মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ২১
আন্তর্জাতিক নং: ৯০৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখনই আমি নামাযের প্রথম ওয়াক্তে নামায পড়তে গিয়েছি তখনই নবী (ﷺ)-কে নামাযে রত অবস্থায় পেয়েছি। তিনি (আবূ হুরায়রা) বলেন, তারপর তিনি (মহানবী নামায পড়লেন, তারপর বললেন, তুমি কি নামায পড়েছ? তিনি বলেন, আমি বললাম না । তিনি নামায পড়ো । কারণ নামায (গুনাহ ইত্যাদি মনোরোগের) রোগমুক্তির সুস্থতা রয়েছে। বললেন, উঠো এবং নামায পড়ো। কারণ নামায (গুনাহ ইত্যাদি মনোরোগের) রোগমুক্তির সুস্থতা রয়েছে।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(21) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال ما هجَّرت إلاَّ وجدت
النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم يصلِّى قال فصلِّى ثمَّ قال أشكنب ذرد قال قلت لا، قال قم فصلِّ فإنِّ في الصَّلاة شفاء
النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم يصلِّى قال فصلِّى ثمَّ قال أشكنب ذرد قال قلت لا، قال قم فصلِّ فإنِّ في الصَّلاة شفاء
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২
আন্তর্জাতিক নং: ৯৭৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২২) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, এক লোক রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে বললেন । অমুক ব্যক্তি রাতে নামায পড়েন। আর যখন সকাল হয় তখন চুরি করেন। তিনি বললেন, সে যা করছে তা (চুরি করা) থেকে নামায তাকে বিরত রাখবে।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(22) وعنه أيضًا قال جاء رجل إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال إنَّ فلانًا يصلِّى باللَّيلٍ فإذا أصبح سرق، قال إنَّه سينهاه ما يقول
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৩) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, শয়তান এ ব্যাপারে নিরাশ হয়ে পড়েছে যে, নামাযীরা তার ইবাদত করবে। তবে তাদের পরস্পরের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব ও কলহ সৃষ্টির ব্যাপারে নিরাশ হয় নি ।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(23) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ الشَّيطان قد أيس أن يعبده المصلُّون ولكن فى التَّحْرِيشِ بينهم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৪) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জান্নাতের চাবি হলো নামায। আর নামাযের চাবি হলো পবিত্রতা।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(24) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم مفتاح الجنَّة
الصَّلاة، ومفتاح الصَّلاة الطُّهور
الصَّلاة، ومفتاح الصَّلاة الطُّهور
হাদীস নং: ২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৫) উসমান ইবন্ আফ্ফান (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি এ জ্ঞান রাখে যে, নামায তার উপর (আল্লাহর) হক ও ওয়াজিব, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(25) عن عثمان (بن عفَّان) رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال من علم أنَّ الصَّلاة حقٌّ واجبٌ دخل الجنَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৬
আন্তর্জাতিক নং: ১২২৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৬) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমার কাছে দুনিয়ার বিষয়গুলোর মধ্য স্ত্রী ও সুগন্ধি প্রিয় করে দেয়া হয়েছে। আর নামাযকে আমার চোখের মণি করা হয়েছে।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(26) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حبِّب إلىَّ من الدُّنيا النِّساء والطِّيب، وجعل قرَّة عينى فى الصَّلاة
হাদীস নং: ২৭
আন্তর্জাতিক নং: ২২০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৭) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জিবরাঈল (আ) আমাকে বলেছেন, তোমার কাছে নামাযকে প্রিয় করা হয়েছে। তুমি তা থেকে যা ইচ্ছা গ্রহণ করো ।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(27) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال لى جبريل عليه السَّلام إنَّه قد حبِّب إليك الصَّلاة، فخذ منها ما شئت
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৮) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-এর কাছে নু'মান ইবন্ কাউকাল এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি হালালকে হালাল বলে গ্রহণ করি, হারামকে হারাম মনে করি এবং ফরয নামাযগুলো আদায় করি, তার চেয়ে বেশী কিছু না করি আমি কি জান্নাতে যেতে পারব? রাসূল (ﷺ) তাকে বললেন, হ্যাঁ।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(28) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال أتى النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم النُّعمان ابن قوقل فقال يا رسول الله إن حلَّلت الحلال وحرَّمت الحرام وصلَّيت المكتوبات ولم أزد على ذلك أأدخل الجنَّة؟ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৩১৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(২৯) আব্দুল্লাহ ইবন্ মুহাম্মাদ ইবন্ আল হানফিয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার বাবার সাথে আমাদের শ্বশুর পক্ষীয় আনসারী আত্মীয়ের বাড়িতে গেলাম। তখন নামাযের সময় হয়েছে, তখন তিনি বললেন, হে মেয়ে (দাসী), আমাকে ওযূর পানি দাও। আমি সম্ভবত নামায পড়লে শান্তি পাব। তখন তিনি বুঝলেন যে, আমরা তার কথা অপছন্দ করছি। তখন তিনি বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, বেলাল, উঠো, আমাদেরকে নামাযের মাধ্যমে প্রশান্তি দান কর ।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(29) عن عبد الله بن محمَّد بن الحنفيَّة قال دخلت مع أبى على صهرٍ لنا من الأنصار فحضرت الصّلاة، فقال يا جارية ائتينى بوضوء لعلِّى أصلِّى فأستريح فرآنا أنكرنا ذاك عليه، فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قم يا بلال فأرحنا بالصَّلاة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০
আন্তর্জাতিক নং: ২৩২৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(৩০) হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) কোন বিপদে পড়লে কিংবা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হলে নামায পড়তেন।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(30) عن حذيفة بن اليمان رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا حزبه أمر صلَّى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৪৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(৩১) উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর সর্বশেষ ওসিয়ত ছিল নামায পড়ো, নামায পড়ো এবং তোমাদের দাস-দাসীদের প্রতি সদাচরণ করো। এ কথা বলতে বলতে রাসূল (ﷺ)-এর গলা ধরে গেল, কণ্ঠস্বর ক্ষীণ হয়ে আসল আর মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে পারলেন না।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(31) عن أمِّ سلمة رضى الله عنها قالت كان من آخر وصيَّة رسول الله
صلى الله عليه وسلم الصَّلاة الصَّلاة وما ملكت أيمانكم حتَّى جعل نبيٌّ الله صلى الله عليه وسلم يلجلجها فى صدره وما يفيص بها لسانه
صلى الله عليه وسلم الصَّلاة الصَّلاة وما ملكت أيمانكم حتَّى جعل نبيٌّ الله صلى الله عليه وسلم يلجلجها فى صدره وما يفيص بها لسانه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সাধারণভাবে নামাযের ফযীলত সম্বন্ধে আগত হাদীসসমূহ
(৩২) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর শেষ কথা ছিল নামায পড়, নামায পড়। তোমাদের দাস-দাসীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করতে থাকো ।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى فضل الصلاة مطلقًا
(32) عن علىٍّ رضى الله عنه قال كان آخر كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّلاة الصَّلاة، اتقوا الله فيما ملكت أيمانكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৫০ - ১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৩) আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে মাগরিবের নামায পড়লাম। তারপর যার ইচ্ছা বসে রইলেন আর কেউ কেউ বের হয়ে গেলেন। তখন রাসূল (ﷺ) আসলেন, তখন (এত দ্রুত হেঁটে যে,) তাঁর কাপড় প্রায় হাঁটুর উপর উঠে এসেছে। তারপর বললেন, হে মুসলমানরা, তোমাদের প্রভু আসমানের একটি দরজা খুলেছেন। তিনি তোমাদের নিয়ে ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করছেন। তিনি বলছেন, এরা আমার বান্দা। তারা একটা ফরয আদায় করেছে তারপর আর একটি ফরযের জন্য অপেক্ষা করছে।
(তাঁর থেকে অপর এক সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তাতে তিনি বলেছেন,) তখন লোকেরা ইশার নামাযের জন্য ছড়িয়ে পড়ার আগে মহানবী (ﷺ) আগমন করেন। (দ্রুত হেঁটে আসার কারণে) তিনি হ্যাঁফিয়ে গিয়েছিলেন। এভাবে তিনি তাঁর হাত উঠিয়ে ছিলেন। উনিশ সংখ্যায় মুষ্টিবদ্ধ অবস্থা। আর তর্জনী দ্বারা আসমানের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর। এবার পূর্বের মতো হাদীসের কথাগুলো উল্লেখ করলেন। তাতে আরও আছে, আল্লাহ বলেছেন, হে আমার ফেরেশ্তারা! আমার (এসব) বান্দাদের দিকে তাকাও তারা একটা ফরয আদায় করেছে তারপর অপর ফরযের জন্য অপেক্ষা করছে।
(তাঁর থেকে অপর এক সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তাতে তিনি বলেছেন,) তখন লোকেরা ইশার নামাযের জন্য ছড়িয়ে পড়ার আগে মহানবী (ﷺ) আগমন করেন। (দ্রুত হেঁটে আসার কারণে) তিনি হ্যাঁফিয়ে গিয়েছিলেন। এভাবে তিনি তাঁর হাত উঠিয়ে ছিলেন। উনিশ সংখ্যায় মুষ্টিবদ্ধ অবস্থা। আর তর্জনী দ্বারা আসমানের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর। এবার পূর্বের মতো হাদীসের কথাগুলো উল্লেখ করলেন। তাতে আরও আছে, আল্লাহ বলেছেন, হে আমার ফেরেশ্তারা! আমার (এসব) বান্দাদের দিকে তাকাও তারা একটা ফরয আদায় করেছে তারপর অপর ফরযের জন্য অপেক্ষা করছে।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(33) عن عبد الله بن عمرو (بن العاص رضى الله عنهما) صلَّينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم المغرب فعقَّب من عقَّب ورجع من رجع فجاء رسول الله
صلى الله عليه وسلم وقد كاد يحسر ثيابه عن ركبتيه، فقال أبشروا معشر المسلمين، هذا ربكم قد فتح بابًا من أبواب السَّماء يباهى بكم الملائكة، يقول هؤلاء عبادى قضوا فريضةً وهم ينتظرون أخرى
(وعنه من طريق آخر بنحوه وفيه قال) فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يثور النَّاس لصلاة العشاء فجاء وقد حفزه النَّفس رافعًا إصبعه هكذا وعقد تسعًا وعشرين وأشار بإصبعه السَّبَّابة إلى السَّماء وهو يقول أبشروا "فذكر نحو ما تقدَّم وفيه" يقول ملائكتى انظروا إلى عبادى أدَّوا فريضةً وهم ينتظروم أخرى
((34)
صلى الله عليه وسلم وقد كاد يحسر ثيابه عن ركبتيه، فقال أبشروا معشر المسلمين، هذا ربكم قد فتح بابًا من أبواب السَّماء يباهى بكم الملائكة، يقول هؤلاء عبادى قضوا فريضةً وهم ينتظرون أخرى
(وعنه من طريق آخر بنحوه وفيه قال) فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يثور النَّاس لصلاة العشاء فجاء وقد حفزه النَّفس رافعًا إصبعه هكذا وعقد تسعًا وعشرين وأشار بإصبعه السَّبَّابة إلى السَّماء وهو يقول أبشروا "فذكر نحو ما تقدَّم وفيه" يقول ملائكتى انظروا إلى عبادى أدَّوا فريضةً وهم ينتظروم أخرى
((34)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৪) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, এক নামাযের পর অপর নামাযের জন্য (মসজিদে বসে) অপেক্ষাকারী সেই অশ্বারোহীর মত যার ঘোড়া তাকে পিঠে নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় ছুটে চলেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত সে হাদস না করে (তার ওযূ নষ্ট হবে না) অথবা উঠে না যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর ফিরিশতারা তার জন্য দু'আ করতে থাকবে তিনি বড় জিহাদে বা সীমান্ত প্রহরায় লিপ্ত ।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال منتظر الصَّلاة من بعد الصَّلاة كفارس اشتدَّ به فرسه فى سبيل الله على كسحه تصلّي عليه
ملائكة الله ما لم يحدث أو يقوم، وهو فى الرِّباط الأكبر
ملائكة الله ما لم يحدث أو يقوم، وهو فى الرِّباط الأكبر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭২০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৫) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে জানাব না আল্লাহ তা'আলা কিসের মাধ্যমে (মানুষের) মর্যাদা বৃদ্ধি করেন আর গুনাহ মাফ করেন? তা হলো কষ্টের মধ্যেও উত্তমভাবে ওযূ করা আর বেশী বেশী মসজিদে যাওয়া এবং এক নামাযের পর অপর নামাযের জন্য অপেক্ষা করা ৷
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(35) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألا أدلُّكم على ما يرفع الله به الدَّرجات ويكفِّر به الخطايا، إسباغ الوضوء فى المكاره وكثرة الخطا إلى المساجد، وانتظار الصَّلاة بعد الصَّلاة
হাদীস নং: ৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮০১ - ১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৬) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল (ﷺ) বলেন, নামাযের জন্য গমনকারীর প্রত্যেক পদক্ষেপের জন্য একটি সওয়াব লিখা হয়। এবং একটি গুনাহ ক্ষমা করা হয়।
(অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন থেকে তোমাদের কেউ তার বাড়ি থেকে তার মসজিদের দিকে অগ্রসর হয় তখন থেকে তার এক পদক্ষেপের জন্য একটা সওয়াব লিখা হয়। আর অপর পদক্ষেপের জন্য একটা গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।
(অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন থেকে তোমাদের কেউ তার বাড়ি থেকে তার মসজিদের দিকে অগ্রসর হয় তখন থেকে তার এক পদক্ষেপের জন্য একটা সওয়াব লিখা হয়। আর অপর পদক্ষেপের জন্য একটা গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(36) وعنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كلُّ خطوةٍ يخطوها إلى الصَّلاة يكتب له بها حسنةٌ ويمحى بها عنه سيئةٌ
(ومن طريقٍ ثانٍ) أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حين يخرج أحدكم من بيته إلى مسجده فرجل تكتب حسنة والأخرى تمحوا سِّيئةً
(ومن طريقٍ ثانٍ) أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حين يخرج أحدكم من بيته إلى مسجده فرجل تكتب حسنة والأخرى تمحوا سِّيئةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৭) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত পরবর্তী নামাযের জন্য অপেক্ষমান থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে যেন নামাযের মধ্যেই থাকে। আর তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত তার মসজিদে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ফিরিশতারা তার জন্য দু'আ করতে থাকে। তারা বলতে থাকে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন। আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন, যতক্ষণ না সে হাদসগ্রস্ত না হয়। একথা শুনে হাদরা মাউতের এক লোক জিজ্ঞাসা করলেন, হে আবূ হুরায়রা হাদস মানে কি? তিনি উত্তরে বলেন, আল্লাহ তা'আলা সত্য কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন না। তা হলো শব্দহীন বা সশব্দে বায়ু ত্যাগ ।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(37) وعنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يزال أحدكم فى صلاةٍ ما دام ينتظر الَّتى بعدها، ولا تزال الملائكة تصلِّى على أحدكم ما دام فى مسجده، تقول اللَّهمَّ اغفر له اللَّهمَّ ارحمه ما لم يحدث، فقال رجل من أهل حضرموت
وما ذلك الحدث يا أبا هريرة؟ قال إنَّ الله لا يستحيى من الحقِّ، إن فسا أو ضرط
وما ذلك الحدث يا أبا هريرة؟ قال إنَّ الله لا يستحيى من الحقِّ، إن فسا أو ضرط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৮) আবূ সাঈদ খুদরী (রা)ও নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(38) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৩৯) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন পাক-পবিত্র হয়ে তার বাড়ি থেকে বের হয়, তারপর মুসলমানদের সাথে নামায আদায় করে, তারপর মসজিদে বসে অপর নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে তখন ফিরিশতারা বলতে থাকেন, আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! তাকে দয়া করুন ।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(39) وعنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما منكم من رجل يخرج من بيته متطهرًا فيصلِّى مع المسلمين الصَّلاة ثمَّ يجلس فى المجلس ينتظر الصَّلاة الأخرى إلاَّ قالت الملائكة اللَّهم اغفر الله اللَّهم ارحمه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪০
আন্তর্জাতিক নং: ২২৮১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নামাযের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা এবং মসজিদে গমনের ফযীলত প্রসঙ্গে
(৪০) সাহল ইবন সা'দ আস্ সায়িদী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মসজিদে বসে নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে সে যেন নামাযেই থাকে।
كتاب الصلاة
(4) باب فى فضل انتظار الصلاة والسعى الى المساجد
(40) عن سهل بن سعد (السَّاعدىِّ رضى الله عنه) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من جلس في المسجد ينتظر الصَّلاة فهو في الصَّلاة
তাহকীক: