আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১৭৮৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার আম্মার অসুস্থতাজনিত কারণে হ্যালুসিনেশন হয়। তাঁর কাছে মনে হয় বাসার মানুষজন কেউ কান্না করছে বা ঝগড়া করছে। তাঁকে যতই বলা হোক যে সবাই ভালো আছে, তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে নিজে উঠে এসে না দেখা পর্যন্ত বা আমরা সামনে না যাওয়া পর্যন্ত উনি আমাদের কথা বিশ্বাস করেন না।
মাঝরাতে এরকম হলে আমি বলি যে সবাই ভালো আছে, আপনি ঘুমিয়ে পড়েন। তখন তিনি মনে কষ্ট পান আর বলেন যে বুড়ো হয়ে গেছি দেখে আমার কথা দাম দাও না।
অনেক সময় বাসার মানুষ বা কাজের লোকদের সাথে একটু কড়া ব্যবহার করে ফেলেন। আমি বুঝাতে গেলেও কষ্ট পান, বলেন যে আমি কাউকে কিছু বলি নাই।

আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছি মায়ের খেদমতের। তারপরও তাঁর মনে কষ্ট দিয়ে ফেলছি।
আমি কি করবো মুহতারাম? আমার দ্বারা কি বড় গুনাহ হয়ে যাচ্ছে? খুব মনোকষ্টে আছি ব‌্যপার গুলো নিয়ে
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
ঢাকা
১১৭২১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মুহতারাম মুফতি সাহেব;আমার জানার বিষয় হল দেশ-গ্রামে অথবা কখনো ঢাকা শহরেও অনেক ব্যক্তি বিভিন্ন উদ্দেশ্য পূরণের জন্য মসজিদে মানত করেন।
১.মসজিদে মানত করা বৈধ কিনা?
২. অনেকে নগদ টাকা ব্যতিরেকে বিভিন্ন পশু যেমন গরু ছাগল মুরগি ইত্যাদি দিয়ে থাকেন, এক্ষেত্রে অনেকে বলে থাকেন,মসজিদে যে মানত এর পশু দেওয়া হয়েছে এই পশু বিক্রি করে এর টাকা মসজিদ ফান্ডে জমা দিতে হবে, এই কথাটা কতটুকু সঠিক?
৩. কোন মসজিদের ইমাম যদি উক্ত মানুষের পশু নিজে ভক্ষণ করে ফেলেন, তাহলে উক্ত পশুর মূল্য মসজিদে দান করে দিতে হবে??
অনুগ্রহপূর্বক বিষয় গুলোর সমাধান দিবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
ঢাকা
১১৭০৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আজেকে প্রথম আমি প্রশ্ন করছি, ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
বর্তমানে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভাড়াও বেড়ে গিয়েছে এবং সরকার বর্ধিত ভাড়াও ঠিক করে দিয়েছে। কিন্তু অনেক গাড়ি তাদের ইচ্ছা মত ভাড়া দাবি করছে। যেমন আমার সাথে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা, আগে ভাড়া ছিল ৫ টাকা, সরকার কর্তৃক ৩০% বর্ধিত করলে ৭ টাকা মত হয়। আমার কাছে ১০ টাকা চাওয়া হল অর্থাৎ ৭০% বেশি। আমি ১০ টাকা দিতে রাজি না হলে বলা হল, ১ টাকাও কম নিবে না, না হলে ভাড়া দেওয়া লাগবে না, পরকালে নিবে। ( এমন ঘটনা অবশ্য অনেক সময়ই চোখে পড়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ভাড়া না দিয়ে নিমে যাওয়া)

আমিও রাগ করে ভাড়া না দিয়ে নেমে গেলাম, পরে আমি ৭ টাকা একজন ভিক্ষুককে দিয়ে দিলাম এই ভেবে যে পাওনাদার না পাওয়া গেলে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করে দিতে হয়।
তবুও মনের দিক থেকে পুরাপুরি সন্তুষ্ট হতে পারছি না যেহুতু ব্যাপার টা বান্দর হক।
আমার কাজটা ঠিক হলো কিনা এবং এমন পরিস্থিতিতে আমার করণীয় কি হবে কুরআন সুন্নাহের আলোকে জানালে খুবই উপকৃত হব, ধন্যবাদ।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
দেবহাটা