মসজিদ পুনর্নির্মাণকালে সাময়িক নামাযের স্থানের হুকুম ও আদাব
প্রশ্নঃ ১৭২১৬৪. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরত আমাদের মক্তব ঘরকে ক্ষণস্থায়ী মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে দীর্ঘ ছয় বছর কারণ মসজিদের কাজ চলমান ছিল,তখন মক্তব ঘরে মসজিদের মতো মেম্বার এর জায়গা তৈরি করা হয়েছে, মসজিদের কাজ শেষ হয়ে গেছে এখন মক্তবের মেম্বারের জায়গায় জুতা রাখার জায়গা, এটা জায়েজ হবে কি??
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
মসজিদ নির্মাণের সাময়িক প্রয়োজনে কোনো মক্তব, মাদ্রাসা বা ঘরকে অস্থায়ীভাবে নামাযের স্থান হিসেবে ব্যবহার করলে তা শরয়ি মসজিদে রূপান্তরিত হয় না। কারণ শরিয়তে একটি স্থান স্থায়ী মসজিদ হওয়ার জন্য স্থানটিকে শর্তহীনভাবে কিয়ামত পর্যন্ত নামাযের উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা এবং নিজের মালিকানা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্ত করা আবশ্যক। যেহেতু উক্ত মক্তব ঘরটি কেবল মূল মসজিদের কাজ চলার কারণে সাময়িকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল, তাই মসজিদের কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর ওই ঘরের মর্যাদা পূর্বাবস্থায় মক্তব হিসেবে ফিরে এসেছে। তবে বিষয়টি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওই স্থানটি শরয়ি মসজিদ না হওয়ায় সেখানে মক্তবের স্বাভাবিক প্রয়োজন পূরণ করা, জিনিসপত্র রাখা বা জুতা রাখার স্থান নির্ধারণ করা হারাম নয়।
তবে দীর্ঘ ছয় বছর সেখানে জামাত ও জুমার মতো ইবাদত অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ওই অংশটি মিম্বর বা ইমামতির স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে; তাই সরাসরি অবমাননাকর বা দৃষ্টিকটু কোনো রূপ পরিহার করে সম্ভব হলে মক্তবের অন্যান্য শিক্ষা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা উত্তম।
فتح باب العناية
(لا) يكرهان (فَوْقَ بَيْتٍ فِيهِ مَسْجِدٌ) أي موضع أُعِدَّ للصلاةِ، لأنه لا يأخذ حكم المسجد. ولهذا لا يصح الاعتكاف فيه إلاَّ للنساء. والتقييد بالفوق للمشاكلة، وإلاّ فهما لا يُكْرَهَان في البيت الذي فيه مسجد، فكيف فوقه. بل الظاهر أنهما لا يُكْرَهان في مسجد البيت أيضًا، فإنه ليس بمسجد حتى جاز بيعه. فلم يكن له حرمة المسجد كما في «الكافي». وفي «الخُلَاصة»: يُنْدَبُ لكل مسلم أن يتخذ مسجدًا في بيته يصلي فيه النوافل والسنن، لكن ليس له حكم المسجد
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
খতীব, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ, মিরাশপাড়া গাজীপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন