মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ জোহরের নামাযের সময় এবং তা অবিলম্বে আদায়ের প্রসঙ্গে
(১০১) একই বর্ণনাকারী (আনাস রা) বলেন, রাসূল (ﷺ) শীতকালে যোহরের নামায এমন সময় পড়তেন যে, আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারতাম না যে, দিনের অধিকাংশ সময় চলে গেছে না বাকী আছে।
(আব্দুর রাজ্জাক ও বায়হাকী এবং হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(আব্দুর রাজ্জাক ও বায়হাকী এবং হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(2) باب في وقت الظهر وتعجيلها
(101) وعنه أيضًا أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى صلاة الظهر أيَّام الشتاء وما ندرى ما ذهب من النَّهار أكثر أو ما بقى منه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ জোহরের নামাযের সময় এবং তা অবিলম্বে আদায়ের প্রসঙ্গে
(১০২) জাবির ইবন্ ছামুরাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূর্য হেলে পড়লে রাসূল (ﷺ) যোহরের নামায পড়তেন (অপর এক বর্ণনায় সূর্য হেলে গেলে বেলাল (রা) আযান দিতেন)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও ইবন্ মাজাহ্।)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও ইবন্ মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(2) باب في وقت الظهر وتعجيلها
(102) عن جابر بن سمرة رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى الظُّهر إذا دحضت الشَّمس (وفي روايةٍ كان بلالٌ يؤذِّن إذا دحضت الشَّمس)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ জোহরের নামাযের সময় এবং তা অবিলম্বে আদায়ের প্রসঙ্গে
(১০৩) খাব্বাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর নিকট গরমের অভিযোগ করলাম কিন্তু তিনি আমাদের অভিযোগ শুনলেন না, শু'বা (রা) বলেন, উক্ত অভিযোগ যোহরের নামাযের বিষয়ে ছিল।
(মুসলিম, বায়হাকী ও অন্যান্য।)
(মুসলিম, বায়হাকী ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب في وقت الظهر وتعجيلها
(103) عن خبَّاب (بن الأرتِّ رضى الله عنه) قال شكونا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم شدّة الرَّمضاء فلم يشكنا، قال شعبة يعنى في الظهر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ জোহরের নামাযের সময় এবং তা অবিলম্বে আদায়ের প্রসঙ্গে
(১০৪) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যোহরের নামায আদায় করার ব্যাপারে রাসূল (ﷺ) এবং আবু বকর (রা) ও উমর (রা)-এর মত তাড়াতাড়ি করতে অন্য কাউকে দেখি নি।
(হাদীসটি হাসান। তিরমিযী ও ইবন্ আবি শায়বা।)
(হাদীসটি হাসান। তিরমিযী ও ইবন্ আবি শায়বা।)
كتاب الصلاة
(2) باب في وقت الظهر وتعجيلها
(104) عن عائشة رضى الله عنها قالت ما رأيت أحدًا كان أشد تعجيلا للظُّهر من رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا أبى بكر ولا عمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ জোহরের নামাযের সময় এবং তা অবিলম্বে আদায়ের প্রসঙ্গে
(১০৫) উম্মু সালামাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তোমাদের চেয়ে আগেই যোহরের নামায আদায় করতেন এবং তোমরা তাঁর চেয়ে আসরের নামায আগে আদায় কর।
(ইবন্ মাজাহ্ হাদীসটির সনদ বিশুদ্ধ।)
(ইবন্ মাজাহ্ হাদীসটির সনদ বিশুদ্ধ।)
كتاب الصلاة
(2) باب في وقت الظهر وتعجيلها
(105) عن أمِّ سلمة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أشدَّ تعجيلًا للظُّهر منكم (وأنتم أشدُّ تعجيلا للعصر منه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ গরমকালে জোহরের নামায বিলম্বে আদায় করার অনুমতির বিষয়
(১০৬) মুগীরা ইবন্ শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা দুপুরে রাসূল (ﷺ)-এর সাথে যোহরের নামায আদায় করতাম, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে বলেন, তোমরা যোহরের নামায (গরমকালে) দেরী করে আদায় কর, কেননা, অতিরিক্ত গরম হচ্ছে জাহান্নামের প্রশ্বাস।
كتاب الصلاة
(3) باب الرخصة في تأخير الظهر والايراد بها فى زمن الحر
(106) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه قال كنَّا نصلِّى مع نبيِّ الله صلى الله عليه وسلم الظُّهر بالهاجرة فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أبردوا بالصَّلاة فإنَّ شدَّة الحرِّ من فيح جهنَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ গরমকালে জোহরের নামায বিলম্বে আদায় করার অনুমতির বিষয়
(১০৭) কাসিম ইবন্ সাফওয়ান যুহরী (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) বলেন, গরমকালে তোমরা যোহরের নামায বিলম্বে আদায় করবে, কেননা, গরম (দ্বিতীয় বর্ণনায় অধিক গরম) হচ্ছে জাহান্নামের প্রচণ্ডতা।
(তবারানী, হাকিম, ইবন আবি শায়বা ও বাগাভী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(তবারানী, হাকিম, ইবন আবি শায়বা ও বাগাভী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب الرخصة في تأخير الظهر والايراد بها فى زمن الحر
(107) عن القاسم بن صفوان الزُّهرىِّ عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أبردوا بصلاة الظُّهر فإنَّ الحرِّ (وفى لفظٍ فإن شدَّة الحرِّ) من فور جهنَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ গরমকালে জোহরের নামায বিলম্বে আদায় করার অনুমতির বিষয়
(১০৮) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন গরম পড়বে (অপর এক বর্ণনামতে যখন অধিক গরম পড়বে) তখন তোমরা নামায বিলম্বে আদায় করবে (অপর বর্ণনা মতে যোহরের নামায) কেননা, অধিক গরম হচ্ছে জাহান্নামের তাপ এবং তিনি উল্লেখ করেন যে, জাহান্নাম তার প্রভুর নিকট অভিযোগ করলে বছরে তাকে দু'বার শীত ও গরমকালে নিঃশ্বাস নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়।
(বুখারী, মুসলিম, মালিক।)
(বুখারী, মুসলিম, মালিক।)
كتاب الصلاة
(3) باب الرخصة في تأخير الظهر والايراد بها فى زمن الحر
(108) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان الحرُّ (وفى رواية إذا اشتدَّ الحرُّ) فأبردوا بالصلَّاة (وفي رواية بالظُّهر) فإنَّ شدَّة الحرِّ من فيح جهنَّم وذكر أنَّ النَّار اشتكت إلى ربِّها فأذن
لها في كلِّ عام بنفسين، نفس فى الشَّتاء ونفسٍ فى الصيَّف
لها في كلِّ عام بنفسين، نفس فى الشَّتاء ونفسٍ فى الصيَّف
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ গরমকালে জোহরের নামায বিলম্বে আদায় করার অনুমতির বিষয়
(১০৯) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, যখন অধিক গরম পড়বে তখন তোমরা বিলম্বে নামায আদায় করবে, কেননা, অধিক গরম হচ্ছে জাহান্নামের তাপ।
(বুখারী, আবু ইয়ালা ও বায়হাকী।)
(বুখারী, আবু ইয়ালা ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(3) باب الرخصة في تأخير الظهر والايراد بها فى زمن الحر
(109) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا اشتدِّ الحرُّ فأبردوا بالصَّلاة، فإنَّ شدَّة الحرِّ من فيح جهنَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ গরমকালে জোহরের নামায বিলম্বে আদায় করার অনুমতির বিষয়
(১১০) আবু হুরায়রা (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ্।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(3) باب الرخصة في تأخير الظهر والايراد بها فى زمن الحر
(110) عن أبى هريرة رضى الله عنه عن النبَّيِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ গরমকালে জোহরের নামায বিলম্বে আদায় করার অনুমতির বিষয়
(১১১) আবূ যার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একদা নবী (ﷺ)-এর সাথে সফরে ছিলাম। মুয়াযযিন তখন আযান দিতে উদ্যত হলে (অপর এক বর্ণনায় যোহরের নামাযের জন্য) রাসূল (ﷺ) বললেন, বিলম্ব কর, পুনরায় আযান দিতে উদ্যত হলে রাসূল (ﷺ) বললেন, বিলম্ব কর এবং অনুরূপভাবে তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অবশেষে আমরা টিলার ছায়া দেখলাম এবং নামায আদায় করলাম। রাসূল (ﷺ) বলেন, গরমের প্রচণ্ডতা হচ্ছে জাহান্নামের তাপ, অতএব, যখন অধিক গরম পড়বে তখন তোমরা বিলম্বে নামায আদায় করবে।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবন্ মাজাহ্, বায়হাকী, ও তবারানী।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবন্ মাজাহ্, বায়হাকী, ও তবারানী।)
كتاب الصلاة
(3) باب الرخصة في تأخير الظهر والايراد بها فى زمن الحر
(111) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا حجَّاج قال ثنا شعبة عن مهاجرٍ أبى الحسن من بنى تيم الله مولى لهم قال رجعنا من جنازةٍ فمررنا بزيد بن وهبٍ فحدَّث عن أبى ذرّ قال كنَّا مع النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فى سفر فاراد المؤذِّن أن يؤذِّن (زاد فى روايةٍ للظُّر) فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم أبرد، ثمَّ أراد أن يؤذِّن فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم أبرد قالها ثلاث مرَّاتٍ، قال حتَّى رأينا فيء التُّلول فصلَّى ثمَّ قال إنَّ شدَّة الحرِّ
من فيح جهنَّمُّ. فإذا اشتدَّ الحرُّ فأبردوا بالصَّلاة
من فيح جهنَّمُّ. فإذا اشتدَّ الحرُّ فأبردوا بالصَّلاة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১২) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) আসরের নামায এমন সময় পড়তেন যেন কোন ব্যক্তি বনি হারিসা ইবন্ হারিস গোত্রে গিয়ে সূর্যাস্তের পূর্বে ফিরে আসতে পারে। অথবা কোন ব্যক্তি একটি উট যবেহ করে সূর্যাস্তের পূর্বে তা বানাতে পারে। সূর্য ঢলে পড়লে রাসূল (ﷺ) জুমু'আর নামায পড়তেন। আর রাসূল (ﷺ) যখন মক্কার উদ্দেশ্যে বের হতেন, তখন 'শাজারাহ' নামক স্থানে যোহরের নামায দুরাকাত আদায় করতেন।
(আবূ ইয়ালা, হাদীসটির সনদ সহীহ্।)
(আবূ ইয়ালা, হাদীসটির সনদ সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(112) عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى العصر بقدر ما يذهب الذَّاهب إلى بني حارثة بن الحارث ويرجع قبل غرب الشَّمس، وبقدر ما ينحر الرَّجل الجزور ويبعِّضها لغروب الشَّمس، وكان يصلِّى الجمعة حين تميل الشَّمس وكان إذا خرج إلى مكَّة صلَّى الظهر بالِشَّجرة ركعتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৩) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত তিনি বলেন; রাসূল (ﷺ)-এর চেয়ে আসরের নামায দ্রুত পড়ার কেউ ছিল না। রাসূল (ﷺ)-এর মসজিদ থেকে সবচেয়ে দূরে বাড়ি ছিল তো আনসারদের দু'ব্যক্তি আমর ইবন আওফ গোত্রের আবু লুবাবা ইবন্ আব্দুল মুনযির-এবং বনি হারিসা গোত্রের আবু-ঈসা ইবন্ জবর। আবু লুবাবার বাড়ি-ছিল কোবায় এবং আবু ঈসার বাড়ি ছিল বনী হারিসায় (উভয় স্থানই মসজিদে নববী থেকে প্রায় ৩ মাইল দূরে।) তাঁরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে আসরের নামায আদায় করে স্বীয় গোত্রে যখন ফিরে আসতেন, তখনও তারা আসবের নামায পড়ে নি, রাসূল (ﷺ)-এর আগে আগে পড়ার কারণে।
(তবারানীর মু'জামুল কাবীর, মু'জামুল আওসাত, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(তবারানীর মু'জামুল কাবীর, মু'জামুল আওসাত, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(113) وعنه أيضًا قال ما كان أحدٌ أشدَّ تعجيلًا لصلاة العصر من رسول الله صلى الله عليه وسلم إن كان أبعد رجلين من الأنصار دارًا من مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبو لبابة بن عبد المنذر أخو بني عمرو بن عوف وأبو عيسى بن جبرٍ أخو بني حارثةً، دار أبى لبابة بقباءٍ ودار أبى عيسى بن جبر في بني حارثة،
ثمَّ إن كانا ليصلِّيان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر، ثم يأتيان قومها وما صلَّوها لتبكير رسول الله صلى الله عليه وسلم بها
ثمَّ إن كانا ليصلِّيان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر، ثم يأتيان قومها وما صلَّوها لتبكير رسول الله صلى الله عليه وسلم بها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৪) একই বর্ণনাকারী (আনাস ইবন মালিক (রা)) বলেন, সূর্য বেশ উপরে থাকা অবস্থায় রাসূল (ﷺ) আসরের নামায আদায় করতেন। তখন আমি মদীনার উপকণ্ঠে আমার পরিবারের নিকট ফিরে আসতাম এবং তাদেরকে বলতাম, রাসূল (ﷺ) নামায পড়ে নিয়েছেন, সুতরাং তোমরা উঠো নামায (আসর) পড়ে নাও।
(নাসায়ী এবং তাহাবী, আবু ইয়ালা ও বাযযার। হাদীসটির বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(নাসায়ী এবং তাহাবী, আবু ইয়ালা ও বাযযার। হাদীসটির বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(114) وعنه قال كان النَّبي صلى الله عليه وسلم يصلِّى العصر والشَّمس بيضاء محلقَّةٌ فأرجع إلى أهلى وعشيرتي فى ناحية المدينة فأقول إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قد صلَّى فقوموا فصلُّوا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৫) যুহরী (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস ইবন্ মালিক (রা) আমাকে অবহিত করেন যে, রাসূল (ﷺ) আসরের নামায এময় সময় আদায় করতেন যাতে একজন গমনকারী শহরের উপকণ্ঠের গ্রামগুলিতে যেতে পারে এমতাবস্থায় যে, সূর্য তখনও বেশ উপরে। (অপর বর্ণনায় সূর্য তখনও উজ্জীবিত শুভ্র) যুহরী বলেন, উপকণ্ঠের গ্রামগুলি হলো মদীনা থেকে দুই অথবা তিন মাইল দূরে। আমার মনে হয় তিনি চার মাইলও বলেছেন।
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(115) وعن الزُّهرىِّ قال أخبرني أنس بن مالكٍ أنِّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى العصر فيذهب الذَّاهب إلى الموالى والشَّمس مرتفعةٌ (وفى رواية بيضاء حيَّةٌ) قال الزُّهريُّ والعوالى على ميلين من المدينة، وثلاثة أحسبه قال وأربعة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৬) রাফে' ইবন্ খাদীজ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে আসরের নামায এমন সময় আদায় করেছি যে একটি উট যবেহ করে তাকে দশ ভাগে ভাগ করা হয়। অতঃপর তা রান্না করা হলে আমরা তার ভুনা গোশত খাই সূর্য অস্ত যাবার পূর্বে। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর যুগে মাগরিবের নামায এমন সময় আদায় করে ফিরে যেতাম যখন কেউ তার তীরের পতিত স্থান দেখতে পেত।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(116) عن رافع بن خديج رضى الله عنه قال كنَّا نصلِّي مع
رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة العصر ثم تنحر الجزور فتقسم عشر قسمٍ، ثم تطبخ فنأكل لحمًا نضيجًا قبل أن تغيب الشمس، قال وكنا نصلى المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فينصرف أحدنا وإنه لينظر إلى مواقع نبله
رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة العصر ثم تنحر الجزور فتقسم عشر قسمٍ، ثم تطبخ فنأكل لحمًا نضيجًا قبل أن تغيب الشمس، قال وكنا نصلى المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فينصرف أحدنا وإنه لينظر إلى مواقع نبله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৭) আবূ আরওয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে আসরের নামায পড়ে সূর্য অস্ত যাবার পূর্বেই 'শাজারা' নামক স্থানে গমন করতাম।
(বাযযার ও তারাবানী। সনদের একজন রাবীর নির্ভযোগ্যতা সম্পর্কে আপত্তি আছে।)
(বাযযার ও তারাবানী। সনদের একজন রাবীর নির্ভযোগ্যতা সম্পর্কে আপত্তি আছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(117) وعن أبى أروي رضى الله عنه قال كنت أصلى مع النبى صلى الله عليه وسلم العصر ثم آتى الشجرة قبل غروب الشمس
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৮) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) এমন সময় আসরের নামায আদায় করতেন যে, সূর্যের রশ্মি আমার ঘরের মধ্যে প্রবেশ করতো এবং তখনও দেয়ালের ছায়া প্রকাশ পেত না।
দ্বিতীয় সূত্রে, উরওয়া আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) এমন সময় আসরের নামায আদায় করতেন যে, সূর্যের আলো তার কামরা থেকে চলে যেত না এবং দেয়াল ছিল প্রশস্ত, আমির (যিনি বর্ণনাকারীদের একজন) তাঁর হাত দিয়ে দেয়ালের প্রশস্ততার প্রতি ইঙ্গিত করেন।
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী, দারাকুতনী আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ।)
দ্বিতীয় সূত্রে, উরওয়া আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) এমন সময় আসরের নামায আদায় করতেন যে, সূর্যের আলো তার কামরা থেকে চলে যেত না এবং দেয়াল ছিল প্রশস্ত, আমির (যিনি বর্ণনাকারীদের একজন) তাঁর হাত দিয়ে দেয়ালের প্রশস্ততার প্রতি ইঙ্গিত করেন।
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী, দারাকুতনী আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(118) عن عائشة رضى الله عنها أن النبىِّ صلى الله عليه وسلم كان يصلى العصر والشمس طالعةٌ فى حجرتى لم يظهر الفيء بعد (ومن طريق
ثان) عن عروة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلى العصر والشمس لم تخرج من حجرتها وكان الجدار بسطةً وأشار عامرٌ (أحد الرواة) بيده
ثان) عن عروة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلى العصر والشمس لم تخرج من حجرتها وكان الجدار بسطةً وأشار عامرٌ (أحد الرواة) بيده
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১১৯) বসরার অধিবাসী আব্দুল ওয়াহিদ ইবন্ নাফি' থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি একদা মদীনার মসজিদে গেলাম, তখন (আসরের) নামাযের একামত দেয়া হলে জনৈক বয়স্ক ব্যক্তি মুয়াযযিনকে তিরষ্কার করলেন, এবং বললেন যে, তুমি কি জান না যে, আমার পিতা আমাকে অবহিত করেছেন যে, রাসূল (ﷺ) এ নামায বিলম্বে আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, এই বয়স্ক ব্যক্তি কে? তাঁরা বললেন, ইনি হচ্ছেন আব্দুল্লাহ ইবন্ রাফে' ইবন্ খাদীজ।
(তবারানী ও দারাকুতনী (রহ)। দারাকুতনী হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।)
বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, এই বয়স্ক ব্যক্তি কে? তাঁরা বললেন, ইনি হচ্ছেন আব্দুল্লাহ ইবন্ রাফে' ইবন্ খাদীজ।
(তবারানী ও দারাকুতনী (রহ)। দারাকুতনী হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(119) عن عبد الواحد بن نافع الكلابىِّ من أهل البصرة قال مررت بمسجد المدينة فأقيمت الصلاة فإذا شيخٌ، فلام المؤذِّن وقال أما علمت أن أبى أخبرني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمر بتأخير هذه الصلاة، قال قلت من هذا الشيخ، قالوا هذا عبد الله بن رافع بن خديج
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ আসরের নামাযের সময় এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে
(১২০) আবূ মালীহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা বুরাইদার (রা) (অর্থাৎ আসলামী) সাথে মেঘাচ্ছন্ন দিনে এক যুদ্ধে ছিলাম। তিনি বললেন, তোমরা আগে আগে নামায আদায় কর। কেননা, রাসূল (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি আসরের নামায ত্যাগ করলো তার আমল ধ্বংস হয়ে গেল।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقت العصر وما جاء فيها
(120) عن أبى مليح قال كنا مع بريدة (يعنى الأسلمىَّ) فى غزاةٍ في
يومٍ ذي غيمٍ فقال بكروا بالصلاة فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من ترك صلاة العصر حبط عمله
يومٍ ذي غيمٍ فقال بكروا بالصلاة فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من ترك صلاة العصر حبط عمله
তাহকীক: