যাদু টোনা থেকে বাঁচার জন্য আংটি ব্যবহার করার বিধান
প্রশ্নঃ ১৭০৬৭৩. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, যারা বারবার যাদু টোনা ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয় কবিরাজগণ তাদেরকে কিছু আংটি দিয়ে থাকে যেগুলো ব্যবহার করলে নাকি যাদু টোনা ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এই আংটিগুলো কি ব্যবহার করা বৈধ???
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
ইসলামি আকিদা অনুযায়ী সকল লাভ ও ক্ষতির একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ তাআলা। কোনো জড়বস্তু যেমন আংটি নিজে কোনো ক্ষতি রোধ করতে পারে না। যদি কেউ বিশ্বাস করে যে এই আংটি নিজেই সরাসরি যাদু বা ক্ষতি প্রতিহত করতে পারে, তবে তা সরাসরি শিরক এবং ঈমান বিনষ্টকারী বিষয়। এমন বিশ্বাস নিয়ে আংটি পরা জায়েজ হবে না। আর যদি আংটিতে কোনো কুফরি কালাম, জাদুটোনা, বা অবোধ্য কোনো সংকেত লেখা থাকে, তবে তা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ হারাম। আর যদি কেউ বিশ্বাস করে যে আমার মূল রক্ষাকর্তা আল্লাহ, এই আংটিটি শুধুই একটি মাধ্যম, তাহলে তা ব্যবহার করা জায়েজ হবে।
পুরুষদের জন্য কেবল রূপার আংটি (এক মিসকাল বা ৪.৩৭৪ গ্রামের কম ওজনের) পরিধান করা জায়েয। লোহা, তামা, পিতল, কাঁসা, সিসা ইত্যাদি যেকোনো ধাতুর আংটি পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই পরিধান করা মাকরূহে তাহরিমি ও নিষিদ্ধ।
في صحيح البخاري 5866
عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اتخذ خاتما من ذهب أو فضة، وجعل فصه مما يلي كفه، ونقش فيه: محمد رسول الله، فاتخذ الناس مثله، فلما رآهم قد اتخذوها رمى به وقال: «لا ألبسه أبدا» . ثم اتخذ خاتما من فضة، فاتخذ الناس خواتيم الفضة قال ابن عمر: فلبس الخاتم بعد النبي صلى الله عليه وسلم أبو بكر، ثم عمر، ثم عثمان، حتى وقع من عثمان في بئر أريس
«فتح الباري» لابن حجر (10/ 196 ط السلفية)
«كانوا في الجاهلية يعتقدون أن ذلك يدفع الآفات والتولة بكسر المثناة وفتح الواو واللام مخففا شيء كانت المرأة تجلب به محبة زوجها وهو ضرب من السحر وإنما كان ذلك من الشرك لأنهم أرادوا دفع المضار وجلب المنافع من عند غير الله ولا يدخل في ذلك ما كان بأسماء الله وكلامه فقد ثبت في الأحاديث استعمال ذلك قبل وقوعه»
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
খতীব, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ, মিরাশপাড়া গাজীপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন