মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদ : ফজর ও আসরের নামাযের ফযীলত
(৬১) জারীর ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা এক পূর্ণিমার রাতে রাসূল (ﷺ)-এর কাছে ছিলাম। তখন তিনি বলেন, তোমরা যেরূপ চাঁদ দেখতে পাচ্ছ সেরূপ তোমাদের প্রভুকে দেখতে পাবে। তাঁকে দেখার ক্ষেত্রে তোমরা ভীড় বোধ করবে না। তোমরা যদি এ দু'নামায (অর্থাৎ সূর্য ওঠার আগের এবং অস্ত যাওয়ার পূর্বের নামায দু'টির ব্যাপারে পরাজিত না হয়ে পার তাহলে তাই করো।) অতঃপর তিনি (فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوْعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا) তোমার প্রভুর প্রশংসা বিজড়িত পবিত্রতা বর্ণনা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে।) আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।
শু'বা (একজন রাবী) বলেন, আমি জানি না (রাসূল (ﷺ) “যদি পার” কথাটি বলেছিলেন কি না।
(বুখারী ইত্যাদি কর্তৃক বর্ণিত।)
শু'বা (একজন রাবী) বলেন, আমি জানি না (রাসূল (ﷺ) “যদি পার” কথাটি বলেছিলেন কি না।
(বুখারী ইত্যাদি কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(7) باب فى فضل صلاتى الصبح والعصر
(61) عن جرير بن عبد الله رضى الله عنه قال كنَّا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة البدر، فقال إنَّكم سترون ربَّكم عزَّ وجلَّ كما ترون القمر، لا تضامون فى رؤيته، فإن استطمتم أن لا تغلبوا على هاتين الصلاتين
قبل طلوع الشَّمس وقبل الغروب، ثمَّ تلا هذه الآية (فسبِّح بحمد ربِّك قبل طلوع الشَّمس وقبل غروبها) قال شعبة (أحد الرُّواة) لا أدري قال فإن استطعتم أو لم يقل
قبل طلوع الشَّمس وقبل الغروب، ثمَّ تلا هذه الآية (فسبِّح بحمد ربِّك قبل طلوع الشَّمس وقبل غروبها) قال شعبة (أحد الرُّواة) لا أدري قال فإن استطعتم أو لم يقل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) নফল নামাযের ফযীলত এবং নফল দ্বারা ফরয এর ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে
(৬২) আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা কোন বান্দাকে দু' রাকাত নফল নামাযের চেয়ে বেশী উত্তম কোন কিছুর অনুমতি দেন নি যা বান্দা আদায় করে। বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত নামাযে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত তার মাথার উপরে কল্যাণ বর্ষিত হতে থাকে, বান্দাদের জন্য আল্লাহর নৈকট্য লাভের ক্ষেত্রে আল্লাহর নিকট থেকে বেরিয়ে এসেছে সেই কুরআনের চেয়ে উত্তম আর কিছুই নেই।
(তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। সুয়ূতী জামে উস সাগীরে হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
(তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। সুয়ূতী জামে উস সাগীরে হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(8) باب فضل صلاة التطوع وجبر الفرائضى بالنواقل
(62) عن أبى أمامة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أذن الله لعبد فى شيءٍ أفضل من ركعتين يصليهما، وإنَّ البرَّ ليذرُّ فوق رأس العبد ما دام فى صلاته، وما تقرَّب العباد إلى الله بمثل ما خرج منه يعني القرآن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) নফল নামাযের ফযীলত এবং নফল দ্বারা ফরয এর ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে
(৬৩) ওমর ইবনে খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন মানুষের বাড়িতে নামায পড়া হল একটা নূর বা আলো। যার ইচ্ছা হয় সে যেন নিজ বাড়িতে বেশী বেশী নফল সালাত আদায়ের মাধ্যমে জ্যোতির্ময় করে।
(এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ। জানাবতের গোসল অধ্যায়ে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।)
(এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ। জানাবতের গোসল অধ্যায়ে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(8) باب فضل صلاة التطوع وجبر الفرائضى بالنواقل
(63) عن عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة الرَّجل فى بيته نورٌ فمن شاء نوَّر بيته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) নফল নামাযের ফযীলত এবং নফল দ্বারা ফরয এর ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে
(৬৪) আনাস ইবন্ হাকীম আদ্দাববী থেকে বর্ণিত, যে তিনি যিয়াদ বা ইবন যিয়াদের সময় ভয় পাচ্ছিলেন, এ সময় তিনি মদীনায় আসলেন। তখন আবু হুরায়রার (রা) সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তখন তিনি আমার বংশ পরিচয় জানতে চাইলে আমি তাঁকে বংশ পরিচয় জানালাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, হে যুবক! আমি কি তোমাকে এমন এক হাদীস শুনাব যার দ্বারা আল্লাহ হয়তবা তোমার উপকার করবেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহ আপনার উপর মেহেরবানী করুন। তিনি বললেন, কিয়ামত দিবসে মানুষের সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া হবে নামাযের। তিনি বলেন, তখন আমাদের মহান প্রভু তাঁর ফেরেশতাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলবেন-অথচ তিনি এ ব্যাপারে বেশী জানেন-, আমার বান্দার নামাযের দিকে তাকাও। তারা কি তা পূর্ণ করেছে, নাকি তাতে অপূর্ণতা আছে? যদি তা পূর্ণ হয় তখন (তার আমলনামায়) পূর্ণ কথাটি লিখা হবে। আর যদি তাতে কিছু অপূর্ণতা থাকে তখন বলবেন, দেখ, আমার বান্দার কোন নফল নামায আছে কি না? যদি তার কোন নফল থাকে তখন বলবেন, আমার বান্দার ফরযের ক্রটিগুলো তার নফল থেকে পূর্ণ করে দাও। অতঃপর তার অন্যান্য আমলগুলোরও এভাবেই হিসাব নেয়া হবে।
ইউনুস (জনৈক রাবী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি হাদীসটি মহানবী (ﷺ) থেকে শুনার কথা বলেছেন।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে,) তিনি বলেন, আবু হুরায়রা আমাকে বলেছেন, তুমি মিসরবাসীর কাছে গেলে তাদেরকে জানাবে যে, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, বান্দার যে জিনিসটির সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া হবে তা হলো তার ফরয নামায। তা যদি সঠিক হয়, (অপর এক বর্ণনায় আছে) যদি তা পরিপূর্ণ হয় (তাহলে তো হলোই।) আর যদি অসম্পূর্ণ হয় তখন তা তার নফল নামায দ্বারা পূর্ণ করা হবে। অতঃপর তার সকল ফরয আমলগুলোর ক্ষেত্রেও অনুরূপ করা হবে।
(আবূ দাউদ ও নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির এ সনদ উত্তম। তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অপর এক রাবী থেকে।)
ইউনুস (জনৈক রাবী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি হাদীসটি মহানবী (ﷺ) থেকে শুনার কথা বলেছেন।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে,) তিনি বলেন, আবু হুরায়রা আমাকে বলেছেন, তুমি মিসরবাসীর কাছে গেলে তাদেরকে জানাবে যে, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, বান্দার যে জিনিসটির সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া হবে তা হলো তার ফরয নামায। তা যদি সঠিক হয়, (অপর এক বর্ণনায় আছে) যদি তা পরিপূর্ণ হয় (তাহলে তো হলোই।) আর যদি অসম্পূর্ণ হয় তখন তা তার নফল নামায দ্বারা পূর্ণ করা হবে। অতঃপর তার সকল ফরয আমলগুলোর ক্ষেত্রেও অনুরূপ করা হবে।
(আবূ দাউদ ও নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির এ সনদ উত্তম। তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অপর এক রাবী থেকে।)
كتاب الصلاة
(8) باب فضل صلاة التطوع وجبر الفرائضى بالنواقل
(64) عن أنس بن حكيمٍ الضَّبِّيِّ أنَّه خاف زمن زيادٍ أو ابن زيادٍ
فأتى المدينة فلقى أبا هريرة رضى الله عنه، قال فانتسبني فانتسبت له فقال يا فتى ألا أحدَّثك حديثًا لعلَّ الله أن ينفعك به، قلت بلى رحمك الله، قال إن أوَّل ما يحاسب به النَّاس يوم القيامة من الصَّلاة، قال يقول ربُّنا عزَّ وجلَّ لملائكته وهو أعلم انظروا فى صلاة عبدى أتمَّها أم نقصها فإن كانت تامَّةً كتبت له تامَّةً، وإن كان انتقص منها شيئًا قال انظروا هل لعبدي من تطوعٍ، فإن كان له تطوعٌ، قال أتمُّوا لعبدى فريضته من تطوُّعه، ثمَّ تؤخذ الأعمال على ذلكم، قال يونس (أحد الرُّواة) وأحبه قد ذكر النَّبي صلى الله عليه وسلم
(وعنه من طريقٍ ثان) قال قال لى أبو هريرة إذا أتيت أهل مصر فأخبرهم أنِّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أوَّل شيءٍ مَّما يحاسب به العبد يوم القيامة صلاته المكتوبة، فإن صلحت (وفى روايةٍ فإن أتمَّها) وإلاَّ زيد فيها من تطوُّعه ثمَّ يفعل بسائر الأَّعمال المفروضة كذلك
فأتى المدينة فلقى أبا هريرة رضى الله عنه، قال فانتسبني فانتسبت له فقال يا فتى ألا أحدَّثك حديثًا لعلَّ الله أن ينفعك به، قلت بلى رحمك الله، قال إن أوَّل ما يحاسب به النَّاس يوم القيامة من الصَّلاة، قال يقول ربُّنا عزَّ وجلَّ لملائكته وهو أعلم انظروا فى صلاة عبدى أتمَّها أم نقصها فإن كانت تامَّةً كتبت له تامَّةً، وإن كان انتقص منها شيئًا قال انظروا هل لعبدي من تطوعٍ، فإن كان له تطوعٌ، قال أتمُّوا لعبدى فريضته من تطوُّعه، ثمَّ تؤخذ الأعمال على ذلكم، قال يونس (أحد الرُّواة) وأحبه قد ذكر النَّبي صلى الله عليه وسلم
(وعنه من طريقٍ ثان) قال قال لى أبو هريرة إذا أتيت أهل مصر فأخبرهم أنِّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أوَّل شيءٍ مَّما يحاسب به العبد يوم القيامة صلاته المكتوبة، فإن صلحت (وفى روايةٍ فإن أتمَّها) وإلاَّ زيد فيها من تطوُّعه ثمَّ يفعل بسائر الأَّعمال المفروضة كذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) নফল নামাযের ফযীলত এবং নফল দ্বারা ফরয এর ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে
(৬৫) ইয়াহইয়া ইবন ইয়া'মার রাসূল (ﷺ)-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, বান্দাকে সর্বপ্রথম তার নামায সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হবে। তিনি যদি তা পূর্ণ করে থাকেন তাহলে তা পূর্ণরূপে লিপিবদ্ধ হবে। আর যদি তিনি তা পূর্ণ না করেন তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, তোমরা আমার বান্দার (কোন নফল নামায) আছে কিনা দেখ। যদি থাকে তাহলে তা দ্বারা তার ফরযের অসম্পূর্ণতাকে সম্পূর্ণ করে দাও। তারপর যাকাতের হিসাব নেয়া হবে অনুরূপভাবে। তারপর অপরাপর আমলেরও হিসাব নেয়া হবে অনুরূপভাবে।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান বলেন, হাদীসটি অন্য কোথাও আমি পাই নি। তবে এর রাবীগণ সহীহ্ হাদীসেরই রাবী। অপর কিছু হাদীসেও এ হাদীসের বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যায়।)
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান বলেন, হাদীসটি অন্য কোথাও আমি পাই নি। তবে এর রাবীগণ সহীহ্ হাদীসেরই রাবী। অপর কিছু হাদীসেও এ হাদীসের বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যায়।)
كتاب الصلاة
(8) باب فضل صلاة التطوع وجبر الفرائضى بالنواقل
(65) عن يحيى بن يعمر عن رجلٍ من أصحاب النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال قال
رسول الله صلى الله عليه وسلم أوَّل ما يحاسب به العبد صلاته، فإن كان أتمَّها كتبت له تامَّةً، وإن لم يكن أتمَّها قال الله عزَّ وجلَّ انظروا هل تجدون لعبدى من تطوُّع فتكلموا بها فريضته، ثمَّ الزَّكاة كذلك ثمَّ تؤخذ الأعمال على حسب ذلك
رسول الله صلى الله عليه وسلم أوَّل ما يحاسب به العبد صلاته، فإن كان أتمَّها كتبت له تامَّةً، وإن لم يكن أتمَّها قال الله عزَّ وجلَّ انظروا هل تجدون لعبدى من تطوُّع فتكلموا بها فريضته، ثمَّ الزَّكاة كذلك ثمَّ تؤخذ الأعمال على حسب ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৬৬) আবদুল্লাহ ইবন্ সুলাইমান বলেন, আমরা খারিজা ইবন্ যায়েদের সাথে জোহরের সালাত শেষ করে আনাস ইবন্ মালিকের (রা) কাছে গেলাম। তখন তিনি বলেন, হে মেয়ে! (দাসী) দেখতো নামাযের সময় হয়েছে কিনা? মেয়েটি বললো, হ্যাঁ, (হয়েছে) তখন আমরা তাঁকে বললাম, আমরা এখনই ইমামের সাথে জোহরের সালাত আদায় করে আসলাম। তিনি বলেন, তখন তিনি উঠে আসর-এর নামায পড়লেন। তারপর বললেন, রাসূল (ﷺ) এভাবেই নামায পড়তেন।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি অন্য কোথাও পাই নি। তবে তার সনদ হাসান পর্যায়ের।)
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি অন্য কোথাও পাই নি। তবে তার সনদ হাসান পর্যায়ের।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(66) حّدثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا عبد الملك بن عمرو ثنا خارجة بن عبد الله من ولد زيد بن ثابتٍ عن أبيه قال انصرفنا من الظُّهر مع خارجة بن زيدٍ فدخلنا على أنس بن مالكٍ (رضى الله عنه) فقال يا جارية انظرى هل حانت الصَّلاة، قال قالت نعم، فقلنا له إنَّما انصرفنا من الظُّهر الآن مع الإمام، قال فقام فصلَّى العصر ثمَّ قال هكذا كان يصلِّى رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৬৭) যিয়াদ ইবন্ আবূ যিয়াদ ইবন্ আব্বাস (রা) আযাদকৃত গোলাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হিশাম ইবন ইসমাঈল যখন মদীনার প্রশাসক ছিলেন তখন (একদিন) আমি এবং উমর তাঁর পিছনে জোহরের নামায আদায় করে আমর ইবন্ আবদুল্লাহ ইবন্ আবু তালহার কাছে গেলাম তাঁর অসুস্থাবস্থায় তাঁকে দেখতে। তিনি বলেন, গিয়ে আমরা বসি নি, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেন, তারপর আমরা গিয়ে আনাস ইবন মালিকের বাড়িতে প্রবেশ করলাম। বাড়িটি ছিল আবূ তালহার বাড়ির পাশে। তিনি বলেন, আমরা যখন বসলাম তখন তাঁর কাছে দাসী আসল এবং বললো, আবু হামযা নামাযের সময় হয়েছে? আমরা বললাম, কোন্ নামাযের কথা বলছেন, আল্লাহ আপনাকে দয়া করুন। তিনি বললেন, আসরের নামায। তিনি বলেন, তখন আমরা বললাম, আমরা তো জোহরের নামায এখনই পড়লাম। তিনি বললেন, তখন তিনি বলেন, তোমরা নামায ছেড়ে দিয়েছ, এমন কি নামাযের কথা ভুলেই গেছ। অথবা বললেন, তোমরা নামাযের কথা ভুলে গিয়ে ছেড়েই দিয়েছো। (উমাইয়া যুগে নামায শেষ ওয়াক্তে পড়া হতো, যা সাহাবীগণ কঠিনভাবে আপত্তি করতেন।) আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। আমি ও কিয়ামত এতদুভয়ের মত প্রেরিত হয়েছি। তারপর তার হাতের তর্জনী ও মধ্যাঙ্গুলী সম্প্রসারিত করলেন।
(বুখারী, মুসলিম সংক্ষিপ্তাকারে।)
(বুখারী, মুসলিম সংক্ষিপ্তাকারে।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(67) عن زياد بن أبي زياد مولى ابن عبَّاسٍ (رضى الله عنهما) قال انصرفت من الظُّهر أنا وعمر حين صلاَّها هشام بن إسماعيل بالنَّاس إذ كان على المدينة إلى عمرو بن عبد الله بن أبي طلحة نعوده في شكوى له، قال فما قعدنا، ما سألنا عنه إلاَّ قيامًا، قال ثمَّ انصرفنا فدخلنا على أنس بن مالكٍ فى داره وهى إلى جنب دار أبى طلحة، قال فلمَّا قعدنا أتته الجارية فقالت الصَّلاة يا أبا حمزة، قال قلنا أىُّ الصَّلاة رحمك الله، قال العصر، قال فقلنا إنَّما صلَّينا الظُّهر الآن، قال فقال إنَّكم تركتم الصَّلاة حتَّى نسيتموها، أو قال نسيتموها حتى تركتموها) إنِّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بعثت أنا والسَّاعة كهاتين ومدَّ إصبعه السبَّابة والوسطى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৬৮) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, হে আলী! তিনটা জিনিস দেরী করবে না। যখন নামাযের সময় হবে (তখন আর দেরী করবে না।) আর জানাযা যখন উপস্থিত হবে (বিলম্ব করবে না।) আর অবিবাহিতা নারীর যখন কুফু থেকে (উপযুক্ত পাত্র থেকে) প্রস্তাব পাওয়া যাবে (তখন বিবাহে বিলম্ব করবে না।)
(কুফু বলতে ইসলামে স্বাধীনতা, সমগোত্র ও সমউপার্জন-এর অধিকারী পাত্রকে বুঝানো হয়।
(হাকিম, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।)
(কুফু বলতে ইসলামে স্বাধীনতা, সমগোত্র ও সমউপার্জন-এর অধিকারী পাত্রকে বুঝানো হয়।
(হাকিম, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(68) عن على رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثلاثةٌ يا علي
لا تؤخرهنَّ، الصَّلاة إذا آذنت والجنازة إذا حضرت، والأيِّم إذا وجدت كفؤا
لا تؤخرهنَّ، الصَّلاة إذا آذنت والجنازة إذا حضرت، والأيِّم إذا وجدت كفؤا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৬৯) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, এক লোক রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আসলেন। এসে বললেন, অমুক ব্যক্তি রাত্রে নামায না পড়ে ঘুমিয়েছে। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তা হচ্ছে এক শয়তানের কারসাজী। সে শয়তান তার কানে অথবা বললেন, তার দু'কানে পেশাব করে দিয়েছে। (অর্থাৎ শয়তান তার উপর প্রভাব বিস্তার করে তাকে রাতের নামায থেকে বিরত রেখেছে।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(69) عن عبد الله ابن مسعودٍ رضى الله عنه أنَّ رجلًا أتى النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فقال إنَّ فلانًا نام البارحة عن الصَّلاة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذالك الشيَّطان بال فى أذنه أو في أذنيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭০) আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত। তিনিও নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ এক হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান বলেন, হাদীসটি আমি অন্য কোথাও পাই নি। মুনযিরী বলেন, হাদীসটি আহমদ উত্তম সনদে বর্ণনা করেছেন।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান বলেন, হাদীসটি আমি অন্য কোথাও পাই নি। মুনযিরী বলেন, হাদীসটি আহমদ উত্তম সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(70) عن أبى هريرة رضى الله عنه عن النبىِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭১) শাদ্দাদ ইবন্ আউস (রা) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, অচিরেই আমার পর এমন কিছু ইমামের (শাসক) আবির্ভাব হবে যারা নামাযকে তার ওয়াক্ত থেকে সরিয়ে হত্যা করবে। কাজেই তোমরা যথা সময়ে নামায পড়ে নিবে। আর ঐরূপ ইমামদের সাথে নামাযগুলোকে নফল নামাযে পরিণত করবে।
(মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে ঐরূপ হাদীস আবূ যার (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে।)
(মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে ঐরূপ হাদীস আবূ যার (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(71) عن شدَّاد بن أوسٍ عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قال سيكون من بعدي
أئمةٌ يميتون الصَّلاة عن مواقيتها فصلُّوا الصَّلاة لوقتها واجعلوا صلاتكم معهم سبحةً
أئمةٌ يميتون الصَّلاة عن مواقيتها فصلُّوا الصَّلاة لوقتها واجعلوا صلاتكم معهم سبحةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭২) ইবন্ জুরাইজ বলেছেন, আমাদেরকে 'আসিম ইবন উবাইদুল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, আমার পরে অচিরেই এমন কিছু আমীরের (শাসক) আবির্ভাব হবে যারা সময় মত নামায পড়বে, আবার তা ওয়াক্ত থেকে বিলম্ব করেও পড়বে। তোমরা তাদের সাথে নামায পড়ো। তারা যদি তা সময় মতো পড়ে আর তোমরাও তাদের সাথে তা পড়ো, তাহলে তার সাওয়াব তোমরা ও তারা উভয়েই পাবে। আর যদি তারা তা সময়ের পরে বিলম্ব করে পড়ে, আর তোমরাও তাদের সাথে তা পড়ো তাহলে তা তোমাদের পক্ষে ও তাদের বিরুদ্ধে (তার গোনাহের দায়িত্ব শুধুমাত্র তাদের)। যে ব্যক্তি জামাআত ত্যাগ করে তার জাহেলী মৃত্যু হবে। আর যে ব্যক্তি প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করলো, আর ওয়াদা ভঙ্গ করাবস্থায় মারা গেল সে কিয়ামত দিবসে এমন অবস্থায় উত্থিত হবে তখন তার কোন ওযর আপত্তি থাকবে না।
(ইবন্ জুরাইজ বলেন) আমি তাঁকে বললাম, আপনাকে এ খবর কে দিয়েছে? তিনি বলেন, এ সংবাদ আব্দুল্লাহ ইবন আমির ইবন্ রাবী'আ তাঁর বাবা আমির ইবন্ রাবী'আ (রা) থেকে এ সংবাদ দিয়েছেন। আর আমির ইবন্ রাবী'আহ (রা) তা নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(আবূ দাউদ উবাদা ইবন্ সামিত ও কবীছা ইবন্ ওয়াক্কাস থেকে এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদ উত্তম)
(ইবন্ জুরাইজ বলেন) আমি তাঁকে বললাম, আপনাকে এ খবর কে দিয়েছে? তিনি বলেন, এ সংবাদ আব্দুল্লাহ ইবন আমির ইবন্ রাবী'আ তাঁর বাবা আমির ইবন্ রাবী'আ (রা) থেকে এ সংবাদ দিয়েছেন। আর আমির ইবন্ রাবী'আহ (রা) তা নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(আবূ দাউদ উবাদা ইবন্ সামিত ও কবীছা ইবন্ ওয়াক্কাস থেকে এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদ উত্তম)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(72) حّدثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا عبد الرَّزَّاق قال أنا ابن جريحٍ قال أخبرنى عاصم بن عبيد الله أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال إنَّها ستكون من بعدى أمراء يصلُّون الصَّلاة لوقتها ويؤخِّرونها عن وقتها فصلُّوها معهم، فإن صلَّوها لوقتها وصلَّيتموها معهم فلكم ولهم وإن أخَّروها عن وقتها فصلَّيتموها معهم فلكم وعليهم من فارق الجماعة مات ميتةً جاهليَّةً، ومن نكث العهد ومات ناكثًا للعهد جاء يوم القيامة لا حجَّة له، قلت له من أخبرك هذا الخبر؟ قال أخبرنيه عبد الله بن عامر بن ربيعة عن أبيه عامر بن ربيعة يخبر عامر ابن ربيعة عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭৩) কা'ব ইবন্ উজরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সময় আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মসজিদে কিবলার দিকে পিঠ ঠেকিয়ে বসা ছিলাম। আমরা সংখ্যায় সাতজন ছিলাম। চারজন ছিল আমাদের অনারব মাওয়ালী। আর তিনজন ছিল আরব। এমতাবস্থায় আমাদের কাছে রাসূল (ﷺ) বেরিয়ে আসলেন জোহরের নামাযের জন্য। আমাদের কাছে এসে বললেন, তোমরা এখানে কেন বসে আছ? আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা নামাযের জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি বলেন, একথা শুনে মহানবী (ﷺ) কিছুক্ষণ চুপ থাকলেন। তারপর মাথা তুলে বললেন, তোমরা কি জান তোমাদের প্রভু কি বলেছেন? তিনি বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বলেন, তোমাদের রব বলছেন, যে ব্যক্তি যথাসময়ে (ওয়াক্ত মতে) নামায পড়ে এবং তার হিফাযত করে, নামাযের প্রতি অবহেলা করে তার হক নষ্ট করে না, তার জন্য আমার ওয়াদা হলো আমি তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবো। আর যে নামাযগুলো সময়মত পড়ে না, তার হিফাযত করে না, তার প্রতি অবহেলা করে তার হক নষ্ট করে, তার জন্য আমার কোন ওয়াদা নেই। আমার ইচ্ছা হলে তাকে শাস্তি দেব আর ইচ্ছা হলে ক্ষমা করে দিব।
(তবারানী হাদীসটি তাঁর মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। মুনযিরী হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
(তবারানী হাদীসটি তাঁর মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। মুনযিরী হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(73) عن كعب بن عجرة رضى الله عنه قال بينما أنا جالس فى مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم مسندي ظهورنا إلى قبلة مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعة رهطٍ، أربعةٌ موالينا وثلاثةٌ من عربنا، إذ خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الظُّهر حتَّى
انتهى إلينا فقال ما يجلسكم ههنا؟ قلنا يا رسول الله ننتظر الصَّلاة، قال فأرَّم قليلًا ثمَّ رفع رأسه فقال أتدرون ما يقول ربُّكم عزَّ وجلَّ؟ قال قلنا الله ورسوله أعلم، قال فإنَّ ربَّكم عزَّ وجلَّ يقول، من صلَّى الصَّلاة لوقتها وحافظ عليها ولم يضيعها بحقِّها فله علىَّ عهد أن أدخله الجنَّة، ومن لم يصلِّها لوقتها ولم يحافظ عليها وضيَّعها استخفافًا بحقها فلا عهد له، إن شئت عذَّبته وإن شئت غفرت له
انتهى إلينا فقال ما يجلسكم ههنا؟ قلنا يا رسول الله ننتظر الصَّلاة، قال فأرَّم قليلًا ثمَّ رفع رأسه فقال أتدرون ما يقول ربُّكم عزَّ وجلَّ؟ قال قلنا الله ورسوله أعلم، قال فإنَّ ربَّكم عزَّ وجلَّ يقول، من صلَّى الصَّلاة لوقتها وحافظ عليها ولم يضيعها بحقِّها فله علىَّ عهد أن أدخله الجنَّة، ومن لم يصلِّها لوقتها ولم يحافظ عليها وضيَّعها استخفافًا بحقها فلا عهد له، إن شئت عذَّبته وإن شئت غفرت له
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭৪) আবুল ইয়াসার আল আনসারী কা'ব ইবন্ আমর (রা) থেকে বর্ণিত, (তিনি রাসূলুল্লাহর সাহাবী) রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ পরিপূর্ণভাবে নামায পড়ে। আর কেউ অর্ধেক নামায পড়ে। আর কেউ তিনভাগের একভাগ নামায পড়ে। আর কেউ এক চতুর্থাংশ নামায পড়ে। এভাবে এক দশমাংশ পর্যন্ত বলেছেন।
(নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। মুনযিরী বলেন, এর সনদ হাসান পর্যায়ের।)
(নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। মুনযিরী বলেন, এর সনদ হাসান পর্যায়ের।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(74) عن أبى اليسر الأنصارى كعب بن عمرو (رضى الله عنه) صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال منكم من يصلِّى الصَّلاة كاملةً ومنكم من يصلِّى النِّصف والثُّلث والربع حتى بلغ العشر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭৫) নাওফেল ইবন্ মু'আবিয়া (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি যথাসময়ে নামায পড়লো না সে যেন তার আত্মীয়স্বজন ও ধনসম্পদ হারালো।
(ইবন্ হিব্বান ও আবদুর রাজ্জাক কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(ইবন্ হিব্বান ও আবদুর রাজ্জাক কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(75) عن نوفل بن معاوية رضي الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال من فاتته
الصَّلاة فكأنَّما وتر أهله وماله
الصَّلاة فكأنَّما وتر أهله وماله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনকারী ও সময়ের পরে আদায়কারীকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭৬) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (ﷺ) জীবনে দু'বারও শেষ ওয়াক্তে নামায পড়েন নি। আল্লাহ তা'আলা তাঁকে এ জগত থেকে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।
(তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হাদীসটি গরীব বা দুর্বল এর সনদ মুত্তাসিল নয়।)
(তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হাদীসটি গরীব বা দুর্বল এর সনদ মুত্তাসিল নয়।)
كتاب الصلاة
(9) باب فى وعيد من تهاون بأمر الصلاة أو أخرها عن وقتها
(76) عن عائشة رضى الله عنها أنَّها قالت ما صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّلاة لوقتها الآخر مرَّتين حتَّى قبضه الله عزَّ وجلَّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) যে ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা মাতাল হয়ে নামায ত্যাগ করল তাকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭৭) উন্মু আইমান (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে নামায তরক করো না। কারণ যে ইচ্ছাকৃতভাবে নামায তরক করে তার প্রতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দায়িত্ব থাকে না।
(হাদীসটি মুনযিরী উল্লেখ করে বলেন, আহমদ ও বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে মাকহুল উম্মে আইমান হতে শুনেননি।)
(হাদীসটি মুনযিরী উল্লেখ করে বলেন, আহমদ ও বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে মাকহুল উম্মে আইমান হতে শুনেননি।)
كتاب الصلاة
(10) باب فى وعيد من ترك الصلاة عمدا أو سكرا
(77) عن أمِّ أيمن رضى الله عنها أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تترك الصَّلاة متعمِّدًا، فإنَّه من ترك الصَّلاة متعمِّدًا فقد برئت منه ذمَّة الله ورسوله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) যে ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা মাতাল হয়ে নামায ত্যাগ করল তাকে ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
(৭৮) আবদুল্লাহ ইবন্ আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করে বলেন, যে ব্যক্তি মাতাল হয়ে একবার নামায তরক করল সে যেন গোটা দুনিয়া ও তাতে থাকা সকল বস্তুর মালিক ছিল আর তা তার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হল। আর যে মাতাল হয়ে চার বার নামায তরক করল, আল্লাহর অধিকার রয়েছে তাকে তীনাতুল খবাল থেকে পান করাবার। জিজ্ঞাসা করা হলো, তীনাতুল খবাল কী? ইয়া রাসুলাল্লাহ। তিনি উত্তরে বললেন, জাহান্নামবাসীর শরীর থেকে নির্গত রক্ত, পুঁজ আবর্জনার সমষ্টি।
(বায়হাকী কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(বায়হাকী কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب فى وعيد من ترك الصلاة عمدا أو سكرا
(78) عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنَّه قال من ترك الصَّلاة سكرًا مرَّة واحدة فكأنَّما كانت له الدُّنيا وما عليها فسلبها، ومن ترك الصَّلاة سكرًا أربع مراتٍ كان حقًّا على الله أن يسقيه من طينة الخبال قيل وما طينة الخبال يا رسول الله؟ قال عصارة أهل جهنَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদঃ নামায তরককারীকে যারা কাফির বলেন তাদের দলীল
(৭৯) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি বান্দা ও কুফরী অথবা শিরকের মধ্যে পার্থক্যকারী জিনিস হলো নামায তরক করা।
(মুসলিম আবূ দাউদ, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত।)
(মুসলিম আবূ দাউদ, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(11) باب حجة من كفر تارك الصلاة
(79) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بين العبد وبين الكفر أو الشِّرك ترك الصَّلاة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদঃ নামায তরককারীকে যারা কাফির বলেন তাদের দলীল
(৮০) আবদুল্লাহ ইবন্ বুরাইদা থেকে, তিনি তাঁর বাবা বুরাইদা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমাদের ও মুনাফিকদের মধ্যকার চুক্তি হল নামায। যে নামায তরক করলো সে কুফরী করল।
(চার সুনান গ্রন্থ। ইবন্ হিব্বান, হাকিম কর্তৃক বর্ণিত। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ্। নাসাঈ ও ইরাকী হাদীসটিকে সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
(চার সুনান গ্রন্থ। ইবন্ হিব্বান, হাকিম কর্তৃক বর্ণিত। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ্। নাসাঈ ও ইরাকী হাদীসটিকে সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(11) باب حجة من كفر تارك الصلاة
(80) عن عبد الله بن بريدة عن أبيه رضى الله عنه قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول العهد الذَّي بيننا وبينهم الصَّلاة فمن تركها فقد كفر
তাহকীক: