আমার জন্যে একটি ঘর নির্মাণ করুন। কোথায়? জান্নাতে! আবার কোথায়! কথাটা আসিয়া (আ.)-এর। তিনি রাব্বে কারীম
একজন মুমিনের চূড়ান্ত চাওয়া কী? জান্নাতে প্রবেশ করা। কেউ কেউ বলতে আখেরাতে আল্লাহর দীদার লাভ করা। সেটা
‘আতর’ শব্দটাতেই কেমন যেন আরাম আর সুখ জড়িয়ে আছে। আতর হলো ফুটফুটে শিশুর মতো! দেখলেই আদর করতে ইচ্ছে হয়।
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামাজিক সুসম্পর্ককে খুবই গুরুত্ব দিতেন। পারস্পরিক লেনদেনের ক
বান্দাদের প্রতি আল্লাহর অন্যতম নেয়ামত কী? রিযিক। রিযিক বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে রিযিক বলতে আমরা স
সুন্নতী পাদুকা আবার কেমন? যে পাদুকা মানে জুতো সুন্নত তরীকায় পরা হয়, সেটাই সুন্নতী পাদুকা! ইসলামের সা
সুন্নত তরীকায় জীবন যাপন করার কথা মনে হলে, একটা ভুল চিন্তা কখনো কখনো মাথায় উদয় হয়: যেসব হাদীসে ফিকহী
প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অহরহ বিপদের সম্মুখীন হই। নাগরিক জীবনে বিপদের ঝুঁকি আগের তুলনায় শতগুণ বেশি। যে
এখন তো শরৎ কাল। কাশফুল। পথের দাবী শব্দটার সাথেও ‘শরৎ’-জড়িয়ে আছে। তবে আমরা আজ তেমন কোনও পথের দাবী নিয়
একটার পর একটা বিপদ আসতেই থাকবে। এটাই দুনিয়াবী যিন্দেগীর নিয়ম। এক শোক কাটিয়ে না উঠতেই আরেক শোক এসে হা
জুমার দিন গোসল করার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রচলিত ধর্মমতগুলোর মধ্যে, ইসলামই শারীরিক সূচিতার প্রতি সবিশেষ
পেয়ারা নবী সা. চাইতেন, তার উম্মত সর্বদা মৃত্যুর কথা স্মরণ করুক। পরকালের কথা স্মরণে রাখুক। তাহলে তার
অসুস্থ হলে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করা সুন্নত। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা সুন্নত। বিপদ এলে আল্লাহর আশ্রয় নেয়
পৃথিবীর যাবতীয় বস্তুই আল্লাহর ইবাদত করে। যে যার মতো করে। এটা আল্লাহ তা‘আলাই বলেছেন: وَإِنْ مِنْ شَيْ
রাতের আঁধারে নানা বিপদাপদ লুকিয়ে থাকে। ওঁৎ পেতে থাকে অজানিত ভয়। দুষ্টলোকের ভয়, দুষ্ট জ্বিনের ভয়, ক্ষ
আমরা বর্তমানে ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। পাশের বাসা তো দূরের কথা, ঘরের মানুষের সাথেও নিয়মিত যোগায
আমরা কেউই গুনাহ করার অবকাশমুক্ত নয়! আমরা যারা সাধারণ মানুষ, তাদের সবারই শত অনিচ্ছা সত্ত্বেও গুনাহ হয়
সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সিজদায়ে শোকর দেয়া যাবে কি না, সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে! তবে আনন্দজনক সংবাদ লাভ ক
ইসলাম সব সময় ঐক্যের ওপর জোর দেয়। বিভেদ-অনৈক্য পছন্দ করে না। কিভাবে ঐক্য ধরে রাখা যায়, তার মূলসূত্রগু
সালাত কী? সালাত হলো রব ও বান্দার মাঝে সেতুবন্ধন। সালাতে দাঁড়িয়ে আমরা মূলত আল্লাহর কাছেই হাজিরা দেই।