কাবা ও ইসলামী স্থাপনার LEGO মডেল তৈরি ও ব্যবহারের বিধান
প্রশ্নঃ ১৬৯৯৮৮. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। একটি বিষয় নিয়ে জানতে চাই—
বর্তমানে কাবা, মসজিদুল হারাম, মসজিদুন নববী, মসজিদুল আকসা, Dome of the Rock, বিভিন্ন মসজিদ ইত্যাদির LEGO set (ছোট ছোট blocks দিয়ে বানানো model/খেলনা) পাওয়া যায়। এগুলো শিশুদের দিলে ছোটবেলা থেকেই মুসলিম পরিচয় ও ইসলামি স্থানগুলোর প্রতি ভালোবাসা তৈরি হতে পারে। তবে কয়েকটি বিষয়ে দ্বিধা আছে:
১. এসব ইসলামি স্থাপনার LEGO set দিয়ে শিশুদের খেলতে দেওয়া কি জায়েয? এগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা, মাটিতে পড়ে থাকা বা পায়ে লাগার মতো পরিস্থিতি হলে কী হবে?
২. কাবা, মসজিদুল হারাম, মসজিদুন নববী, মসজিদুল আকসা, রাসূল ﷺ-এর রওজাসহ ইসলামের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের হুবহু replica/model বানানো, রাখা ও প্রদর্শন করা কি জায়েয? শিক্ষা বা হজ-উমরাহর training-এর উদ্দেশ্যে হলে কি হুকুম ভিন্ন?
৩. কাবার emoji/icon ব্যবহার করা কি জায়েয?
৪. LEGO দিয়ে মানুষ/প্রাণীর আকৃতি বানানোর হুকুম কী? সহজে ভেঙে ফেলা যায় এমন LEGO model-এর ক্ষেত্রে কি বিধান ভিন্ন?
সম্ভব হলে কুরআন-সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য আলেমদের মতামতের ভিত্তিতে জানালে উপকৃত হব, ইনশাআল্লাহ। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
ইসলামের পবিত্র স্থান ও নিদর্শনগুলো সাধারণ স্থাপনার মতো নয়। এগুলোর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন ঈমানি চেতনার অংশ। আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَمَن يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِن تَقْوَى الْقُلُوبِ
“যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের সম্মান করে, নিশ্চয়ই তা অন্তরের তাকওয়ার অন্তর্ভুক্ত।” -সূরা আল-হাজ্জ, ২২:৩২
তাই কাবা শরিফ, মসজিদুল হারাম, মসজিদুন নববী, মসজিদুল আকসা ইত্যাদিকে সাধারণ খেলনা বা বিনোদনের উপকরণে পরিণত করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
১. শিশুদের খেলনার জন্য ইসলামী স্থাপনার LEGO মডেল
সাধারণ LEGO blocks দিয়ে বিভিন্ন বৈধ বস্তু তৈরি করা মূলত জায়েয। কিন্তু কাবা শরিফ, মসজিদুল হারাম, মসজিদুন নববী, মসজিদুল আকসা ইত্যাদির হুবহু আকৃতির মডেল তৈরি করে শিশুদের খেলনার উপকরণ হিসেবে দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
কারণ খেলনার স্বাভাবিক ব্যবহারে মডেলটি ভেঙে যেতে পারে, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে পারে, অসতর্কতাবশত পায়ে লাগতে পারে কিংবা শিশুরা এর সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারে, যা পবিত্র স্থাপনার মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
কাবা শরিফের ত্রিমাত্রিক মডেল সম্পর্কে একাধিক সমকালীন আলেমও নিষেধাজ্ঞার কথা বলেছেন। শাইখ ইবনু উসাইমীন রহ. স্কুলে হজ শেখানোর জন্য কাবার মডেল ব্যবহারের ব্যাপারে অনুমতি দেননি; তিনি ব্ল্যাকবোর্ডে কাবার ছবি এঁকে তাওয়াফ ইত্যাদি বোঝানোর কথা বলেছেন। -মাজমূ‘ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়িল ইবনু উসাইমীন : ২৪/৯১
এছাড়া সৌদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া কমিটিও কাবা শরিফ ও এ ধরনের পবিত্র স্থানের ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছে।
২. হজ-উমরাহর প্রশিক্ষণের জন্য মডেল তৈরি করলে
হজ ও উমরাহর বিভিন্ন আমল বোঝানোর জন্য কাবা শরিফের মডেল তৈরি এবং তার চারপাশে তাওয়াফের অনুশীলন করা নিয়ে সমকালীন আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কিছু আলেম এটিকে অনুমোদন করেননি; অন্যদিকে কিছু আলেম প্রকৃত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন এবং অসম্মান বা ভুল ধারণার আশঙ্কা না থাকলে এর অবকাশ দিয়েছেন।
নিষেধের পক্ষে যেসব আলেম মত দিয়েছেন, তারা মূলত পবিত্র স্থানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা এবং এমন পদ্ধতি গ্রহণের প্রয়োজন না থাকার বিষয়টি বিবেচনা করেছেন। ইসলামী ফিকহ কাউন্সিলও কাবা শরিফের মডেল তৈরি ও বাজারজাতকরণের ব্যাপারে তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল।
অতএব, হজ-উমরাহর প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও হুবহু ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি করাকে প্রয়োজনীয় মনে করা যায় না। ছবি, নকশা, মানচিত্র, ভিডিও এবং মৌখিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে তাওয়াফ, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফা, মুযদালিফা ইত্যাদি সহজেই বোঝানো সম্ভব। তাই এগুলো ব্যবহার করাই অধিক উপযুক্ত।
তবে যেহেতু এ বিষয়ে সমকালীন আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে, তাই প্রশিক্ষণের বিশেষ প্রয়োজন ও বাস্তব পরিস্থিতিতে কোনো মডেল ব্যবহারের বিষয়টি একেবারে নিঃশর্তভাবে হারাম বলে দেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য মুফতির পরামর্শ নেওয়া ভালো।
৩. ইসলামী স্থাপনার মডেল প্রদর্শন ও সাজসজ্জা
কাবা শরিফ, মসজিদুন নববী, মসজিদুল আকসা কিংবা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা মোবারকের হুবহু replica বানিয়ে ঘরে, অফিসে বা প্রতিষ্ঠানে সাজসজ্জার জন্য প্রদর্শনেরও বিশেষ প্রয়োজন নেই। পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য ছবি, ক্যালিগ্রাফি, ইতিহাস ও তথ্যভিত্তিক উপকরণ ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
বিশেষ করে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা মোবারক বা মসজিদুন নববীর পবিত্র স্থানসমূহের প্রতিকৃতি তৈরির ক্ষেত্রে যথাযথ আদব ও সম্মানের বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
৪. কাবা শরিফের emoji বা icon
কাবা শরিফের emoji বা icon একটি ডিজিটাল প্রতীক; এটি বাস্তব ত্রিমাত্রিক মডেল বা replica-এর পর্যায়ে পড়ে না। তাই হজ-উমরাহ, মক্কা বা ইসলামী কোনো বিষয় বোঝাতে সম্মানজনকভাবে এর ব্যবহারকে সরাসরি হারাম বলা যাবে না।
তবে এর ব্যবহার এমন হওয়া উচিত, যাতে কাবা শরিফ বা ইসলামের কোনো পবিত্র নিদর্শনের প্রতি উপহাস, তুচ্ছতাচ্ছিল্য বা অসম্মানের ভাব প্রকাশ না পায়।
৫. LEGO দিয়ে মানুষ বা প্রাণীর আকৃতি তৈরি
মানুষ ও প্রাণীর পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিক আকৃতি তৈরি করা ইসলামী শরিয়তের স্বতন্ত্র একটি বিষয়। হাদিসে মূর্তি ও ছবি নির্মাণের ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ
إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ القِيَامَةِ، وَيُقَالُ لَهُمْ: أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ "
এসব ছবি নির্মাতাকে কিয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে। আর তাদের বলা হবে, যা তোমরা সৃষ্টি করেছ, তা জীবিত কর। -সহীহ বুখারি, ৭৫৫৮
তাই LEGO দিয়ে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ মানুষ বা প্রাণীর আকৃতি তৈরি করে স্থায়ীভাবে রাখা বা প্রদর্শন করা যাবে না।
আর LEGO যেহেতু মূলত খণ্ড খণ্ড blocks-এর সমষ্টি, তাই এর মাধ্যমে বিভিন্ন জিনিস নির্মাণ করে পরে ভেঙে ফেলা হয়- এ বিষয়টি স্থায়ী মূর্তি বা প্রতিকৃতির সঙ্গে একেবারে অভিন্ন নয়। তবে মানুষের বা প্রাণীর আকৃতি যত বেশি পূর্ণাঙ্গ ও বাস্তবসম্মত হবে, সতর্কতার প্রয়োজনও তত বেশি হবে।
৬. শিশুদের জন্য উত্তম বিকল্প
শিশুদের ইসলামী পরিচয় ও পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি ভালোবাসা তৈরির উদ্দেশ্যটি অবশ্যই সুন্দর। কিন্তু এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কাবা বা অন্যান্য ইসলামী স্থাপনার replica বানানো অপরিহার্য নয়।
বরং শিশুদের-
কাবা শরিফ, মসজিদুল হারাম, মসজিদুন নববী ও মসজিদুল আকসার ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা গল্পের মাধ্যমে শেখানো;
এসব স্থানের ছবি ও মানচিত্র দেখানো;
নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কেরামের জীবনের শিক্ষণীয় ঘটনা বলা;
ইসলামের শিআর ও পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা ও ইতিহাস বোঝানো;
বলসহ বিভিন্ন বৈধ খেলাধুলায় উৎসাহিত করা;
ফুল-ফল, গাছপালা, নদী-নালা, চাঁদ-তারা, আকাশ, পৃথিবী ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিষয়সমূহের প্রতিকৃতি নিয়ে খেলতে ও শিখতে উৎসাহ দেওয়া;
এবং এমন শারীরিক খেলায় অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া, যাতে শরীরের কসরত হয় ও শিশুর সুস্থ বিকাশে সহায়তা করে¬-
এসবই শিশুদের জন্য অধিক উপকারী ও স্বাভাবিক পদ্ধতি।
সুতরাং, ইসলামী শিআর ও পবিত্র স্থানগুলোর সঙ্গে শিশুদের পরিচয় করানোর জন্য ইতিহাসের গল্প, ছবি, মানচিত্র, বই ও উপযুক্ত ভিডিওই যথেষ্ট। এর জন্য কাবা শরিফ বা অন্যান্য পবিত্র স্থাপনার হুবহু ত্রিমাত্রিক প্রতিকৃতি তৈরি করার প্রয়োজন নেই।
সারকথা হলো: সাধারণ LEGO blocks, বৈধ খেলনা, প্রকৃতি ও শারীরিক খেলাধুলা শিশুদের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু কাবা শরিফ ও অন্যান্য পবিত্র ইসলামী স্থাপনার হুবহু replica-কে খেলনা বা সাধারণ সাজসজ্জার বস্তু বানানোর পরিবর্তে ছবি, ইতিহাস ও শিক্ষামূলক উপকরণের মাধ্যমে শিশুদের পরিচিত করানোই অধিক উপযুক্ত। এতে একদিকে শিশুদের ইসলামী পরিচয় ও ভালোবাসা তৈরি হবে, অন্যদিকে পবিত্র নিদর্শনগুলোর মর্যাদাও অক্ষুণ্ণ থাকবে।
من المستندات الشرعية
** مجموع فتاوى ورسائل العثيمين» (24/ 91):
س 1629: سئل فضيلة الشيخ- رحمه الله تعالى-: هناك مدرس يشرح للطلاب صفة الحج والعمرة ولكن يقول: لا يستوعب الطلاب استيعاباً جيداً فهل يجوز أن أجعل في المدرسة مجسماً للكعبة والمشاعر حتى يطبقونها تطبيقاً عملياً؟
فأجاب فضيلته بقوله: هذا لا يجوز، ولا ينبغي إطلاقاً ويستطيع أنه يرسم في السبورة صورة كعبة، ويقول: تطوف عليها هكذا، أما أن يجعل مجسماً، فهذا في ظني أنه يجعل العبادات مجرد طقوس وحركات فقط، ليس لها تأثير في القلب.»
** «فتاوى اللجنة الدائمة - المجموعة الأولى» (1/ 688):
«فتوى رقم (5576) :
س: أرجو التكرم بإعلامي عن حكم الدين في إنتاج مجسمات فنية للحرمين الشريفين بما في ذلك الكعبة المشرفة بغرض بيعها على الحجاج وغيرهم من المسلمين الذين يرغبون في اقتنائها على سبيل التذكار.
ج: لا يجوز إنتاج المجسمات الفنية للحرمين الشريفين؛
لما قد تشتمل عليه من صور لمن بالحرم المكي من الطائفين والمصلين ولمن بالمسجد النبوي والقراء وغيرهم، ولخروج صورة القبة الخضراء مع صورة المسجد النبوي مما يدفع بعض الناس إلى الاعتقاد في القباب وأهلها، وهذا يفضي إلى الشرك الأكبر، ولما يفضي إليه ذلك من مفاسد أخرى أعاذنا الله منها.
وبالله التوفيق. وصلى الله على نبينا محمد، وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو … عضو … نائب رئيس اللجنة … الرئيس
عبد الله بن قعود … عبد الله بن غديان … عبد الرزاق عفيفي … عبد العزيز بن عبد الله بن باز»
** «فتاوى اللجنة الدائمة - المجموعة الثانية» (1/ 324):
«2- هل مجسمات الكعبة المشرفة جائزة، على الرغم أنها إهانة للكعبة؛ لأن من اشترى هذه الميدالية سوف يدخلها في الخلاء، أما إذا كانت مقلمة تهان لوضعهم عليها الأقلام وغيرها، وربما الجهلة من البشر يتبركون بها؟ لأنه لا يشتريها إلا الأجانب من غير هذه البلاد … وعندما أريد أن أنصحهم قالوا لي: نحن لنا فروع في مكة وجدة، لو كانت محرمة لمنعت المحلات التي قرب الحرم الشريف. وإنني في حيرة هل مجسم الكعبة محرم أم لا؟ وكذلك مجسم القبة الخضراء للمسجد النبوي، ويحيط بالمجسمين السابقين ماء، ومع الماء خرزات صغيرة تدور حول مجسم الكعبة، وكذلك حول القبة الخضراء.
ج: أولا: الأصل في الشريعة المطهرة تحريم التصوير لذوات الأرواح؛ للأدلة الشرعية الواردة بتحريم الصور، لكن الصور التي ليس فيها روح كالشجر والأبنية والسيارات ونحوها، لا حرج في تصويرها وفي اتخاذها لعبا.
ثانيا: لا يجوز تصنيع مجسم للكعبة المشرفة وللقبة التي على قبر
النبي صلى الله عليه وسلم، ولا التجارة فيهما؛ وذلك لأن صناعتهما والتجارة بهما وتداولهما يفضي إلى محظورات يجب الحذر منها، وسد كل باب يوصل إليها.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو … عضو … عضو … نائب الرئيس … الرئيس
بكر أبو زيد … صالح الفوزان … عبد الله بن غديان … عبد العزيز آل الشيخ … عبد العزيز بن عبد الله بن باز»
** وجاء في قرار المجمع الفقهي بشأن موضوع تصنيع وتسويق مجسم للكعبة المشرفة. رقم القرار: 3 رقم الدورة: 13 مجمع الفقه الإسلامي المنبثق عن رابطة العالم الإسلامي 16/ 10/1425 29/ 11/2004: الحمد لله وحده، والصلاة والسلام على من لا نبي بعده، سيدنا ونبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم. أما بعد:
فإن مجلس المجمع الفقهي الإسلامي، برابطة العالم الإسلامي، في دورته الثالثة عشرة، المنعقدة بمكة المكرمة، والتي بدأت يوم السبت 5 شعبان 1412هـ الموافق 8/ 2/1992م: قد نظر في الموضوع وقرر: أن الواجب سد هذا الباب ومنعه؛ لأن ذلك يفضي إلى شرور ومحظورات. وصلى الله على سيدنا محمد، وعلى آله وصحبه وسلم تسليمًا كثيرًا. والحمد لله رب العالمين.
والله أعلم.
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন