মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৪১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৯৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৪১) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) এক রাতে এক সেনাদল প্রস্তুত করলেন, তা প্রস্তুত করতে করতে প্রায় অর্ধরাত বা অনুরূপ সময় হয়ে গেল। তারপর বের হলেন এবং বললেন, লোকেরা নামায পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। আর তোমরা এ নামাযের জন্য অপেক্ষা করছো। তোমরা যতক্ষণ পর্যন্ত নামাযের জন্য অপেক্ষা করছ ততক্ষণ পর্যন্ত যেন নামাযেই রয়েছ।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(41) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال جهَّز رسول الله صلى الله عليه وسلم جيشًا ليلة حتَّى ذهب نصف اللَّيل أو بلغ ذلك، ثمَّ خرج، فقال قد صلَّى النَّاس ورقدوا
وأنتم تنظرون هذه الصَّلاة أما إنَّكم في صلاةٍ ما انتظرتموها
হাদীস নং: ৪২
আন্তর্জাতিক নং: ১২৯৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৪২) হুমাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস ইবন মালিককে জিজ্ঞাসা করা হলো, নবী (ﷺ) কি কোন আংটি ব্যবহার করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি এক রাতে এশার নামায অর্ধরাত পর্যন্ত বিলম্ব করলেন। নামায শেষ করে আমাদের দিকে ফিরলেন। তারপর বললেন, লোকেরা নামায পড়ে উঠে গিয়েছে আর তোমরা যতক্ষণ নামাযের অপেক্ষায় থেকেছ ততক্ষণ নামাযেই থেকেছ। আনাস (রা) বলেন, আমি যেন এখনও দেখতে পাচ্ছি তাঁর (মহানবী (ﷺ)-এর আংটির ঔজ্জ্বল্যতা।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(42) عن حميد قال سئل أنس بن مالكٍ هل اتَّخذ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم خاتمًا؟ قال نعم، أخَّر ليلة صلاة العشاء الاخرة إلى قربٍ من شطر اللَّيل فلمَّا صلّى أقبل علينا بوجهه فقال، النَّاس قد صلَّوا وقاموا ولم تزالوا فى صلاةٍ ما انتظرتموها، قال أنس كأنِّى أنظر الآن إلى وبيص خاتمه
হাদীস নং: ৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৪৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৪৩) উকবা ইবন্ আমির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যখন কোন লোক পবিত্র হয়ে মসজিদে আসেন তারপর নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন তখন তার উভয় লেখক (ফিরিশতা) অথবা তার লেখক প্রতি পদক্ষেপের জন্য যা তিনি মসজিদের দিকে ফেলেন দশটা করে পূণ্য লেখেন । আর যে বসে অপেক্ষা করে সে যেন নামায আদায়ে রত ব্যক্তির মত। বাড়ি থেকে বের হয়ে পুনরায় ফিরে না আসা পর্যন্ত ঐ ব্যক্তি নামাযে রত বলে লিখিত হয়। (পুরা সময় সে নামায পড়ার সওয়াব পায়।)
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(43) عن عقبة بن عامرٍ رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنَّه قال إذا تطهَّر الرجل ثمَّ أتى المسجد يرعى الصَّلاة كتب له كاتباه أو كاتبه بكلِّ خطوةٍ يخطوها إلى المسجد عشر حسنات، والقاعد يرعى الصَّلاة كالقانت ويكتب من المصلِّين من حين يخرج من بيته حتَّى يرجع إليه
হাদীস নং: ৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ২২৩০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৪৪) আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করে বলেন, যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ফরয নামায পড়ার জন্য পথ চলে তার জন্য ইহরামরত হাজীর মত সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। আর যে ব্যক্তি দোহার নামায পড়তে যায় তার জন্য উমরাকারীর মত সওয়াব (লিখা হয়।) আর যে এক নামাযের পর আরেক নামায পড়ে এতদুভয়ের মধ্যে কোন অনর্থক বা বাজে কথা বা কাজ করে না তাকে ইল্লিঈনে (উচ্চস্তরে) লিখা হয় । আবূ উমামা বলেন, এসব মসজিদে সকাল-বিকাল আনা-গোনা করা জিহাদ ফি সাবীলিল্লাহর শামিল।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(44) عن أبى أمامة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال من مشى إلى
صلاة مكتوبة وهو متطهِّر كان له كأجر الحاجِّ المحرم ومن مشى إلى سبحة الضُّحى كان له كأجر المعتمر، وصلاة على إثر صلاة لا لغو بينهما كتاب فى علِّيين، وقال أبو أمامة الغدوُّ والرَّواح إلى هذه المساجد من الجهاد فى سبيل الله
হাদীস নং: ৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ১১১৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৪৫) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নামাযের জন্য বের হবার সময় বলেনঃ

اللَّهمَّ إنِّي أسألك بحقِّ السَّائلين عليك وبحقِّ ممشاى فإنِّى لم أخرج أشرًا ولا بطرًا ولا رياء ولا سمعةً، خرجت اتِّقاء سخطك
وابتغاء مرضاتك، أسألك أن تنقذنى من النَّار، وأن تغفر لى ذنوبى، إنَّه لا يغفر الذُّنوب إلاَّ أنت،

হে আল্লাহ! আমি আপনার ওপর প্রার্থনাকারীদের অধিকারের দোহাই দিয়ে আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এবং আমার পথ চলার অধিকারের দোহাই দিয়ে, কারণ আমি অহঙ্কার ও অবাধ্য হয়ে বের হই নি, বা লোক দেখানো বা লোক শোনানোর জন্য বের হই নি, আমি বের হয়েছি আপনার ক্রোধ থেকে বাঁচতে ও আপনার সন্তুষ্টি অর্জন করতে । আমি প্রার্থনা করছি যে, আপনি আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন এবং আমার পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আপনি ছাড়া আর কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।
আল্লাহ তা'আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা নিয়োগ করেন। যারা তার জন্য ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করেন, আর আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং নিজ মুখে তার দিকে তাকান। নামায থেকে ফারিগ না হওয়া পর্যন্ত ৷
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(45) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال من قال حين يخرج إلى الصَّلاة اللَّهمَّ إنِّي أسألك بحقِّ السَّائلين عليك وبحقِّ ممشاى فإنِّى لم أخرج أشرًا ولا بطرًا ولا رياء ولا سمعةً، خرجت اتِّقاء سخطك وابتغاء
مرضاتك، أسألك أن تنقذنى من النَّار، وأن تغفر لى ذنوبى، إنَّه لا يغفر الذُّنوب إلاَّ أنت، وكَّل الله به سبعين ألف ملكٍ يستغفرون له، وأقبل الله عليه بوجهه حتَّى يفرغ من صلاته
হাদীস নং: ৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যথাসময়ে নামায পড়ার ফযীলত এবং তা সর্বোত্তম আমল
(৪৬) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর (রা) থেকে বর্ণিত, এক লোক রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে তাঁকে সর্বত্তম আমল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলেন, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, (সর্বোত্তম আমল হল) নামায। আবার জিজ্ঞাসা করলেন, তারপর কি? উত্তরে বললেন, নামায। তারপর আবার জিজ্ঞাসা করল, তারপর কি? উত্তরে বললেন, নামায। এভাবে তিনবার বললেন । রাবী বলেন, যখন প্রশ্ন বেশী করা হলো তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। এক ব্যক্তি বলল, আমার পিতা-মাতা রয়েছে। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি তোমাকে পিতা-মাতার সাথে উত্তম ব্যবহার করতে নির্দেশ দিচ্ছি। লোকটি বললেন, সে শপথ! যিনি আপনাকে নবী (ﷺ) সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমি অবশ্যই পিতা-মাতাকে ছেড়ে জিহাদ করব। এ ব্যাপারে তুমিই ভাল জান ।
كتاب الصلاة
(5) باب في فضل الصلاة لوقتها وانها أفضل الأعمال
(46) عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما أنَّ رجلًا جاء إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فسأله عن أفضل الأعمال، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّلاة، قال ثمَّ مه قال الصَّلاة، قال ثمَّ مه، قال الصَّلاة ثلاث مرَّاتٍ، قال فلمَّا غلب عليه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الجهاد فى سبيل الله، قال الرَّجل فإنَّ لى والدين، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم آمرك بالوالدين خيرًا، قال والذَّى بعثك بالحقِّ نبيًّا لأجاهدنَّ ولأتركنَّهما، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أنت أعلم
হাদীস নং: ৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ২২৩৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যথাসময়ে নামায পড়ার ফযীলত এবং তা সর্বোত্তম আমল
(৪৭) রাসূল (ﷺ)-এর আযাদকৃত গোলাম ছাওবান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা নিষ্ঠার সাথে আল্লাহর আনুগত্য করো, তার জন্য সওয়াবের হিসাব করো না। (অপর এক বর্ণনায় আছে। তোমরা নিষ্ঠার সাথে অনুগত্য করো তাহলে সফল হবে।) তোমরা জেনে রাখ যে, তোমাদের সর্বোত্তম আমল হল নামায। আর মু'মিনরাই কেবল ওযূর হিফাজত করেন।
كتاب الصلاة
(5) باب في فضل الصلاة لوقتها وانها أفضل الأعمال
(47) عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم استقيموا (1) ولن تحصوا (وفى رواية استقيموا تفلحوا) واعلموا أن خير أعمالكم الصَّلاة ولن يحافظ على الوضوء إلاَّ مؤمنٌ
হাদীস নং: ৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৮৩৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যথাসময়ে নামায পড়ার ফযীলত এবং তা সর্বোত্তম আমল
(৪৮) হানযালা আল কাতিব (রা) থেকে বর্ণিত, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথাযথভাবে তার রুকু সিজদা ওযূ এবং ওয়াক্তের প্রতি গুরুত্বারোপসহ আদায় করে, আর বিশ্বাস করে যে, তা আল্লাহর পক্ষ হতে আগত, সত্য সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অথবা বললেন, তার জন্য জান্নাত প্রাপ্ত আবশ্যক হয়ে যাবে। (অপর এক বর্ণনায় আছে) তাকে আল্লাহ্ হক বলে বিশ্বাস করে জাহান্নাম তার জন্য হারাম করা হবে।
كتاب الصلاة
(5) باب في فضل الصلاة لوقتها وانها أفضل الأعمال
(48) عن حنظلة الكاتب رضى الله عنه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من حافظ على الصَّلوات الخمس ركوعهنَّ وسجودهنَّ ووضوئهنَّ ومواقيتهنَّ وعلم أنَّها حقٌّ من عند الله دخل الجنَّة. أو قال وجبت له الجنَّة (وفي روايةٍ، براها حقا لله حرم على النار)
হাদীস নং: ৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৩১২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যথাসময়ে নামায পড়ার ফযীলত এবং তা সর্বোত্তম আমল
(৪৯) আবূ আমর আশ্-শাইবানী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ)-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন, কাজটি সর্বোত্তম? তিনি উত্তরে বললেন, সর্বোত্তম আমল হল সময় মত নামায পড়া, মা-বাবার প্রতি সদাচরণ করা এবং জিহাদ করা ।
كتاب الصلاة
(5) باب في فضل الصلاة لوقتها وانها أفضل الأعمال
(49) عن أبى عمرو الشيباني عن رجلٍ من أصحاب النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أيُّ العمل أفضل؟ قال أفضل العمل الصَّلاة لوقتها، وبرُّ الوالدين، والجهاد
হাদীস নং: ৫০
আন্তর্জাতিক নং: ২৭১০৪ - ১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যথাসময়ে নামায পড়ার ফযীলত এবং তা সর্বোত্তম আমল
(৫০) উম্মু ফারওয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনও রাসূল (ﷺ)-এর কাছে বাই'আত করেছিলেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-কে সর্বোত্তম আমল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি উত্তরে বলেন, প্রথম ওয়াক্তে নামায পড়া।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে তাঁর থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।)
আর তৃতীয় এক সূত্রে বর্ণিত আছে, কাসিম ইবন্ গান্নাম থেকে তিনি তাঁর দাদী উম্মু ফারওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি রাসূলের কাছে যাঁরা বাইআত করেছিলেন তাঁদেরই একজন। তিনি রাসূল (ﷺ)-কে আমল সম্বন্ধে আলোচনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন, আল্লাহ তা'আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় কর্ম অবিলম্বে প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করা।
كتاب الصلاة
(5) باب في فضل الصلاة لوقتها وانها أفضل الأعمال
(50) عن أمِّ فروة رضى الله عنها وكانت قد بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أفضل العمل، فقال الصَّلاة لأول وقتها
(وعنها من طريق ثانٍ) بنحوه
(ومن طريقٍ ثالثٍ) عن القاسم بن غنَّام عن جدَّته أمِّ فروة وكانت ممَّن بايع أنَّها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر الأعمال فقال أحبُّ العمل إلى الله عزَّ وجلَّ، تعجيل الصَّلاة لأوَّل وقتها
হাদীস নং: ৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) নামাযের কিয়াম দীর্ঘ করা এবং রুকু সিজদা বেশী বেশী করার ফযীলত
(৫১) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো কোন নামায উত্তম? তিনি উত্তরে বলেন, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে নামায পড়া।
كتاب الصلاة
(6) باب في فضل طول القيام وكثرة الركوع والسجود
(51) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الصَّلاة أفضل، قال طول القنوت
হাদীস নং: ৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) নামাযের কিয়াম দীর্ঘ করা এবং রুকু সিজদা বেশী বেশী করার ফযীলত
(৫২) আবূ ওয়ায়িল থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি এক রাতে নবী (ﷺ)-এর সাথে নামায পড়লাম। তখন তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন যে, আমি খারাপ কিছু করতে উদ্যত হয়েছিলাম। আমরা বললাম, আপনি খারাপ কি ইচ্ছা করেছিলেন? তিনি বলেন, আমি ইচ্ছা করেছিলাম বসে পড়তে এবং তাঁকে ছেড়ে চলে যেতে।
كتاب الصلاة
(6) باب في فضل طول القيام وكثرة الركوع والسجود
(52) عن أبى وائل عن عبد الله بن مسعودٍ رضى الله عنه قال صلَّيت مع النَّبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلةٍ فلم يزل قائمًا حتَّى همت بأمر سوءٍ، قلنا وما هممت به؟ قَالَ هممت أن أجلس وأدعه
হাদীস নং: ৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ২১৩০৮ - ১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) নামাযের কিয়াম দীর্ঘ করা এবং রুকু সিজদা বেশী বেশী করার ফযীলত
(৫৩) আবূ ইসহাক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি মুখারিক (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, আমরা একবার হজ্জ করতে বের হলাম। যখন “রাবযা” নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমি আমার সাথীদের বললাম, তোমরা এগিয়ে চলো, আর আমি পিছনে রয়ে গেলাম। অতঃপর আবূ যার (রা)-এর কাছে আসলাম। তখন তিনি নামায পড়ছিলেন । আমি দেখলাম যে, তিনি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছেন আর রুকু সিজদা বেশী বেশী করছেন। অতঃপর আমি ব্যাপারটি তাঁকে বললাম । তখন তিনি বললেন, আমি উত্তম কাজ করতে কসূর করি নি। আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি একটি রুকু করলো বা একটা সিজদা দিল তার দ্বারা তার একটা মরতাবা বৃদ্ধি করা হবে। আর এ কারণে তার একটা গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।
(অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে) আলী ইবন্ যায়েদ থেকে তিনি মুতাররফ থেকে বর্ণনা করে বলেন, আমি কোরাইশের কতিপয় লোকের সাথে বসা ছিলাম, তখন সেখানে এক লোক এসে নামায পড়তে আরম্ভ করলেন, রুকু সিজদা দিতে থাকলেন। তারপর দাঁড়িয়ে আবার রুকু সিজদা করতে থাকলেন (মধ্যে) বসলেন না । তখন আমি বললাম, আল্লাহর কসম আমার মনে হয় ইনি জানেন না যে, জোড় বা বেজোড় রাকা'আতের পর (নামায শেষ করতে হয়। তখন তারা বললেন, আপনি তাঁর কাছে গিয়ে তাঁকে বলেন। তিনি বলেন, তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর বান্দা, আমি আপনাকে জোড় বা বেজোড় রাকা'আতের পর নামায শেষ করতে হয় তা জানেন বলে মনে করতে পারছি না। তিনি উত্তরে বললেন, তবে আল্লাহ পাক জানেন। আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটা সিজদা করলো আল্লাহ তা'আলা সে কারণে তার জন্য একটা সাওয়াব লিপিবদ্ধ করে দিবেন। আর তার একটা গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তার একটা মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, আপনি কে? তখন তিনি উত্তরে বললেন, আবূ যার। অতঃপর আমি আমার সাথীদের কাছে ফিরে আসলাম। তারপর বললাম, আল্লাহ আপনাদেরকে মন্দ সাথীর প্রতিদান দিন । আপনারা আমাকে রাসূলুল্লাহর এক সাহাবীকে (দ্বীন) শিক্ষা দেয়ার জন্য আদেশ করলেন?
(তৃতীয় এক সূত্রে) আহনাফ ইবন্ কাইস হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন আমি বাইতুল মুকাদ্দাসে গেলাম, তখন সেখানে এক লোক পেলাম যিনি বেশী বেশী সিজদা করছেন। তা দেখে আমার মনে বিরক্তিবোধ করলাম। যখন লোকটি নামায শেষ করলেন তখন আমি তাঁকে বললাম, আপনি জানেন কি আপনি জোড় রাকা'আত না বেজোড় রাকা'আত পড়ে নামায শেষ করেছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আমি না জানলেও তা আল্লাহ পাক অবশ্যই জানেন । তারপর বললেন আমাকে আমার প্রিয়তম আবুল কাসেম জানিয়েছেন তারপর কাঁদতে লাগলেন। তারপর বললেন, আমাকে আমার প্রিয়তম আবুল কাসিম জানিয়েছেন তারপর আবার কাঁদতে লাগলেন। তারপর আবার বললেন, আমাকে আমার প্রিয়তম আবুল কাসিম জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন যে, যে বান্দা আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটা সিজদা করবে আল্লাহ সেজন্য তার একটা মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। আর তার একটা গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তার জন্য একটা সাওয়াব লিপিবদ্ধ করে দিবেন। তিনি (রাবী) বলেন, আমি বললাম, আমাকে বলুন আপনি কে? আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন। তিনি উত্তরে বললেন আমি আবূ যার, রাসূলুল্লাহ্ সাহাবী। একথা শুনে আমি মনে মনে লজ্জিত হলাম।
كتاب الصلاة
(6) باب في فضل طول القيام وكثرة الركوع والسجود
(53) عن أبى إسحاق عن المخارق قال خرجنا حجَّاجًا فلمَّا بلغنا الرَّبذة قلت لأصحابى تقدَّموا وتخلَّفت فأتيت أبا ذرٍ رضى الله عنه وهو يصلِّى فرأيته يطيل القيام ويكثر الرُّكوع والسُّجود فذكرت ذلك له، فقال ما ألوت أن أحسن إنِّى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من ركع ركعة أو سجد سجدة رفع بها درجةً وحطَّت عنه بها خطيئةٌ
(ومن طريقٍ ثانٍ) عن علىِّ بن زيدٍ عن مطرِّفٍ قال قعدت إلى نفرٍ من قريشٍ، فجاء رجلٌ فجعل يصلَّى يركع ويسجد ثمَّ يقوم ثمَّ يركع ويسجد لا يقعد، فقلت والله ما أرى هذا يدري
ينصرف على شفعٍ أو وترٍ، فقالوا ألا تقوم إليه فتقول له، قال فقلت يا عبد الله ما أراك تدري تنصرف على شفعٍ أو وترٍ، قال ولكنَّ الله يدرى، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من سجد لله سجدةً كتب الله بها حسنةً وحطَّ بها عنه خطيئةً ورفع له بها درجةً، فقلت من أنت؟ فقال أبو ذرٍّ، فرجعت إلى أصحابى فقلت جزاكم الله من جلساء شرًّا، أمرتمونى أن أعلم رجلًا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم
(ومن طريقٍ ثالثٍ) عن الأحنف بن قيسٍ قال دخلت بيت المقدس فوجدت فيه رجلًا يكثر السُّجود فوجدت فى نفسى من ذلك فلمَّا انصرف قلت أتدري على شفعٍ أم على وترٍ؟ قال إن أك أدري فإنَّ الله عزَّ وجلَّ يدري، ثمَّ قال أخبرنى حبِّي أبو القاسم صلى الله عليه وسلم ثمَّ بكى، ثمَّ قال أخبرنى حبِّي أبو القاسم صلى الله عليه وسلم ثمَّ بكى، ثمَّ قال أخبرنى حبِّي أبو القاسم صلى الله عليه وسلم أنَّه قال ما من عبدٍ يسجد لله سجدةً إلاَّ رفعه الله بها درجةً وحطَّ عنه بها خطيئةً وكتب له بها حسنةً، قال قلت أخبرنى من أنت يرحمك الله؟ قال أنا أبو ذرٍ صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فتقاصرت إلىَّ نفسى
হাদীস নং: ৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৫২৬ - ১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) নামাযের কিয়াম দীর্ঘ করা এবং রুকু সিজদা বেশী বেশী করার ফযীলত
(৫৪) আবূ ফাতিমা আল আযাদী বা আল আসদী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে নবী (ﷺ) বললেন, হে আবূ ফাতিমা! তুমি যদি (পরকালে) আমার সাথে মিলিত হতে চাও তাহলে বেশী বেশী করে সিজদা করো।
(অপর এক সূত্রে আছে) হে আবূ ফাতিমা, বেশী বেশী করে সিজদা করো। কারণ যে লোক (অপর এক বর্ণনায় লোকের পরিবর্তে মুসলিম শব্দটি আছে।) আল্লাহ তা'আলার উদ্দেশ্যে একটি সিজদা করে আল্লাহ তা'আলা সে সিজদার বিনিময়ে তার একটা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
كتاب الصلاة
(6) باب في فضل طول القيام وكثرة الركوع والسجود
(54) عن أبى فاطمة الأزدىِّ أو الأسدىِّ رضى الله عنه قال قال لي
النبيُّ صلى الله عليه وسلم يا أبا فاطمة إن أردت أن تلقانى فأكثر السُّجود
(ومن طريقٍ آخر) يا أبا فاطمة أكثر من السُّجود فإنَّه ليس من رجلٍ (وفي روايةٍ من مسلمٍ بدل رجلٍ) يسجد لله تبارك وتعالى سجدةً إلاَّ رفعه الله تبارك وتعالى بها درجةً
হাদীস নং: ৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) নামাযের কিয়াম দীর্ঘ করা এবং রুকু সিজদা বেশী বেশী করার ফযীলত
(৫৫) বানী মাখযুমের মাওলা যিয়াদ ইবন আবু যিয়াদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর এক নারী বা পুরুষ খাদেম থেকে বর্ণনা করে বলেন, নবী (ﷺ) খাদিমকে প্রায়ই বলতেন, তোমার কোন প্রয়োজন আছে কি? তিনি বলেন, একদিন (এমন অবস্থায়) তিনি (খাদিম) বলেন। হে আল্লাহর রাসূল আমার প্রয়োজন আছে। তিনি বললেন, তোমার প্রয়োজন কি? খাদিম বলেন, আমার প্রয়োজন হলো আপনি কিয়ামত দিবসে আমার জন্য (আল্লাহর দরবারে) সুপারিশ করবেন। তিনি বললেন, তোমাকে এ বিষয়ে কে শিখিয়ে দিল? তিনি উত্তরে বলেন, আমার প্রভু। (নবী (ﷺ) বলেন, যদি সত্যই তা চাও তাহলে বেশী বেশী সিজদা দ্বারা আমাকে সহযোগিতা কর।
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল বান্না বলেন, এ ভাষায় আমি হাদীসটি কোথাও পাই নি। তবে মুসলিম ও আবূ দাউদের হাদীসে এ বক্তব্যের সমর্থন মিলে।)
كتاب الصلاة
(6) باب في فضل طول القيام وكثرة الركوع والسجود
(55) عن زياد بن أبى زيادٍ مولى بنى مخزوم عن خادمٍ للنَّبىِّ صلى الله عليه وسلم رجل أو امرأةٍ قال كان النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ممَّا يقول للخادم ألك حاجةٌ؟ قال حتَّى كان ذات يوم فقال يا رسول الله حاجتى. قال وما حاجتك؟ قال حاجتى أن تشفع لى يوم القيامة، قال ومن دلَّك على هذا؟ قال ربِّى، قال إمَّا لا فأعنِّى بكثرة السُّجود
হাদীস নং: ৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) নামাযের কিয়াম দীর্ঘ করা এবং রুকু সিজদা বেশী বেশী করার ফযীলত
(৫৬) মা'দান ইবন আবূ তালহা আল ইয়া'মারী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর আযাদকৃত গোলাম ছাওবানের (রা) সাথে সাক্ষাত করলাম, তাঁকে বললাম, আপনি আমাকে এমন একটা আমলের কথা বলুন যে আমল দ্বারা আল্লাহ তা'আলা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। অথবা বললেন, আমি বললাম, আল্লাহ তাআলার কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমলের কথা বলুন। এ কথা শুনে তিনি চুপ করে থাকলেন। অতঃপর আমি তাঁর কাছে তৃতীয়বার প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি বললেন, আমি এ প্রসঙ্গে রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন, তোমাকে বেশী বেশী সিজদা করতে হবে। কারণ যখনই তুমি আল্লাহর জন্য একটা সিজদা করবে তখনই আল্লাহ তা'আলা তার বিনিময়ে তোমার একটা মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন, আর একটা গুনাহ মাফ করে দিবেন। মাদান বলেন, অতঃপর আমি আবু দারদার সাথে সাক্ষাৎ করলাম তাঁকেও একই প্রশ্ন করলাম। তিনিও ছাওবান যা বললেন ঠিক একই কথা বললেন ।
(মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(6) باب في فضل طول القيام وكثرة الركوع والسجود
(56) عن معدان بن أبى طلحة اليعمري قال لقيت ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أخبرنى بعمل أعمله يدخلنى الله به الجنة أو قل قلت بأحب الأعمال إلى الله، فسكت ثمَّ سألته الثَّالثة فقال سألت عن ذلك
رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عليك بكثرة السُّجود، فإنَّك لا تسجد لله سجدة إلاَّ رفعك الله بها درجةً وحطَّ عنك بها خطيئةً، قال معدان ثمَّ لقيت أبا الدَّرداء فسألته فقال لى مثل ما قال لى ثوبان
হাদীস নং: ৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদ : ফজর ও আসরের নামাযের ফযীলত
(৫৭) আবূ মূসা আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঠাণ্ডার সময়ের দু'নামায (অর্থাৎ ফজর ও আসরের নামায) পড়বে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(বুখারী, মুসলিম ও মালিক কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(7) باب فى فضل صلاتى الصبح والعصر
(57) ز عن أبى جمرة الضَّبعىِّ عن أبى بكرٍ عن أبيه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال من صلَّى البردين دخل الجنَّة
হাদীস নং: ৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদ : ফজর ও আসরের নামাযের ফযীলত
(৫৮) উমারা ইবন রুওয়াইবা তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করে বলেন, তাঁকে জনৈক বসরাবাসী জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি আমাকে রাসূল (ﷺ)-কে যা বলতে শুনেছেন তা বলুন। তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, জাহান্নামে প্রবেশ করবে না (অপর এক বর্ণনা মতে কখনো প্রবেশ করবে না) যে ব্যক্তি সূর্য উঠার আগে এবং সূর্য অস্ত যাবার পূর্বে নামায পড়ে। লোকটি বললো, আপনি নিজেই একথা তাঁকে বলতে শুনেছেন? (অপর এক বর্ণনায় আছে) রাসূল (ﷺ) থেকে শুনেছেন, তিনি বললেন, তা আমার দু'কান শুনেছে এবং আমার অন্তর আত্মস্থ করেছে। তখন লোকটি বললেন, আল্লাহর কসম আমিও তাঁকে একথা বলতে শুনেছি।
(মুসলিম, আবূ দাউদ ও নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(7) باب فى فضل صلاتى الصبح والعصر
(58) عن عمارة بن رويبة عن أبيه قال سأله رجلٌ من أهل البصرة قال أخبرنى ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول؟ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يلج (وفى روايةٍ لن يلج) النَّار أحدٌ صلَّى قبل طلوع الشَّمس وقبل أن تغرب قال آنت سمعته منه (وفى رواية من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟) قال سمعته أذناي ووعاه قلبي فقال الرَّجل والله لقد سمعته يقول ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদ : ফজর ও আসরের নামাযের ফযীলত
(৫৯) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলার কতগুলো আনাগোনাকারী ফেরেশতা রয়েছেন। রাতের ফেরেশতা আর দিনের। তাঁরা ফজরের নামায এবং আসর নামাযের সময় একত্রিত হন। তারপর যে সব ফেরেশতা তোমাদের মধ্যে ছিলেন তাঁরা আল্লাহর কাছে চলে যান। তখন তিনি তাঁদেরকে প্রশ্ন করেন, যদিও তিনি তাদের চেয়ে বেশী জানেন। তিনি বলেন, আমার বান্দাদের তোমরা কোন অবস্থায় ছেড়ে এসেছ? তখন তারা বলেন, আমরা তাদেরকে নামাযের অবস্থায় ছেড়ে এসেছি। আর যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখনও তারা নামাযে রত ছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। ইবন্ খুযাইমাও হাদীসটি একটু ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب فى فضل صلاتى الصبح والعصر
(59) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ لله ملائكةً يتعاقبون ملائكة اللَّيل وملائكة النَّهار فيجتمعون في صلاة الفجر وصلاة العصر، ثمَّ يعرج إليه الذين كانوا فيكم فيسألهم وهو أعلم، فيقول كيف تركتم عبادى؟ فيقولون تركناهم يصلُّون وأتيناهم يصلُّون
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদ : ফজর ও আসরের নামাযের ফযীলত
(৬০) ফোযালা আল্ লাইছী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে গেলাম, তারপর মুসলমান হলাম। তখন তিনি আমাকে নানা বিষয় শিক্ষা দিলেন। এমনকি যথা সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা প্রসঙ্গে শিক্ষা দিলেন। তিনি বলেন, তখন আমি তাঁকে বললাম, এ সময়গুলোতে আমি ব্যস্ত থাকি। অতএব, আপনি আমাকে একটা সর্বাত্মক আমলের উপদেশ দিন। তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি ব্যস্ত থাকলেও আসরের নামায দু'টির সময় ব্যস্ত হইও না। আমি বললাম, আসর দু'টি কোনটি? তিনি বললেন, ফজরের নামায ও আসরের নামায।
(আবু দাউদ কর্তৃক বর্ণিত। তার সনদ হাসান।)
كتاب الصلاة
(7) باب فى فضل صلاتى الصبح والعصر
(60) عن فضالة اللَّيثِّي رضى الله عنه قال أتيت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فأسلمت وعلَّمنى حتَّى علَّمنى الصَّلوات الخمس لمواقيتهنَّ، قال فقلت إنَّ هذه لساعات أشغل فيها فمرني بجوامع، فقال لى إن شغلت فلا تشغل عن العصرين، فقلت وما العصران؟ قال صلاة الغداة وصلاة العصر
tahqiq

তাহকীক: