মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদঃ নামায তরককারীকে যারা কাফির বলেন তাদের দলীল
(৮১) আবদুল্লাহ ইবন্ আমর ইবনুল 'আস (রা) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি একদিন নামাযের কথা আলোচনা করলেন। তখন তাঁকে বললেন, যে ব্যক্তি নামাযের হিফাযত করবে সে নামায তার জন্য কিয়ামত দিবসে নূর, দলীল এবং মুক্তির উপায় হবে। আর যে তার হিফাযত করবে না, তার জন্য তা নূর, দলীল ও মুক্তির উপায় হবে না। সে কিয়ামত দিবসে কারুন, ফিরাউন, হামান ও উবাই ইবন্ খালাফের সাথে থাকবে।
(তবারানী ও দারিমী কর্তৃক বর্ণিত। হাইসামী বলেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(11) باب حجة من كفر تارك الصلاة
(81) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه اذكر الصَّلاة يومًا فقال له، من حافظ عليها كانت له نورًا وبرهانًا ونجاةً يوم القيامة، ومن لم يحافظ عليها لم يكن له نورٌ ولا برهانٌ ولا نجاةٌ وكان يوم القيامة مع قارون وفرعون وهامان وأبيِّ بن خلفٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদ: যারা নামায তরককারীকে কাফির মনে করে না এবং তাদের জন্য কবীরাহ গুনাহকারীদের মত শাস্তি বা ক্ষমার আশা করেন তাদের দলিল
(৮২) উবাদা ইবন্ সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তাঁর মুখ থেকে আমার মুখে (অর্থাৎ সরাসরি আমি তার কাছ থেকে শুনেছি) আমি বলছি না আমাকে অমুক বলেছেন; আর না বলছি অমুক বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে ঐসব নামায নিয়ে সাক্ষাৎ করবে তাঁর কিছুই নষ্ট না করে, সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, তখন আল্লাহর কাছে তার জন্য প্রতিশ্রুতি থাকবে। সে সেই প্রতিশ্রুতির কারণে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে নামাযের প্রতি অবহেলাবশত নামাযের কিছু ত্রুটি নিয়ে সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে এমন অবস্থায় আল্লাহর সাক্ষাত পাবে যে, তার জন্য কোন প্রতিশ্রুতি থাকবে না। আল্লাহর ইচ্ছা হয় তাকে শাস্তি দিবেন, আর ইচ্ছা হয় তাকে ক্ষমা করে দিবেন।
(মালিক, নাসাঈ, ইব্‌ন মাজাহ, ইবন্ হিব্বান ও ইবনুস সাকান কর্তৃক বর্ণিত। ইবন্ আব্দুল বার বলেন, হাদীসটি সহীহ ও প্রমাণিত।)
كتاب الصلاة
(12) باب حجة من لم يكفر تارك الصلاة ورجا له ما يرجى لاهل الكبائر
(82) عن عبادة بن الصامت رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من فيه إلى فىَّ، لا أقول حدَّثنى فلانٌ ولا فلانٌ، خمس صلواتٍ أفترضهنَّ الله على عباده فمن لقيه بهنَّ لم يضيِّع منهنَّ شيئًا لقيه وله عنده عهدٌ يدخله به
الجنَّة، ومن لقيه وقد انتقص منهنَّ شيئًا استخفافًا بحقِّهنَّ لقيه ولا عهد له، إن شاء عذَّبه وإن شاء غفر له
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) পরিচ্ছেদঃ নামায যে সব পর্যায় অতিক্রম করেছে সে প্রসঙ্গে
(৮৩) আবদুর রহমান ইবন্ আবু লাইলা থেকে বর্ণিত, তিনি মু'আয ইবন্ জাবাল (রা) থেকে বর্ণনা করেন, যে তিনি বলেন, নামায তিনটি পর্যায় অতিক্রম করেছে। আর রোযাও তিনটি পর্যায় অতিক্রম করেছে। নামাযের অবস্থাগুলো হল- নবী (ﷺ) মদীনায় এসে সতের মাস পর্যন্ত বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে অভিমুখী হয়ে নামায পড়েছিলেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা তাঁর উপর অবতীর্ণ করলেন,

{قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا كُنْتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ} [البقرة: 144]

(আকাশের দিকে তোমার বার বার তাকানো সে আমি অবশ্য লক্ষ্য করি। সুতরাং তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিতে চাই যা তুমি পছন্দ কর। অতএব, তুমি মসজিদে হারামের দিকে মুখ ফিরাও। তোমরা যেখানেই থাক না কেন সেদিকেই মুখ ফিরাও।) (সূরা বাকারা: ১৪৪)
তিনি বলেন, আল্লাহ এভাবেই মক্কার দিকে তাঁর মুখ ফিরালেন। এটা এক পর্যায় অবস্থা।
তিনি বলেন, লোকেরা নামাযের জন্য (প্রথমাবস্থায়) একে অপরকে ডেকে একত্রিত হত। পরিশেষে তারা ঘণ্টা বাজালেন বা বাজাবার উপক্রম হল। তিনি বলেন, অতঃপর এক আনসারী লোক -তাঁর নাম আবদুল্লাহ ইবন্ যায়েদ- রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আসলেন। তারপর বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমি এক স্বপ্ন দেখলাম যেমন অন্যরা দেখেন। এ স্বপ্নের ব্যাপারে যদি বলি আমি ঘুমানো ছিলাম না তাহলেও সত্যি বলা হবে। আমি যখন ঘুম ও চেতনার মধ্যে ছিলাম তখন দেখলাম যে, এক লোক দু'টি সবুজ কাপড় পরে কিবলার দিকে অভিমুখী হয়ে বলতে লাগল, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। দু'বার করে বললেন। এভাবেই আযান শেষ করলেন। তারপর কিছুক্ষণ বিরত রইলেন। তিনি বলেন, তারপর যেরূপ বলছিলেন সেরূপ আবার বললেন, তবে এবার অতিরিক্ত বললেন, কাদ কামাতিস্ সালাত, কাদ কামাতিস্ সালাত।
তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তা বিলাল (রা)-কে শিখিয়ে দাও, সে যেন এর দ্বারা আযান দেয়। বিলাল এর দ্বারা প্রথম আযান দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, তারপর উমর ইবন্ খাত্তাব (রা) আসলেন, এসেই বললেন। ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আমার কাছেও পরিভ্রমণ করেছে লোকটি যেরূপ তার কাছে পরিভ্রমণ করেছে। তবে এ ব্যাপারে সে আমার আগে এসে জানিয়েছে। এটা ছিল দ্বিতীয় পর্যায়।
তিনি বলেন, লোকেরা নামাযে আসত। কখনো কখনো মহানবী (ﷺ) তাঁদের আগে এসে নামায আরম্ভ করতেন। তিনি বলেন, তখন কোন লোক নতুন আসলে অন্যকে ইশারা করে জিজ্ঞাসা করতো কয় রাক'আত পড়েছেন? সে উত্তরে বলত এক রাক'আত বা দু'রাক'আত তখন লোকটি সে নামায পড়ে নিত। তারপর লোকদের সাথে তাদের জামাতে শরীক হত। তিনি বলেন, একবার মু'আয (রা) এসে বললেন, আমি তাঁকে যে অবস্থায়ই পাই না কেন, সেই অবস্থাতেই নামাযে শরীক হব। এরপর তিনি আগে যে কয় রাক'আত পড়েছেন তা শেষে কাযা করব। তিনি বলেন, তিনি (মু'আয) আসলেন তখন দেখা গেল, মহানবী (ﷺ) আগেই কিছু নামায পড়ে ফেলেছেন। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় (মু'আয রা) মহানবীর সাথে শরীক হলেন। যখন নবী (ﷺ) তাঁর নামায শেষ করলেন তখন তিনি দাঁড়িয়ে তাঁর বাকি নামায কাযা করলেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, মু'আয তোমাদের জন্য এক নতুন নিয়ম জারী করেছেন। তোমরাও অনুরূপ করো। এগুলো হলো নামাযের তিন অবস্থা। আর রোযার অবস্থা সম্বন্ধে (বাকি হাদীসে উল্লেখ করেছেন।)
(আবু দাউদ, দারাকুতনী, ইবন্ খোযাইমা, বাইহাকী, নাসাঈ ও তাহাবী কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(13) باب ما جاء فى الأحوال التى عرضت للصلاة
(83) عن عبد الرَّحمن بن أبى ليلى عن معاذ بن جبلٍ رضى الله عنه قال أحيلت الصَّلاة ثلاثة أحوالٍ، وأحيل الصِّيام ثلاثة أحوال، فأمَّا أحوال الصَّلاة فإنَّ النَّبى صلى الله عليه وسلم قدم المدينة وهو يصلِّى سبعة عشر شهرًا إلى بيت المقدس، ثمَّ إنَّ الله أنزل عليه (قد نرى تقلب وجهك في السَّماء فلنولِّينَّك قبلةً ترضاها، فولِّ وجهك شطر المسجد الحرام وحيث ما كنتم فولوا وجوهكم شطره) قال
فوجَّهه الله إلى مكَّة قال فهذا حولٌ
(قال) وكانوا يجتمعون للصلاة ويوذن بها بعضهم بعضًا حتَّى نقسوا أو كادوا ينقسون، قال ثمَّ إن رجلًا من الأنصار يقال له عبد الله بن زيدٍ أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنِّى رأيت فيما يرى النَّائم ولو قلت إنِّى لم أكن نائمًا لصدقت، إنِّى بينما أنا بين النَّائم واليقظان إذ رأيت شخصًا عليه ثوبان أخضر ان فاستقبل القبلة فقال الله أكبر، الله أكبر، أشهد أن لا إله إلَّا الله، أشهد أن لا إله إلاَّ الله مثنى حتَّى فرغ من الأذان ثمَّ أمهل ساعةً، قال ثمَّ قال مثل الَّذى قال غير أنَّه يزيد في ذلك قد قامت الصَّلاة قد قامت الصَّلاة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم علِّمها بلالًا فليؤذِّن بها، فكان بلالٌ أوَّل من أذَّن بها، قال وجاء عمر ابن الخطّاب فقال يا رسول الله إنَّه قد طاف بى مثل الذَّى أطاف به غير أنَّه سبقنى فهذان حولان
(قال) وكانوا يأتون الصَّلاة وقد سبقهم ببعضها النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم قال فكان الرَّجل يشير الى الرَّجل إن جاءكم صلَّى؟ فيقول واحدةً أو اثنتين فيصلِّيها ثمَّ يدخل مع القوم في صلاتهم، قال فجاء معاذ فقال لا أجده على حال أبدًا إلاَّ كنت عليها ثمَّ قضيت ما سبقنى، قال فجاء وقد سبقه النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ببعضها، قال فثبت معه فلمَّا قضي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاته قام فقضى، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّه
قد سن لكم معاذٌ فهكذا فاصنعوا، فهذه ثلاثة أحوال، وأمَّا أحوال الصيِّام (فذكر الحديث)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) পরিচ্ছেদঃ শিশুদের নামায পড়ার নির্দেশ দান এবং যাদের সম্বন্ধে কলম তুলে নেয়া হয়েছে তাদের বিষয়ে আগত হাদীস প্রসঙ্গে
(৮৪) আমর ইবন্ শু'আইব তাঁর বাবার সূত্রে দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে সাত বছর বয়স হলেই নামায পড়ার আদেশ করো। আর দশ হলে (তখন নামায না পড়লে) মার দেবে। আর তাদের বিছানা পৃথক করে দেবে।
(আবু দাউদ ও হাকিম কর্তৃক বর্ণিত। হাকিম বলেন, এ হাদীসটি সহীহ মুসলিমের শর্তে উত্তীর্ণ। তবে বুখারী, মুসলিমে বর্ণিত হয় নি। যাহাবী তাঁর এ বক্তব্য সমর্থন করেছেন।)
كتاب الصلاة
(14) باب أمر الصبيان بالصلاة وما جاء فيمن رفع عنهم القلم
(84) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مروا صبيانكم بالصَّلاة إذا بلغوا سبعًا واضربوهم عليها إذا بلغوا عشرًا وفرِّقوا بينهم فى المضاجع
হাদীস নং: ৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) পরিচ্ছেদঃ শিশুদের নামায পড়ার নির্দেশ দান এবং যাদের সম্বন্ধে কলম তুলে নেয়া হয়েছে তাদের বিষয়ে আগত হাদীস প্রসঙ্গে
(৮৫) আব্দুল মালিক ইবনে রাবী ইবন্ সাবরা আল হাসানী তাঁর বাবার সূত্রে দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন শিশুর বয়স সাত হবে তখন তাকে নামায পড়ার জন্য আদেশ করা হবে। আর যখন দশ হবে তখন (না পড়লে) সে জন্য মার দেয়া হবে।
(দারাকুতনী, তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।)
كتاب الصلاة
(14) باب أمر الصبيان بالصلاة وما جاء فيمن رفع عنهم القلم
(85) عن عبد الملك بن الربيع بن سبرة الجهنيِّ عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بلغ الغلام سبع سنين أمر بالصَّلاة، فإذا بلغ عشرًا ضرب عليها
হাদীস নং: ৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) পরিচ্ছেদঃ শিশুদের নামায পড়ার নির্দেশ দান এবং যাদের সম্বন্ধে কলম তুলে নেয়া হয়েছে তাদের বিষয়ে আগত হাদীস প্রসঙ্গে
(৮৬) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। তিন প্রকারের মানুষ থেকে কলম তুলে নেয়া হয়েছে। (তাদের গুনাহ লিখা হয় না।) শিশুদের উপর থেকে বালেগ না হওয়া পর্যন্ত। আর ঘুমন্ত থেকে, ঘুম হতে না উঠা পর্যন্ত। আর পাগল থেকে, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত।)
(নাসাঈ, দারাকুতনী, ইবন্ খুযাইমা, তিরমিযী, হাকিম কর্তৃক বর্ণিত। হাকিম বলেন, এ.হাদীসটি সহীহ বুখারীর শর্তে উত্তীর্ণ। যাহাবীও তাঁর বক্তব্য সমর্থন করেন।)
كتاب الصلاة
(14) باب أمر الصبيان بالصلاة وما جاء فيمن رفع عنهم القلم
(86) عن علي رضى الله عنه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول رفع القلم عن ثلاثة، عن الصَّغير حتَّى يبلغ، وعن النَّائم حتِّى يستيقظ، وعن المصاب حتَّى يكشف عنه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) পরিচ্ছেদঃ শিশুদের নামায পড়ার নির্দেশ দান এবং যাদের সম্বন্ধে কলম তুলে নেয়া হয়েছে তাদের বিষয়ে আগত হাদীস প্রসঙ্গে
(৮৭) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন তিন প্রকারের মানুষ থেকে (আমল নামা লিখার) কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। ঘুমন্ত ব্যক্তি ঘুম থেকে না উঠা পর্যন্ত। শিশু বালিগ না হওয়া পর্যন্ত। আর পাগল (অপর এক বর্ণনায় আছে এবং নির্বোধ) থেকে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত। বোধ শক্তি ফিরে না আসা পর্যন্ত।
(তাঁর থেকে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে) যে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তিন প্রকারের মানুষ থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। ১. ঘুমন্ত ব্যক্তি থেকে, জাগ্রত না হওয়া পর্যন্ত। ২. পাগল থেকে, বোধ ফিরে না আসা পর্যন্ত। ৩. শিশু থেকে, বুদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত।
(হাকিম কর্তৃক মুস্তাদরাকে বর্ণিত। তিনি হাদীসটি বুখারী মুসলিমের শর্তে উত্তীর্ণ বলে মন্তব্য করেন। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান পর্যায়ের।)
كتاب الصلاة
(14) باب أمر الصبيان بالصلاة وما جاء فيمن رفع عنهم القلم
(87) عن عائشة رضى الله عنها عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال رفع القلم عن ثلاثٍ، عن النَّائم حتَّى يستيقظ، وعن الصبيِّ حتى يحتلم، وعن المجنون (وفى رواية وعن المعتوه) حتَّى يعقل (وعنها مت طريق آخر) أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال رفع القلم عن ثلاثةٍ، عن النَّائم حتَّى يستيقظ، وعن المبتلى حتَّى يبرأ، وعن الصَّبيِّ حتَّى يعقل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের সময় সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৮৮) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, জিব্রাঈল (আ) আমার ইমামতী করেন বাইতুল্লাহর পাশে। (অপর বর্ণনায় আছে দু'বার বাইতুল্লাহর পাশে।) তখন তিনি সূর্য অল্পপরিমাণ পশ্চিম দিকে ঢলে গেলে আমাকে নিয়ে জোহরের নামায পড়েন। (অপর বর্ণনায় আছে, যখন ছায়া জুতার ফিতা পরিমাণ হল) অতঃপর আমাকে নিয়ে আসরের নামায পড়লেন যখন সবকিছুর ছায়া তার সমপরিমাণ হল। অতঃপর আমাকে নিয়ে মাগরিবের নামায পড়লেন যখন রোযাদাররা ইফতার করলেন। তারপর আমাকে নিয়ে ইশা'র নামায পড়লেন যখন পশ্চিমাকাশের লালিমা শুভ্রতা তিরোহিত হয়ে গেল। তারপর আমাকে নিয়ে ফজরের নামায পড়লেন, যখন রোযাদার জন্য পানাহার করা হারাম হবার সময় হল। অতঃপর পরের দিন জোহরের নামায পড়লেন যখন সবকিছুর ছায়া তার সমপরিমাণ হল। অতঃপর আমাকে নিয়ে আসরের নামায পড়লেন, যখন সবকিছুর ছায়া তার দ্বিগুণ হল। তারপর আমাকে নিয়ে মাগরিবের নামায পড়লেন যখন রোযাদারদের ইফতারের সময় হল। অতঃপর আমাকে নিয়ে ইশা'র নামায পড়লেন রাত্রের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হলে। অতঃপর আমাকে নিয়ে ফজরের নামায পড়লেন সুস্পষ্টভাবে দিনের আলো উদ্ভাসিত হবার পর। তারপর আমার দিকে ফিরে বললেন, হে মুহাম্মদ এ হলো তোমার পূর্বের নবীদের (সালাতের) সময়। (অপর বর্ণনায় আছে, এ হলো তোমার ও তোমার পূর্বের নবীদের নামাযের সময়।) নামাযের সময় (হল আমার দেখিয়ে দেয়া) এতদুভয় সময়ের মধ্যে।
(বাইহাকী, ইবন্ হিব্বান, ইবন্ খুযাইমা, আবদুর রাজ্জাক ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিরমিযী হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন। আর হাকিম, ইবনুল আরবী ও ইবন্ আবদুল বার সহীহ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
أبواب مواقيت الصلاة

(1) باب جامع الأوقات
(88) عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمَّنى جبريل عند البيت (وفي رواية مرَّتين عند البيت) فصلَّى بى الظهر حين زالت الشَّمس فكانت بقدر الشِّراك (وفي روايةٍ حين كان الفيء بقدر
الشِّراك) ثمَّ صلَّى بى العصر حين صار ظل كلِّ شيءٍ مثله، ثمَّ صلَّى بى المغرب حين أفطر الصَّائم ثمَّ صلَّى بى العشاء حين غاب الشَّفق ثمَّ صلَّى بى الفجر حين حرم الطَّعام والشَّراب على الصَّائم ثمَّ صلَّى الغد الظُّهر حين كان ظلُّ كلِّ شيءٍ مثله ثمَّ صلَّى بى العصر حين صار ظلُّ كلِّ شيءٍ مثليه، ثمَ صلَّى بى المغرب حين أفطر الصَّائم ثمَّ صلَّى بى العشاء إلى ثلث اللَّيل الأوَّل، ثمَّ صلَّى بى الفجر فأسفر ثمَّ التفت إلىَّ فقال يا محمَّد هذا وقت الأنبياء من قبلك (وفى روايةٍ هذا وقتك ووقت النَّبيِّن قبلك) الوقت فيما بين هذين الوقتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৮৯) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনিও নবী (ﷺ) থেকে এ অর্থে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। সে হাদীসে আরও আছে। আর সকালের নামায পড়লেন যখন সূর্য প্রায় উদয় হতে যাচ্ছিল। অতঃপর বললেন, নামায পড়তে হবে এতদুভয়ের মধ্যে।
(তাহাবী-এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন। তবে পূর্ববর্তী হাদিসটি এই হাদীসটিকে শক্তিশালী করে)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(89) عن أبي سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم بمعناه وفيه وصلَّى الصُّبح حين كادت الشَّمس تطلع، ثمَّ قال الصَّلاة فيما بين هذين الوقتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯০) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ)-এর কাছে জিব্রাঈল আসলেন তারপর বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি সূর্য (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়ার পর জোহরের নামায পড়লেন। আবার আসরের সময় আসলেন। এসেই বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি আসরের নামায পড়লেন যখন সকল জিনিসের ছায়া তার সমপরিমাণ হল। অথবা বললেন, যখন তার ছায়া তার অনুরূপ হল। অতঃপর মাগরিবের সময় তার কাছে আবার আসলেন। এসে বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি মাগরিবের নামায পড়লেন যখন সূর্য অস্ত গেল। অতঃপর ইশার সময় আসলেন এবং বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি ইশার নামায পড়লেন, যখন পশ্চিমের লালিমা দূরীভূত হল। অতঃপর ফজরের সময় তার কাছে আবার আসলেন। এসে বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি ফজরের নামায পড়লেন যখন মাত্র ভোর হল। অতঃপর পরের দিন যোহরের সময় তার কাছে আবার আসলেন। এসে বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি যোহরের নামায পড়লেন যখন সবকিছুর ছায়া তার সমপরিমাণ হল। অতঃপর আসরের সময় তার কাছে আবার আসলেন। এসে বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি আসরের নামায পড়লেন যখন সবকিছুর ছায়া তার দ্বিগুণ হল। অতঃপর মাগরিবের সময় তাঁর কাছে আবার আসলেন যখন সূর্য অস্ত গেল, আগের দিনের একই সময়ে, এদিক সেদিক হলো না। অতঃপর তাঁর কাছে ইশা'র সময় আবার আসলেন যখন অর্ধরাত চলে গেল অথবা বললেন, যখন রাতের এক তৃতীয়াংশ চলে গেল। তখন তিনি ইশার নামায পড়লেন। অতঃপর তাঁর কাছে ফজরের সময় আবার আসলেন যখন খুব ফর্সা হল। এসে বললেন, উঠো নামায পড়ে নাও। তখন তিনি নামায পড়ে নিলেন। তারপর বললেন, এতদুভয়ের মধ্যেই নামাযের সময়।
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(90) عن جابر بن عبد الله (رضى الله عنهما) وهو الأنصاريُّ أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم جاءه جبريل فقال قم فصلِّه فصلَّى الظُّهر حين زالت الشمس، ثمَّ جاءه العصر فقال قم فصلِّه، فصلَّى العصر حين صار ظلُّ كلِّ شيءٍ مثله، أو قال صار ظلُّه مثله، ثمَّ جاءه المغرب فقال قم فصلِّه، فصلَّى حين وجبت الشَّمس ثمَّ جاءه العشاء فقال قم فصلِّه، فصلَّى حين غاب الشَّفق، ثمَّ جاءه الفجر فقال قم فصلِّه فصلَّى حين برق الفجر أو قال حين سطع الفجر، ثمَّ جاءه من الغد للظُّهر فقال قم فصلِّه، فصلَّى الظُّهر حين صار ظلُّ كلِّ شيءٍ مثله، ثمَّ جاءه للعصر فقال قم فصلِّه، فصلَّى العصر حين صار ظلُّ كلِّ مثليه، ثم جاءه للمغرب حين غابت الشَّمس وقتًا واحدًا لم يزل عنه، ثمَّ جاءه للعشاء حين ذهب نصف الليل أو قال ثلث الليل فصلَّى العشاء، ثمَّ جاءه للفجر حين أسفر جدًّا فقال قم فصلِّه فصلَّى الفجر، ثمَّ قال ما بين هذين وقتٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯১) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জোহরের ওয়াক্ত হল, যখন সূর্য ঢলে গিয়ে কারো ছায়া তার দৈর্ঘের সমপরিমাণ হয়। এ ওয়াক্ত থেকে আসরের ওয়াক্ত না আসা পর্যন্ত। আর আসরের ওয়াক্ত হল (জোহরের পর থেকে) সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। আর মাগরিবের নামাযের ওয়াক্ত হল পশ্চিমের লালিমা দূরীভূত না হওয়া পর্যন্ত। আর ইশা'র নামাযের ওয়াক্ত হল মধ্যরাত পর্যন্ত। আর সকালের নামাযের ওয়াক্ত হল, ফজর হওয়ার পর থেকে সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত। যখন সূর্য উদয় হবে তখন নামায পড়া থেকে বিরত থাকবে। কারণ তা শয়তানের দু' শিং এর মধ্যেই উদয় হয়।
(নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ হিব্বান ও হাকিম। তিরমিযী বুখারীর উক্তি নকল করে বলেন, এতদসংক্রান্ত হাদীসের মধ্যে এ হাদীসটি উত্তম।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(91) عن عبد الله بن عمرو (بن العاص) رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وقت الظهر إذا زالت الشَّمس وكان ظل الرَّجل كطوله ما لم يحضر العصر، ووقت العصر ما لم تصفرَّ الشَّمس، ووقت صلاة المغرب ما لم يغرب الشَّفق، ووقت صلاة العشاء إلى نصف اللَّيل إلا وسط. ووقت صلاة الصُّبح من طلوع الفجر ما لم تطلع الشَّمس، فإذا طلعت الشَّمس فأمسك عن الصلاة فإنَّها تطلع بين قرنى شيطانٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯২) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, নামাযের জন্য প্রথম ও শেষ ওয়াক্ত রয়েছে। জোহর নামাযের প্রথম ওয়াক্ত হল যখন সূর্য ঢলে পড়বে। আর শেষ ওয়াক্ত হল যখন আসরের নামাযের সময় আসবে তখন পর্যন্ত। আর আসর নামাযের প্রথম ওয়াক্ত হল যখন তা প্রবেশ করে তখন, আর তার শেষ ওয়াক্ত হল যখন সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করে তখন পর্যন্ত। আর মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত হল যখন সূর্য অস্ত যায় তখন, আর তার শেষ ওয়াক্ত হল পশ্চিমের লালিমা দূরীভূত হওয়া পর্যন্ত। আর ইশার প্রথম ওয়াক্ত হল, লালিমা দূরীভূত হওয়ার পর থেকে, আর তার শেষ ওয়াক্ত হল মধ্য রাত পর্যন্ত। আর ফজরের প্রথম ওয়াক্ত হল, যখন প্রভাত উদিত হয় আর তার শেষ ওয়াক্ত হল সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত।
( মুসলিম, নাসাঈ, আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(92) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ للصَّلاة أوَّلًا وآخرًا، وإنَّ أوَّل وقت الظُّهر حين تزول الشَّمس، وإنَّ آخر وقتها حين يدخل وقت العصر، وإنَّ أوَّل وقت العصر حين يدخل وقتها، وإنَّ آخر وقتها حين تصفرُّ الشَّمس، وإنَّ أوَّل وقت المغرب حين تغرب الشَّمس، وإنَّ آخر وقتها حين يغيب الأفق وإنَّ أوَّل وقت العشاء الآخرة حين يغيب الأفق، وإنَّ آخر وقتها حين ينتصف اللَّيل، وإنَّ أوَّل وقت الفجر حين يطلع الفجر،
وإنَّ آخر وقتها حين تطلع الشَّمس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৩) আনাস ইবন্ মালিক (রা)-এর আযাদকৃত গোলাম আবু সাদাকাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে রাসূলুল্লাহর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন উত্তরে বলেছিলেন, রাসূল (ﷺ) সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার পর জোহরের নামায পড়তেন। আর আসরের নামায পড়তেন তোমাদের এতদুভয় নামাযের (যোহর ও মাগরিবের) নামাযের মধ্যে। আর মাগরিবের নামায পড়তেন যখন সূর্য অস্ত যেত। আর ইশার নামায পড়তেন যখন (পশ্চিমের) লালিমা দূরীভূত হয়ে যেত। আর সকালের নামায পড়তেন প্রভাত হবার পর থেকে চোখে স্পষ্ট দেখা যাওয়া পর্যন্ত।
(তিরমিযী, নাসাঈ, হাকিম বর্ণিত। হাকিম বলেন, হাদীসটির সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(93) عن أبى صدقة مرلى أنس بن مالك رضي الله عنه قال سألت أنسًا عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يصلِّى الظُّهر إذا زالت الشَّمس، والعصر بين صلاتيكم هاتين والمغرب إذا غربت الشَّمس، والعشاء إذا غاب الشَّفق، والصُّبح إذا طلع الفجر إلى أن ينفسخ البصر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৪) জাবির ইবন্ আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যোহরের ওয়াক্ত হল তার নাম বা শব্দার্থের মত (অর্থাৎ মধ্য দুপর)। আর আসরের ওয়াক্ত হল সূর্য যখন উজ্জ্বল ও জীবন্ত। আর মাগরিবের ওয়াক্ত হল, তার নামের মত (অর্থাৎ সূর্যাস্তের পরেই)। আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে মাগরিবের নামায পড়ে আমরা আমাদের বাড়ি ফিরতাম যা কিনা প্রায় এক মাইল দূরে। তখনও তীর-এর লক্ষ্যস্থল দেখতে পেতাম। আর তিনি ইশা'র নামায দ্রুত পড়তেন আর ফজরের নামায দেরী করে পড়তেন তাঁর নামের মত করে (অর্থাৎ উজ্জ্বলতা)। আর কখনো তা প্রথম প্রভাতের আঁধার থাকতেই পড়তেন।
(আল্লামা আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান বলেন, এ হাদীসটি আমি অন্য কোথাও পাই নি। তার সনদ হাসান পর্যায়ের।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(94) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال الظُّهر كاسمها (3) والعصر بيضاء حية والمغرب كاسمها وكنا نصلِّى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم المغرب ثمَّ نأتى منازلنا وهى على قدر ميل فنرى مواقع النَّبل، وكان يعجِّل العشاء ويؤخر الفجر كاسمها وكان يغلِّس بها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৫) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জোহরের নামায পড়তেন ভর দুপুরে প্রচণ্ড গরমের সময়। আর আসরের নামায পড়তেন যখন সূর্য অতি উজ্জ্বল। আর মাগরিবের নামায পড়তেন যখন সূর্য অস্ত যেত। আর ইশার নামায কখনো দেরী করে আবার কখনো আগে আগে পড়তেন। যখন দেখতেন যে, মুসল্লিরা জমায়েত হয়েছে তখন আগে পড়ে নিতেন। আর যখন দেখতেন যে, লোকেরা বিলম্ব করছেন তখন দেরী করে পড়তেন। আর সকালের নামায আলো আঁধারীতে পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(95) وعنه أيضًا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلى الظُّهر بالهاجرة والعصر والشَّمس نقية والمغرب إذا وجبت والعشاء أحيانًا يؤخِّرها وأحيانًا يعجِّل، وكان إذا رآهم قد اجتمعوا عجَّل، وإذا رآهم قد أبطئوا أخَّر، والصبح كان يصلّيها بغلس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৬) আবুল মিনহাল (সাইয়্যার ইবন্ সালামা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার বাবার সাথে আবূ বারযা আল আস্লামীর (রা)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তখন আমার বাবা তাঁকে বললেন, মহানবী (ﷺ) ফরয নামাযগুলো কিভাবে পড়তেন সে ব্যাপারে আমাদের বলুন। তিনি বলেন জোহরের নামায -যাকে তোমরা প্রথম নামায বল- পড়তেন সূর্য যখন (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়ত। আর আসরের নামায পড়তেন এমন সময় যে, আমাদের কেউ নামাযান্তে তার মদীনার প্রান্তরে আবাসস্থানে ফিরে আসত সূর্য তখনও জাগ্রত। তিনি বলেন, মাগরিব সম্বন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গেছি। আর তিনি ইশার নামায বিলম্বে পড়তে ভালবাসেন। তার আগে ঘুমিয়ে পড়া অপছন্দ করতেন। আর নামায শেষে গল্প গুজব করাও অপছন্দ করতেন। আর সকালের নামায শেষ করতেন এমন সময় যখন আমাদের একজন তার পাশের সাথীকে চিনতে পারত। তিনি তাতে (ফজরের নামাযে) যাট থেকে একশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন।
(অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) সাইয়্যার ইবন্ সালাম থেকে তিনি বলেন, আমি এবং আমার বাবা আবূ বারযা (রা)-এর কাছে গেলাম এবং তাঁকে রাসূল (ﷺ)-এর নামাযের সময় সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেন, তিনি জোহরের নামায পড়তেন সূর্য (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়লে। আর আসর-এর নামায পড়তেন এমন সময় যে, নামায পড়ে লোক মদীনার শেষ প্রান্ত পৌঁছতে পারত তখনও সূর্যের আলো উজ্জীবিত। আর মাগরিবের ওয়াক্তের কথা আমি ভুলে গেছি। আর ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতে দ্বিধাবোধ করতেন না। তিনি ইশার নামায পড়ার আগে ঘুমানো পছন্দ করতেন না। আর না নামায শেষে গল্প গুজব করা পছন্দ করতেন। আর সকালের নামায পড়তেন এমন সময় যে নামায শেষে লোকেরা ফিরে যাবার সময় তাদের সাথীদের চিনতে পারতো। তাতে তিনি যাট থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন।
সাইয়‍্যার (রাবী) বলেন, আমি জানি না তা কি এক রাক'আতে পড়তেন না উভয় রাকা'আতে পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(96) عن أبي المنهال (سياربن سلامة) قال انطلقت مع أبى إلى أبى يرزة الاسلميِّ رضى الله عنه فقال له أبى حدِّسنا كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى المكتوبة، قال كان يصلِّى الهجير وهى التي تدعونها الأولى حين تدحض الشَّمس، ويصلِّى العصر ويرجع أحدنا إلى رحله بالمدينة والشَّمس حيَّةٌ قال ونسيت ما قال فى المغرب، وكان يستحب أن يؤخِّر العشاء وكان يكره
النَّوم قبلها والحديث بعدها وكان ينفصل من صلاة الغداة حين يعرف أحدنا جليسه، وكمان يقرأ بالسِّتِّين إلى المائة
(ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا حجَّاج ثنا شعبة عن سيَّار بن سلامة قال دخلت أنا وأبي على أبى برزة فسألناه عن وقت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يصلِّى الظُّهر حين تزول الشَّمس، والعصر يرجع الرَّجل إلى أقصى المدينة والشَّمس حيَّةٌ، والمغرب قال سيَّارٌ نسيتها، والعشاء لا يبالى بعض تأخيرها إلى ثلث اللَّيل، وكان لا يحبُّ النَّوم قبلها ولا الحديث بعدها، وكان يصلِّى الصُّبح فينصرف الرَّجل فيعرف وجه جليسه، وكان يقرأ ما بين السِّتِّين إلى المائة قال سيَّاٌ لا أدري في إحدى الرَّكعتين أو فى كلتيهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৭) যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা উমর ইবন্ আব্দুল আযীযের সাথে ছিলাম তখন তিনি একবার আসরের নামায দেরী করে পড়েন। তখন ওরওয়া ইবন্ যোবাইর তাকে বলেন, আমাকে বাশীর ইবন মাসউদ আল আনসারী বলেছেন যে, মুগীরা ইবন শুবা একবার আসরের নামায বিলম্ব করলেন, তখন তাঁকে আবূ মাসউদ বলেন, আপনি অবশ্যই জানেন যে, জিব্রাইল এসে নামায পড়লেন, রাসূল (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীরাও তাঁর সাথে নামায পড়লেন। পরের দিন আবার আসলেন এবং নামায পড়লেন, রাসূল (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীরাও তাঁর সাথে নামায পড়লেন। এভাবেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়লেন, (অপর এক বর্ণনায় আরও অতিরিক্ত বলা হয়েছে, অতঃপর বলেন, আমাকে এভাবেই নামায পড়তে বলা হয়েছে।)
তখন তাঁকে উমর ইবন্ আব্দুল আযীয বললেন, উরওয়া কি বলছেন ভেবে দেখুন, জিব্রাঈল কি নামাযের (সময়ের) বিধান প্রবর্তন করেছেন? উরওয়া বলেন, আমাকে তো বাশীর ইবন্ আবু মাসউদ তাই বলেছেন, তখন থেকেই আমৃত্যু উমর নামাযের ওয়াক্ত চিহ্নিত করতে চিহ্ন দিয়ে রাখতেন (কখনই আর দেরী করে নামায পড়েন নি।)
(বুখারী, মুসলিম, মালিক, আবূ দাউদ, নাসাঈ, বায়হাকী ও দারাকুতনী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(97) عن الزهريِ قل كنَّا مع عمر بن عبد العزيز فأخَّر صلاة العصر مرَّة فقال له عروة بن الزُّبير حدَّثنى بشير بن أبى مسعود الأنصارىُّ أنَّ المغيرة بن شعبة أخَّر الصَّلاة مرَّةً يعنى العصر فقال له أبو مسعود أما والله لقد علمت أنَّ جبريل عليه السَّلام نزل فصلىَّ وصلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم وصلَّى النَّاس معه ثمَّ نزل فصلَّى وصلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم وصلى النَّاس معه حتَّى عدَّ خمس صلواتٍ (زاد فى روايةٍ ثمَّ قال بهذا أمرت) فقال له عمر انظر ما تقول يا عروة، أو إنَّ جبريل هو الذَّى سنَّ الصَّلاة؟ قال عروة كذلك حدَّثنى بشير بن أبى مسعودٍ، فمال زال عمر يتعلَّم وقت الصَّلاة بعلامةٍ حتَّى فارق الدُّنيا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৮) আবু বকর ইবন্ আবূ মূসা আল্ আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতার সূত্রে মহানবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এক লোক এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন নামাযের সময় সম্বন্ধে। তখন তিনি কোন উত্তর দেন নি। কিন্তু বেলালকে নির্দেশ দিলেন তখন তিনি (বেলাল) প্রভাতের উন্মেষের সময়ে ফজরের নামাযের একামত বললেন, তখনও লোকেরা একে অপরকে চিনতে পারছে না। অতঃপর তাঁকে আবার নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি সূর্য ঢলে পড়ার পর জোহরের নামাযের একামত (আযান) দিলেন। তখনও লোকেরা বলাবলি করছিল মধ্য দুপুর হয়েছে-না কি হয় নাই? তিনি তাদের চেয়ে বেশী জানতেন। অতঃপর তাঁকে আবার নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি আছরের আযান দিলেন তখনও সূর্য উপর আকাশে অবস্থিত। অতঃপর তাঁকে আবার নির্দেশ দিলে তিনি মাগরিবের আযান দিলেন যখন সূর্য অস্ত গেল। অতঃপর তাঁকে আবার আদেশ করলে তিনি ইশার আযান দিলেন যখন লালিমা দূরীভূত হবার কাছাকাছি হয়ে গেল। অতঃপর পরের দিন ফজরের নামাজ এত বিলম্ব করলেন যে লোকেরা বলাবলি করছিল, সূর্য উঠে গেছে অথবা উঠে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে‌। এবং পরের দিন যোহরের নামাজ এত বিলম্ব করলেন যে, প্রায় আসরের সময় হয়ে গেল। অতঃপর আসরের নামাজ এত বিলম্ব করলেন যে লোকেরা বলাবলি করছিল, সূর্য রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। অতঃপর মাগরিবের নামাজ এত বিলম্ব করলেন যে, লালিমা দূরীভূত হবার কাছাকাছি হয়ে গেল। আর ইশার নামায এত বিলম্ব করলেন যে, যেন রাতের এক তৃতীয়াংশ শেষ হয়ে গেল। অতঃপর প্রশ্নকারীকে ডাকলেন তারপর তাঁকে বললেন নামাযের সময় হল এতদুভয়ের মধ্যেই।
(মুসলিম, নাসাঈ ও আবু দাউদ কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(98) عن أبي بكر بن أبى موسى الأشعرىِّ (رضى الله عنه) عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وأتاه سائل يسأله عن مواقيت الصلاة فلم يردَّ عليه شيئًا فأمر بلالًا فأقام بالفجر حين انشقَّ الفجر والناس لا يكاد يعرف بعضهم بعضًا، ثمَّ أمره فأقام بالظُّهر حين زالت الشَّمس والقائل يقول انتصف النَّهار أو لم ينتصف، وكان أعلم منهم، ثمَّ أمره فأقام بالعصر والشَّمس مرتفعةٌ، ثمَّ أمره فأقام بالمغرب حين وقعت الشَّمس، ثمَّ أمره فأقام بالعشاء حين غاب الشَّفق، ثمَّ أخَّر الفجر من الغد حتى انصرف منها والقائل يقول طلعت الشَّمس أو كادت، وأخَّر الظُّهر حتَّى كان قريبًا من وقت العصر بالأمس، ثمَّ أخَّر العصر حتَّى انصرف منها والقائل يقول أحمرَّت الشَّمس، ثمَّ أخَّر العصر حتَّى انصرف منها والقائل يقول احمرَّت الشَّمس، ثمَّ أخَّر المغرب حتَّى كان عند سقوط الشَّفق، وأخَّر العشاء حتَّى كان ثلث الَّليل الأوَّل، فدعا السَّائل فقال الوقت فيما بين هذين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৯) সুলাইমান ইবন্ বুরাইদা তাঁর বাবা থেকে তিনি নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(99) عن سليمان بن بريدة عن أبيه عن النَّبي صلَّى الله عليه وآله وسلَّم مثله
.
__________
العصر أن يصير الظل قامتين بعد الزوال فمن صلى قبل ذلك لا تجزئه صلاته وخالفه صاحباه، (واختلفوا في آخر وقت العصر) فقال الشافعى آخر وقتها إذا صار ظل كل شئ مثليه لمن ليس له عذر ولا به ضرورة على ظاهر الحديث، فأما أصحاب العذر والضرورات فآخر وقتها لهم غروب الشمس قبل أن يصلى منها ركعة على حديث أبى هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال (من أدرك ركعة من العصر قبل أن تغرب الشمس فقد أدركها) وقال سفيان الثورى وأبو يوسف ومحمد وأحمد بن حنبل أول وقت العصر اذا صار ظل كل شئ مثله مالم تصفر الشمس، وقال بعضهم مالم تتغير الشمس، وعن الأوزاعى نحو ذلك، ويشبه أن يكون هؤلاءذهبوا إلى حديث عبد الله بن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال (وقت العصر مالم تصفر الشمس) (وأما المغرب) فقد أجمع أهل العلم على أن أول وقتها غروب الشمس، واختلفوا فى آخر وقتها فقال مالك والأوزاعى والشافعى لا وقت للمغرب الا وقت واحد قولا بظاهر حديث ابن عباس، وقال سفيان الثورى الثورى وأصحاب الرأى (يعنى أبا حنيفة وأهل العراق) وأحمد واسحاق وقت المغرب الى أن يغيب الشفق قال قلت هذا أصح للاخبار الثابتة وهى خبر أبى موسى الأشعرى وبريدة الاسلمى وعبد الله بن عمرو (ولم يختلفوا) فى أن أول وقت العشاء الآخرة غيبوية الشفق، الا أنهم اختلفوا فى الشفق ماهو فقالت طائفة هو الحمرة روى ذلك عن ابن أبى ليلى وأبى يوسف ومحمد والشافعى واحمد واسحاق (وروى) عن أبى هريرة أنه قال الشفق البياض، وأنشد لأبى النجم
حتى اذا الليل جلاه المجتلى ... بين سماطى شفق مهوّل
يريد الصبح، وقال بعضهم الشفق اسم للحمرة والبياض معًا الا أنه انما يطلق فى أحمر ليس بقان وأبيض ليس بناصع، وانما يعلم المراد منه بالأدلة لا بنفس اللفظ كالقرء الذى يقع اسمه على الطهر والحيض معًا وكسائر نظائره من الاسماء المشتركة (واختلفو) فى آخر وقت العشاء الآخرة، فروى عن عمر بن الخطاب وأبى هريرة أن آخر وقتها ثلث الليل، وكذلك قال عمر بن عبد العزيز وبه قال الشافعى قولا بظاهر حديث ابن عباس، وقال الثورى وأصحاب الرأى وابن المبارك واسحاق بن راهويه آخر وقت العشاء الى نصف الليل، وحجة هؤلاء حديث عبد الله بن عمرو قال (ووقت العشاء الى نصف الليل) وكان الشافعى يقول به اذ هو بالعراق، وقد روى عن ابن عباس أنه قال لا يفوت وقت العشاء الى الفجر واليه ذهب عطاء وطاوس وعكرمة (واختلفوا فى آخر وقت الفجر) فذهب الى ظاهر حديث ابن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ জোহরের নামাযের সময় এবং তা অবিলম্বে আদায়ের প্রসঙ্গে
(১০০) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সূর্য ঢলে পড়ার সময় জোহরের নামায পড়তেন।
(তিরমিযীর মতে হাদীসটি বিশুদ্ধ। বুখারীতে উল্লেখ আছে যে, রাসূল (ﷺ) সূর্য ঢলে পড়লে যোহরের নামাযের জন্য বের হতেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب في وقت الظهر وتعجيلها
(100) عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم صلَّى الظُّهر حين زالت الشَّمس
tahqiq

তাহকীক: