপর ওযু না করেই তিনি নামাযে দাঁড়ালেন।
[নাসায়ী, ও আবু দাউদ, নববী বলেন, জাবিরের হাদীসটি সহীহ।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(401) وعنه أيضًا رضى الله عنه قال قرِّب لرسول الله صلى الله عليه وسلم خبز ولحم ثمَّ دعا بوضوء فتوضَّأ ثمَّ صلَّى الظُّهر ثمَّ دعا بفضل طعامه فأكل ثمَّ قام إلى الصَّلاة ولم يتوضَّأ، ثمَّ دخلت مع عمر فوضعت له هاهنا (وفى رواية أمامنا بدل ها هنا) جفنة فيها خبز ولحم وها هنا جفنة فيها خبز ولحم فأكل عمر ثم قام إلى الصَّلاة ولم يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০২) সুয়াইদ ইবন্ নু'মান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (সা)-এর সাথে খাইবার (যুদ্ধের) (বছর) বের হলাম, যখন আমরা "সাহবা", নামক স্থানে পৌছলাম, তিনি আসরের নামায আদায় করে খাবার চাইলেন, তখন ছাতু ছাড়া আর কিছু আনা হলো না, তখন সকলেই তা খেলেন এবং পান করলেন। তারপর মাগরিবের নামায পড়ার জন্য গেলেন। আমরাও তাঁর (রাসূল সা-এর) সাথে কুলি করলাম। তিনি পানি স্পর্শ করলেন না।
(বুখারী, মালিক, ইবন মাজাহ ও নাসায়ী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(402) عن سويد بن النُّعمان رضى الله عنه قال خرجنا مع رسول الله
صلى الله عليه وسلم عام خيبر حتَّى إذا كنَّا بالصَّهباء وصلَّى العصر دعا بالأطعمة فمّا أتى إلاَّ بسويق فأكلوا وشربوا منه ثمَّ قام إلى المغرب ومضمضنا معه وما مسَّ ماء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৩) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, উবাই ইবন্ কা'ব, ও আবু তালহা এক জায়গায় বসাছিলাম, তখন আমরা রুটি ও গোশত খেলাম, তারপর আমি ওযুর পানি চাইলাম। তখন উভয়ে বললেন, তুমি ওযু করছো কেন? তখন আমি বললাম, এ খাবারের জন্য, যা আমরা এখন খেলাম। তখন তাঁরা বললেন, তুমি কি পবিত্র জিনিস খেয়ে ওযু করতে চাও? যিনি তোমার চেয়ে উত্তম তিনি এরূপ জিনিস খেয়ে ওযু করেন নি।
(বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত। হাইসুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(403) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال كنت أنا وأبىُّ بن كعب وأبو طلحة جلوسًا فأكلنا لحمًا وخبزًا ثمَّ دعوت بوضوء فقالا لم تتوضَّأ؟ فقلت لهذا الطَّعام الَّذى أكلنا، فقالا أتتوضَّأ من الطَّيِّبات. لم يتوضَّأ منه من هو خير منك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৪) আবদুল্লাহ ইবন হারিছ ইবন জাযইযযা-বাইদি (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসুল (সা)-এর সাথে মসজিদে বুনা গোশত খেলাম। এমতাবস্থায় নামাযের একামত বলা হল, তখন আমরা আমাদের হাত পাথুরী মাটিতে প্রবেশ করলাম, তারপর নামায পড়তে দাঁড়ালাম, ওযু করলাম না।
[আবু দাউদ কর্তৃক বর্ণিত। মুনযিরী হাদীসটি উল্লেখ করে কোন মন্তব্য করেন নি।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(404) عن عبد الله بن الحارث بن جزه الزَّبيدىِّ رضى الله عنه قال
أكلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم شواء فى المسجد فأقيمت الصَّلاة فأدخلنا أيدينا فى الحصى ثمَّ قمنا نصلِّى ولم نتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৫) মুগীরা ইবন্ শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা) একবার খাবার খেলেন। তারপর নামাযের একামত বলা হলো তখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন। তিনি ইতিপূর্বে ওযু করেছিলেন এমতাবস্থায় আমি তাঁর জন্য কিছু পানি নিয়ে ওযু করার জন্য উপস্থিত হলাম। তখন তিনি আমাকে ধমক দিলেন এবং বললেন, পিছনে যাও। আল্লাহর কসম, তা আমার কাছে কষ্টকর মনে হল। তারপর নামায পড়লেন। অতঃপর এ ব্যাপারে আমি উমর (রা)-এর কাছে অভিযোগ করলাম। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! আপনার ধমক দানের কারণে মুগীরা কষ্ট পেয়েছে এবং ভয় পেয়েছে। একথা ভেবে যে, হয়ত আপনার অন্তরে তাঁর ব্যাপারে কোন খারাপ ধারণা রয়েছে। তখন নবী (সা) বলেন, তাঁর সম্বন্ধে ভাল ছাড়া অন্য কোন ধারণা নেই। তবে তিনি আমার ওযুর জন্য পানি নিয়ে এসেছিলেন। তখন আমি খাবার খেয়েছিলাম। আমি যদি তা করতাম (অর্থাৎ খাবার খেয়ে ওযু করতাম।) তাহলে আমার পরে মানুষরাও তা করতো।
[হাইসুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তাবারানী "আল কাবীর" নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(405) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أكل طعامًا ثمَّ أقيمت الصَّلاة فقام وقد كان توضَّأ قبل ذلك فأتيته بماء يتوضَّأ منه فانتهرنى وقال وراءك، فساءنى والله ذلك، ثمَّ صلَّى فشكوت ذلك إلى عمر، فقال يا نبيَّ الله إنَّ المغيرة قد شقَّ عليه انتهارك إيَّاه وخشي أن يكون فى نفسك عليه شيء، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ليس عليه فى نفسي شيء إلاَّ خير، ولكن أتاني بماء لأتوضَّأ وإنَّما أكلت طعامًا، ولو فعلته فعل ذلك النَّاس بعدى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৬) আবু রাফে' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (সা)-এর জন্য একটা ছাগল যবাই করলাম। তখন তিনি আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন, ফলে আমরা তাঁর জন্য পেটের কিছু অংশ রান্না করলাম। তিনি তা খেলেন। তারপর দাঁড়িয়ে নামায পড়লেন, ওযু করলেন না।
[মুসলিম ইত্যাদি কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(406) عن أبى رافع رضى الله عنه قال ذبحنا لرسول الله صلى الله عليه وسلم شاة فأمرنا فعالجنا له شيئًا من بطنها فأكل ثمَّ قام فصلَّى ولم يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৭) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) হাঁড়ির কাছে আসতেন, তারপর সেখান হতে পায়ের গোশত নিতেন এবং তা খেতেন। তারপর নামায পড়তেন, ওযু করতেন না।
[হাইসুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ, আবূ ইয়ালা ও বাযযার কর্তৃক বর্ণিত এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(407) عن عائشة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأتي القدر
فيأخذ الذِّراع منها فيأكلها ثمَّ يصلِّى ولا يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৮) আবদুল্লাহ ইবন্ শাদ্দাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা)-কে মারওয়ানকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, তোমরা আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযু করবে, তিনি বলেন, তখন মারওয়ান উম্মে সালামার কাছে লোক পাঠালেন এবং তাঁকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি উত্তরে বললেন, নবী (সা) আমার কাছে (ছাগলের) সামনের ঘাড়ের গোশত খেলেন, অতঃপর নামায পড়তে গেলেন। পানি স্পর্শ করলেন না।
[নাসায়ী, ইবন মাজাহ ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(408) عن عبد الله بن شدَّاد قال سمعت أبا هريرة يحدِّث مروان قال توضَّئوا ممَّا مسَّت النَّار، قال فأرسل مروان إلى أمِّ سلمة رضى الله عنها فسألها فقالت نهس (1) النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم عندي كتفًا ثمَّ خرج إلى الصَّلاة ولم يمسَّ ماء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪০৯) ইবন আব্বাসের (রা) আযাদকৃত গোলাম কুরাইব থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা)-এর স্ত্রী মাইমুনা (রা)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসুল (সা) ছাগলের সামনের পায়ের কিছু গোশত খেলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে নামায় পড়লেন। ওযু করলেন না।
[বুখারী, মুসলিম ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(409) عن كريب مولى ابن عبَّاس أنَّه سمع ميمونة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم تقول أكل رسول الله صلى الله عليه وسلم من كتف شاة ثمَّ قام فصلَّى ولم يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪১০) রাসূল (সা)-এর কন্যা ফাতিমাতুয যাহরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূল (সা) আসলেন। তারপর হাঁড়সহ গোশত থেকে কিছু খেলেন। তারপর বেলাল (রা) আযান দিলেন। তখন (রাসূল (সা) নামায পড়ার জন্য দাঁড়ালেন, তখন আমি তাঁর কাপড় ধরে ফেললাম এবং বললাম, বাবা, আপনি ওযু করবেন না। তিনি বললেন না, কেন ওযু করব? আমি বললাম, আগুনে রান্না করা খাবার খাওয়ার জন্য। তখন তিনি আমাকে বললেন, আগুনে রান্না করা খাবার কি তোমাদের জন্য সর্বোত্তম খাবার নয়?
[হাইসূমী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও আবু ইয়ালী কর্তৃক বর্ণিত এবং তা 'মুনকাতে'।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(410) عن فاطمة "الزَّهراء" بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورضى عنها وأرضاها قالت دخل علىَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكل عرقًا فجاء بلال بالأذان فقام ليصلِّى فأخذت بثوبه فقلت يا أبنت ألا تتوضَّأ؟ فقال ممَّ أتوضَّأ يا بنيَّة، فقلت ممَّا مسَّت النَّار، فقال لى أو ليس أطيب طعامكم ما مسَّته النَّار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪১১) আবদুর রহমান ইবন্ আবদুর রহমান আল আশহালী থেকে বর্ণিত। তিনি ইয়াযিদের কন্যা উম্মু আমির (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বাইয়াত গ্রহণকারীণী এক মহিলা। তিনি অমুক মসজিদে নবী (সা)-এর কাছে হাঁড় সম্বলিত গোশত নিয়ে আসলেন। তখন রাসূল (সা) তা ছিঁড়ে খেলেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে নামায পড়লেন। আর ওযু করলেন না।
[হাইসুমী বলেন, হাদীসটি তাবারানী 'আল কাবীর' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, হাদীসটি দুর্বল।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(411) عن عبد الرَّحمن بن عبد الرَّحمن الأشهلىِّ عن أمِّ عامر رضى الله عنها فنت يزيد امرأة من المبايعات أنَّها أتت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم بعرق في مسجد فلان فتعرَّقه ثمَّ قام فصلَّى ولم يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪১২) যুবাইরের কন্যা উম্মে হাকীম ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর প্রিয় নবী (সা) যুবাইরের কন্যা যুবা'আর বাড়িতে গেলেন। সেখানে ছাগলের পায়ের গোশত খেলেন, তারপর নামায পড়লেন, এ জন্য ওযু করেন নি।
(হাইসুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তাবারানী আল কাবীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(412) عن أمِّ حكيم بنت الزُّبير "بن عبد المطَّلب" رضى الله عنها أنَّ نبيَّ صلى الله عليه وسلم دخل على ضباعة بنت الزُّبير فنهس من كتف عندها ثمَّ صلَّى وما توضَّأ من ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪১৩) যুবা'আ বিনতে যুবাইর ইবন আবদুল মুত্তালিব থেকে বর্ণিত। তিনিও নবী (সা) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(হাইসুমী বলেন হাদীসটি আবু ইয়ালা ও আহমদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(413) عن ضباعة بنت الزُّبير "بن عبد المطَّلب" عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদ: আগুনে রান্না করা জিনিস খেয়ে ওযূ না করা প্রসঙ্গে
(৪১৪) আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা) ছাগলের রানের গোশত খেলেন, তারপর কুলি করলেন এবং তাঁর হাত ধুইলেন, অতঃপর নামায পড়লেন।
[বাইহাকী ও বাযযার কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সহীহ।]
كتاب الطهارة
(10) باب في ترك الوضوء مما مست النار
(414) عن أبي هريرة رضي الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم أكل كتف شاة فمضمض وغسل يده وصلَّى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ জানাবতের গোসল এবং তা ওয়াজিব হবার কারণ বিষয়ক পরিচ্ছেদ

(১) পরিচ্ছেদ: বীর্যপাত হওয়া ছাড়া গোসল ওয়াজিব হয় না বলে যাঁরা দাবী করেন তাঁদের দলিল
(৪১৫) 'আতা ইবন্ ইয়াসার তাঁকে যায়েদ ইবন্ খালিদ আল জুহানী যোগে, তিনি উসমান ইবন আফফান (রা)-কে প্রশ্ন করে বলেন, কেউ যদি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে কিন্তু তাতে বীর্যপাত না ঘটে (তাহলে তাকে কী করতে হবে?) উত্তরে উসমান (রা) বলেন, সে ওযু করবে। নামাযের জন্য যেরূপ ওযু করে সেরূপ এবং তার পুরুষাঙ্গ ধুয়ে নিবে। উসমান (রা) বলেন, আমি রাসূল (সা) থেকে এরূপ কথা শুনেছি। যাইদ ইবন্ খালিদ আল জুহানী বলেন, আমি এ প্রসঙ্গে পরে আলী ইবন্ আবূ তালিব, যুবাইর ইবন্ আওয়াম, তালহা ইবন উবাইদিল্লাহ ও ওবাই ইবন্ কা'বকে জিজ্ঞাসা করে ছিলাম তারাও অনুরূপ কথা বলেছেন।
[বুখারী, মুসলিম ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
أبواب الغسل من الجنابة وموجباته

(1) باب حجة من قال لا يجب الغسل الا بنزول المنى
(415) عن أبى سلمة أنَّ عطاء بن يسار أخبره أنَّ زيد بن خالد الجهنىَّ أخبره أنَّه سأل عثمان "بن عفَّان" رضى الله عنه قال قلت أرأيت إذا جامع امرأته ولم يمن؟ فقال عثمان يتوضَّأ كما يتوضَّأ للصَّلاة ويغسل ذكره، وقال عثمان سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسألت عن ذلك عليَّ بن أبى طالب والزُّبير
ابن العوَّام وصلحة بن عبيد الله وأبيَّ بي كعب فأمروه بذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: বীর্যপাত হওয়া ছাড়া গোসল ওয়াজিব হয় না বলে যাঁরা দাবী করেন তাঁদের দলিল
(৪১৬) উবাই (রা) বলেছেন যে, আমি রাসুল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন লোক তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করল, এতে বীর্যপাত হলো না। তখন তাকে কী করতে হবে? (রাসুল সা) উত্তরে বললেন, তার যে অঙ্গটি নারীস্পর্শ করেছে তা ধুয়ে নিবে ও তারপর ওযু করে নামায পড়বে।
(বুখারী, মুসলিম, বাইহাকী ও শাফেয়ী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(1) باب حجة من قال لا يجب الغسل الا بنزول المنى
(416) عن هشام بن عروة أخبرنا أبى أخبرنى أبو أيُّوب "الأنصاري رضى الله عنه" أنَّ أبيُّا حدَّثه قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت الرَّجل يجامع أهله فلا ينزل؟ قال يغسل ما مسَّ المرأة منه ويتوضَّأ ويصلِّي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: বীর্যপাত হওয়া ছাড়া গোসল ওয়াজিব হয় না বলে যাঁরা দাবী করেন তাঁদের দলিল
(৪১৭) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা) আনসারী এক লোকের বাড়ির পাশ দিয়ে গেলেন এবং তাকে ডেকে পাঠালেন। লোকটি বের হয়ে আসলেন তখনও তার মাথা হতে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ছে, তখন তাকে বললেন, সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করিয়েছি? উত্তরে লোকটি বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তখন রাসূল (সা) বললেন, তুমি যখন তাড়াহুড়া করবে অথবা যখন তোমার বীর্যপাত হবে না তখন তোমাকে গোসল করতে হবে না। কেবল ওযুই তোমাকে করতে হবে।
[বুখারী, মুসলিম ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(1) باب حجة من قال لا يجب الغسل الا بنزول المنى
(417) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مرَّ على رجل من الأنصار فأرسل إليه فخرج ورأسه يقطر فقال له لعلَّنا أعجلناك قال نعم يا رسول الله فقال إذا أعجلت أو أقحطت فلا غسل عليك، عليك الوضوء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: বীর্যপাত হওয়া ছাড়া গোসল ওয়াজিব হয় না বলে যাঁরা দাবী করেন তাঁদের দলিল
(৪১৮) তাঁর থেকে অপর এক বর্ণনায় আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (সা)-এর সাথে কোবার দিকে গেলাম সোমবারের দিন। আমরা বনী সালেম গোত্র হয়ে যাচ্ছিলাম। তখনই রাসূল (সা) ইতবানের ছেলেদের বাড়ীর দোরগোড়ায় দাঁড়ালেন। তারপর ডাক দিলেন। তখন ইতবানের ছেলে তাঁর স্ত্রীর পেটের উপর ছিল। (তিনি ডাক শুনে) কাপড় পরতে পরতে বের হয়ে আসলেন। রাসূল (সা) যখন তাঁকে এ অবস্থায় দেখলেন, বললেন, আমরা লোকটিকে তাড়াহুড়া করিয়েছি। ইবন্ ইতবান (এসেই) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বলুন, কোন লোক তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হল, কিন্তু তার (স্ত্রীর) মধ্যে বীর্যপাত ঘটাতে পারল না, তাকে কি করতে হবে? তখন রাসূল (সা) বললেন, বীর্যপাত হলেই কেবল পানি ব্যবহার (অর্থাৎ গোসল) করতে হয়।
[মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(1) باب حجة من قال لا يجب الغسل الا بنزول المنى
(418) وعنه أيضًا فى رواية أخرى، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى قباء يوم الاثنين فمررنا فى بنى سالم فوقف رسول الله صلى الله عليه وسلم على
باب بني عتبان فصرخ وابن عتبان على بطن امرأته فخرج يجرُّ إزاره فلما رآه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أعجلنا الرَّجل، قال ابن عتبان يا رسول الله أرأيت الرَّجل إذا أتى امرأته ولم يمن عليها ماذا عليه؟ فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم إنَّما الماء من الماء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: বীর্যপাত হওয়া ছাড়া গোসল ওয়াজিব হয় না বলে যাঁরা দাবী করেন তাঁদের দলিল
(৪১৯) আবু আইয়ুব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (সা) বলেছেন। বীর্যপাত হলেই কেবল পানি ব্যবহার করতে হয়।
(নাসায়ী, ইবন মাজা ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, মুসলিম হাদীসটি আবূ সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الطهارة
(1) باب حجة من قال لا يجب الغسل الا بنزول المنى
(419) عن أبى أيُّوب (الأنصارىِّ) أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال الماء من الماء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: এই বিষয়টি প্রথম দিকে ছাড় ছিল অতঃপর রহিত হয়ে যায়
(৪২০) উবাই ইবন কা'ব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ফাতাওয়ায় বলা হয় যে, 'বীৰ্যপাত হলেই কেবল পানি ব্যবহার করতে হয়, এই বিষয়টি সুযোগ বা অনুমতি ছিল এ অনুমতিটি রাসুল (সা) ইসলামের প্রথম দিকে দিয়েছিলেন। অতঃপর আমাদেরকে (বীর্যপাত না হলেও) গোসল করার নির্দেশ দেয়া হয়।
(অপর এক সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।) তাতে আরও আছে, রাসুল (সা) মুসলিমদের জন্য তাদের কাপড় কম থাকার কারণে প্রথমে এ গোসল না করার) অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর রাসুল (সা) তা করতে নিষেধ করেন। অর্থাৎ বীর্যপাত হলেই কেবল পানি ব্যবহার করতে হবে এ বক্তব্য প্রত্যাহার করেন।
[ইবন মাজাহ, ইবন খুযাইমা, আবু দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্তজন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।]
كتاب الطهارة
(2) باب فى أن قلك كان رخصة ثم نسخ
(420) عن أبىِّ بن كعب أنَّ الفتيا الَّتى كانوا يقولون الماء من الماء رخصة
كان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخَّص بها فى أوَّل الإسلام ثمَّ أمرنا بالاغتسال بعدها
(ومن طريق آخر بنحوه) وفيه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم جعلها رخصة للمؤمنين لقلة ثيابهم ثمَّ إنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنها بعد يعني قولهم الماء من الماء
tahqiq

তাহকীক: