মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১৯০৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করণের ফলে তার পশম পবিত্র হওয়া প্রসঙ্গে
(৬১) সাবিত (আল-বানানী) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আব্দুর রহমান ইবন্ আবী লাইলার সাথে মসজিদে বসে ছিলাম। এমতাবস্থায় এক বিশালবপু ব্যক্তি সেখানে আগমন করে আব্দুর রহমানকে সম্বোধন করে বলেন, হে আবূ ঈসা, তিনি বলেন, হ্যাঁ! লোকটি বললো, আপনি লোমশ চামড়ার (ফারের) পোশাকের বিষয়ে যা শুনেছেন তা আমাদেরকে বলুন। তিনি বলেন, আমি আমার পিতা (আবূ লাইলা আনসারী (রা))-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট বসে ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি সেখানে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি পশম সম্বলিত চামড়ার পোশাকে সালাত আদায় করব? তিনি বলেন, তাহলে প্রক্রিয়াজাতকরণের কি মূল্য বলো? অর্থাৎ প্রক্রিয়াজাত করায় চামড়া পাক হয়ে গেল, কাজেই তাতে সালাত আদায় করতে অসুবিধা কি?) যখন লোকটি চলে গেলেন তখন আমি বললাম, লোকটি কে? আব্দুর রহমান বললেন, তিনি সুওয়াইদ ইবন গাছ্লাহ।
كتاب الطهارة
فصل في حجة من قال بطهارة شعر الميتة اذا دبغ الجلد
(61) عن ثابت (2) قال كنت جالسا مع عبد الرحمن (3) بن ابي ليلى في المسجد فأتى رجل ضخم فقال (4) يا أبا عيسى قال نعم قال حدثنا ما سمعت في الفراء فقال سمعت ابي يقول كنت جالسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فاتى رجل فقال يا رسول الله اصلى فى الفراء (5) قال فأين الدباغ فلما ولى (6) قلت من هذا قال هذا سويد بن غفلة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬২
আন্তর্জাতিক নং: ১৮৭৮০ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ মৃত পশুর চামড়া বা অস্থি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও অনুমতি প্রদান বিষয়ক হাদীস এবং এতদুভয় প্রকার হাদীসে সমন্বয় সাধন
(৬২) আব্দুল্লাহ ইবন্ উকাইম আল-জুহানী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুহাইনা গোত্রের আবাসস্থলে আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর চিঠি এসে পৌঁছাল, আমি তখন অল্পবয়স্ক যুবক ( সে চিঠিতে ছিল) তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।
তাঁর (আব্দুল্লাহ ইবন্ উকাইম রা) থেকে দ্বিতীয় এক সনদে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ওফাতের একমাস আগে আমাদের কাছে পত্র পাঠান যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।
(তাঁর থেকে এক তৃতীয় সনদে বর্ণিত হয়েছে,) তিনি বলেনঃ আমি অল্পবয়স্ক যুবক তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওফাতের একমাস বা দুইমাস পূর্বে জুহাইনা গোত্রের এলাকায় আমাদের নিকট তাঁর পত্র আসে যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।**
** টীকাঃ পূর্বের হাদীসগুলো থেকে জানা যায় যে, মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা বৈধ। কিন্তু উপরের এই হাদীস বাহ্যিক অর্থে তার বিপরীত। এজন্য কোনো কোনো ফকীহ্ মত প্রকাশ করেছেন যে, মৃতপশুর চামড়া ব্যবহারের অনুমতি শেষোক্ত এই হাদীসটি দ্বারা রহিত। কাজেই মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করলেও পবিত্র হবে না। ব্যবহার করাও বৈধ হবে না। ইমাম আহমদ ও কতিপয় ফকীহ শেষোক্ত হাদীসের ওপর নির্ভর করেছেন। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও ফকীহ বলেছেন যে, এই হাদীসের সাথে ওপরের হাদীসগুলোর কোনো বৈপরীত্য নেই। এই হাদীসে মৃত পশুর চামড়া দাবাগত বা প্রক্রিয়াজাত করা ছাড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর উপরের হাদীসগুলোতে মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পরে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
(তাঁর থেকে চতুর্থ এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে,) তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট পত্র পাঠিয়েছিলেন বা আমাদের নিকট তাঁর চিঠি আসছিল যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রাগ কাজে লাগাবে না।
(তাঁর থেকে পঞ্চম এক সনদে বর্ণিত হয়েছে) তিনি বলেন, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-রর চিঠি পাঠ করে শোনানো হয় যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।**
** টীকাঃ পূর্বের হাদীসগুলো থেকে জানা যায় যে, মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা বৈধ। কিন্তু উপরের এই হাদীস বাহ্যিক অর্থে তার বিপরীত। এজন্য কোনো কোনো ফকীহ্ মত প্রকাশ করেছেন যে, মৃতপশুর চামড়া ব্যবহারের অনুমতি শেষোক্ত এই হাদীসটি দ্বারা রহিত। কাজেই মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করলেও পবিত্র হবে না। ব্যবহার করাও বৈধ হবে না। ইমাম আহমদ ও কতিপয় ফকীহ শেষোক্ত হাদীসের ওপর নির্ভর করেছেন। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও ফকীহ বলেছেন যে, এই হাদীসের সাথে ওপরের হাদীসগুলোর কোনো বৈপরীত্য নেই। এই হাদীসে মৃত পশুর চামড়া দাবাগত বা প্রক্রিয়াজাত করা ছাড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর উপরের হাদীসগুলোতে মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পরে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তাঁর (আব্দুল্লাহ ইবন্ উকাইম রা) থেকে দ্বিতীয় এক সনদে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ওফাতের একমাস আগে আমাদের কাছে পত্র পাঠান যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।
(তাঁর থেকে এক তৃতীয় সনদে বর্ণিত হয়েছে,) তিনি বলেনঃ আমি অল্পবয়স্ক যুবক তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওফাতের একমাস বা দুইমাস পূর্বে জুহাইনা গোত্রের এলাকায় আমাদের নিকট তাঁর পত্র আসে যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।**
** টীকাঃ পূর্বের হাদীসগুলো থেকে জানা যায় যে, মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা বৈধ। কিন্তু উপরের এই হাদীস বাহ্যিক অর্থে তার বিপরীত। এজন্য কোনো কোনো ফকীহ্ মত প্রকাশ করেছেন যে, মৃতপশুর চামড়া ব্যবহারের অনুমতি শেষোক্ত এই হাদীসটি দ্বারা রহিত। কাজেই মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করলেও পবিত্র হবে না। ব্যবহার করাও বৈধ হবে না। ইমাম আহমদ ও কতিপয় ফকীহ শেষোক্ত হাদীসের ওপর নির্ভর করেছেন। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও ফকীহ বলেছেন যে, এই হাদীসের সাথে ওপরের হাদীসগুলোর কোনো বৈপরীত্য নেই। এই হাদীসে মৃত পশুর চামড়া দাবাগত বা প্রক্রিয়াজাত করা ছাড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর উপরের হাদীসগুলোতে মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পরে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
(তাঁর থেকে চতুর্থ এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে,) তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট পত্র পাঠিয়েছিলেন বা আমাদের নিকট তাঁর চিঠি আসছিল যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রাগ কাজে লাগাবে না।
(তাঁর থেকে পঞ্চম এক সনদে বর্ণিত হয়েছে) তিনি বলেন, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-রর চিঠি পাঠ করে শোনানো হয় যে, তোমরা মৃত পশুর চামড়া ও রগ কাজে লাগাবে না।**
** টীকাঃ পূর্বের হাদীসগুলো থেকে জানা যায় যে, মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা বৈধ। কিন্তু উপরের এই হাদীস বাহ্যিক অর্থে তার বিপরীত। এজন্য কোনো কোনো ফকীহ্ মত প্রকাশ করেছেন যে, মৃতপশুর চামড়া ব্যবহারের অনুমতি শেষোক্ত এই হাদীসটি দ্বারা রহিত। কাজেই মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করলেও পবিত্র হবে না। ব্যবহার করাও বৈধ হবে না। ইমাম আহমদ ও কতিপয় ফকীহ শেষোক্ত হাদীসের ওপর নির্ভর করেছেন। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও ফকীহ বলেছেন যে, এই হাদীসের সাথে ওপরের হাদীসগুলোর কোনো বৈপরীত্য নেই। এই হাদীসে মৃত পশুর চামড়া দাবাগত বা প্রক্রিয়াজাত করা ছাড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর উপরের হাদীসগুলোতে মৃত পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পরে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
كتاب الطهارة
(6) باب في عدم جواز الانتفاع من الميتة باهاب ولا عصب والجمع بينه وبين أحاديث الجواز
(62) عن عبد الله (1) عن عكيم الجهني قال أتانا كتاب النبى صلى الله عليه وسلم بارض جهينة وانا غلام شاب ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب (2)
(وعنه من طريق ثان) (1) قال كتب الينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل وفاته بشهر ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب
(وعنه من طريق ثالث) (2) قال اتانا كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم بارض جبينة قال وانا غلام شاب قبل وفاته بشهر او شهرين ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب
(وعنه من طريق رابع) (3) قال جاءنا أو قال كتب الينا رسول الله صلى الله غليه وسلم ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب
(وعنه من طريق خامس) (4) انه قال قرئ علينا كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ان لا تستمتعوا من الميتة بإهاب ولا عصب
(وعنه من طريق ثان) (1) قال كتب الينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل وفاته بشهر ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب
(وعنه من طريق ثالث) (2) قال اتانا كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم بارض جبينة قال وانا غلام شاب قبل وفاته بشهر او شهرين ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب
(وعنه من طريق رابع) (3) قال جاءنا أو قال كتب الينا رسول الله صلى الله غليه وسلم ان لا تنتفعوا من الميتة باهاب ولا عصب
(وعنه من طريق خامس) (4) انه قال قرئ علينا كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ان لا تستمتعوا من الميتة بإهاب ولا عصب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৭৩৩ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের পাত্র পবিত্রকরণ এবং ধৌত করে ব্যবহার করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৬৩) আবূ সা'লাবাহ খুশানী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সর্বদা সফরেই থাকি । চলার পথে ইহুদী, খ্রিষ্টান ও অগ্নি-উপাসকদের এলাকা অতিক্রম করতে হয়। আমরা তখন তাদের ব্যবহৃত পাত্র ছাড়া অন্য কোনো পাত্র পাই না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যদি তোমরা অন্য কোনো পাত্র না পাও তাহলে তা পানি দিয়ে ধৌত করে তারপর তাতে তোমরা পানাহার করবে।
তাঁর থেকে অন্য এক সূত্রে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, আমরা ইহুদী-খ্রিষ্টানদের এলাকায় বসবাস করি। তারা শুকরের মাংস খায় এবং মদপান করে। আমি কিভাবে তাদের হাড়ি, পাতিল, পানপাত্র ইত্যাদি ব্যবহার করব? তিন বলেনঃ যদি অন্য কিছু না পাও তাহলে সেগুলো পানি দিয়ে ধৌত করবে এবং তাতেই রান্না করবে ও পান করবে।
তাঁর থেকে অন্য এক সূত্রে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, আমরা ইহুদী-খ্রিষ্টানদের এলাকায় বসবাস করি। তারা শুকরের মাংস খায় এবং মদপান করে। আমি কিভাবে তাদের হাড়ি, পাতিল, পানপাত্র ইত্যাদি ব্যবহার করব? তিন বলেনঃ যদি অন্য কিছু না পাও তাহলে সেগুলো পানি দিয়ে ধৌত করবে এবং তাতেই রান্না করবে ও পান করবে।
كتاب الطهارة
(7) باب في تطهير آنية الكفار وجواز استعمالها بعد غسلها
(63) عن ابي ثعلبة الخشنى رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله انا أهل سفر نمر باليهود والنصارى والمجوس ولا نجد غير آنيتهم قال فان لم تجدوا غيرها فاغسلوها بالماء ثم كلوا فيها واشربوا
(وعنه من طريق اخر) (1) قلت يا رسول الله ان ارضنا ارض اهل كتاب وانهم يأكلون لحم الخنزير ويشربون الخمر فكيف اصنع بآنيتهم وقدورهم؟ قال ان لم تجدوا غيرها فارحضوها (2) واطبخوا فيها واشربوا<
(وعنه من طريق اخر) (1) قلت يا رسول الله ان ارضنا ارض اهل كتاب وانهم يأكلون لحم الخنزير ويشربون الخمر فكيف اصنع بآنيتهم وقدورهم؟ قال ان لم تجدوا غيرها فارحضوها (2) واطبخوا فيها واشربوا<
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫০১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের পাত্র পবিত্রকরণ এবং ধৌত করে ব্যবহার করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৬৪) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে বিভিন্ন যুদ্ধে মুশরিকদের থেকে যে সব যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য (গনীমত) লাভ করতাম তার মধ্যে পানি রাখার ভিস্তি এবং বিভিন্ন পান পাত্র থাকত। এগুলি সবই মৃত পশুর চামড়ার তৈরী।
كتاب الطهارة
(7) باب في تطهير آنية الكفار وجواز استعمالها بعد غسلها
br>(_64) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال كنا نصيب مع النبي
صلى الله عليه وسلم في مغانمنا من المشركين الاسقية والاوعية فنقسمها وكلا ميتة
صلى الله عليه وسلم في مغانمنا من المشركين الاسقية والاوعية فنقسمها وكلا ميتة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৮৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের পাত্র পবিত্রকরণ এবং ধৌত করে ব্যবহার করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৬৫) আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, একজন ইহুদী রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে পুরানো চর্বি দিয়ে যবের রুটি খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেন। তিনি তার দাওয়াত গ্রহণ করেন।
كتاب الطهارة
(7) باب في تطهير آنية الكفار وجواز استعمالها بعجد غسلها
(65) عن انس بن مالك رضى الله عنه ان يهوديا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الى خبز شعير واهالة سنخة (1) فاجابه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৫৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ খাদ্যের মধ্যে নাপাক দ্রব্য পতিত হলে তা পবিত্র করা প্রসঙ্গে
(৬৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে প্রশ্ন করা হয়, একটি ইঁদুর ঘিয়ের মধ্যে পড়ে মরে গিয়েছে, (এখন কী করণীয়)? তিনি বলেন, যদি ঘি জমাট বাঁধা হয় তাহলে ইঁদুরটি ও তার আশপাশের ঘি ফেলে দেবে এরপর বাকি ঘি খাবে। আর যদি ঘি তরল হয় তাহলে কিছুই খাবে না।
كتاب الطهارة
(8) باب في تطهير ما يؤكل اذا وقعت فيه نجاسة
(66) عن ابى هريرة رضى الله عنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن
فأرة وقعت فى سمن فماتت فقال ان كان جامدا فخذوها وما حولها ثم كلوا ما بقى وان كان مائعا فلا تأكلوه
فأرة وقعت فى سمن فماتت فقال ان كان جامدا فخذوها وما حولها ثم كلوا ما بقى وان كان مائعا فلا تأكلوه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৮৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ খাদ্যের মধ্যে নাপাক দ্রব্য পতিত হলে তা পবিত্র করা প্রসঙ্গে
(৬৭) আবূ যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাবির (ইবন আব্দুল্লাহ) (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম ইঁদুর যদি খাদ্য বা পানীয়ের মধ্যে মরে যায় তাহলে আমি সেই খাদ্য বা পানীয় খেতে পারি কি না? তিনি বলেন, না, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা খেতে নিষেধ করেছেন। আমরা কলসের মধ্যে ঘি রাখতাম । তিনি রাসূল (ﷺ) বলেন, যদি ইঁদুর এর মধ্যে মরে যায় তাহলে তোমরা তা খাবে না।
كتاب الطهارة
(8) باب في تطهير ما يؤكل اذا وقعت فيه نجاسة
(67) عن ابى الزبير قال سألت جابرا رضى الله عنه عن الفأرة تموت في الطعام والشراب أطعمه قال لا زجر (1) رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك كنا نضع السمن في الجرار (2) فقال اذا ماتت الفأرة فيه فلا تطعموه (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৭৯৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ খাদ্যের মধ্যে নাপাক দ্রব্য পতিত হলে তা পবিত্র করা প্রসঙ্গে
(৬৮) (আব্দুল্লাহ) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী-পত্নী মাইমূনা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, একটি ইঁদুর ঘিয়ের মধ্যে (দ্বিতীয় বর্ণনায়ঃ জমাটবাঁধা ঘিয়ের মধ্যে) পড়ে মরে যায়। তখন নবী (ﷺ)কে সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, ইঁদুরটি ও তার আশপাশের ঘি তুলে ফেলে দাও এবং বাকী ঘি খাও।
كتاب الطهارة
(8) باب في تطهير ما يؤكل اذا وقعت فيه نجاسة
(68) عن ابن عباس رضى الله عنهما عن ميمونة (زوج النبى صلى الله عليه وسلم أن فأرة وقعت فى سمن (زاد في رواية جامد) فماتت فسئل النبى صلى الله عليه وسلم فقال خذوها وما حولها فالقوه وكلوه (4)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৮২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পেশাব, বীর্যরস ও বীর্য বিষয়ক অধ্যায়সমূহ -পরিচ্ছেদঃ মানুষের পেশাবের বিধান
(৬৯) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একজন বেদুঈন এসে মসজিদে পেশাব করে । তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ পেশাবের ওপরে এক বালতি পানি ঢেলে দাও।
كتاب الطهارة
(1) أبواب حكم البول والمذى والمنى وغير ذلك - باب فيما جاء فى بول الآدمى
(69) عن انس ابن مالك رضى الله عنه قال جاء اعرابى فبال فى المسجد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أهريقوا عليه ذنوبا او سجلا من ماء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৪৮৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ মানুষের পেশাবের বিধান
(৭০) (প্রখ্যাত তাবিয়ী ফকীহ) হাম্মাদ (ইবন আবূ সুলাইম (মৃঃ ১২০ হি) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের মতে, পেশাব রক্তের মতই নাপাক। এক দিরহামের কম পরিমাপে হলে তাতে অসুবিধা নেই। [রক্ত, পেশাব ইত্যাদি নাপাক সামান্য পরিমাণে দেহে বা পোশাকে লাগলে তা ক্ষমার যোগ্য। কম ও বেশী পরিমাণের মধ্যে সীমারেখা দিরহাম বা রৌপ্যমুদ্রার আয়তন বা আকৃতি ।]
كتاب الطهارة
(1) باب فيما جاء فى بول الآدمى
(70) حدثنا عبد الله حدثنى ابى ثنا محمد ابن مقاتل ثنا ابن المبارك انا مسعر (1) عن حماد قال البول عندنا (2) بمنزلة الدم ما لم يكن قدر الدرهم فلا باس به
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭১
আন্তর্জাতিক নং: ৮৩৩১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদঃ মানুষের পেশাবের বিধান
(৭১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কবরের অধিকাংশ শাস্তি হবে পেশাবের কারণে।
كتاب الطهارة
(1) باب فيما جاء فى بول الآدمى
(71) عن ابى هريرة رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم قال اكثر عذاب القبر في البول
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭২
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৮৭৮ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭২) উম্মুল ফাদল (লুবাবা (রা)) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললাম, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমার বাড়িতে বা আমার কক্ষে আপনার একটি অঙ্গ রয়েছে। (অন্য বর্ণনায় আছে, আমি এই স্বপ্ন দেখে ভীত বিহ্বল হয়ে পড়েছি।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (স্বপ্নের ব্যাখ্যায়) বলেনঃ ইন্শা আল্লাহ, ফাতিমা একটি বালক শিশু প্রসব করবে এবং তুমি তার লালন-পালনের দায়িত্ব পাবে। এরপর ফাতিমা (রা) হাসানের (রা) জন্ম দেন এবং তাঁকে উম্মুল ফাদল (রা)-এর নিকট সমর্পণ করেন । তিনি তাঁকে কুসাম-এর সাথে দুধ পান করান। একদিন আমি তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে বেড়াতে আসি । নবীজী (ﷺ) তাঁকে নিয়ে তাঁর বুকের ওপরে রাখেন। তখন সে তাঁর বুকের ওপরে পেশাব করে দেয়। পেশাব তাঁর ইযার বা লুঙ্গিতে লাগে। তখন আমি তাঁর (শিশু হাসানের) কাঁধের ওপর আঘাত করলাম। (অপর বর্ণনায় আছে, আমি তাঁর কাঁধে মারলাম) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমার ছেলেকে তুমি ব্যথা দিলে! আল্লাহ তোমাকে সংশোধিত করুন!! অথবা বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে রহমত করুন!! উম্মুল ফাদল বলেন, আমি বললাম, আপনার লুঙ্গিটা খুলে আমাকে প্রদান করুন আমি তা ধুয়ে দিই। তিনি বলেন, শিশু কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয় আর শিশু পুত্রের পেশাবের ওপর পানি দিতে হয়।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সনদেও অনুরূপ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।) এই বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতেমা (রা) হাসানের জন্মদান করেন। এরপর আমাকে তাঁর দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং আমি তাঁর দুধপান করাই । যখন শিশু হাসান নড়াচড়া করতে শেখে বা তাঁর দুধ ছাড়ানো হয় তখন আমি তাঁকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যাই এবং তাঁকে তাঁর কোলের ওপর বসাই। তখন সে পেশাব করে দেয়। তখন আমি তাঁর কাঁধে আঘাত করি । তিনি বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে রহম করুন! আমার ছেলের সাথে দয়াদ্র ও নরম আচরণ কর। ......... এক বর্ণনায় তিনি বলেন, শিশু কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয় এবং শিশু পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয়।
(এ হাদীসের তৃতীয় এক বর্ণনায়) 'আতা' খুরাসানী উম্মুল ফাদল লুবাবা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি হাসান অথবা হুসাইনের দুধপান করাতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে আগমন করেন এবং একটি পানি ছিটানো (পরিষ্কার ঠাণ্ডা) স্থানে শয়ন করেন এবং শিশু হাসানকে তাঁর পেটের ওপর রাখেন। তখন সে পেটের উপর পেশাব করে। আমি দেখলাম যে, পেশাব তাঁর পেটের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে। তখন তাঁর গায়ে পানি ঢেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি উঠে একটি পানির পাত্র আনতে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উম্মুল ফাদল। শিশু-পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয় আর শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয়। (অন্য বর্ণনায়, বিশেষ করে ধৌত করতে হয়।)
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সনদেও অনুরূপ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।) এই বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতেমা (রা) হাসানের জন্মদান করেন। এরপর আমাকে তাঁর দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং আমি তাঁর দুধপান করাই । যখন শিশু হাসান নড়াচড়া করতে শেখে বা তাঁর দুধ ছাড়ানো হয় তখন আমি তাঁকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যাই এবং তাঁকে তাঁর কোলের ওপর বসাই। তখন সে পেশাব করে দেয়। তখন আমি তাঁর কাঁধে আঘাত করি । তিনি বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে রহম করুন! আমার ছেলের সাথে দয়াদ্র ও নরম আচরণ কর। ......... এক বর্ণনায় তিনি বলেন, শিশু কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয় এবং শিশু পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয়।
(এ হাদীসের তৃতীয় এক বর্ণনায়) 'আতা' খুরাসানী উম্মুল ফাদল লুবাবা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি হাসান অথবা হুসাইনের দুধপান করাতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে আগমন করেন এবং একটি পানি ছিটানো (পরিষ্কার ঠাণ্ডা) স্থানে শয়ন করেন এবং শিশু হাসানকে তাঁর পেটের ওপর রাখেন। তখন সে পেটের উপর পেশাব করে। আমি দেখলাম যে, পেশাব তাঁর পেটের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে। তখন তাঁর গায়ে পানি ঢেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি উঠে একটি পানির পাত্র আনতে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উম্মুল ফাদল। শিশু-পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয় আর শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয়। (অন্য বর্ণনায়, বিশেষ করে ধৌত করতে হয়।)
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(72) عن أم الفضل (1) (رضي الله عنها) قالت أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت إني رأيت في منامي في بيتي أو حجرتي عضوا من أعضائك. (وفي رواية زيادة فجزعت (2) من ذلك) قال تلد فاطمة إن شاء الله غلاما فتكفلينه (3) فولدت فاطمة حسنا، فدفعته إليها فأرضعته بلبن قثم (4) وأتيت به النبي صلى الله عليه وسلم يوما أزوره، فأخذه النبي صلى الله عليه وسلم فوضعه على صدره فبال على صدره فأصاب البول إزاره، فزخخت (5) بيدي على كتفيه (وفي رواية فضربت بين كتفيه) فقال أوجعت ابني أصلحك الله أو قال رحمك الله، فقلت أعطني إزارك أغسله، فقال إنما يغسل بول الجارية ويصب (6) على بول الغلام
(وعنها من طريق ثان (7) بنحوه) وفيه فولدت حسنا فأعطيته فأرضعته حتى تحرك أو فطمته، ثم جئت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلسته في حجره فبال، فضربت بين كتفيه فقال ارفقي بابني رحمك الله (وفيه أيضا) قال إنما يغسل
بول الجارية وينضح بول الغلام
(ومن طريق ثالث) (1) عن عطاء الخرسانى عن لبابة ام الفضل (رضى الله عنها) انها كانت ترضع الحسن والحسين قالت فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فاضطجع في مكان مرشوش فوضعه على بطنه فبال على بطنه فرأيت البول يسيل على بطنه فقمت الى قربة لاصبها عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ام الفضل ان بول الغلام يصب عليه الماء وبول الجارية يغسل وقال بهز غسلا (2)
(وعنها من طريق ثان (7) بنحوه) وفيه فولدت حسنا فأعطيته فأرضعته حتى تحرك أو فطمته، ثم جئت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلسته في حجره فبال، فضربت بين كتفيه فقال ارفقي بابني رحمك الله (وفيه أيضا) قال إنما يغسل
بول الجارية وينضح بول الغلام
(ومن طريق ثالث) (1) عن عطاء الخرسانى عن لبابة ام الفضل (رضى الله عنها) انها كانت ترضع الحسن والحسين قالت فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فاضطجع في مكان مرشوش فوضعه على بطنه فبال على بطنه فرأيت البول يسيل على بطنه فقمت الى قربة لاصبها عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ام الفضل ان بول الغلام يصب عليه الماء وبول الجارية يغسل وقال بهز غسلا (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৯০৫৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৩) আবূ লাইলা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকট বসে ছিলাম। এমতাবস্থায় হাসান ইবন্ আলী (রা) হামাগুড়ি দিয়ে সেখানে আসেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বুকের ওপর উঠে পেশাব করেন। (অন্য বর্ণনায়, আমি তাঁর পেশাব রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পেটের ওপর দেখতে পেলাম।) তিনি বলেন, তখন আমরা তাড়াহুড়ো করে তাঁকে (তাঁর বুক থেকে উঠিয়ে নিতে উদ্যত হলাম। তখন নবী (ﷺ) বলেন, আমার ছেলে! আমার ছেলে!! (অন্য বর্ণনায়ঃ আমার ছেলেকে ছাড়। তাকে ভয় পাইয়ে দিও না। তাকে মূত্রত্যাগ শেষ করতে দাও।) এরপর তিনি পানি চেয়ে নেন এবং পেশাবের ওপর ঢেলে দেন।
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(73) عن ابى ليلى رضى الله عنه قال كنا عند النبى صلى الله عليه وسلم فجاء الحسن ابن على يحبو حتى صعد على صدره فبال عليه (وفي رواية حتى رأيت بوله على بطن رسول الله صلى الله عليه وسلم) قال فابتدرناه (3) لنأخذه فقال النبى صلى الله عليه وسلم ابني ابني (وفي رواية دعوا ابني لا تفزعوه حتى يقضى بوله) ثم دعا بماء فصب عليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৪১৯২ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৪) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে শিশুদের আনা হতো এবং তিনি তাদের জন্য দু'আ করতেন। একবার এক শিশুকে তাঁর নিকট আনয়ন করা হয় তখন সে তাঁর দেহে পেশাব করে দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ পেশাবের ওপরে ভাল করে পানি ঢাল।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায় আছেঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট একটি শিশুকে তাহনীক করানোর (জন্মের পরেই নবজাতকের মুখে খাদ্যের ছোঁয়া লাগানো) জন্য আনয়ন করা হয় । তিনি শিশুকে তাঁর কোলে বসান। তখন সে তাঁর কোলে পেশাব করে দেয়। তিনি পানি চেয়ে নিয়ে পেশাবের স্থানে পানি ঢেলে দেন । (হাদীসের এক বর্ণনাকারী) ওকী' বলেনঃ তিনি পেশাবের স্থানে পানি ঢেলে দেন কিন্তু কাপড়টি পুরোপুরি ধৌত করেন নি।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায় আছেঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট একটি শিশুকে তাহনীক করানোর (জন্মের পরেই নবজাতকের মুখে খাদ্যের ছোঁয়া লাগানো) জন্য আনয়ন করা হয় । তিনি শিশুকে তাঁর কোলে বসান। তখন সে তাঁর কোলে পেশাব করে দেয়। তিনি পানি চেয়ে নিয়ে পেশাবের স্থানে পানি ঢেলে দেন । (হাদীসের এক বর্ণনাকারী) ওকী' বলেনঃ তিনি পেশাবের স্থানে পানি ঢেলে দেন কিন্তু কাপড়টি পুরোপুরি ধৌত করেন নি।
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(74) عن عائشة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤتى بالصبيان فيدعو لهم وانه اتى بصبى فبال عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صبوا عليه الماء صبا
(وعنها من طريق اخر) (4) ان النبى صلى الله عليه وسلم اتى بصبى ليحنكه (5) فأجلسه
في حجره (1) فبال عليه فدعا بماء فاتبعه اياه قال وكيع فاتبعه اياه ولم يغسله
(وعنها من طريق اخر) (4) ان النبى صلى الله عليه وسلم اتى بصبى ليحنكه (5) فأجلسه
في حجره (1) فبال عليه فدعا بماء فاتبعه اياه قال وكيع فاتبعه اياه ولم يغسله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৯৯৬ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৫) উম্মু কাইস বিন্তু মুহসিন (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার এক শিশু-পুত্রকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গমন করি। শিশুটি তখনো খাদ্য খাওয়ার মত বড় হয় নি। (হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন্ শিহাব) আল-যুহরী বলেনঃ তখন থেকেই সুন্নত বা রীতিতে পরিণত হয় যে, শিশু-পুত্রের পেশাবে পানি ছিটাতে হবে এবং শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হবে।
তাঁর থেকে অন্য এক বর্ণনায় অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে, তিনি শিশুটিকে তাঁর কোলে বসান। তখন সে তাঁর দেহে পেশাব করে দেয়। তখন তিনি পানি চেয়ে নিয়ে তা পেশাবের উপর ছিটিয়ে দেন। শিশুটি তখনো খাদ্য খাওয়ার মত বড় হয় নি। (হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন্ শিহাব) আয-যুহরী বলেন, তখন থেকেই সুন্নত বা রীতিতে পরিণত হয় যে, শিশু-পুত্রের পেশাবে পানি ছিটাতে হবে এবং শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হবে।
তাঁর থেকে অন্য এক বর্ণনায় অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে, তিনি শিশুটিকে তাঁর কোলে বসান। তখন সে তাঁর দেহে পেশাব করে দেয়। তখন তিনি পানি চেয়ে নিয়ে তা পেশাবের উপর ছিটিয়ে দেন। শিশুটি তখনো খাদ্য খাওয়ার মত বড় হয় নি। (হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন্ শিহাব) আয-যুহরী বলেন, তখন থেকেই সুন্নত বা রীতিতে পরিণত হয় যে, শিশু-পুত্রের পেশাবে পানি ছিটাতে হবে এবং শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হবে।
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(75) عن ام قيس بنت محصن رضى الله عنها قالت دخلت على النبى صلى الله عليه وسلم بابن لي لم يطعم (2) فبال عليه فدعا بماء فرشه عليه
(وعنها من طريق اخر (3) بنحوه) وفيه فوضعه فى حجره فبال عليه فدعا بماء فنضحه ولم يكن الصبى بلغ ان يأكل الطعام قال الزهرى فمضت السنة بأن يرش بول الصبى ويغسل بول الجارية
(وعنها من طريق اخر (3) بنحوه) وفيه فوضعه فى حجره فبال عليه فدعا بماء فنضحه ولم يكن الصبى بلغ ان يأكل الطعام قال الزهرى فمضت السنة بأن يرش بول الصبى ويغسل بول الجارية
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৬৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৬) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শিশু-পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হবে এবং শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হবে (হাদীসের বর্ণনাকারী তাবেয়ী) কাতাদাহ্ (মৃঃ ১১৫হি) বলেনঃ যদি শিশুরা খাদ্য গ্রহণ না করে তাহলে এই বিধান। আর যদি তারা খাদ্য গ্রহণ করে তাহলে শিশু-পুত্র ও শিশু-কন্যা উভয়ের পেশাব ধুতে হবে।
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(76) عن على رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بول الغلام ينضح وبول الجارية يغسل قال قتادة (5) هذا ما لم يطعما فاذا طعما غسل بولهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৩৭০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৭) উম্মু কুরয আল-খুযাইয়্যাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট একজন শিশু-পুত্রকে আনয়ন করা হয়। শিশুটি তাঁর দেহে পেশাব করে। তখন তাঁর নির্দেশে পেশাবের উপর পানি ঢেলে দেওয়া হয়। অন্য এক ঘটনায় একটি কন্যাশিশুকে তাঁর নিকট আনয়ন করা হয়। মেয়েটি তাঁর দেহে পেশাব করে দেয়। তখন তাঁর নির্দেশে তা ধোয়া হয়।
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(77) عن أم كرز الخزاعية رضى الله عنها قالت اتى النبى صلى الله عليه وسلم بغلام فبال عليه فامر به فنضح واتى بجارية فبالت عليه فامر به فغسل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৫০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৮) (আব্দুল্লাহ) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, (আব্বাস (রা)-এর স্ত্রী) উম্মুল ফাদল বিনতে হারিস (রা) আব্বাস (রা)-এর মেয়ে উন্মু হাবীবাকে নিয়ে আসেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কোলে রাখেন। মেয়েটি তখন পেশাব করে। তখন উম্মুল ফাদল (রা) মেয়েটিকে তাঁর কোল থেকে টেনে নেন এবং তার কাঁধে কিল মারেন। অতঃপর আবার টেনে নেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমাকে এক পাত্র পানি দাও। তিনি পানিটুকু পেশাবের স্থানে ঢেলে দেন। এরপর তিনি বলেনঃ পেশাবের স্থানে পানি বইয়ে দাও।**
** টীকাঃ মুসলিম উম্মাহর সকল ফকীহ্ একমত যে, সকল শিশুর মূত্র অপবিত্র। তবে দুগ্ধপোষ্য শিশুর পেশাব থেকে পোশাক বা দেহে পবিত্র করার পদ্ধতির বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। উপরের হাদীসগুলির আলোকে ইমাম আহমদ, ইমাম শাফিয়ী ও অন্যান্য অনেক ফকীহ্ বলেন যে, দুগ্ধপোষ্য শিশুপুত্রের পেশাবের স্থানে পানি ঢেলে দিলেই তা পবিত্র হয়ে যাবে। আর শিশু-কন্যার পেশাব পানি ঢালার পরে ধুয়ে নিংড়াতে হবে। অপর দিকে ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালিক ও অন্য অনেক ফকীহ্ বলেন যে, উভয়ের পেশাবই ধৌত করতে হবে। তাদের মতে বালক শিশুর পেশাব সাধারণভাবে নির্দিষ্ট ধারায় পতিত হয়। সেহেতু সেক্ষেত্রে পেশাবের স্থান চিহ্নিত করে সেই স্থানে পানি ঢেলে ধুয়ে নেওয়া যায়। আর বালিকা শিশুর পেশাবের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়; এই নির্দেশনাই দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বলেনঃ আরবীতে এভাবে 'পানি ছিটানো' বা 'পানি ঢালা' বলতে 'ধোয়া' বা 'হালকা ধোয়া' বুঝানো হয়ে থাকে। পরবর্তী 'মযী' সংক্রান্ত হাদীসগুলির মধ্যে আমরা এর কিছু উদাহরণ দেখতে পাব।
** টীকাঃ মুসলিম উম্মাহর সকল ফকীহ্ একমত যে, সকল শিশুর মূত্র অপবিত্র। তবে দুগ্ধপোষ্য শিশুর পেশাব থেকে পোশাক বা দেহে পবিত্র করার পদ্ধতির বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। উপরের হাদীসগুলির আলোকে ইমাম আহমদ, ইমাম শাফিয়ী ও অন্যান্য অনেক ফকীহ্ বলেন যে, দুগ্ধপোষ্য শিশুপুত্রের পেশাবের স্থানে পানি ঢেলে দিলেই তা পবিত্র হয়ে যাবে। আর শিশু-কন্যার পেশাব পানি ঢালার পরে ধুয়ে নিংড়াতে হবে। অপর দিকে ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালিক ও অন্য অনেক ফকীহ্ বলেন যে, উভয়ের পেশাবই ধৌত করতে হবে। তাদের মতে বালক শিশুর পেশাব সাধারণভাবে নির্দিষ্ট ধারায় পতিত হয়। সেহেতু সেক্ষেত্রে পেশাবের স্থান চিহ্নিত করে সেই স্থানে পানি ঢেলে ধুয়ে নেওয়া যায়। আর বালিকা শিশুর পেশাবের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়; এই নির্দেশনাই দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বলেনঃ আরবীতে এভাবে 'পানি ছিটানো' বা 'পানি ঢালা' বলতে 'ধোয়া' বা 'হালকা ধোয়া' বুঝানো হয়ে থাকে। পরবর্তী 'মযী' সংক্রান্ত হাদীসগুলির মধ্যে আমরা এর কিছু উদাহরণ দেখতে পাব।
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(78) عن ابن عباس رضى الله عنهما قال جاءتام الفضل ابنة الحارث بأم حبيبة بنت عباس فوضعتها في حجر رسول الله صلى الله عليه وسلم فبللت فاختلجتها (1) ام الفضل ثم لكمت (2) بين كتفيها ثم اختلجتها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اعطيني قدحا من ماء فصبه على مبالها (3) ثم قال اسلكوا الماء في سبيل البول
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৩৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ উটের পেশাব প্রসঙ্গে
(৭৯) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, উল গোত্রের কিছু মানুষ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আগমন করেন। কিন্তু মদিনার আবহাওয়া তাদের অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে (মদীনার বাইরে চারণ-ভূমিতে) কয়েকটি দুধেল উটনীর দেখাশোনার দায়িত্ব প্রদান করেন এবং তাদেরকে উটগুলির দুধ ও পেশাব পানের নির্দেশ দেন।
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء في بول الابل
(79) عن أنس ابن مالك رضى الله عنه أن أناسا أتوا النبى صلى الله عليه وسلم من مكل (1) فاجتووا المدينة فامر لهم بذود (2) لقاح فأمرهم أن يشربوا من ابوالها والبانها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯৭৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মযী বা যৌন উত্তেজনা জনিত রস প্রসঙ্গে
(৮০) সাহল ইবন্ (হুনাইফ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মযী যৌন উত্তেজনার কারণে নির্গত রসের জন্য খুব কষ্ট পেতাম এবং এ জন্য বেশী বেশী গোসল করতাম। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করি । তিনি বলেন, এ জন্য তোমার ওযূ করাই যথেষ্ট। তখন আমি বললাম, আমার কাপড়ে যদি মযী লাগে তাহলে আমি সে কাপড়ের কি করব? তিনি বলেন, তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, তুমি এক হাতের তালুতে পানি নিয়ে তোমার কাপড়ের যেখানে তা লেগেছে সেই স্থানটুকু মুছে নেবে।
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في المذى
(80) عن سهل ابن حنيف رضى الله عنه قال كنت القى من المذي
شدة فكنت أكثر الاغتسال منه فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال انما يجزيك منه الوضوء فقلت كيف بما يصيب ثوبى فقال يكفيك أن تأخذ كفا من ماء فتمسح بها مكن ثوبك حيث ترى أنه أصاب
شدة فكنت أكثر الاغتسال منه فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال انما يجزيك منه الوضوء فقلت كيف بما يصيب ثوبى فقال يكفيك أن تأخذ كفا من ماء فتمسح بها مكن ثوبك حيث ترى أنه أصاب
তাহকীক: