আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৯৩১১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আল্লাহ পাক এর রহমতে গত 6 বছর ধরে দ্বীন এর পথে আসছি. কিন্তু বিশ্বাস করুন এই 6 টা বছরে আমি কখনো স্বস্তি পাই নি. পরিবার থেকে পর্দা নিয়ে অনেক কষ্ট ভোগান্তি সহ্য করসি. এমন ও হইসে পর্দা করসি বলে রাস্তায় ই কাপড় বা বোরকা দরে টান দিছে পরিবার, ভাই তার বাসায় থাকতে দেয় নি বোরকা পরি বলে. এইগুলো ই সত্যি. তারপর চাকরি কেনো করবো না এই নিয়ে তো ভোগান্তি ছিলো ই.যাক অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে বিয়ে হলো. কিন্তু বিয়ের পর এখনো ও শান্তি নাই. বিয়ে টা আমার পছন্দে ই হইসে . শুধু ছেলে দ্বীন দার দেখে আমি পরিবার কে জোর করে রাজি করাই. বিয়ের পর আবার দেখি ও একই অবস্থা শুশুর বাড়ির.তাদের দিক থেকে ও চাকরির pressure, মেন্টাল torture. আমার husband এর দাঁড়ি আছে, সুন্নীতি লেবাস পরে দেখে আম্মু ওপর দিয়ে ভালো ব্যবহার করলে ও মন থেকে একটু ও পছন্দ করে না ওকে. বাসায় কখনো একটু দাওয়াত ও দেয় না. আম্মু প্রতিদিন আমাকে ফোন করে চাকরি করার জন্য ভয়ঙ্কর pressure দেয়.চাকরির apply করি না কেনো, কোনো চাকরির পরীক্ষা দেই না কেনো অনেক কিছু বলে. আমি আর পারতেসি না.এই দিক দিয়ে আমার কোনো বাবু ও এখনো হচ্ছে না. সব মিলিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙে portasi. শুধু মনে হচ্ছে দ্বীন এর পথে বাকি জীবন কি থাকতে পারবো? আর মনে হয় আমি অনেক পাপি, গুনাহগার. তাই আমার দ্বীন এর পথে চলার পথ সহজ hocca না. জানি এই পরিস্থিতি তে টিকে থাকার জন্য দ্বীন দার মানুষ এর সহবত বা দ্বীনি পরিবেশ এ বেশি বেশি যাওয়া উচিত.কিন্তু তাও পাচ্ছি না. কি ভাবে এই কঠিন পরিস্থিতি র সময় টা পার করবো প্লিজ একটু পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করবেন.
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
৯ অক্টোবর, ২০২১
সোনারগাঁ
৯৪২৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার মেয়ের বয়স ১ বছর চলছে।তার কিছু টাকা আছে।
১.এই টাকা গুলো কি শুধু তার কাজেই ব্যয় করতে হবে নাকি আমরাও ব্যবহার করতে পারবো?
২.আমি শুনেছিলাম ইসলামে যার যার মালিকানা ভিন্ন ভিন্ন।এই টাকাগুলো কার মালিকানায় এবং সে বালেগা হওয়ার আগ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ টাকা হলে কি তার উপর যাকাত ফরয ও কোরবানি ওয়াজিব হবে?
৩.তার কিছু রুপার গহনা আছে এগুলো কার মালিকানায়?
৪.আমার এই পরিমাণ টাকা নেই যে আমার উপর যাকাত ফরয হবে অথবা কুরবানি ওয়াজিব হবে।কিন্তু মেয়ের টাকা আর আমার টাকা একত্র করলে হয়তো যাকাত ফরয এবং কোরবানি ওয়াজিব হবে।তাই এক্ষেত্রে কী হুকুম?আমার উপর কি যাকাত ফরয ও কোরবানি ওয়াজিব হবে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৯ অক্টোবর, ২০২১
ত্রিশাল
৯২৮০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুয়ালাইকুম,

শায়েখ আমি বালেগ হওয়ার পূর্বে একটি পাপ করতাম। আমার দ্বারা এই পাপ দুইজনের মধ্যে ছড়িয়েছে। তারাও তখন নাবালেগ ছিল। বয়স ৭-৮ হবে তাদের।

আমি একটি হাসিস শুনেছি যে, সৎ কর্ম প্রচার করলে অন্যদের দ্বারা সেই সৎ কর্ম হলে তার সওয়ার প্রচারক পান। এমনি ভাবে অপকর্মের ক্ষেত্রেও তাই।

আমি খুব লজ্জিত, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছি আমার পাপের জন্য। কিন্তু আমার দ্বারা অই ২ জনের মাঝে অপকর্ম ছড়িয়েছে। বর্তমানে তারা অই অপকর্ম করেন কি না আমার জানা নেই। এমতাবস্থায় আমার করণিয় কি?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
৮ অক্টোবর, ২০২১
গোদাগাড়ী
৯২৭৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, ছাত্র-শিক্ষক প্রসঙ্গেঃ
ঘটনাটা প্রায়ই তিন বছর আগেকার আমি স্কুলে থাকতে(এখন কলেজে পড়ি) এক শিক্ষককে একটি আজব নাম দিয়েছিলাম।
যদিও আমি শিক্ষককে সেই নামে ডাকতাম না(সামনাসামনি) এবং শিক্ষকের সাথে কোনদিন বেয়াদবি করিনি তেমন একটা.তবে কিছু স্কুলের স্টুডেন্ট সেই নাম ব্যবহার করে স্যার কে ডাকে(সামনাসামনি ডাকে না তবে সাইডে ডাকে)। তবে আমি যে সারকে এই নামটা দিয়েছি এবং সারকে যে এই নামে ডাকা হয় এই ব্যাপারে সার জানে কিনা আমি শিওর না।

যেহেতু সারে এ ব্যাপারে জানে কিনা আমি সঠিক জানিনা তাই আমি যদি স্যারের কাছে ক্ষমা চায় তাহলে সার ক্ষমা করার পরিবর্তে আরো উল্টা রাগারাগি করতে পারে।
আর যদি যেনেও থাকে তাও ক্ষমা করার পরিবর্তে রাগারাগি করা সম্ভাবনাই বেশি।
আমি আমার নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং ব্যাপারটা খুব খারাপ লাগছে আমার কাছে।

প্রশ্ন:
1.স্যার যদি জানতে পারে যে আমি নামটা দিয়েছি এবং আমার নামে যদি বদদোয়া তাহলে কি আমার পড়াশোনা কোন ক্ষতি হবে?

2. আমি স্যারের জন্য দোয়া করছি এবং সারের পক্ষ থেকে দান করার নিয়ত করছি এটা কি সঠিক এখন আমার কি করা উচিত?

3.এবং পরকালে ক্ষমা পাওয়ার উপায় কি?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
৮ অক্টোবর, ২০২১
ঢাকা