বাচ্চাদের কান্নার কারণে নামাজ কাজা করার বিধান
প্রশ্নঃ ১৭২২২৮. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, নামায পড়লে বাচ্চা অতিরিক্ত কান্না করলে কি নামায পরে কাযা পড়া যাবে?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
নামায একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত ফরয ইবাদত। বাচ্চার সাধারণ কান্নাকাটির কারণে নামায সময়মতো না পড়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়াক্ত পার করে পরবর্তীতে কাযা পড়া জায়েয নেই। নামায ওয়াক্তের ভেতরেই আদায় করা ফরয।
নামায শুরু করার পর বাচ্চা কান্না শুরু করলে নামায ভেঙে না ফেলে কিরাত ও রুকু-সিজদার তাসবীহ ছোট করে দ্রুত ফরয ও ওয়াজিবসমূহ আদায় করে নামায শেষ করা সুন্নাহসম্মত। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শুনে নামায সংক্ষেপ করতেন।
আর বাচ্চা হালকা কান্না করলে কিবলা থেকে সিনা না ফিরিয়ে নামাযের ভেতরেই হালকা নড়াচড়া করে বা হাত বাড়িয়ে বাচ্চাকে কাছে টেনে শান্ত করার সুযোগ থাকলে তা করা যাবে।
বাচ্চা যদি অতিরিক্ত চিৎকার বা এমন কান্না করে যাতে তার কোনো মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি, দম বন্ধ হয়ে যাওয়া, আগুন বা খাট/উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়, তবে নামায ভেঙে বাচ্চা রক্ষা করা জায়েয এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ওয়াজিব। এভাবে নামায ছেড়ে দিলে বাচ্চাকে শান্ত ও নিরাপদ করে ওয়াক্ত থাকতেই পুনরায় নতুন করে সেই নামায আদায় করতে হবে। ওয়াক্ত পার করে কাযা করা যাবে না।
قال الله تعالى: اِنَّ الصَّلٰوۃَ کَانَتۡ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ کِتٰبًا مَّوۡقُوۡتًا
في صحيح البخاري- 708
أنس بن مالك، يقول: «ما صليت وراء إمام قط أخف صلاة، ولا أتم من النبي صلى الله عليه وسلم وإن كان ليسمع بكاء الصبي، فيخفف مخافة أن تفتن أمه»
مراقي الفلاح شرح نور الإيضاح (ص: 137)
"يجب قطع الصلاة" ولو فرضا "باستغاثة" شخص "ملهوف" لمهم أصابه كما لوتعلق به ظالم أو وقع في ماء أو صال عليه حيوان فاستغاث "بالمصلي" أو بغيره وقدر على الدفع عنه و "لا" يجب قطع الصلاة "بنداء أحد أبويه" من غير استغاثة لأن قطع الصلاة لا يجوز إلا لضرورة وقال الطحاوي هذا في الفرض وإن كان في نافلة إن علم أحد أبويه أنه في الصلاة وناداه لا بأس بأن لا يجيبه وإن لم يعلم يجيبه "يجوز قطعها" ولو كانت فرضا "بسرقة" تخشى على "ما يساوي درهما" لأنه مال وقال عليه السلام: "قاتل دون مالك" وكذا فيما دونه في الأصح لأنه يحبس في دانق1 وكذا لو فارت قدرها أو خافت على ولدها أو طلب منه كافر عرض الإسلام عليه
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
খতীব, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ, মিরাশপাড়া গাজীপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন