আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১৭৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি কুরআন সুন্নাহ মোতাবেক চলার চেষ্টা করি সব সময়, পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ আদায় করি, কোরআন তেলাওয়াত করি প্রতিনিয়ত, ইসলামিক কিতাব ও হাদিস চর্চা করি, তাহাজ্জুদের নামায আদায় করি।
এখন হুজুর আমার সমস্যা হলো আমি এবাদতে আগের মতো মজা পাচ্ছি না, তাহাজ্জুদ পড়তে পারছিনা, ফজরের নামাজ মসজিদে জামায়াতের সাথে পড়তে পারছি না, একই গোনাহর কাজ হঠাৎ করে ফেলছি যেটা করার আমার কোন ইচ্ছা ছিল না, তোওবা করছি কিন্তু আবার হয়ে যাচ্ছে,
আমার একজন মামা ইন্তেকাল করেছিল, তার জানাজা আমি পড়িয়েছিলাম, আমার মামার গ্রামের লোকজন আমার খুব প্রশংসা করছিল, তার পর থেকেই আমার সমস্যা,
আমার এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠার সমাধান বলবেন ।
আমি চেষ্টা করছি কিন্তু পারছি না।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২৬ ডিসেম্বর, ২০২১
West Bengal ৭০০০৪৪
১১৮০৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুয়ালাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
প্রত্যাশা করি আল্লহর রহমতে ভালো আছেন, উস্তাদ।

উস্তাদ, একজন রমাদনের শেষ দশ রাতের প্রতি রাতে আলাদা করে সাদাকা করতে চান। তার সামর্থ্য কম থাকার কারনে শেষ দশ রাতের প্রতি রাতে ১০০ টাকা করে সাদাকা করতে চাইলেন। এখন উনি কি এই প্রতি রাতের টাকা প্রতি রাতে একটা বাক্সে রেখে দিতে পারবেন এবং টাকা গুলো একত্র করে চাঁদ রাতে ওনার কোন গরিব আত্নিয় কে দিয়ে দিতে পারবেন? এমনটা করলে কি প্রতি রাতে সাদাকা করার সাওয়াব পাওয়া যাবে?

জাযাক আল্লহু খয়ির উস্তাদ।

আল্লহ আপনাকে দুনিয়া আখিরাতে সম্মানিত করুন এবং সফলতা দিন। আমিন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৬ ডিসেম্বর, ২০২১
Dhaka 1216
১১৭৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার বাসা টাংগাইল জেলায় অবস্থিত । টাংগাইল জেলা ১২ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। আমি টাংগাইল ডিস্ট্রিক্ট এ একটি কম্পিউটারের দোকানে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন, দলিল লেখা, মামলা লেখা, বিভিন্ন চুক্তিপত্র কম্পিউটারে কম্পজ করে থাকি। সারাদিন শেষে যা টাকা অর্জন করি তার অর্ধেক টাকা দোকানের মালিককে দিতে হয় আর আমার অর্ধেক টাকা থাকে। যে টাকা অর্জন করি তাতে এই বর্তমান সময়ে চলা খুবই কঠিন। আমাদের দোকানে অনলাইনের কাজ বেশি হয়, বেশির ভাগই ই- পাসপোর্ট এর আবেদনের কাজ করা হয়। আমাদের দোকানের পাশে প্রায় ৭৭ টির চেয়েও বেশি দোকান সেখানে একই কাজ করা হয়। মূল কথা হলো, আমাদের টাংগাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যে ধরনের কাজ হয় তা হলো: যে ব্যক্তি ক্ষমতাশালী, পুলিশ,র‍্যাব, বিডিআর, আনসার, ব্যাংক এ চাকরি, সরকারি চাকরি, ডিসি অফিসে চাকরি এই সব ব্যক্তিগনের পাসপোর্ট এর আবেদন অফিসে জমা নেয় এবং টাংগাইল উপজেলার হাতেগুনা দু এক জন সাধারণ পাবলিকেরটা জমা নেয়। কিন্তু সাধারন জনগণ বিশেষ করে টাংগাইল উপজেলার বাহিরে থেকে কেউ আসলে তাদের আবেদনে কোথাও কোন ভূল নাই একদম ১০০% নির্ভূল তার পরেও তাদেরটা জমা নেয় না, বলে যে, যে দোকান থেকে আবেদন করেছেন সেখান থেকে ঠিক করে নিয়ে আসেন আর হাতে একটা অভিযোগ পত্র ধরিয়ে দেয়? কারণ পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা জানে একবার যদি তাকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় তাহলে ১০০০ টাকা পাবো। প্রতিটি দোকানের সাথে পাসপোর্ট অফিসের লিংক আছে। দোকানদার ফাইল জমা দিতে নেয় ২০০০ টাকা আর পাসপোর্ট অফিসে দেয় ১০০০ টাকা দোকানদারের থাকে ১০০০ টাকা। ৫০০ টাকা দোকানের মালিকের, ৫০০ টাকা দোকানের কর্মচারীর। কেউ কেউ আবার ১৮০০ টাকাও করে নিয়ে থাকে কেউ বা তার চেয়েও কম কিন্তু সব দোকানেই এইসব কাজ করে থাকে। দিন শেষে যা টাকা হয় সন্ধ্যার সময় পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা এসে টাকা গুনে নিয়ে যায়। মাত্র ২০০০ টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দেয় এবং তখন ভূল হলেও সঠিক এই ভাবে তারা সাধারন পাবলিকের কাছে টাকা নিয়ে থাকে। আমার এখন প্রশ্ন হলো আমি যে ঐ ব্যক্তির কাজটা করে দিয়ে টাকা নিলাম সেটাকি আমার জন্য হালাল হলো নাকি হারাম হলো। আমি না করলে অন্য জনে করবেই।কিন্তু তখন ঐ ব্যক্তির পাসপোর্ট হয়ে যায়। আমার কী করা উচিত হবে? দয়া করে খুব দ্রুত জানাবেন।
আসসালামু আলাইকুম।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
টাঙ্গাইল
১১৭৮৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার আম্মার অসুস্থতাজনিত কারণে হ্যালুসিনেশন হয়। তাঁর কাছে মনে হয় বাসার মানুষজন কেউ কান্না করছে বা ঝগড়া করছে। তাঁকে যতই বলা হোক যে সবাই ভালো আছে, তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে নিজে উঠে এসে না দেখা পর্যন্ত বা আমরা সামনে না যাওয়া পর্যন্ত উনি আমাদের কথা বিশ্বাস করেন না।
মাঝরাতে এরকম হলে আমি বলি যে সবাই ভালো আছে, আপনি ঘুমিয়ে পড়েন। তখন তিনি মনে কষ্ট পান আর বলেন যে বুড়ো হয়ে গেছি দেখে আমার কথা দাম দাও না।
অনেক সময় বাসার মানুষ বা কাজের লোকদের সাথে একটু কড়া ব্যবহার করে ফেলেন। আমি বুঝাতে গেলেও কষ্ট পান, বলেন যে আমি কাউকে কিছু বলি নাই।

আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছি মায়ের খেদমতের। তারপরও তাঁর মনে কষ্ট দিয়ে ফেলছি।
আমি কি করবো মুহতারাম? আমার দ্বারা কি বড় গুনাহ হয়ে যাচ্ছে? খুব মনোকষ্টে আছি ব‌্যপার গুলো নিয়ে
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
ঢাকা