ঘুষ দিয়ে রেশন কার্ড করা
প্রশ্নঃ ১৭২৫৫২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, রেশন কার্ড করে দিতে চেয়ারম্যান মেম্বাররা চার-পাঁচ হাজার টাকা নেয়, এটা নেয়া যায়েজ না না যায়েজ আমি তিন হাজার টাকা মেম্বারকে দিয়ে রেশন কার্ড করেছি এখন সেই কার্ড এর চাল খাই আমি এখন আমার করোনিয় কি
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
কুড়িগ্রাম
০ বার পড়া হয়েছে
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
যদি রেশন কার্ড সরকারি নিয়মে বিনা মূল্যে বা নির্ধারিত সামান্য ফি দিয়ে করার কথা থাকে, অথচ মেম্বার নিজের স্বার্থে বা অবৈধভাবে কার্ড করে দেওয়ার বিনিময়ে ৩,০০০ টাকা নেন, তাহলে তাঁর এ টাকা নেওয়া নাজায়েজ ও ঘুষের অন্তর্ভুক্ত। সরকারি নিয়মে অনুমোদিত প্রকৃত খরচ বা নির্ধারিত ফি হলে বিষয়টি আলাদা।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ
রাসুলুল্লাহ ﷺ ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতার ওপর অভিসম্পাত করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৫৮০; জামে তিরমিজি, হাদিস: ১৩৩৭)
এখন আপনি যদি বাস্তবেই রেশন পাওয়ার মতো দরিদ্র হন এবং টাকা দেওয়া ছাড়া কার্ড পাওয়ার বিকল্প না ছিল, তবে নিরুপায় হয়ে টাকা দেওয়ার কারণে আপনি গুনাহগার হবেন না ইনশআল্লাহ। সেই কার্ডের চাল খাওয়া আপনার জন্য হালাল।
আর যদি আপনি সচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও ঘুষ দিয়ে কার্ড নিয়ে থাকেন, তবে আপনি গুনাহগার হয়েছেন এবং সেই চাল খাওয়া আপনার জন্য হারাম; সেক্ষেত্রে কার্ড বর্জন করা এবং সমপরিমাণ টাকা সদকা করে তওবা করা ওয়াজিব।
مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح:
وعن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما، قال: «لعن رسول الله الراشي والمرتشي» رواه أبو داود، وابن ماجه. (وعن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما) : بالواو (قال: «لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي» ) : أي: معطي الرشوة وآخذها، وهى الوصلة إلى الحاجة بالمصانعة. وأصله من الرشاء الذي يتوصل به إلى الماء، قيل: الرشوة ما يعطى لإبطال حق، أو لإحقاق باطل، أما إذا أعطى ليتوصل به إلى حق، أو ليدفع به عن نفسه ظلماً فلا بأس به، وكذا الآخذ إذا أخذ ليسعى في إصابة صاحب الحق فلا بأس به، لكن هذا ينبغي أن يكون في غير القضاة والولاة ; لأن السعي في إصابة الحق إلى مستحقه، ودفع الظالم عن المظلوم واجب عليهم، فلايجوز لهم الأخذ عليه.
(كتاب الإمارة والقضاء، باب رزق الولاة وهداياهم، ج:7، ص:295، دار الكتب العلمية)
فتاوى شامي:
فتاوى شامي:
دفع المال للسلطان الجائر لدفع الظلم عن نفسه وماله ولاستخراج حقّ له ليس برشوة يعني في حق الدافع اهـ.
(كتاب الحظر والإباحة، فصل في البيع، ج:6، ص:423، ط: سعيد)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
জাওয়াদ তাহের
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৭
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন