আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

তারাবীর নামায সংক্রান্ত দুটো বিষয় জানতে চাচ্ছি-

১. তারাবীর নামাযে চার রাকাত পর পর মুসল্লীরা নিম্নোক্ত দুআ-

سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزّةِ وَالْعَظمَةِ ...

পড়ে থাকেন। এ সময় আসলে কী করণীয়? এ দুআ পড়বে নাকি ভিন্ন কোনো দুআ পড়বে? এ দুআ পড়ার অবকাশ আছে কি?

২. মাঝে মাঝে এমন হয় যে, দেরি করে আসার কারণে ইশার নামায শেষ করে তারাবীতে শরীক হতে হতে ৪/৬ রাকাত হয়ে যায়। ২০ রাকাত পড়ানোর পর ইমাম সাহেব বিতিরের জন্য দাঁড়িয়ে যান। তখন আমার কী করণীয়? তারাবীর বাকি রাকাতগুলো পড়তে গেলে বিতির ছুটে যাওয়ার আশংকা হয়। জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৮৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার পরিচিত একজন গাড়ী এক্সিডেন্ট করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তখন তার মাথায় অপারেশন করা লাগে। এরপর মাথায় ব্যান্ডেজ অবস্থায় ছিল কিছুদিন। প্রথম কয়েকদিন বিছানায় পুরো শায়িত ছিল। মাথা নাড়ানো সম্ভব ছিল না। ডাক্তাররাও কয়েকদিন মাথা না নাড়ানোর কথা বলেছিলেন। এখন সে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে। প্রশ্ন হল, সে যে কয়দিন পুরো শায়িত ছিল ওই দিনগুলোর নামাযের হুকুম কী? একজন বলেছে, মাথা না নাড়াতে পারলেও যেহেতু তার জ্ঞান ছিল তাই ওই কয়দিনের নামায তার চোখের ইশারায় পড়া জরুরি ছিল। তাই ওই কয়দিন নামায না পড়া অন্যায় হয়েছে। তার একথা কি ঠিক? এখন সে ওই নামাযগুলোর জন্য কী করবে? বিস্তারিত জানতে চাই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক মেয়ে আজ প্রায় ১৫-১৬ বছর যাবত অনেক বেশি অসুস্থ। এত বেশি অসুস্থ যে, তা বর্ণনা করে বুঝানো সম্ভব নয়। শুধু এতটুকু বলব যে, সে যে বেঁচে আছে এটা কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না। মাঝখানে তার মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত ছিল। অর্থাৎ তার বয়স যখন আঠারো ছিল মারাত্মক অসুস্থতার কারণে ওজন ১৭ তে নেমে আসে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আল্লাহ তাকে হাজারো মানুষের দুআয় বাঁচিয়ে রেখেছেন। হুজুরের কাছে যে বিষয়ে জানতে চাচ্ছি তা হচ্ছে, ১৫-১৬-১৭-১৮ বয়সগুলোতে সে লাগাতার রোযা ভাঙে। এছাড়া পরবর্তীতে ডাক্তারদের অনুরোধে আরো কিছু রোযা ভাঙে। এখন তার বয়স ত্রিশ। কষ্ট করে রোযা নামায যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছে। সে নিজেকে সুস্থ মনে করে এ হিসেবে যে, আল্লাহ তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনে বৈবাহিক জীবন যাপনের তাওফীক দিয়েছেন এবং অকল্পনীয়ভাবে সন্তানের মাও বানিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে সে সুস্থ নয়। কারণ এমন এমন কিছু জটিল রোগ আছে, যা বাহ্যদৃষ্টিতে নিরাময় হবে বলে মনে হয় না। বরং প্রায়ই তার থেকে শাখাগত রোগ দেখা দিয়ে থাকে। তাই মাঝে মাঝে সে আমাকে বলে থাকে, বাবা! রোযাগুলোর কী হবে? সেগুলোর কি ফিদয়া দেওয়া যায় না? তাই সে কি উক্ত রোযাগুলোর ফিদয়া দিতে পারবে? জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৬১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একদিন ফজরের নামায পড়তে পারি নাই। সূর্য উদয় হলে পড়ে নিব ভাবছিলাম। কিন্তু আমার মনে ছিল না। তারপর যোহরের নামায পড়ার পর আমি ফজরের কাযা নামায আদায় করি। এখন কি আমার যোহরের ফরয নামায বাতিল হয়ে যাবে?

বিশেষ দ্রষ্টব্য : আমি মালা-বুদ্দা মিনহু কিতাবে সালাতের অধ্যায়ে পেয়েছি যে, কোনো ব্যক্তির এক ওয়াক্ত নামায তার জিম্মা থেকে ছুটে গেল পরবর্তী ওয়াক্তের পরে তা কাযা আদায় করলে পূর্ববর্তী নামাযের ফরযিয়াত বাতিল হয়ে যাবে। (মালা-বুদ্দা মিনহু, সালাত অধ্যায়)

অতএব, হুজুরের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার উক্ত বিষয়ের ব্যাখ্যাটি মাসিক আলকাউসারেপ্রকাশ করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।

পুনশ্চ : আমার অনেক ওয়াক্তের নামায কাযা আছে।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০