আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৯৩৯০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হজরত আমার দুটি প্রশ্ন.!
নাম্বার ১/ হুজুর বেতেরের নামাজ মূলত কত রাকাত..?
আমরা তো জানি তিন রাকাত এখন এক হুজুর বলতেছে বেতেরের নামাজ ১রাকাত পড়লেও নাকি চলে.? রাসূল (সাঃ) না কি এক রাকাত পড়তেন.?
তাহলে কি আমরা এক রাকাত পড়বো না কি তিন রাকাত পড়বো.?

নাম্বার ২/ হজরত নামাজের শেষ বৈঠকে দুআ মাছুরা পরা কি বাধ্যতামূলক..? না পড়লে কি নামাজের কোন খতি হবে.? না পড়লে কি নামাজ হবে না..? আর যারা এই দুআ মাছুরা পারে না তারা কি করবে..?
অথবা তার পরিবর্তে অন্য কোন দুআ পড়া যায় কি না.? পরার কোন নিয়ম আছে কি না..?
জানতে চাই হজরত।
আস্সালামু আলাইকুম।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৩ অক্টোবর, ২০২১
দুর্গাবাড়ি রাস্তা
৯৩১১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আল্লাহ পাক এর রহমতে গত 6 বছর ধরে দ্বীন এর পথে আসছি. কিন্তু বিশ্বাস করুন এই 6 টা বছরে আমি কখনো স্বস্তি পাই নি. পরিবার থেকে পর্দা নিয়ে অনেক কষ্ট ভোগান্তি সহ্য করসি. এমন ও হইসে পর্দা করসি বলে রাস্তায় ই কাপড় বা বোরকা দরে টান দিছে পরিবার, ভাই তার বাসায় থাকতে দেয় নি বোরকা পরি বলে. এইগুলো ই সত্যি. তারপর চাকরি কেনো করবো না এই নিয়ে তো ভোগান্তি ছিলো ই.যাক অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে বিয়ে হলো. কিন্তু বিয়ের পর এখনো ও শান্তি নাই. বিয়ে টা আমার পছন্দে ই হইসে . শুধু ছেলে দ্বীন দার দেখে আমি পরিবার কে জোর করে রাজি করাই. বিয়ের পর আবার দেখি ও একই অবস্থা শুশুর বাড়ির.তাদের দিক থেকে ও চাকরির pressure, মেন্টাল torture. আমার husband এর দাঁড়ি আছে, সুন্নীতি লেবাস পরে দেখে আম্মু ওপর দিয়ে ভালো ব্যবহার করলে ও মন থেকে একটু ও পছন্দ করে না ওকে. বাসায় কখনো একটু দাওয়াত ও দেয় না. আম্মু প্রতিদিন আমাকে ফোন করে চাকরি করার জন্য ভয়ঙ্কর pressure দেয়.চাকরির apply করি না কেনো, কোনো চাকরির পরীক্ষা দেই না কেনো অনেক কিছু বলে. আমি আর পারতেসি না.এই দিক দিয়ে আমার কোনো বাবু ও এখনো হচ্ছে না. সব মিলিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙে portasi. শুধু মনে হচ্ছে দ্বীন এর পথে বাকি জীবন কি থাকতে পারবো? আর মনে হয় আমি অনেক পাপি, গুনাহগার. তাই আমার দ্বীন এর পথে চলার পথ সহজ hocca না. জানি এই পরিস্থিতি তে টিকে থাকার জন্য দ্বীন দার মানুষ এর সহবত বা দ্বীনি পরিবেশ এ বেশি বেশি যাওয়া উচিত.কিন্তু তাও পাচ্ছি না. কি ভাবে এই কঠিন পরিস্থিতি র সময় টা পার করবো প্লিজ একটু পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করবেন.
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
৯ অক্টোবর, ২০২১
সোনারগাঁ
৯৪২৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার মেয়ের বয়স ১ বছর চলছে।তার কিছু টাকা আছে।
১.এই টাকা গুলো কি শুধু তার কাজেই ব্যয় করতে হবে নাকি আমরাও ব্যবহার করতে পারবো?
২.আমি শুনেছিলাম ইসলামে যার যার মালিকানা ভিন্ন ভিন্ন।এই টাকাগুলো কার মালিকানায় এবং সে বালেগা হওয়ার আগ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ টাকা হলে কি তার উপর যাকাত ফরয ও কোরবানি ওয়াজিব হবে?
৩.তার কিছু রুপার গহনা আছে এগুলো কার মালিকানায়?
৪.আমার এই পরিমাণ টাকা নেই যে আমার উপর যাকাত ফরয হবে অথবা কুরবানি ওয়াজিব হবে।কিন্তু মেয়ের টাকা আর আমার টাকা একত্র করলে হয়তো যাকাত ফরয এবং কোরবানি ওয়াজিব হবে।তাই এক্ষেত্রে কী হুকুম?আমার উপর কি যাকাত ফরয ও কোরবানি ওয়াজিব হবে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৯ অক্টোবর, ২০২১
নবাবগঞ্জ