প্রবন্ধ
তাকবীরের সময় হাতের তালু কোনাকোনি রাখতে হবে! হেযবুত তওহীদ। পর্ব–৭৭
১০ অক্টোবর, ২০২৫
৫১৪৪
০
হেযবুত তওহীদের দাবী হলো, তাকবীরে উলার সময় হাতের বুড়া আঙ্গুল কানের লতিতে স্পর্ষ করতে হবে এবং উভয় হাতের তালু কোনাকোনিভাবে কেবলার দিতে রাখতে হবে। তারা লিখেছে–
সোজা হোয়ে দাঁড়ানোর পর দুই হাত উঠিয়ে দুই বুড়া আঙ্গুল দুই কানের লতিতে স্পর্শ করাতে হবে এবং দুই হাতের তালু কোণাকোণীভাবে কেবলার দিকে রাখতে হবে। –ইসলামের প্রকৃত সালাহ, পৃ. ৪৯
ইসলাম কী বলে?
তাকবীরে তাহরীমায় উভয় হাত তোলার সময় আঙ্গুলগুলো সোজা রাখবে এবং হাত কিবলামুখী করে রাখবে। তবে কানের লতি স্পর্শ করা সুন্নাত নয়। এ ব্যাপারে হযরত মালেক ইবনে হুওয়াইরিস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا كبر رفع يديه حتى يحاذي بهما أذنيه
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাকবীরে তাহরীমা বলতেন, তখন দুই হাত কান বরাবর উঠাতেন। –সহীহ মুসলিম, হাদিস নং : ৩৯১
বিশিষ্ট তকবেয়ী হযরত ত্বাঊস রহি. বলেন,
ما رأيت مصليا كهيئة عبد الله بن عمر أشد استقبالا للكعبة بوجهه، وكفيه، وقدميه
আমি নামাযে হযরত ইবনে উমর রা.-এর মতো চেহারা, দুই হাত এবং দুই পা অধিক কিবলামুখী করে রাখতে কাউকে দেখিনি। –মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, বর্ণনা নং : ২৯৩৬
বুঝা গেলো, তাকবীরে তাহরীমার সময় উভয় হাতের তালু কোনাকোনিভাবে নয়, বরং সোজাভাবে কেবলার দিকে রাখতে হবে। আর কানের লতি স্পর্শ করা সুন্নত নয়।
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
ঈমানের মেহনত : পরিচয় ও পদ্ধতি
[প্রদত্ত বয়ান থেকে সংগৃহীত] হামদ ও সালাতের পর.. মুহতারাম হাযেরীন! আল্লাহ তা'আলা বান্দাদের জন্য চারট...
ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ
ওযু করার পর কিছু কাজ করলে যেমন ওযু নষ্ট হয়ে যায় , ঠিক তেমনিভাবে ঈমান আনার পরও কিছু কথা, কাজ ও বিশ্বা...
স্রষ্টা ও তাঁর অস্তিত্ব
...
ধর্মনিরপেক্ষতা ও ইসলাম : বিভ্রান্তি নিরসনে মুসলমানদের যা জানা দরকার
...
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন